?> সংঘাতের স্থায়ী সমাধান চান পুতিন | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

সংঘাতের স্থায়ী সমাধান চান পুতিন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

সংঘাতের স্থায়ী সমাধান চান পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে ভবিষ্যৎ আলোচনায় রাশিয়া ও ইউক্রেন—উভয় দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুরো ইউরোপের নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে আলোচনা করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রুশ টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। এর এক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠক করেন পুতিন। সাক্ষাৎকারে তিনি নিশ্চিত করেন, আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনা আবার শুরু করতে প্রস্তুত রাশিয়া।

পুতিন আবারও ক্রেমলিনের দীর্ঘদিনের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, রাশিয়া কখনো যুদ্ধ শুরু করতে চায়নি। তবে মস্কোর গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয়গুলোতে ইউক্রেনের কাছ থেকে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

পুতিন বলেন, বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ইতিবাচক ফল আনতে পারে। তবে রাশিয়া কেবল স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতি নয়, বরং সংঘাতের স্থায়ী সমাধান চায়।

তিনি বলেন, আলোচনার লক্ষ্য হবে চূড়ান্ত শান্তিচুক্তির পর রাশিয়া ও ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। অল্প সময়ের জন্য সাময়িক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জন করা যাবে না। এ লক্ষ্য পূরণে আমরা আবার আলোচনা শুরু করতে প্রস্তুত।

পুতিন আরও জানান, উইটকফও পুরো ইউরোপের নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে আলোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। এ বিষয়ে তিনি একমত বলেও জানান।

অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, তাঁর দেশ আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। মঙ্গলবার নরওয়েতে উইটকফের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি জানান, আগামী মাসের শুরুর দিকে আলোচনা হতে পারে।

জেলেনস্কি বলেন, যুদ্ধবিরতি, যুদ্ধের অবসান, জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ এবং মানবিক উদ্যোগসহ যেকোনো প্রস্তাবকে সমর্থন করে ইউক্রেন।

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা গত ফেব্রুয়ারিতে থমকে যায়। ওই সময় ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত শুরু হয়।

যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় সবচেয়ে জটিল বিষয়গুলোর একটি হলো ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ। রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দনবাসের পুরো এলাকা ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। তবে বর্তমানে ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে থাকা ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে কিয়েভ।

সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করল ট্রাম্প প্রশাসন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করল ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে এখন পর্যন্ত ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে তার প্রশাসন। দেশটিতে অবৈধ অভিবাসনবিরোধী ব্যাপক অভিযান অব্যাহত থাকার মধ্যে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভিসা বাতিলের হার আরও বেড়েছে। গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত এক তথ্যে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদ শুরু হওয়ার পর থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, ‘ইতিহাসের যেকোনো প্রশাসনের তুলনায় ট্রাম্প প্রশাসন দ্রুতগতিতে বেশি ভিসা বাতিল করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশিদের আইন ভঙ্গ, জালিয়াতি কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টির বিষয়ে প্রশাসনের কোনো ছাড় নেই।

ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, অভিবাসনবিরোধী অভিযান ও বহিষ্কার কার্যক্রমের লক্ষ্য দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা। তবে মানবাধিকারকর্মীদের অভিযোগ, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘুদের মধ্যে জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে হয়রানির আশঙ্কা বেড়েছে।

মানবাধিকারকর্মীদের সমালোচনার মুখে পড়া ভিসা বাতিলের ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ফিলিস্তিনপন্থী বিদেশি নাগরিকদের ভিসা বাতিল এবং রক্ষণশীল ভাষ্যকার চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করার কারণে বিদেশিদের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ।

এ ছাড়া বিদেশি বিক্ষোভকারীদের বহিষ্কারের উদ্যোগের পাশাপাশি অভিবাসী ও ভিসাপ্রার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম যাচাই-বাছাই আরও কঠোর করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

মানবাধিকারকর্মীদের দাবি, সরকার জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি ব্যবহার করে সমালোচকদের লক্ষ্যবস্তু করছে। পাশাপাশি বিচ্ছিন্ন কিছু জালিয়াতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিনেসোটার সোমালি-আমেরিকান সম্প্রদায়ের মতো অভিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপকভাবে নজরদারি ও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তার প্রশাসনের বিভিন্ন পদক্ষেপে বৈধ অভিবাসনের পথও কঠিন হয়েছে। এর উদাহরণ হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু কর্মভিসার ক্ষেত্রে উচ্চ ফি আরোপের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স


ইরানের ২ নম্বর শর্ত
হরমুজের নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেলপ্রতি গুনতে হবে ১ ডলার

প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল, ২০২৬

হরমুজের নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেলপ্রতি গুনতে হবে ১ ডলার


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতির সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেসব জাহাজ চলাচল করবে তাদের প্রতি ব্যারেলের জন্য ১ ডলারের সমপরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সি দিতে হবে। ইরানের ১০ দফা শর্তের ২ নম্বর দফায় হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের একচ্ছত্র অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

এদিকে যুদ্ধবিরতির পরপরই হরমুজে টোল আদায়ের জন্য ইরানের সঙ্গে একটি ‘যৌথ উদ্যোগ’ গঠনের কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার (৮ এপ্রিল) ইরানের তেল, গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানিকারক ইউনিয়নের মুখপাত্র হামিদ হোসেইনির বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করে দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।

মুখপাত্র বলেন, প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য ১ ডলার খরচ হবে এবং জাহাজগুলোকে তারা কী বহন করছে সে তথ্য ইরানি কর্তৃপক্ষকে ইমেইলের মাধ্যমে জানাতে হবে।

হোসেইনি বলেন, ই-মেইল পাওয়ার পর এবং ইরান যাচাই শেষ করলে, জাহাজগুলোকে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বিটকয়েনে অর্থ পরিশোধ করতে হবে, যাতে নিষেধাজ্ঞার কারণে তা অনুসরণ বা জব্দ করা না যায়।

তিনি আরও জানান, এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে যাতে কোনো অস্ত্র এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা না হয়।

তিনি বলেন, সব কিছুই যেতে পারবে, তবে প্রতিটি জাহাজের জন্য প্রক্রিয়াটি সময় নেবে এবং ইরান তাড়াহুড়ো করছে না।

এদিকে বুধবার (৮ এপ্রিল) ট্রাম্প বলেন, র বিষয়টি বিবেচনা করছে। তিনি এবিসি নিউজের সাংবাদিক জনাথন কার্লকে বলেন, ‘আমরা এটিকে একটি যৌথ উদ্যোগ হিসেবে করার কথা ভাবছি। এটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় এবং অন্যদের থেকেও সুরক্ষা দেবে। এটি একটি ভালো বিষয়।’

হরমুজ প্রণালি ইরানের উপকূলের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটি কার্যত বন্ধ। ফলে তেলের দাম বেড়ে গেছে। কারণ আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হতো।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করবেন বলে ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এর পরপরই তেলের দাম কমতে শুরু করে।

একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, ইরান বৃহস্পতি বা শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সীমিতভাবে, ইরানের নিয়ন্ত্রণে প্রণালিটি খুলে দিতে পারে।

অন্যদিকে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ইরান মধ্যস্থতাকারীদের বলেছে যে তারা টোল আদায় করবে এবং প্রতিদিন প্রায় ১২টি জাহাজ চলাচলের সীমা নির্ধারণ করবে।


একই পরিবারের ৪ বাংলাদেশি আহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, একই পরিবারের ৪ বাংলাদেশি আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ মে, ২০২৬

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, একই পরিবারের ৪ বাংলাদেশি আহত

লেবাননে ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযান ক্রমেই ভয়াবহ মানবিক সংকটে রূপ নিচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলে নতুন করে চালানো হামলায় বহু হতাহতের পাশাপাশি এবার একই পরিবারের চার বাংলাদেশি নাগরিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত এবং ৫৮ জন আহত হয়েছেন বলে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। আহতদের মধ্যে নাভানিয়া এলাকায় ড্রোন হামলার শিকার হওয়া চার বাংলাদেশিও রয়েছেন। তারা একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় একযোগে বিমান ও ড্রোন হামলা চালানোর পাশাপাশি ইসরায়েল নতুন করে এলাকা খালি করার নির্দেশ জারি করেছে। এতে হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন সদস্য রয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে সাইদা ও টাইরকে সংযুক্তকারী গুরুত্বপূর্ণ আদলুন মহাসড়ক দিয়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার সময় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দক্ষিণ লেবাননের আবাসিক এলাকা, সড়ক ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা আরও তীব্র করেছে ইসরায়েল। লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নাভানিয়া এলাকায় হামলায় তাদের এক সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণ লেবানন ও পশ্চিম বেকা উপত্যকায় সাম্প্রতিক কয়েকটি হামলায় আরও কয়েকজন লেবানিজ সেনা প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে টাইর ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা খালি করার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। বাসিন্দাদের দ্রুত জাহরানি নদীর উত্তরে সরে যেতে বলা হয়েছে, যা লেবানন-ইসরায়েল সীমান্ত থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে।

টাইর শহরে রাতভর চালানো বিমান হামলায় একটি ভবন ও একটি ক্যাফেতে আগুন ধরে যায়। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছেন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, তারা হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। তবে বাস্তবে এসব হামলায় বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বেসামরিক এলাকা ও জনবসতি। আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি সতর্ক করে বলেছে, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ধারাবাহিক হামলা সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে এবং এতে মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে।