?> মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীকে পরিবারসহ সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীকে পরিবারসহ সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীকে পরিবারসহ সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ

সৌদি আরব থেকে মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীকে পরিবারসহ দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। একইসঙ্গে ওই অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।

টমি পিগট বলেছেন, ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ক্রমেই বেশি শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে। এর মধ্যে দেশটির বেসামরিক বিমানবন্দরসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলাও রয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক মানুষ হতাহত হচ্ছেন। পাশাপাশি যাতায়াতব্যবস্থায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে।

টমি পিগট আরও বলেন, ‘মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’

মধ্যপ্রাচ্যের একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, কাতার ও বাহরাইন থেকেও মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তবে টমি পিগট জোর দিয়ে বলেছেন, বুধবারের নির্দেশটি শুধু সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাসের যেসব কর্মীর আপাতত থাকা জরুরি নয়, তাদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য।

এর আগে, বুধবার জারি করা এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানিয়েছে, মার্কিন নাগরিকদের বিমানবন্দরে সম্ভাব্য হামলা এবং সাধারণ যাতায়াতব্যবস্থায় বিঘ্নের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুথিদের ধারাবাহিক প্রাণঘাতী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন নাগরিকদের জন্য এই বার্তা দেয়া হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সৌদি সামরিক স্থাপনা, তেল অবকাঠামো এবং সামুদ্রিক নৌযান চলাচল।

নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন আকাশযান (ইউএভি) হামলার পর সৌদি আরবে কর্মরত মার্কিন সরকারি কর্মচারীদের দেশটির যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহারের জন্য মিশনপ্রধানের কাছ থেকে বিশেষ অনুমোদন নিতে হবে।


নেতানিয়াহুকে সমর্থন দিলেন ট্রাম্প

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

নেতানিয়াহুকে সমর্থন দিলেন ট্রাম্প

ইসরায়েলের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনের আগে দেশটির দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও তার ডানপন্থি লিকুদ পার্টি কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুকে ‘মহান যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক হামলায় অংশ নেওয়ার জন্যও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে কৃতিত্ব দেন তিনি।

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সপ্তম মাসে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। এ যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিও চাপে পড়েছে।

ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেন, ইসরায়েলের ভেতর থেকেও বিরোধিতার মুখে পড়েছেন নেতানিয়াহু। এত বাধা সত্ত্বেও তিনি শক্তিশালী, সাহসী ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। কঠিন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ চাপের কাছে নতি স্বীকার করলেও নেতানিয়াহু আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছেন বলে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ইসরায়েলের জনগণের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহু যাতে আবারও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, সে জন্য তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছেন তিনি।

তবে ট্রাম্পের এই সমর্থন নেতানিয়াহু বা তার দলের নির্বাচনী অবস্থান কতটা শক্তিশালী করবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় ইসরায়েলি জনগণের মধ্যে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমেছে।

বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনের পর সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত স্পষ্ট সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। ইসরায়েলে সরাসরি জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন না। পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দলের মধ্যে জোট গঠনের মাধ্যমে সরকার গঠন করা হয়।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর এটিই হবে ইসরায়েলের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ওই হামলার পর ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ শুরু করে। পরে লেবানন ও ইরানকে ঘিরেও সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে অস্থির করে তোলে।

এবারের নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করতে পারে, ইসরায়েলের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংকটময় সময় পার করে নেতানিয়াহু ক্ষমতায় টিকে থাকবেন, নাকি মধ্যপন্থি প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে পরাজিত হবেন। বিরোধী নেতারা ক্ষমতায় এলে দেশটিতে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় শুরুর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

ট্রাম্পের সমর্থনের জন্য নেতানিয়াহুও দ্রুত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘প্রিয় বন্ধু ডোনাল্ড’ বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে লেখেন, ‘একসঙ্গে আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণ করব।

সূত্র: রয়টার্স


একই পরিবারের ৪ বাংলাদেশি আহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, একই পরিবারের ৪ বাংলাদেশি আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ মে, ২০২৬

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, একই পরিবারের ৪ বাংলাদেশি আহত

লেবাননে ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযান ক্রমেই ভয়াবহ মানবিক সংকটে রূপ নিচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলে নতুন করে চালানো হামলায় বহু হতাহতের পাশাপাশি এবার একই পরিবারের চার বাংলাদেশি নাগরিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত এবং ৫৮ জন আহত হয়েছেন বলে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। আহতদের মধ্যে নাভানিয়া এলাকায় ড্রোন হামলার শিকার হওয়া চার বাংলাদেশিও রয়েছেন। তারা একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় একযোগে বিমান ও ড্রোন হামলা চালানোর পাশাপাশি ইসরায়েল নতুন করে এলাকা খালি করার নির্দেশ জারি করেছে। এতে হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন সদস্য রয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে সাইদা ও টাইরকে সংযুক্তকারী গুরুত্বপূর্ণ আদলুন মহাসড়ক দিয়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার সময় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দক্ষিণ লেবাননের আবাসিক এলাকা, সড়ক ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা আরও তীব্র করেছে ইসরায়েল। লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নাভানিয়া এলাকায় হামলায় তাদের এক সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণ লেবানন ও পশ্চিম বেকা উপত্যকায় সাম্প্রতিক কয়েকটি হামলায় আরও কয়েকজন লেবানিজ সেনা প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে টাইর ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা খালি করার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। বাসিন্দাদের দ্রুত জাহরানি নদীর উত্তরে সরে যেতে বলা হয়েছে, যা লেবানন-ইসরায়েল সীমান্ত থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে।

টাইর শহরে রাতভর চালানো বিমান হামলায় একটি ভবন ও একটি ক্যাফেতে আগুন ধরে যায়। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছেন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, তারা হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। তবে বাস্তবে এসব হামলায় বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বেসামরিক এলাকা ও জনবসতি। আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি সতর্ক করে বলেছে, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ধারাবাহিক হামলা সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে এবং এতে মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে।


ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর, ২০২৬

ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পূর্ব ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে ধরপাকড় শুরু করেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির পুলিশ। ইতোমধ্যে ভারতীয় ইউটিউবার ও ইনফ্লুয়েন্সার ধ্রুব রাঠিসহ অন্তত ১ হাজার জনকে আটক করা হয়েছে।ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ শনিবার সকাল ১০ টার দিকে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল সিজেপি। সেই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল ধ্রুব রাঠির। শনিবার ভোরে তাকে রাজধানী সংলগ্ন শহর গুরুগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ।