?> গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধের নির্দেশ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের-আইসিজে | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধের নির্দেশ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের-আইসিজে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪

গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধের নির্দেশ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের-আইসিজে

বার্তাবেলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তবে গাজায় ইসরালের সামরিক অভিযান বন্ধের যে আদেশ দক্ষিণ আফ্রিকা চেয়েছিল, তাতে সায় দেয়নি জাতিসংঘের এ সর্বোচ্চ আদালত।

ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গণহত্যা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত। শুক্রবারের (২৬ জানুয়ারি) এই রায়ে বলা হয়েছে, ইসরায়েলকে নিশ্চিত করতে হবে যে তার বাহিনী গাজায় আর গণহত্যা চালাবে না ও ‘কথিত’ গণহত্যার প্রমাণ সংরক্ষণ নিশ্চিত করবে।

শুক্রবার গাজা উপত্যকায় গণহত্যা নিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার করা মামলার রুল জারি করেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত। এতে গাজায় গণহত্যা বন্ধে সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইসরায়েলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে গাজায় ইসরায়েলকে তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক অভিযান বন্ধের নির্দেশ আদালত দেননি।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) দেওয়া অন্তবর্তীকালীন রায়ে আদালতের প্রেসিডেন্ট মার্কিন বিচারক জে দোঙ্গু বলেন, গাজায় যাতে গণহত্যা না ঘটে সেজন্য সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইসরায়েলকে নির্দেশ দিচ্ছেন আদালত। একই সঙ্গে গাজায় মানবিক পরিস্থিতির উন্নয়নে সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে হবে ইসরায়েলকেই।

রায়ে আরও বলা হয়, গাজা উপত্যকায় পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে দিতে হবে ও গাজার সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে হবে। এছাড়া ইসরায়েলকে এক মাসের মধ্যে গাজায় ত্রাণ পৌঁছানো ও গণহত্যা প্রতিরোধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে আদালতের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

আইসিজে তার অন্তবর্তীকালীন রায়ে আরও বলেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার যে অভিযোগ তুলেছে, সেসব অভিযোগের সঙ্গে কিছু বিষয়ের মিল রয়েছে। এ কারণে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এ মামলা চলবে।

আরও পড়ুন: গাজার ক্ষুধার্ত মায়েদের বুকে দুধ নেই, অনাহারে লাখ লাখ শিশু

আইসেজি’র বিচারক জে দোঙ্গু এর আগে বলেছিলেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে করা মামলায় রায় দেওয়ার ক্ষমতা এই আদালতের রয়েছে ও ইসরায়েলের অনুরোধে আমরা এই মামলা খারিজ করে দেবো না।

গাজায় নির্বচারে হামলা ও গণহত্যার অভিযোগে ইসরায়েলকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে গত বছরের শেষদিকে আইসিজেতে মামলা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। চলতি মাসের শুরুতে আদালতে মামলাটির দুই দিনের শুনানি হয়।

শুনানিতে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়, আদালত যেন জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েলকে গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধের নির্দেশ দেন। এছাড়া জেনোসাইড (গণহত্যা) কনভেনশনের আওতায় ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারের সুরক্ষার বিষয়টিও যাতে নিশ্চিত করা হয়।

দখলদার ইসরায়েল আদালতকে এই মামলা সরাসরি খারিজ করে দিতে বলেছিল। বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি সরকারের একজন মুখপাত্র বলেছিলেন, তারা আশা করছেন, জাতিসংঘের শীর্ষ আদালত এই মিথ্যা অভিযোগগুলোকে অস্বীকার করবেন।

কিন্তু আইসিজের এই রায়ে ইসরায়েলের সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে। উল্টো আইসিজের ১৭ জনের বিচারক প্যানেলের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। শুধু গাজায় ইসরায়েলের সামরিক কার্যকলাপ ও পদক্ষেপ দ্রুত বন্ধের আদেশ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা যা চেয়েছিল তার বেশিরভাগই পূরণ হয়েছে রায়ে। 

সূত্র: আল জাজিরা

দিল্লিতে চলছেই ধরপাকড়, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা সিজেপির

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর, ২০২৬

দিল্লিতে চলছেই ধরপাকড়, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা সিজেপির

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এদিকে বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে দ্বিতীয় দিনেও ধরপাকড় চালিয়েছে পুলিশ। রামকৃষ্ণ আশ্রম এলাকা থেকে আবারও আটক হয়েছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নেহা বোরা।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে শনিবার বিক্ষোভের সময়ও নেহা বোরাকে আটক করেছিল পুলিশ। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ব্যাপক ধরপাকড়ের পরও সিইসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। রোববারও বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের টেনেহিঁচড়ে বাসে তোলেন নিরাপত্তাকর্মীরা। আটক অনেকের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।

এক আন্দোলনকারী বলেন, আন্দোলনকারীদের আটক এবং গণতন্ত্রের ওপর আঘাতের বিরুদ্ধে তারা রাজপথে থাকবেন। সিইসির পদত্যাগ, নির্বাচন কমিশনের সংস্কার ও গণতন্ত্র রক্ষার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন তিনি।

সিজেপির কর্মসূচি ঘিরে যন্তর মন্তর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ। রোববার সকালে মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও স্টেশন এলাকায় বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়।

এদিকে, মেট্রো স্টেশনে বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ব্যারিকেড সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি বড় জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

আটকের একদিন পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মুক্তি পেয়েছেন সিজেপির অভিজিৎ দিপকেসহ তিন নেতা। এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্তে মুক্তি পান দিপকে। মুক্তি পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভীতু বলে আখ্যা দেন তিনি।

পুলিশের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে সিজেপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, গত ৭২ ঘণ্টায় ভারতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার সময়কেও ছাড়িয়ে গেছে বলে তিনি মনে করেন। তার অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের লড়াই জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে হলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিষয়টিকে নিজের বিরুদ্ধে নিয়ে তাকে রক্ষার চেষ্টা করছেন।

এর আগে মুক্তি পান জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। তার দাবি, তাকে আটক করা হয়নি, বরং অপহরণ করা হয়েছিল।


ট্রাম্পকে কেন সতর্ক করলেন সি?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ মে, ২০২৬

ট্রাম্পকে কেন  সতর্ক করলেন সি?

মধ্যপ্রাচ্যের একটি বিশৃঙ্খল যুদ্ধ। তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা। বিশ্বের দুই পরাশক্তির নেতারা যখন চলতি সপ্তাহে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে বৈঠকে বসেন, তখন সবাই ধারণা করেছিলেন, এই সংবেদনশীল বিষয়গুলো নিয়েই তাঁদের মধ্যে কথা হবে।

কিন্তু সেটা না করে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তাঁদের এ আলোচনায় প্রাচীন আরেকটি যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে আনেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে উদ্বোধনী বক্তব্যে চীনের প্রেসিডেন্ট প্রাচীন গ্রিসের পেলোপনেশিয়ান যুদ্ধের কথা উল্লেখ করেন। খ্রিষ্টপূর্ব ৪৩১ অব্দে এথেন্স ও স্পার্টার মধ্যে এই যুদ্ধ শুরু হয়ে কয়েক দশক ধরে চলেছিল।

আধিপত্য বিস্তারের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ইঙ্গিত করে সি জানতে চান, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র ‘থুসিডাইডিস ট্র্যাপ’ বা থুসিডাইডিসের ফাঁদ এড়িয়ে পরাশক্তিগুলোর মধ্যকার সম্পর্কের একটি নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে কি না?

থুসিডাইডিস ট্র্যাপ কী

ট্রাম্পের সাবেক প্রধান কৌশলবিদ স্টিভ ব্যাননসহ পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষকদের আলোচনায় প্রায়ই ‘থুসিডাইডিস ট্র্যাপ’ বা ‘থুসিডাইডিস ফাঁদ’ শব্দবন্ধটি ঘুরেফিরে আসে। এই তত্ত্বের মূল কথা হলো, যখন কোনো উদীয়মান শক্তি কোনো প্রতিষ্ঠিত শক্তিকে হটিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে, তখন প্রায়ই তার পরিণতি হয় যুদ্ধ।

প্রাচীন গ্রিক ইতিহাসবিদ থুসিডাইডিস তাঁর ‘হিস্ট্রি অব দ্য পেলোপনেশিয়ান ওয়ার’ বইয়ে লিখেছিলেন, ‘এথেন্সের উত্থান এবং এর ফলে স্পার্টার মনে জেঁকে বসা ভয়ই যুদ্ধকে অনিবার্য করে তুলেছিল।’

এথেন্স যেভাবে একসময় স্পার্টার সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছিল, এখানেও ইঙ্গিতটি একই রকম—চীনের উত্থান যুক্তরাষ্ট্রের মনে উদ্বেগ তৈরি করছে এবং দেশটির সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে।



ইরান যুদ্ধে অবরুদ্ধ সমুদ্র, মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে স্থলপথের বাণিজ্য

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইরান যুদ্ধে অবরুদ্ধ সমুদ্র, মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে স্থলপথের বাণিজ্য

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহন বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রপথগুলো। এ পরিস্থিতিতে আবারও গুরুত্ব বাড়ছে স্থলপথের। সড়ক, রেল, পাইপলাইন এমনকি ফাইবার-অপটিক কেবলও নতুন করে আঞ্চলিক যোগাযোগের বিকল্প পথ হয়ে উঠছে।

দক্ষিণ ইরাকের তেলক্ষেত্র থেকে সিরিয়ার ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর বানিয়াসে যেতে ও ফিরতে প্রায় ১০ দিন সময় লাগে। তাপমাত্রা কখনো ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। তবু প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৩০০ ট্রাকের বিশাল বহর এই পথে চলাচল করছে বলে জানিয়েছেন সিরিয়ার পরিবহনমন্ত্রী ইয়ারোব বদর।
হরমুজ প্রণালির বিকল্প খুঁজছে ইরাক

হরমুজ প্রণালি ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময় বন্ধ থাকায় ইরাকের তেল রপ্তানির বিকল্প পথের প্রয়োজন তৈরি হয়েছে। বর্তমানে স্থলপথে যাওয়া এসব ট্রাক ইরাকের যুদ্ধ-পূর্ব তেল রপ্তানির আনুমানিক পাঁচ শতাংশ বহন করছে।
পরিমাণটি খুব বেশি নয়। তবে এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্যিক মানচিত্রে একটি বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জাহাজ চলাচলে হামলা এবং বিভিন্ন সময় বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় দেশগুলোকে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা খুঁজতে হচ্ছে।
সমুদ্রপথের আধিপত্যের পর আবার স্থলপথ

১৫০৭ সালে পর্তুগিজ এক জেনারেল হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের পর সমুদ্রপথ ধীরে ধীরে স্থলপথের জায়গা দখল করে নেয়। উটের কাফেলার জায়গা নেয় জাহাজ। পরে আসে আরও বড় বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী সুপারট্যাংকার।

কিন্তু যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও সমুদ্রপথে নিরাপত্তাঝুঁকি পুরোনো স্থলবাণিজ্যপথকে আবারও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলছে।
ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার সময় থেকেই দেশটির প্রতিবেশীদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক স্থলবাণিজ্যের বড় নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কিছু অংশও বিভিন্ন সময়ে চোরাচালান নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
সিরিয়া হয়ে নতুন বাণিজ্যপথ

২০২৪ সালে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার মধ্য দিয়ে নতুন পথ তৈরির সুযোগ বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোও আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনায় যুক্ত হয়েছে।

পাইপলাইন ও ফাইবার-অপটিক কেবল দিয়ে দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডরের সম্ভাবনাও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এই করিডরের স্থলপথ দুবাই থেকে হাইফা পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৫০০ কিলোমিটার বিস্তৃত হওয়ার কথা।