?> তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত

তিব্বতে শক্তিশালী একটি ভূমিকম্পের আঘাতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রিখটার স্কেলে সাত মাত্রার ভূমিকম্পটি তিব্বতের একটি পার্বত্য অঞ্চলে আঘাত হানে। 

অর্ধশতাধিক ব্যক্তির আহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল নাগকু অঞ্চলের বাকেন। তবে কামদো ও নিংচি শহরেও শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং ৩শর বেশি বাড়ির ক্ষতি হয়েছে। ভূমিকম্পের পর ভূমিধসের কারণে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে উদ্ধারকারী দলগুলোর জন্য ক্ষতিগ্রস্ত উঁচু এলাকায় পৌঁছানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। 

২০২৩ সালে চীনের পার্বত্য প্রদেশ গানসুতে ৬.২ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে ১২০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল। 


দুই মাসেরও কম সময় আগে হিমবাহ ধসের কারণে ভয়াবহ বন্যা এবং ভূমিধসের কারণে তিব্বত এবং নেপালে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শত শত মানুষের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি ওই ঘটনার পর।  চীনের সবচেয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর মধ্যে একটি তিব্বত। এই অঞ্চলে বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশে বিধিনিষেধ রয়েছে।  সূত্র : বিবিসি। 

বিরল মহাজাগতিক ঘটনা, ৩৩ বছর পর কাবা শরিফে থাকবে না ছায়া!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

বিরল মহাজাগতিক ঘটনা, ৩৩ বছর পর কাবা শরিফে থাকবে না ছায়া!

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ওই দিন স্থানীয় সময় দুপুরে সূর্য সরাসরি কাবা শরিফের ওপর অবস্থান নেবে। এ সময় মক্কায় কোনো বস্তুর ছায়া দেখা যাবে না, কারণ সূর্যের অবস্থান হবে সম্পূর্ণ খাড়াভাবে মাথার ওপরে।

 
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বছরে দুইবার সূর্য কাবার ওপর সরাসরি অবস্থান করে। মক্কা কর্কটক্রান্তি রেখার কাছাকাছি ২১ দশমিক ৪ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়ায় সূর্যের আপাত গতিপথের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে থাকে।
 
তবে আরাফাতের দিনের সঙ্গে এবার মিলে যাওয়ায় এ ঘটনাকে বিশেষ করে তুলেছে। কারণ, কাবার ওপর সূর্যের সরাসরি অবস্থান এবং আরাফাতের দিন একই সময়ে পড়ার ঘটনা সর্বশেষ ঘটেছিল ১৯৯৩ সালে।
 
 
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, হিজরি চন্দ্র বর্ষপঞ্জি ও গ্রেগরিয়ান সৌর বর্ষপঞ্জির পার্থক্যের কারণেই এমন বিরল সমাপতন ঘটে। চন্দ্র বছরের সঙ্গে সৌর বছরের তারিখ পুনরায় মিলতে প্রায় ৩৩ বছর সময় নেয়।
 
সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, এটি একটি স্বাভাবিক ও পুনরাবৃত্ত জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা। এর সঙ্গে অস্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির সরাসরি সম্পর্ক নেই।
 
 
সৌদি সংবাদমাধ্যম আজেলের বরাতে আবহাওয়া কেন্দ্র জানায়, আবহাওয়া কেবল সূর্যের অবস্থানের ওপর নির্ভর করে না। আর্দ্রতা, মেঘের উপস্থিতি, বাতাসের গতি এবং বায়ুপ্রবাহের মতো বিভিন্ন জলবায়ুগত উপাদান তাপমাত্রা নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।
 
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের মুখপাত্র হুসেইন আল-কাহতানি বলেন, এ ধরনের ঘটনা প্রতিবছরই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে নজরদারিতে করা হয়। এ ঘটনাকে ঘিরে রেকর্ড গরমের যে দাবি করা হচ্ছে, তা বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
 
তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ

সৌদি আরবের নিরাপত্তায় জরুরি বৈঠকে বসছে মক্কা জোট

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সৌদি আরবের নিরাপত্তায় জরুরি বৈঠকে বসছে মক্কা জোট

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে যৌথ সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছেন সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এ লক্ষ্য অর্জনে তিন দেশের সেনাপ্রধানদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠকের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেন তারা, যা এই অঞ্চলের ভূরাজনীতিতে ত্রিপক্ষীয় সামরিক সহযোগিতার নতুন ইঙ্গিত দিচ্ছে।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

নিউইয়র্কে জাতিসংঘে সৌদি আরবের স্থায়ী মিশনের কার্যালয়ে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বৈঠক করেন।

বৈঠকে তিন দেশের সেনাপ্রধানদের আসন্ন বৈঠকের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সৌদি আরবকে সহায়তার বিভিন্ন উপায় ও প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হবে।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বলা হয়েছে, চুক্তিভুক্ত কোনো একটি দেশের ওপর হামলা হলে তা সব দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে।

বৈঠকে সৌদি আরবের মক্কা এবং দেশটির বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো হামলার প্রচেষ্টার ‘তীব্র নিন্দা’ জানান তিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এ সময় তারা আঞ্চলিক পরিস্থিতির সর্বশেষ নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের প্রতি পারস্পরিক সম্মান এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার ওপর গুরুত্ব দেন। এছাড়াও সমুদ্রপথে নিরাপদ ও অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন তারা।

আঞ্চলিক স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগে সহায়তা এবং চলমান সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দেন তারা।


ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক নির্ভর করবে ফারাক্কা চুক্তি সম্পাদনের ওপর: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক নির্ভর করবে ফারাক্কা চুক্তি সম্পাদনের ওপর: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে এ বছরের ডিসেম্বরে। জনগণের সঙ্গে আলাপ করে তাঁদের চাওয়া অনুযায়ী অবিলম্বে এ চুক্তি সম্পাদন করতে হবে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে যে সুসম্পর্ক স্থাপিত হওয়ার সুযোগ এসেছে, সেটা নির্ভর করবে ভারতের এই গঙ্গা চুক্তি বা ফারাক্কা চুক্তি সম্পাদনের ওপর দিয়ে। এ কথা আমি বিশ্বাস করি এবং সেই আহ্বান আমরা তাদের কাছে জানাতে চাই...বাংলাদেশের স্বার্থ বিনষ্ট করে আমরা কখনই কোনো চুক্তি কাউকে করতে দেব না। এ ব্যাপারে আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন।

ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি এ সভার আয়োজন করে।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, তারেক রহমানের সরকার বৈধ উপায়ে নির্বাচিত। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। আজ সরকারের বিরুদ্ধে কিছু শক্তি অপপ্রচার চালাচ্ছে। শুধু তা–ই নয়, তারা দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার একটা পাঁয়তারা চালাচ্ছে।


অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, যাঁরা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, তাঁদের অনেক বেশি সজাগ হতে হবে। শুধু সজাগ নয়, সংগঠিতও হতে হবে, যাতে কোনো রকম চক্রান্ত সরকারের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে না পারে। দেশের জনগণ কখনোই কোনো চক্রান্ত, ষড়যন্ত্রকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেবেন না।

ফখরুল বলেন, ফারাক্কা দিবস এখন প্রতিরোধের একটা প্রতীক। মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর এ আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের মানুষকে রক্ষা করা। প্রতিবেশী দেশ যে অন্যায় করেছে, সেটার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো। বিশাল একটা জনগোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার পরিকল্পনার বিরুদ্ধে তিনি এ আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন।

ফারাক্কা বাঁধ নির্মিত হলে দেশের মানুষের জীবন-জীবিকা বিনষ্ট হবে, জীববৈচিত্র্য বিনষ্ট হয়ে যাবে, তখনই ভাসানী সেসব কথা তুলে ধরেছেন, বলেন ফখরুল। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেই আন্দোলন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরেছিলেন, বলেন তিনি। এ জন্য তিনি যে চুক্তি করেছিলেন, সেটা অনেকাংশে বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে গিয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত ঐতিহাসিক বলে মন্তব্য করেন ফখরুল। অন্যান্য যেসব শক্তি বা দেশ আছে, তাদের ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অতিথি ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আতাউর রহমান ঢালী প্রমুখ।