শেয়ার বাজার

গাজা যেন এক বিচ্ছিন্ন মৃত্যুপুরী!
বেঁচে যাওয়া মানুষ প্রয়োজনীয় খাদ্য ও নিত্যসামগ্রী পাচ্ছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বেঁচে যাওয়া মানুষ প্রয়োজনীয় খাদ্য ও নিত্যসামগ্রী পাচ্ছে না

বার্তাবেলা ডেস্ক: ইসরায়েলি হামলায় গাজা ধ্বংসপ্রায়। ৩০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত ও ৫০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত।  ইসরায়েলের নির্দেশমতো উত্তর গাজা থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষ দক্ষিণে সরে গেছে। রাফা সীমান্তে তাদের পরিণতি কী ঘটে বলা যাচ্ছে না। পানি, বিদ্যুত্ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সব সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন মৃত্যুপুরী এখন গাজা।

অবরুদ্ধ গাজায় মানবিক সংকট দিনে দিনে গভীরতর হচ্ছে। বেঁচে যাওয়া মানুষ প্রয়োজনীয় খাদ্য ও নিত্যসামগ্রী পাচ্ছে না। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, ইসরায়েল গাজার সাধারণ মানুষকে অনাহারে থাকতে বাধ্য করছে যা আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।

ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ শব্দ নাকবা। আরবি শব্দ যার অর্থ বিপর্যয়। ১৯৪৮ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর সাড়ে সাত লাখ ফিলিস্তিনি ভিটেমাটি থেকে উত্খাত হয় যা নাকবা পরিচিতি পায়। ইসরায়েলের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিরা যেভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন মনে হয় আরেকটি নাকবার মাধ্যমে সংকট শেষ হবে। দেশটির কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী আভি ডিচতার ডিসেম্বরে বলেছিলেন, গাজার বাস্তুচ্যুতি ২০২৩ সালের নাকবা হয়ে থাকবে। ইসরায়েলের ক্ষমতাসীনদের মুখে নাকবা শব্দ তেমন একটা শোনা যায় না। দেশটির উগ্র ডানপন্থি রাজনীতিবিদরা সম্প্রতি নাকবা শব্দ ব্যবহার করছেন। শব্দটা ফিলিস্তিনিদের জন্য স্বাভাবিক বলেই তারা মনে করেন। ’৪৮ সালের সেই ঘটনা তাদের জন্য বিপর্যয় ছিল না। ইসরায়েলের জন্য সীমানা সম্প্রসারণের সুযোগ। ডানপন্থি জায়নিস্ট পার্টি থেকে আসা অর্থমন্ত্রী বেজালেল সমোিরচ কয়েক বছর আগে পশ্চিম তীর অন্তর্ভুক্তিকরণের একটি পরিকল্পনা প্রস্তাব দেন। বলা হয়েছিল সেখানে বসবাসরত ফিলিস্তিনিরা পূর্ণ নাগরিক না হয়ে হয় ইসরায়েলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবে অথবা অন্য কোথাও চলে যাবে। পূর্ণ নাগরিক না অর্থ স্থায়ী বসবাসের অধিকার বা ভোটাধিকার থাকবে না। পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিরা বর্তমানে সেই অবস্থায় আছে।

অনেকে বলছেন, গাজায় এখন যা হচ্ছে তা আসলেই নাকবাই। ১৯৪৮ সাল বা ১৯৬৭ সালে যা হয়েছিল বর্তমান পরিস্থিতি সম্মিলিতভাবে ঐ দুই ঘটনাকে ছাপিয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এখনই এ ব্যাপারে কিছু একটা করা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেছেন, ইসরায়েলের গাজা পুরোটা বা অংশবিশেষ দখলও তারা সমর্থন করেন না। যুদ্ধে বাস্তুচ্যুত মানুষের অবশ্যই তাদের নিজ ভিটামাটিতে ফেরার সুযোগ দিতে হবে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ডিসেম্বরের প্রথম দিকে বলেছিলেন, গাজা অথবা পশ্চিম তীর থেকে ফিলিস্তিনিদের উত্খাত অথবা গাজার সীমা পুনর্নির্ধারণ যুক্তরাষ্ট্র কোনো অবস্থাতেই অনুমোদন করবে না। বাইডেন প্রশাসন যদি এই নীতিতে অনড় থাকে তবে তাদের ইসরায়েলকে এখনই বোঝানো উচিত।

১৯৪৮ ও ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর ইসরায়েল বিশাল ফিলিস্তিনি এলাকা দখল করে। বর্তমান যুদ্ধের তীব্রতা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে। নিহতদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। পুরো গাজায় এখন বসবাসের মতো কোনো নিরাপদ জায়গা নেই। সবশেষ দক্ষিণ গাজার রাফায় আরেকটি ট্র্যাজিডি তৈরি হচ্ছে বলে মনে হয়। ইসরায়েল চাইছে মিশর তাদের আশ্রয় দিক, বিশেষ করে সিনাই উপত্যকায় তাদের নিয়ে থাকতে দেওয়া হোক। কিন্তু মিশর এ ব্যাপারে সাফ না বলে দিয়েছে।

ফিলিস্তিনিরা যেন গাজায় তাদের ফেলে যাওয়া বাড়িঘরে ফিরতে পারে সেটা ইসরায়েলি সরকারকে নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের এখনই বলা দরকার। বিশেষ করে উত্তর গাজায় বাস্তুচ্যুত মানুষ ফিরতে পারবে কি না তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা রয়েছে। নাকবা শুধু ফিলিস্তিনিদের বসতভিটা থেকে উত্খাত করা নয় বরং তারা যেন হাতছাড়া হওয়া ভিটার ওপর দাবি তুলতে না পারে সেজন্য আইনি অস্ত্রও বটে। ১৯৫০ সালে ইসরায়েল অনুপস্থিত সম্পত্তি আইন প্রণয়ন করে বাস্তুচ্যুত লোকজনের ফেরার পথ আটকে দেয়। সেই থেকে ফিলিস্তিনিদের জন্য যে কোনো যুুদ্ধই স্থায়ী বাস্তুচ্যুতির খড়গ হয়ে ঝুলছে। যদিও ইসরায়েল কাগজে কলমে সম্প্রতি ট্রাস্টি করেছে কিন্তু সেটা কেবল অভিবাসী ইহুদিদের পুনর্বাসনের জন্যই। পরিত্যক্ত সম্পত্তিগুলোতে এক সময় শুরু হয় বসতি নির্মাণ। কিছুদিন আগে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের শেখ জাররাহ থেকে ফিলিস্তিনিদের উত্খাত বৈধতা দিতে ইসরায়েল ঐ প্রয়োগ করেছিল।

বাস্তুচ্যুত গাজাবাসী যদিও-বা ফিরতে পারে তারপরও প্রশ্ন থেকে যাবে পুনর্গঠন কীভাবে হবে। এর জন্য প্রয়োজন হবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ। ইসরায়েলের ১৬ বছরের অবরোধ এড়িয়ে সেখানে নির্মাণসামগ্রী পৌঁছান প্রায় অসম্ভব। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো যেখানে বিপর্যয় ঠেকাতে কিছুই করেনি সেখানে আরেকটি নাকবা আটকাতে কী তারা ভূমিকা পালন করবে সেটাও একটি প্রশ্নসাপেক্ষ বিষয়।

পাকিস্তানে জোট সরকার গড়তে কৌশলী নওয়াজ ও জারদারির দল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

পাকিস্তানে জোট সরকার গড়তে কৌশলী নওয়াজ ও জারদারির দল

বার্তাবেলা ডেস্ক: পাকিস্তানে নির্বাচনের ফলাফলে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে জোট সরকার গঠনই একমাত্র পথ বলে মনে করা হচ্ছে। 

নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন ১০১টি আসনে। তাঁদের প্রায় সবাই পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতা ইমরান খানের সমর্থিত। তবে নির্বাচনের মাঠে পিটিআই এগিয়ে থাকলেও সরকার গঠনে তৎপরতা বেশি পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) দলের।

এর আগে পিএমএল-এন জোট গড়েছিল পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সঙ্গে। তাদের জোট পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট (পিডিএম) ক্ষমতায় বসেছিল। তবে এখন জোট সরকার গঠনের ব্যাপারে পিপিপিকে সতর্ক অবস্থান নিতে দেখা যাচ্ছে। ক্ষমতা ভাগাভাগির সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে সতর্কভাবেই আলোচনা করছেন তাঁরা। কিছু কিছু ক্ষেত্রেও গোপনীয়তা রাখা হচ্ছে। পাঞ্জাব ও বেলুচিস্তান প্রদেশে জোট সরকার গঠনের বিষয়টিও আলোচনায় আছে।

আজ রোববার লাহোর ও ইসলামাবাদে বিভিন্ন দলের নেতাদের তৎপরতা বেশি থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রস্তাবিত জোট গঠনের প্রক্রিয়া কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা করতে আজ পিপিপির নেতা আসিফ আলী জারদারি গুরুত্বপূর্ণ কিছু বৈঠকে অংশ নেবেন। জোট সরকারের এই আলোচনার পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট পদটি কে পাবেন, তা নিয়েও দর-কষাকষি হবে। সে কারণে এটি নিয়েও আলোচনা চলছে।

এদিকে নির্বাচন–পরবর্তী কৌশল নির্ধারণ করতে পিএমএল-এনের আমন্ত্রণে এমকিউএম-পি দলের প্রতিনিধিরা লাহোরে আছেন। নির্বাচনের পরদিন পিএমএল-এন নেতা নওয়াজ শরিফ জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের ইঙ্গিত দেন। এরপর তিনি তাঁর ভাই ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে সরকার গঠনের ব্যাপারে অন্য দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরুর নির্দেশ দেন।

পিএমএল-এর অভ্যন্তরীণ একটি সূত্রের বরাতে ডন জানতে পেরেছে, গতকাল শনিবার পিএমএল-এন নেতারা কেন্দ্রীয় সরকার গঠনে পিপিপিকে সমর্থন দেওয়া সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন। তবে তাঁরা এবার আর তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন না, যেমনটা তাঁরা পিডিএম জোট গড়ার সময় করেছিলেন।

বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পিএমএল-এন মুখপাত্র মরিয়ম আওরঙ্গজেব বলেন, শাহবাজ শরিফ ও আসিফ আলী জারদারির মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা হয়েছে। তবে তাঁরা দুজনই জোট সরকার গঠনের ব্যাপারে নিজ নিজ দলের নেতাদের পরামর্শ নেবেন।

পিএমএল-এন পিটিআই কিংবা পিটিআই–সমর্থিত প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আওরঙ্গজেব বলেন, ‘পিটিআই–সমর্থিত স্বতন্ত্রদের সঙ্গে আলোচনার কোনো ইচ্ছা পিএমএল-এনের নেই।

প্রস্তাবিত জোট সরকারে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পছন্দের তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে শাহবাজ শরিফও আছেন। সূত্র বলছে, জোট সরকার গঠনের বিষয়ে পিএমএল-এন ও পিপিপির মধ্যে আরও আলোচনা হবে। প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, প্রেসিডেন্ট কে হবেন, কোন দলের নেতাকে বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী করা হবে, এমন আরও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এগুলোর জন্য অনেক আলোচনার প্রয়োজন।

ইতিমধ্যে মডেল টাউনে অনুষ্ঠিত দলীয় এক বৈঠকে শাহবাজ শরিফ সব রাজনৈতিক দলকে পাকিস্তানের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।বৈঠকের সভাপতি হিসেবে দেওয়া বক্তব্যে শাহবাজ বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করব। নতুন সরকারের লক্ষ্য হবে জনগণকে অর্থনৈতিকভাবে স্বস্তি দেওয়া।’

বৈঠকে জানানো হয়, পিএমএল-এন কেন্দ্রীয়ভাবে জোট সরকার গঠনের ব্যাপারে অন্য দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এদিকে পিএমএল-এন বিভিন্ন তৎপরতা চালালেও সরকার গঠনসংক্রান্ত পরিকল্পনা নিয়ে পিপিপির নেতাদের গোপনীয়তা বজায় রাখতে দেখা গেছে।

পিপিপির নেতারা ডনকে গতকাল বলেন, ধরেই নেওয়া হচ্ছে যে তাঁদের দলের নেতারা কেন্দ্রীয়ভাবে পিএমএল-এনের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। কীভাবে এমন ধারণা করা হচ্ছে, তা নিয়ে তাঁরা ‘হতবাক’। কারণ, এমন কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। ওই নেতাদের দাবি, দলের ভেতরেও এমন আলোচনা হয়নি।

পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি ডনকে বলেন, ‘ক্ষমতা ভাগাভাগি কিংবা কেন্দ্রীয় জোট সরকার গঠনের ব্যাপারে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো আলোচনা করিনি।’

সরকার গঠনের ব্যাপারে পিএমএল-এন ও পিপিপি একমত হয়েছে, সংবাদমাধ্যমের এমন খবরের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে বিলাওয়াল বলেন, ‘এমন কিছু ঘটেনি। আমরা এখনো নির্বাচনের ফল এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনার মধ্যে আছি। যে নির্বাহী কমিটি আমাকে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে, তারা আবারও বৈঠকে বসবে এবং পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবে।’


ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করতে চান জেলেনস্কি, দাবি ট্রাম্পের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করতে চান জেলেনস্কি, দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার জানিয়েছেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার সঙ্গে তার দেশের যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি চুক্তির বিষয়ে আগ্রহী। সম্প্রতি প্যারিসে ট্রাম্প এবং জেলেনস্কির মধ্যে সাক্ষাৎ হয়েছে। সেখানেই জেলেনস্কি ট্রাম্পকে এ বিষয়ে জানিয়েছেন। খবর এএফপির।

এর আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ শনিবার এলিসি প্রাসাদে জেলেনস্কি এবং ট্রাম্পের সঙ্গে ত্রিমুখী আলোচনার আয়োজন করেছিলেন। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার প্রায় তিন বছর চলছে। অপরদিকে আগামী জানুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবেন ট্রাম্প।

নিজের ট্রুথ সোস্যাল প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লিখেছেন, এই পাগলামি বন্ধ করতে জেলেনস্কি এবং ইউক্রেন একটি চুক্তি করতে চায়।

ট্রাম্প বলেন, এখানে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি হওয়া উচিত এবং আলোচনা শুরু করা উচিত। অকারণে অনেক জীবন নষ্ট হচ্ছে, অনেক পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে এবং যদি এটা চলতে থাকে তবে এটা আরও বড় এবং আরও খারাপ কিছুতে পরিণত হতে পারে।

এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার সংখ্যা বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। তাছাড়া শীতের শুরুতে হামলা জোরালো করেছে মস্কো।

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) ইউক্রেনের কেন্দ্রীয় শহর ক্রিভি রিহতেও হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। স্থানীয় গর্ভনর জানিয়েছেন, এ ঘটনায় অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন।

সেখানের জরুরি সার্ভিস জানিয়েছে, ১৬ জন আহতের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে। তাছাড়া নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে বলেও জানানো হয়েছে।


গাজায় ইসরায়েলি কমান্ডারসহ তিন সেনা নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

গাজায় ইসরায়েলি কমান্ডারসহ তিন সেনা নিহত

বার্তাবেলা ডেস্ক: গাজায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে কমান্ডারসহ আরও ৩ ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। এতে স্থল অভিযানে মোট ২৩২ ইসরায়েলি সেনা প্রাণ হারালো। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

চার মাসের বেশি সময় ধরে গাজায় হামাস ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ চলছে। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা আশ্রয় নিয়েছে মিশর সীমান্তবর্তী রাফা শহরে। কিন্তু সেখানেও এখন হামলা পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। এতে ব্যাপক শঙ্কায় দিন কাটছে বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের। কারণ তাদের কাছে আর কোনো নিরাপদ জায়গা নেই।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, খান ইউনিসের পূর্বে অবস্থিত একটি ভবনে বিস্ফোরণে ওই তিন সেনা নিহত হয়েছেন।

এদিকে দক্ষিণাঞ্চলের সিনাই সীমান্তে গত দুই সপ্তাহে অন্তত ৪০টি ট্যাঙ্ক পাঠিয়েছে মিশর। সীমান্তে নিজেদের নিরপত্তা জোরদার করতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। কারণ ওই এলাকায় গাজার সঙ্গে মিশরের সীমান্ত রয়েছে।

গাজায় যে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল তা এবার রাফা পর্যন্ত বিস্তৃত করা হচ্ছে। এই রাফাতেই আশ্রয় নিয়েছে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি। মিশরের আশঙ্কা ইসরায়েল যদি রাফায় হামলা শুরু করে তাহলে ফিলিস্তিনিরা সীমান্ত অতিক্রম করে মিশরে চলে যেতে পারে।

এরই মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রাফায় বেসমরিক ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেওয়া ও হামলার নির্দেশনা দিয়েছেন।