শেয়ার বাজার

ইতালিতে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

ইতালিতে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

ঢাকায় অবস্থিত ইতালি দূতাবাস সে দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে, যা সোমবার (১ জুন) ভিসা প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠান ভিএফএস গ্লোবাল নিশ্চিত করেছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যেসব শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের পোর্টালে প্রাথমিক নিবন্ধন (প্রি-এনরোলমেন্ট) শেষ করেছেন, তাদের সাথে ভিএফএস গ্লোবাল সরাসরি ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সাক্ষাৎকারের তারিখ জানিয়ে দেবে। ফলে শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে কোনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে না। নিবন্ধনে ব্যবহৃত ই-মেইলটিই যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে গণ্য হবে।

আর্থিক সহায়তার (স্পন্সর) ক্ষেত্রে এবার বড় সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বাবা-মায়ের পাশাপাশি দাদা-দাদি, নানা-নানি, চাচা-ফুপু, মামা-খালা, তাদের সন্তান এবং ইতালিতে অবস্থানরত আত্মীয়স্বজনও এখন থেকে আর্থিক গ্যারান্টর হতে পারবেন।

ভাষা দক্ষতার সনদের ক্ষেত্রে শর্ত হলো, এটি অবশ্যই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বা অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত হতে হবে, যেখানে শোনা, বলা, পড়া ও লেখার পৃথক মূল্যায়ন থাকতে হবে। এছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সত্যতা যাচাইয়ে সিআইএমইএ সনদ অথবা ‘ডিক্লারেশন অব ভ্যালু’ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রি-এনরোলমেন্ট ভিত্তিক শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনের শেষ সময় আগামী ২৯ অক্টোবর। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের এই নির্দেশনাগুলো গুরুত্বের সাথে অনুসরণের অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ঢাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এআই ব্যবহার নিয়ে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

ঢাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এআই ব্যবহার নিয়ে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার

ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। নগরীর বিভিন্ন ট্রাফিক পয়েন্টে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার সঙ্গে এআই প্রযুক্তি যুক্ত করে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।

আজ বুধবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এ কথা জানান মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। ডিএমপির কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তাঁর প্রথম ‘মিট দ্য প্রেস’।

ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এআই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে অনুষ্ঠানে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করেন। এক সাংবাদিক বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা শুধু ডিএমপির বিষয় নয়। এর সঙ্গে সিটি করপোরেশন, ওয়াসাসহ বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয় প্রয়োজন। এআই প্রযুক্তি চালুর পর যদি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ না করে, তাহলে এই উদ্যোগ ব্যর্থ হতে পারে কি না।

জবাবে ডিএমপির কমিশনার বলেন, ঢাকার বিভিন্ন ট্রাফিক পয়েন্টে থাকা সিসিটিভির সঙ্গে এআই যুক্ত করে নতুন ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এটি ডিএমপির নিজস্ব উদ্যোগ। ঢাকা শহরের ভৌত অবকাঠামো, জনসংখ্যা, যানবাহনের চাপ ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এই পদ্ধতি তৈরি করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনগুলোতে এটি চালু করা হবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। এ সমস্যা সমাধানে তাঁরা ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আধুনিক ও কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছেন। বিশেষ করে এআইভিত্তিক ট্রাফিক সিস্টেম চালুর মাধ্যমে বিভিন্ন ইন্টারসেকশনে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে এর কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে।

অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়ে মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, যেখানে সমন্বয় প্রয়োজন, সেখানে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় করা হচ্ছে। বর্তমানে এ সহযোগিতা ভালো রয়েছে।

অতীতে বিভিন্ন উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে ডিএমপির কমিশনার বলেন, আগে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল। তবে বর্তমান সরকারের সময় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নিয়মিত বৈঠক হচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে যুক্ত রাখা হচ্ছে।

আরেক সাংবাদিক বলেন, রাজধানীতে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চলাচলকারী যানবাহনের অন্যতম ব্যাটারিচালিত রিকশা। কিন্তু এগুলোর বেশির ভাগের কোনো নিবন্ধন নম্বর নেই। আইনগত অনুমোদনও নেই। ফলে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে কীভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। বৈধ যানবাহন ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে এআই ক্যামেরা নম্বর প্লেট শনাক্ত করে মামলা দিতে পারে। কিন্তু যেসব ব্যাটারিচালিত রিকশার কোনো নম্বর প্লেটই নেই, সেগুলোর বিরুদ্ধে কীভাবে মামলা দেওয়া হবে?

জবাবে ডিএমপির কমিশনার বলেন, অন্যান্য মহানগরের সঙ্গে ঢাকার তুলনা করা কঠিন। কারণ, রাজধানীতে জনসংখ্যা ও যানবাহনের চাপ অনেক বেশি। ব্যাটারিচালিত রিকশার বর্তমান পরিস্থিতি এক দিনে তৈরি হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে ধীরে ধীরে এসব যানবাহনের বিস্তার ঘটেছে। বিগত সরকারের সময়ে ব্যাটারিচালিত রিকশাকে কেন্দ্র করে একটি বড় সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল। গত ১৫ বছরে এসব যানবাহনের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে।

মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৪৮টি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪১টি ব্যাটারি জব্দ, ৩ হাজার ৫১৮টি যান ডাম্পিং এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিট জব্দ ও ব্যাটারির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। শুধু পুলিশের পক্ষে এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। এ জন্য পুলিশ, সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে ধাপে ধাপে এসব যানবাহনের সংখ্যা কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।


হোয়াটসঅ্যাপ আসছে নতুন আপডেট একটি ফিচার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৩

হোয়াটসঅ্যাপ আসছে নতুন আপডেট একটি ফিচার

হোয়াটসঅ্যাপে এখন যে কারও নাম দিয়েই সার্চ করা যাবে। হোয়াটসঅ্যাপে প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন ফিচার। যা ব্যবহারকারীদের হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভালো করছে তেমনি নিরাপত্তা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপ নতুন একটি ফিচার আসছে।

এবার নতুন একটি ফিচার আসছে যার মাধ্যমে এখন হোয়াটসঅ্যাপ চালাতে দরকার হবে না কোনো ফোন নম্বর। এমনকি সার্চ করতেও ফোন নম্বরের প্রয়োজন হবে না। ইউজারনেম দিয়েই সার্চ করা যাবে। নতুন এই ফিচারের নাম হলো ইউজারনেম সার্চ ফিচার।

ওয়েবিটাইনফো অনুসারে সার্চ বার ব্যবহারকারীদের তাদের নির্বাচিত ইউজারনেম ব্যবহার করে পরিচিতিগুলো সন্ধান করতে সক্ষম করবে, যা ব্যক্তিগত ফোন নম্বর ভাগ করে নেওয়ার বিকল্প হয়ে উঠবে। এছাড়া বেশ কিছু সুবিধা পাবেন এই ফিচারের মাধ্যমে। জেনে নিন সেগুলো-

ব্যবহারকারীদের জন্য অপশনাল ইউজারনেম কনফিগারেশন

 একটি ইউজারনেম সেট করার পছন্দটি ঐচ্ছিক এবং ব্যবহারকারীদের দ্বারা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত৷ তারা যে কোনো সময় সহজেই তাদের বর্তমান ইউজারনেম মুছে ফেলতে বা পরিবর্তন করতে পারেন। এটি ব্যবহারকারীদের তাদের ফোন নম্বর প্রকাশ না করে, অন্যদের সঙ্গে সংযোগ করার নমনীয়তা প্রদান করে।

ইউজার নেম সার্চের মাধ্যমে উন্নত গোপনীয়তা

এই ফিচার ব্যক্তিদের তাদের ফোন নম্বর শেয়ার না করেও অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয়। ফলে তাদের ব্যক্তিগত তথ্যের উপর আরও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা সম্ভব হয়।

সরল যোগাযোগ প্রক্রিয়া

ইউজারনেমের মাধ্যমে অনুসন্ধান বন্ধু, পরিবার বা অন্যান্য পরিচিতর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের প্রক্রিয়াটিকে সহজ করে। এটি স্পষ্টভাবে ফোন নম্বর চাওয়া এবং বিনিময় করার প্রয়োজনীয়তা দূর করে। ব্যবহারকারীরা এক্ষেত্রে তাদের ইউজারনেম শেয়ার করতে পারেন। যা অন্যদের জন্য অ্যাপের মধ্যে তাদের খুঁজে পাওয়া এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা আরও সুবিধাজনক করে তোলে।


ফিউচার আপডেট রিলিজ

নতুন এই ইউজারনেম সার্চ ফিচারের বিকাশ চলছে এবং এটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ভবিষ্যতের আপডেটের অংশ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


অনুমতি ছাড়া ওড়ানো যাবে না বিমান, ড্রোন : আইএসপিআর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

অনুমতি ছাড়া ওড়ানো যাবে না বিমান, ড্রোন : আইএসপিআর

বার্তাবেলা ডেস্ক: অনুমতি ছাড়া আকাশে রিমোট কন্ট্রোলড খেলনা বিমান, ঘুড়ি, লেজার ব্যবহার না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৫ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, সম্প্রতি কিছু উৎসাহী ব্যক্তি, বেসামরিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা (স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, এনজিও এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান) বিনা অনুমতিতে দেশের আকাশসীমায় ড্রোন, রিমোটলি পাইলটেড এয়ারক্রাফট সিস্টেম (UAV/RPAS), রিমোট কন্ট্রোলড খেলনা বিমান, ঘুড়ি ও ফানুস উড্ডয়ন করছেন। এ ছাড়াও বিমান বাহিনী ঘাঁটি ও বিমান উড্ডয়ন এলাকায় লেজার রশ্মি অথবা হাইপাওয়ার টর্চ লাইট বিমান ও হেলিকপ্টারের দিকে লক্ষ্য করে ব্যবহার করার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ঘুড়ি, ফানুস ও ড্রোন ওড়ানো এবং লেজার রশ্মি নিক্ষেপ বিমান ও হেলিকপ্টারের উড্ডয়নের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এসব একদিকে যেমন বিমান ও হেলিকপ্টার উড্ডয়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, তেমনি বিমান ও হেলিকপ্টারে ব্যবহৃত রেডিও সংকেত আদান-প্রদানেও বাধা সৃষ্টি করে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। এ ছাড়াও বর্তমানে এ ধরনের অননুমোদিত উড্ডয়ন রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত হয়, যা দেশের বিদ্যমান আইনেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আইএসপিআর আরও জানায়, জনগণের জানমাল ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কোনো ব্যক্তি, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাকে ড্রোন, রিমোটলি পাইলটেড এয়ারক্রাফট সিস্টেম (UAV/RPAS), রিমোট কন্ট্রোলড খেলনা বিমান ইত্যাদি উড্ডয়নের ন্যূনতম ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিন আগে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ওয়েব সাইটে (www.caab.gov.bd) প্রদত্ত ফরম অনুযায়ী পূর্বানুমতি নিতে হবে। এ ছাড়াও বিমান উড্ডয়ন নিরাপত্তার স্বার্থে সকলকে বিমান উড্ডয়ন এলাকার সন্নিকটে ঘুড়ি, ফানুস ও ড্রোন ওড়ানো এবং লেজার রশ্মি ও হাইপাওয়ার টর্চ লাইট ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করা হয় আইএসপিআরের পক্ষ থেকে।