?> ভারতে মন্দিরের কাছে ট্রাকচাপায় ১২ ভক্ত নিহত | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

ভারতে মন্দিরের কাছে ট্রাকচাপায় ১২ ভক্ত নিহত

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ভারতে মন্দিরের কাছে ট্রাকচাপায় ১২ ভক্ত নিহত

ভারতের মধ্যপ্রদেশের গালিওরের শীতলা মাতা মন্দিরের কাছে নিয়ন্ত্রণহীন ট্রাকের চাপায় ১২ ভক্ত নিহত হয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত দেড়টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন তীর্থযাত্রী। যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ট্রাকটি পুলিশের চেকপোস্ট ভেঙে এসে মন্দিরের বাইরের দেওয়াল ও গেটে ধাক্কা দেয়। এতে ১২ জন নিহতসহ মন্দিরের বাইরের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

গালিওর পুলিশের এসএসপি ধর্মবীর সিং বলেছেন, রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় চিন্নরের দিক থেকে আসা শস্যবোঝাই একটি ট্রাক রাস্তার নিচু অংশে নিয়ন্ত্রণ হারায়। এরপর এটি পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মন্দিরের বাইরে জড়ো হওয়া ভক্তদের ওপর ওঠে যায়। এরপর ট্রাকটি মন্দিরের বাইরের দেওয়াল ও গেটে ধাক্কা দেয়।


এ ঘটনায় মন্দিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুই পুলিশ সদস্যও আহত হন। অন্যদের পাশাপাশি তাদেরও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।এসএসপি ধর্মবীর সিং আরও জানিয়েছেন, ট্রাক চাপা দেওয়ার পর ৩৯ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যারমধ্যে ১২ জনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এছাড়া পাঁচ থেকে ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আর বাকিরা সামান্য আঘাত পেয়েছেন।

ভয়াবহ ও আকস্মিক এ দুর্ঘটনার পর সেখানে বিশৃঙ্খল ও হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি তৈরি হয়।

এনডিটিভি জানিয়েছে, যারা নিহত হয়েছেন তারা সবাই ভক্ত এবং বড় দল নিয়ে মন্দিরের দিকে এসেছিলেন।


সূত্র: এনডিটিভি

কঙ্গো-উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবকে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৬

কঙ্গো-উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবকে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা

মধ্য আফ্রিকার দেশ কঙ্গো  ও উগান্ডায় ছড়িয়ে পড়া নতুন ইবোলা প্রাদুর্ভাবকে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। তবে সংস্থাটি এই প্রাদুর্ভাবকে এখনো মহামারি হিসেবে ঘোষণা করেনি। খবর আল-জাজিরার।

রোববার (১৭ মে) সংস্থাটি জানায়, এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতুরি প্রদেশে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাবটি ইবোলার বিরল বান্ডিবুগিও স্ট্রেইনের কারণে হয়েছে, যার এখন পর্যন্ত কোনো অনুমোদিত ভ্যাকসিন বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। 

ডব্লিউএইচও জানায়, সংক্রমণ ইতোমধ্যে উগান্ডায় ছড়িয়ে পড়েছে এবং কঙ্গোর রাজধানীতেও সংশ্লিষ্ট রোগী শনাক্ত হওয়ায় আঞ্চলিক ঝুঁকি বেড়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনো মহামারির মানদণ্ড পূরণ করেনি। এ কারণে দেশগুলোকে সীমান্ত বন্ধ বা বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।  

আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (আফ্রিকা সিডিসি) জানায়, শনিবার (১৬ মে) পর্যন্ত ৮৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং ৩৩৬টি সন্দেহভাজন সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এদিকে, প্রাদুর্ভাবের সূচনা হয় মঙ্গওয়ালু নামের একটি খনিশিল্প এলাকায়। 

তারা আরও জানায়, জনসংখ্যার চলাচল, দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং ইতুরিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সহিংসতা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।

আফ্রিকা সিডিসি জানায়, ইবোলা একটি মারাত্মক ও প্রায় প্রাণঘাতী ভাইরাসজনিত রোগ। ১৯৭৬ সালে বর্তমান কঙ্গোর ইবোলা নদীর কাছে প্রথম এটি শনাক্ত হয়। ধারণা করা হয়, বাদুড়সহ বন্য প্রাণী থেকে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়ায়। এছাড়া রক্ত, বমিসহ শরীরের বিভিন্ন তরল বা দূষিত কাপড়-চোপড় ও বিছানার সংস্পর্শে এলে রোগটি ছড়াতে পারে। উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর থেকেই আক্রান্ত ব্যক্তি সংক্রামক হয়ে ওঠেন।

এদিকে কঙ্গোর স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রথম রোগী ছিলেন একজন নার্স। তিনি গত ২৪ এপ্রিল ইতুরির রাজধানী বুনিয়ার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ইবোলার মতো উপসর্গ নিয়ে আসেন। অন্যদিকে উগান্ডায় কঙ্গো থেকে আসা ভ্রমণকারীদের মধ্যে দুটি পরীক্ষাগারে নিশ্চিত সংক্রমণ পাওয়া গেছে এবং রাজধানী কাম্পালায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।

ডব্লিউএইচও এর প্রধান বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। কারণ সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর চলাচল, বাণিজ্য ও ভ্রমণ অব্যাহত রয়েছে এবং এখনো পরিস্থিতি পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। তিনি সীমান্তে স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করা এবং আক্রান্তদের দ্রুত আলাদা করার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের ২১ দিন আন্তর্জাতিক ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।


যুক্তরাষ্ট্রে নতুন নিয়মে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন নিয়মে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ভাড়াটে খুনি স্মিথকে ১৯৮৮ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তার মৃত্যুদণ্ড একবার কার্যকর করার চেষ্টা করা হলেও তখন সে বেঁচে গিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালাবামা অঙ্গরাজ্য নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করে দোষী সাব্যস্ত এক খুনির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে।

প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন ব্যবহার করে সর্বোচ্চ সাজা কার্যকর করার পদ্ধতি চালু হওয়ার চার দশক পর বৃহস্পতিবার নতুন আরেকটি পদ্ধতি ব্যবহার করল যুক্তরাষ্ট্র। এদিন আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত খুনি কেনেথ স্মিথের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। 

ভাড়াটে খুনি স্মিথকে ১৯৮৮ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু তার মৃত্যুদণ্ড একবার কার্যকর করার চেষ্টা করা হলেও সে বেঁচে যায়। বিরল ওই ঘটনাটি ঘটে ২০২২ সালের নভেম্বরে। ওই সময় তার দেহের শিরায় একটি সুই ঢোকানোর জন্য কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা করা হলেও তা প্রবেশ করানো যায়নি। এ ঘটনার পর অ্যালবামার কর্মকর্তারা প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন দিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা বাতিল করেন।

আরও পড়ুন: গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধের নির্দেশ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের

এরপর অঙ্গরাজ্যটি নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পদ্ধতি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। নতুন এই পদ্ধতিকে ‘মানুষের জানা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সবচেয়ে কম যন্ত্রণাদায়ক ও মানবিক উপায়’ বলে অভিহিত করেছিল তারা।  

কর্তৃপক্ষের ধারণা ছিল নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগের এক মিনিটের মধ্যেই স্মিথ জ্ঞান হারাবে ও মারা যাবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এতে আরও কয়েক মিনিট লেগেছে বলে মনে হয়েছে।


মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য হয় শিরা নয় তো প্রাণাঘাতী ইঞ্জেকশনের খোঁজে হন্যে হয়ে থাকা কারাগারগুলোর জন্য শ্বাসরোধ একটি সহজ বিকল্প বলে দাবি করেছে অ্যালাবামা।

রয়টাসর্ জানিয়েছে, জাতিসংঘের নির্যাতন বিশেষজ্ঞ ও স্মিথের আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এই পদ্ধতির বিরুদ্ধে ছিল। তাদের বক্তব্য ছিল, এই পদ্ধতি ঝুঁকিপূর্ণ, পরীক্ষামূলক এবং এটি যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু বা আঘাতের কারণ হতে পারে। 

বৃহস্পতিবার স্মিথ দ্বিতীয় কিন্তু শেষবারের মতো জল্লাদখানায় যান। জল্লাদরা তাকে একটি চাকা ওয়ালা স্ট্রেচারে আটকে রেখে তার মুখে কল-কারখানায় ব্যবহার করা হয় এমনটি একটি মানসম্মত মুখোশ বেঁধে দেন। এরপর ওই মুখোশে বিশুদ্ধ নাইট্রোজেন ভরা একটি ক্যান আটকে দেন। এই নাইট্রোজেনের প্রবাহ স্মিথকে অক্সিজেন নেওয়া থেকে বঞ্চিত করে।

আরও পড়ুন: গাজার ক্ষুধার্ত মায়েদের বুকে দুধ নেই, অনাহারে লাখ লাখ শিশু   

কারা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৩ মিনিটে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর শুরু হয়, এরপর রাত ৮টা ২৫ মিনিটে স্মিথকে মৃত ঘোষণা করা হয়।       

গণমাধ্যমের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে পাঁচজন সাংবাদিক এ মৃত্যুদণ্ড দেখার অনুমতি পেয়েছিলেন। তারা জানিয়েছেন, নাইট্রোজেন প্রয়োগ শুরু করার পরও স্মিথ বেশ কয়েক মিনিট সজাগ ছিলেন। এরপর তিনি তার মাথা ঝাঁকাতে থাকেন আর প্রায় দুই মিনিট ধরে মোচড়ামোচড়ি করেন, তারপর বেশ কয়েক মিনিট ধরে গভীরভাবে শ্বাস নিতে থাকেন, একপর্যায়ে শ্বাসপ্রশ্বাস ধীর হয়ে আসে যা পরে আর দৃষ্টিগোচর হয়নি। 

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যালাবামার সংশোধন কমিশনার জন হ্যাম বলেন, “মনে হয়েছে স্মিথ যতক্ষণ সম্ভব তার নিশ্বাস বন্ধ করে রেখেছিলেন।”


যুদ্ধে ইরানকে ‘ভারী মূল্য’ দিতে হয়েছে: নেতানিয়াহু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

যুদ্ধে ইরানকে ‘ভারী মূল্য’ দিতে হয়েছে: নেতানিয়াহু

ইরান সাম্প্রতিক সংঘাতে ‘ভারী মূল্য’ দিতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার ভিত্তি নড়ে গেছে এবং সেটি শেষ পর্যন্ত পতনের দিকেই এগোচ্ছে। মঙ্গলবার (২ জুন) এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহু বলেন, 'যুদ্ধে ইরান ইতোমধ্যে খুবই ভারী মূল্য পরিশোধ করেছে। দেশটিতে সন্ত্রাসের এই শাসনব্যবস্থায় ফাটল ধরেছে। এটি আর কখনো আগের অবস্থায় ফিরতে পারবে না।'

তিনি আরও বলেন, 'আমি আপনাদের বলছি, এই শাসনব্যবস্থার পতন খুবই নিকটে।' তবে নেতানিয়াহুর এ মন্তব্যের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইরান।

ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এমন মন্তব্য করলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। বিশ্লেষকদের মতে, চলমান আঞ্চলিক সংঘাত এবং পারস্পরিক হুমকি-পাল্টা হুমকির মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখনও অব্যাহত রয়েছে।