?> ভারী বর্ষণ-বন্যায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে জরুরি অবস্থা জারি | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

ভারী বর্ষণ-বন্যায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে জরুরি অবস্থা জারি

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারী বর্ষণ-বন্যায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে জরুরি অবস্থা জারি

টানা বর্ষণের ফলে মারাত্মক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের ৫০টি জেলায় জরুরি অবস্থা জারি করেছে নগর কর্তৃপক্ষ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এএফপির এক প্রতিবেদনে বরাতে গালফ নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

রাজধানীর গভর্নর জানান, বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত শহরে প্রায় ৩০০ মিলিমিটার (১১.৮ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাত হয়েছে। জরুরি দুর্যোগ ঘোষণার ফলে স্থানীয় সংস্থাগুলো পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি ক্ষমতা পেয়েছে।

টানা বৃষ্টির কারণে সড়কগুলো পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং খালের পানি উপচে সংলগ্ন ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে পড়েছে। উত্তর ব্যাংককের এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, পানি কোমর সমান উঠে যাওয়ায় দোকান বন্ধ রাখতে হয়েছে এবং তার মতে এটি ২০১১ সালের ভয়াবহ বন্যার চেয়েও মারাত্মক রূপ নিয়েছে।

ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিথিপুন্ট জানান, শহরের পূর্বাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সামনে আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘অনবরত বৃষ্টি হচ্ছে এবং আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সেচ দিয়ে পানি বের করার চেষ্টা করা হলেও খালের পানি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে।’

গভর্নর খালসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত তাদের যানবাহন উঁচু স্থানে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসার ওপর নির্ভরশীল শয্যাশায়ী রোগীদের সাময়িকভাবে হাসপাতালে স্থানান্তরিত হওয়ার পরামর্শ দেন।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে থাইল্যান্ডজুড়ে দেখা দেওয়া ভয়াবহ বন্যায় ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু

হয়েছিল এবং লাখ লাখ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

সূত্র: গালফ নিউজ

ইরান যুদ্ধে অবরুদ্ধ সমুদ্র, মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে স্থলপথের বাণিজ্য

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইরান যুদ্ধে অবরুদ্ধ সমুদ্র, মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে স্থলপথের বাণিজ্য

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহন বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রপথগুলো। এ পরিস্থিতিতে আবারও গুরুত্ব বাড়ছে স্থলপথের। সড়ক, রেল, পাইপলাইন এমনকি ফাইবার-অপটিক কেবলও নতুন করে আঞ্চলিক যোগাযোগের বিকল্প পথ হয়ে উঠছে।

দক্ষিণ ইরাকের তেলক্ষেত্র থেকে সিরিয়ার ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর বানিয়াসে যেতে ও ফিরতে প্রায় ১০ দিন সময় লাগে। তাপমাত্রা কখনো ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। তবু প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৩০০ ট্রাকের বিশাল বহর এই পথে চলাচল করছে বলে জানিয়েছেন সিরিয়ার পরিবহনমন্ত্রী ইয়ারোব বদর।
হরমুজ প্রণালির বিকল্প খুঁজছে ইরাক

হরমুজ প্রণালি ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময় বন্ধ থাকায় ইরাকের তেল রপ্তানির বিকল্প পথের প্রয়োজন তৈরি হয়েছে। বর্তমানে স্থলপথে যাওয়া এসব ট্রাক ইরাকের যুদ্ধ-পূর্ব তেল রপ্তানির আনুমানিক পাঁচ শতাংশ বহন করছে।
পরিমাণটি খুব বেশি নয়। তবে এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্যিক মানচিত্রে একটি বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জাহাজ চলাচলে হামলা এবং বিভিন্ন সময় বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় দেশগুলোকে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা খুঁজতে হচ্ছে।
সমুদ্রপথের আধিপত্যের পর আবার স্থলপথ

১৫০৭ সালে পর্তুগিজ এক জেনারেল হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের পর সমুদ্রপথ ধীরে ধীরে স্থলপথের জায়গা দখল করে নেয়। উটের কাফেলার জায়গা নেয় জাহাজ। পরে আসে আরও বড় বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী সুপারট্যাংকার।

কিন্তু যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও সমুদ্রপথে নিরাপত্তাঝুঁকি পুরোনো স্থলবাণিজ্যপথকে আবারও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলছে।
ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার সময় থেকেই দেশটির প্রতিবেশীদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক স্থলবাণিজ্যের বড় নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কিছু অংশও বিভিন্ন সময়ে চোরাচালান নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
সিরিয়া হয়ে নতুন বাণিজ্যপথ

২০২৪ সালে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার মধ্য দিয়ে নতুন পথ তৈরির সুযোগ বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোও আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনায় যুক্ত হয়েছে।

পাইপলাইন ও ফাইবার-অপটিক কেবল দিয়ে দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডরের সম্ভাবনাও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এই করিডরের স্থলপথ দুবাই থেকে হাইফা পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৫০০ কিলোমিটার বিস্তৃত হওয়ার কথা।



সবচেয়ে দামি গরু ভিয়াতিনা, দাম ৫৯ কোটি টাকা!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

সবচেয়ে দামি গরু ভিয়াতিনা, দাম ৫৯ কোটি টাকা!

আর ক’দিন পরই বাংলাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। ত্যাগের মহিমায় এই উৎসব পালন করতে এখন কুরবানির পশুর হাটে ভিড় করছেন মানুষ। সেখানে কয়েকটি জাতের গরুর দাম ১২-১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠছে। যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয়, একটি গরুর কত দাম সর্বোচ্চ কত হতে পারে?
 
ব্রাজিলের এক নিলামে একটি ‘নেলোর’ প্রজাতির গরু ৪৮ লাখ মার্কিন ডলারে (বর্তমানে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৯ কোটি টাকা) বিক্রি হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে দামি গরু হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও জায়গা করে নিয়েছে ‘ভিয়াতিনা ১৯’ নামের গরুটি।

২০২৩ সালের ব্রাজিলের সাও পাওলো শহরের আরন্দুতে ১ হাজার ১০১ কেজি ওজনের গরুটি নিলামে তোলা হয়েছিল। এর আংশিক মালিকানা ১৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি হওয়ার পর গরুটির মোট বাজারমূল্য রেকর্ড ৪৩ লাখ ৮০ হাজার ডলারে গিয়ে পৌঁছায়। 

চোখ কপালে তুলে দেয়া দামের পেছনে রয়েছে নেলোর প্রজাতির গরুর জিনগত উপাদানের সম্ভাবনা। দামই বলে দিচ্ছে, এই জাতটির কত উন্নত গুণমানের। এর তুষার-সাদা রঙ, বিশাল আকৃতি এবং চমৎকার জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের জন্য এটি বিখ্যাত। শারীরিক দিক থেকে এই গরু অতি শক্তিশালী। গরুটির দুধেও আছে অনেক বেশি পুষ্টিগুণ।

নেলোর জাতের গরুর উৎপত্তি ভারতে। অন্ধ্র প্রদেশের নেলোর জেলার নাম থেকেই এই প্রজাতির নামকরণ করা হয়েছে। ১৮৬৮ সালে জাহাজে এক জোড়া নেলোর গরু ব্রাজিলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর এই গরুর সংখ্যার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছিল দেশটিতে। এখন ব্রাজিলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবাদি পশুর জাত হয়ে উঠেছে নেলোর গরু।


ইরানের ২ নম্বর শর্ত
হরমুজের নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেলপ্রতি গুনতে হবে ১ ডলার

প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল, ২০২৬

হরমুজের নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেলপ্রতি গুনতে হবে ১ ডলার


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতির সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেসব জাহাজ চলাচল করবে তাদের প্রতি ব্যারেলের জন্য ১ ডলারের সমপরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সি দিতে হবে। ইরানের ১০ দফা শর্তের ২ নম্বর দফায় হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের একচ্ছত্র অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

এদিকে যুদ্ধবিরতির পরপরই হরমুজে টোল আদায়ের জন্য ইরানের সঙ্গে একটি ‘যৌথ উদ্যোগ’ গঠনের কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার (৮ এপ্রিল) ইরানের তেল, গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানিকারক ইউনিয়নের মুখপাত্র হামিদ হোসেইনির বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করে দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।

মুখপাত্র বলেন, প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য ১ ডলার খরচ হবে এবং জাহাজগুলোকে তারা কী বহন করছে সে তথ্য ইরানি কর্তৃপক্ষকে ইমেইলের মাধ্যমে জানাতে হবে।

হোসেইনি বলেন, ই-মেইল পাওয়ার পর এবং ইরান যাচাই শেষ করলে, জাহাজগুলোকে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বিটকয়েনে অর্থ পরিশোধ করতে হবে, যাতে নিষেধাজ্ঞার কারণে তা অনুসরণ বা জব্দ করা না যায়।

তিনি আরও জানান, এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে যাতে কোনো অস্ত্র এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা না হয়।

তিনি বলেন, সব কিছুই যেতে পারবে, তবে প্রতিটি জাহাজের জন্য প্রক্রিয়াটি সময় নেবে এবং ইরান তাড়াহুড়ো করছে না।

এদিকে বুধবার (৮ এপ্রিল) ট্রাম্প বলেন, র বিষয়টি বিবেচনা করছে। তিনি এবিসি নিউজের সাংবাদিক জনাথন কার্লকে বলেন, ‘আমরা এটিকে একটি যৌথ উদ্যোগ হিসেবে করার কথা ভাবছি। এটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় এবং অন্যদের থেকেও সুরক্ষা দেবে। এটি একটি ভালো বিষয়।’

হরমুজ প্রণালি ইরানের উপকূলের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটি কার্যত বন্ধ। ফলে তেলের দাম বেড়ে গেছে। কারণ আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হতো।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করবেন বলে ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এর পরপরই তেলের দাম কমতে শুরু করে।

একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, ইরান বৃহস্পতি বা শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সীমিতভাবে, ইরানের নিয়ন্ত্রণে প্রণালিটি খুলে দিতে পারে।

অন্যদিকে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ইরান মধ্যস্থতাকারীদের বলেছে যে তারা টোল আদায় করবে এবং প্রতিদিন প্রায় ১২টি জাহাজ চলাচলের সীমা নির্ধারণ করবে।