?> সতর্কবার্তা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলো ধ্রুব রাঠীকে | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

সতর্কবার্তা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলো ধ্রুব রাঠীকে

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

সতর্কবার্তা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলো ধ্রুব রাঠীকে

ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। তবে ফের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভে অংশ নিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে গেলে তার বিরুদ্ধে নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। 

রোববার (১১ অক্টোবর) কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

জার্মানিতে বসবাসকারী ধ্রুব রাঠী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মের প্রতিবাদে সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে তিনি দিল্লিতে এসেছিলেন।

বিক্ষোভ ঘিরে আটক হওয়া অন্যদের মতো ধ্রুব রাঠীকেও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬ এলাকায় তার বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়েছিল। অন্যদের অধিকাংশকে শনিবার রাতে ছেড়ে দেওয়া হলেও ধ্রুব রাঠীকে আটক রাখা হয়।

এদিকে দিল্লিতে পৌঁছানোর পরপরই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক এবং দলের সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকেও আটক করে পুলিশ।

ধ্রুব রাঠীকে মুক্তি দেওয়ার কিছুক্ষণ আগে দিল্লি পুলিশ জানায়, ওই তিন নেতাকে সতর্কতামূলকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে বলেও জানায় পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস), ২০২৩-এর ১২৬ ধারা—শান্তি বজায় রাখার জন্য মুচলেকা নেওয়া—এবং ১৭০ ধারা—আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন ঠেকাতে গ্রেপ্তার—অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

১২ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

১২ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব

সৌদি আরবে আইন অমান্য করে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযান শুরু হয়েছে। দেশটিতে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে অভিযানে এক সপ্তাহে ১২ হাজার ৬শ জনের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনযায়ী, দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত ১৭ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা বিশেষ নিরাপত্তা অভিযানে মোট ১৩ হাজার ৬২৮ জনকে আটক করা হয়।

অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৬ হাজার ৫৯৩ জন আবাসিক আইন, ৩ হাজার ৫৩১ জন সীমান্ত নিরাপত্তা এবং ৩ হাজার ৫০৪ জন শ্রম আইন লঙ্ঘন করেছিলেন। 

এছাড়া অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবে ঢোকার সময় ১ হাজার ১৯৯ জনকে আটক করা হয়, যাদের বড় একটি অংশ ইথিওপিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিক। পাশাপাশি দেশ ছেড়ে অবৈধভাবে পালানোর সময় আরও ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আইন লঙ্ঘনকারীদের কেবল দেশ থেকেই বের করে দেওয়া হচ্ছে না, বরং তাদের ভ্রমণ প্রক্রিয়াও দ্রুত সম্পন্ন করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে ১৮ হাজার বেশি মানুষকে নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে ট্রাভেল পাস বা নথিপত্র সংগ্রহের জন্য। এছাড়া অবৈধ অভিবাসীদের যাতায়াত বা লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করার অপরাধে ২২ জন স্থানীয় সহযোগীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৩১ হাজারের বেশি প্রবাসী আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি রয়েছেন।

অবৈধ অভিবাসন রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সৌদি প্রশাসন। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যারা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সহায়তা করবে, গাড়ি বা বাড়ি দিয়ে আশ্রয় দেবে, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ বছরের জেল এবং ১০ লাখ রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। এমনকি অপরাধে ব্যবহৃত গাড়ি ও সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হবে। সাধারণ মানুষকে এ ধরনের ঘটনা দেখলেই দ্রুত পুলিশকে খবর দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।


তীব্র বিক্ষোভ
যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে আরও এক মার্কিনি নিহত

প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে আরও এক মার্কিনি নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিস শহরে অভিবাসনবিরোধী অভিযানের মধ্যে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে আরও এক মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় শহরজুড়ে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সশস্ত্র ফেডারেল বাহিনী দ্রুত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের নেতারা।

মিনিয়াপোলিস পুলিশ বিভাগের প্রধান ব্রায়ান ও’হারা জানান, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে মারা যান ৩৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। তিনি মিনিয়াপোলিসের বাসিন্দা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন। নিহত ব্যক্তির বাবা-মা তাকে অ্যালেক্স প্রেট্টি হিসেবে শনাক্ত করেছেন। তিনি একটি হাসপাতালের আইসিইউতে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী নীতির অংশ হিসেবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মিনিয়াপোলিসে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টসহ (আইসিই) বিভিন্ন ফেডারেল সংস্থার এজেন্ট মোতায়েন করা হয়েছে। এসব অভিযানের মধ্যেই এই গুলির ঘটনা ঘটে।

এর আগে, গত ৭ জানুয়ারি মিনিয়াপোলিসে আইসিই কর্মকর্তার গুলিতে রেনে গুড নামে ৩৭ বছর বয়সী এক নারী নিহত হন। ওই ঘটনার পর থেকেই শহরটিতে প্রতিদিন বিক্ষোভ চলছিল। গত সপ্তাহে আলাদা আরেক ঘটনায় মিনিয়াপোলিসে এক ভেনেজুয়েলান নাগরিকও ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে আহত হন।

মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের গভর্নর টিম ওয়ালজ সেন্ট পল শহরে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বিষয়টি বহু আগেই কেবল অভিবাসন প্রয়োগের সীমা ছাড়িয়েছে। তার কথায়, এটি এখন অঙ্গরাজ্যের মানুষের বিরুদ্ধে সংগঠিত নিষ্ঠুরতার এক অভিযান। তিনি জানান, এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত মিনেসোটা কর্তৃপক্ষই পরিচালনা করবে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ দাবি করেছে, একজন ইউএস বর্ডার প্যাট্রোল এজেন্ট একজন সশস্ত্র ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেন। ওই ব্যক্তি একটি হ্যান্ডগান বহন করছিলেন এবং অস্ত্র নামাতে বাধা দিচ্ছিলেন। বিভাগের মুখপাত্র ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি সহিংসভাবে প্রতিরোধ করায় আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানো হয়।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ এবং মিনিয়াপোলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রেকে আক্রমণ করে বলেন, তারা উসকানিমূলক ও বিপজ্জনক বক্তব্য দিয়ে বিদ্রোহে প্ররোচনা দিচ্ছেন। ট্রাম্প দাবি করেন, আইসিই কর্মকর্তাদের রক্ষা করতে স্থানীয় পুলিশকে কেন অনুমতি দেওয়া হয়নি, সে প্রশ্নের জবাব দেওয়া দরকার।

আসলে কী ঘটেছিল?

প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, অ্যালেক্স প্রেট্টি রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিজের মোবাইল ফোনে ফেডারেল এজেন্টদের ছবি তুলছিলেন। একপর্যায়ে এক এজেন্ট পিপার স্প্রে ব্যবহার করলে প্রেট্টি তা ঠেকানোর চেষ্টা করেন এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের সাহায্য করেন। এরপর একাধিক এজেন্ট তাকে মাটিতে ফেলে মাথা ও শরীরে আঘাত করতে থাকে। মাটিতে ধরে রাখার সময় এক এজেন্ট অস্ত্র বের করেন এবং একাধিক গুলির শব্দ শোনা যায়। পরে প্রেট্টির নিথর দেহ রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

তদন্তকারী সংস্থা বেলিংক্যাট জানায়, ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, প্রথম গুলির আগে ওই ব্যক্তির কাছ থেকে একটি অস্ত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। তাদের দাবি, অন্তত দুইজন এজেন্ট গুলি চালান এবং মোট ১০টির বেশি গুলির শব্দ শোনা যায়। বেশিরভাগ গুলিই প্রেট্টি মাটিতে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকার সময় ছোড়া হয়।

পুলিশ প্রধান ব্রায়ান ও’হারা বলেন, নিহত ব্যক্তি বৈধভাবে অস্ত্র বহনের অনুমতিপ্রাপ্ত ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মিনেসোটায় অনুমতি থাকলে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা আইনসম্মত।

তীব্র হয়েছে বিক্ষোভে

ঘটনার পর মিনিয়াপোলিসের ওই এলাকায় কয়েকশ মানুষ বিক্ষোভে জড়ো হন। বিক্ষোভকারীরা ফেডারেল এজেন্টদের লক্ষ্য করে স্লোগান দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এজেন্টরা কাঁদানে গ্যাস ও ফ্ল্যাশব্যাং গ্রেনেড ব্যবহার করেন।

মিনিয়াপোলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রে বলেন, ছয়জনের বেশি মুখোশধারী এজেন্ট একজন বাসিন্দাকে মারধর করে গুলি করে হত্যা করেছেন—এমন ভিডিও তিনি নিজেই দেখেছেন। তার প্রশ্ন, আর কতজন মার্কিন নাগরিকের প্রাণ গেলে এই অভিযান বন্ধ হবে?

ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যামি ক্লোবুচার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, ট্রাম্প প্রশাসনকে এখনই মিনেসোটা থেকে আইসিই প্রত্যাহার করতে হবে। কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর এই হত্যাকাণ্ডকে ‘একটি প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ড’ বলে আখ্যা দেন এবং বলেন, ট্রাম্প মিনিয়াপোলিসকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছেন।

ঘটনার পর গভর্নর টিম ওয়ালজ জানান, তিনি হোয়াইট হাউজের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন এবং পরিস্থিতি শান্ত রাখতে অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। মিনিয়াপোলিস সিটি কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের শান্ত থাকার এবং ঘটনাস্থল এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে।


সূর্যগ্রহণের সময় গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যেতে পারে হাজারো মানুষ!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১ মার্চ, ২০২৪

সূর্যগ্রহণের সময় গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যেতে পারে হাজারো মানুষ!

প্রায় ৫৪ বছর পর আগামী ৮ এপ্রিল বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ। সূর্যগ্রহণটি পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হতে চলেছে, নাসার বিজ্ঞানীরা এই সূর্যগ্রহণকে ‘বিশেষ’ বা বিরল ঘটনা বলে বর্ণনা করেছেন। এর আগে ১৯৭০ সালে এমন সূর্যগ্রহণ হয়েছিল, আবার হতে পারে ২০৭৮ সালে। এইদিন চাঁদ সূর্যকে সম্পূর্ণরূপে ঢেকে রাখার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি রাজ্যে দিনের বেলাতেও অন্ধকারে ঢেকে থাকবে। ফলে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন যে, এইদিন শতাধিক গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এবং এইসব দুর্ঘটনায় মারা যেতে পারেন সহস্রাধিক মানুষ। 

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন জানিয়েছে, কানাডার ইউনিভার্সিটি অব টরোন্টের একদল গবেষক ২০১৭ সালের সূর্যগ্রহণের সময়ের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে বলেছেন, সূর্যগ্রহণের তিন দিন আগে এবং পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হাজারেরও বেশি মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।

 গবেষকরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রে এখন প্রতিদিন গাড়ি দুর্ঘটনায় ১১৪টি মৃত্যু ঘটে। এখন থেকে সাত বছর আগে (২০১৭) সূর্যগ্রহণের সময় দৈনিক ১৮৯টি মৃত্যু ঘটেছিল। যা স্বভাবিক সময়ের চেয়ে অন্তত ৩১ শতাংশ বেশি।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন মতে, সূর্যগ্রহণের সময় যুক্তরাষ্ট্রে এবার প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ সূর্যগ্রহণ দেখার জন্য রাস্তায় নামবে। তারা যেসব এলাকা থেকে ভালভাবে সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে সেসব এলাকায় যাওয়ার চেষ্টা করে।  ওই সময় চারদিকে অন্ধকার থাকায় গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 জানা গেছে, বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের কারণে ৮ এপ্রিল মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে ফেলবে চাঁদ। ফলে দিন হবে রাতের মতো অন্ধকার। সুর্যগ্রহণের কারণে এই রাজ্যগুলোর অনেক স্কুল ইতিমধ্যেই বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

 মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা বলছে, আগামী ৮ এপ্রিল স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৭ মিনিটে মেক্সিকোর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে প্রথম সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে।