?> সৌদিতে নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশসহ যে দেশের নাগরিকেরা আছেন | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

সৌদিতে নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশসহ যে দেশের নাগরিকেরা আছেন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

সৌদিতে নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশসহ  যে দেশের নাগরিকেরা আছেন

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কাছে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তিন শতাধিক মানুষ।

সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবারের (১০ অক্টোবর) এ হামলায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন সৌদি নাগরিক ও দুজন বাংলাদেশি রয়েছেন।

নিহত অন্যদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, সুদান ও মিসরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন। সৌদি জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ) জানিয়েছে, হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০৯ জন।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হামলায় বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থাপনারও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চলতি সপ্তাহে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের এটি তৃতীয় হামলা। এর আগে বৃহস্পতিবার একই বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় অন্তত তিনজন সৌদি নাগরিক নিহত হন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন পাইলটও ছিলেন বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

সর্বশেষ হামলার পর বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সূত্র: আল-জাজিরা

পবিত্র মক্কায় জরুরি সতর্কতা জারি, সৌদিজুড়ে হামলার আতঙ্ক

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পবিত্র মক্কায় জরুরি সতর্কতা জারি, সৌদিজুড়ে হামলার আতঙ্ক

ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম স্থান মক্কা নগরীসহ সৌদি আরবের একাধিক অঞ্চলে সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটির সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে এই সতর্কতা জারি করেছে। সাধারণত সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা ড্রোন হামলার আশঙ্কা তৈরি হলেই কেবল দেশটির জাতীয় আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ন্যাশনাল আর্লি ওয়ার্নিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এ ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করতে মক্কা নগরীতে জরুরি বার্তা পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে লোহিত সাগর উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ইয়ানবু গভর্নরেট এবং তায়েফ, জেদ্দা ও তাবুক অঞ্চলেও আলাদা সতর্কতা জারি করা হয়। 

তবে সতর্কবার্তা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা তুলে নেওয়া হয়। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ বলছে, ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা হামলা চালানোর ঠিক আগমুহূর্তে সাধারণত এই সতর্কসংকেত সচল হয়ে ওঠে।

গত সপ্তাহে রিয়াদ অভিযোগ করে বলেছিল, ২০১৭ সালের পর প্রথমবারের মতো পবিত্র মক্কা নগরী লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা চালিয়েছে হুথিরা। তবে হুথিদের ছোড়া ড্রোন গুলি চালিয়ে ভূপাতিত করা হয়। যদিও মক্কা নগরীতে হামলার চালানোর এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে হুথি।

এর কয়েক দিনের মাথায় ইয়েমেনের এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি কয়েক বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সৌদির রাজধানী রিয়াদে বড় ধরনের হামলা চালায়; যা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

২০১৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের হয়ে দেশটিতে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। সম্প্রতি হুথিদের হামলা জোরদার হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতের আবর্তে আরও গভীরভাবে জড়িয়ে পড়ছে ইয়েমেন।

চলতি মাসের শুরুর দিকে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীকে হটিয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু ভূখণ্ড দখল করে নেয় হুথিরা। এর মাধ্যমে সৌদির তেল রপ্তানির প্রধান পথ বাব আল-মানদেব প্রণালির উপকূলীয় অঞ্চলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা।

এর আগে, গত জুলাইয়ে ইয়েমেনের আকাশসীমায় রিয়াদের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকলেও তা অমান্য করে সানায় একটি ইরানি বিমান অবতরণের অনুমতি দেয় হুথি বিদ্রোহীরা। এর পরপরই ২০২২ সাল থেকে চলা ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যায় এবং শুরু হয় একের পর এক হামলা।

পরবর্তীতে সৌদি আরবের ওপর সামুদ্রিক অবরোধ জারির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং সৌদির তেলবাহী ট্যাঙ্কার ও বিভিন্ন ভূখণ্ড লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালাতে শুরু করে  হুথি বিদ্রোহীরা।

হুথিদের এসব ধারাবাহিক সাফল্য বিশ্ববাজারের শীর্ষ অপরিশোধিত তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদিসহ পুরো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের ওপর ইরান ও তার মিত্রদের নিয়ন্ত্রণ আরও সুসংহত করেছে।

সূত্র: এএফপি।


সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৭ মে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৬

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৭ মে

সৌদি আরবে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী ২৭ মে (বুধবার) দেশটিতে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। এর আগের দিন ২৬ মে পবিত্র হজ পালন করবেন মুসল্লিরা।

দেশটির কর্তৃপক্ষ রোববার (১৭ মে) চাঁদ দেখার তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর গালফ নিউজের।

সৌদি আরবের পাশাপাশি ওমান, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষও আগামী ২৭ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের ঘোষণা দিয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় দেশগুলোতে সোমবার (১৮ মে) থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে।

সাধারণত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ঈদ উদযাপনের পরদিন বাংলাদেশে ঈদ উদযাপিত হয়ে থাকে। সেই হিসেবে আগামী ১৮ মে বাংলাদেশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কেনার ঐতিহাসিক চুক্তি আজ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কেনার ঐতিহাসিক চুক্তি আজ

ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) সই করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এ চুক্তি সই হবে।

‘স্প্রেডিং আওয়ার উইংস টুগেদার’ শিরোনামের অনুষ্ঠানে বিমানের পক্ষে চারটি এ৩৫০-৯০০ ও ছয়টি এ৩২১নিও উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই হবে। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো এয়ারবাসের উড়োজাহাজ বিমানের বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রশস্ত কাঠামোর এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজগুলো দূরপাল্লার আন্তর্জাতিক রুটে এবং সরু কাঠামোর এ৩২১নিও আঞ্চলিক ও মাঝারি দূরত্বের রুটে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উড়োজাহাজের সরবরাহ ২০৩৩ সালে শুরু হতে পারে। পর্যায়ক্রমে ২০৩৬ বা ২০৩৭ সাল পর্যন্ত উড়োজাহাজগুলো বিমানের বহরে যুক্ত হতে পারে।

তবে ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে মোট কত অর্থ ব্যয় হবে, সে বিষয়ে এখনো বাংলাদেশ বা এয়ারবাসের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুর্গেন ওয়েস্টারমায়ার উপস্থিত থাকবেন।

এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তির আগে চলতি বছর দুই দফায় মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে মোট ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

গত ৩০ এপ্রিল প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়। এসবের মধ্যে রয়েছে আটটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ এবং চারটি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ। বাংলাদেশি মুদ্রায় ওই চুক্তির মূল্য প্রায় ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা।

এরপর গত ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি ৭৮৭-১০ এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বোয়িংয়ের উড়োজাহাজগুলো ২০৩১ সাল থেকে বিমানের বহরে যুক্ত হতে পারে। সব উড়োজাহাজ পেতে ১১ থেকে ১২ বছর সময় লাগবে।

চুক্তি হলেও সরবরাহের আগে এসব উড়োজাহাজের পুরো মূল্য পরিশোধ করতে হবে না। একটি করে উড়োজাহাজ সরবরাহের সময় তার মূল্য পরিশোধ করা হবে। তবে বিমান কর্তৃপক্ষ অন্তত একটি উড়োজাহাজ ২০২৭ বা ২০২৮ সালে সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে বর্তমানে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি বোয়িং এবং পাঁচটি ড্যাশ-৮। ইতোমধ্যে দুটি উড়োজাহাজ প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বাকি ১৭টিও আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বহর থেকে বাদ পড়বে।

এ অবস্থায় তাৎক্ষণিক চাহিদা মেটাতে আরও ১০টি উড়োজাহাজ ভাড়া নেওয়ার চেষ্টা করছে বিমান। একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনো কোনো উড়োজাহাজ ভাড়া নিতে পারেনি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থাটি।

এয়ারবাসের ১০টি এবং বোয়িংয়ের চুক্তি করা ২৫টি উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হলে নতুন উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৫টি। বর্তমান বহরের উড়োজাহাজ বিবেচনায় নিলে ভবিষ্যতে বিমানের বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা ৫০ ছাড়াতে পারে।

বর্তমানে বিমানের বহরের বড় অংশই যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংয়ের তৈরি। এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দুই নির্মাতার উড়োজাহাজ নিয়ে বহর পরিচালনা করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।