?> সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি

সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশটির আইন মেনে চলা এবং বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, জেদ্দা।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক বিশেষ সচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তিতে কনস্যুলেট এ আহ্বান জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে প্রবাসীদের কল্যাণ, অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপদ প্রবাসজীবন নিশ্চিত করতে কয়েকটি বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কনস্যুলেট জানায়, সৌদি আরবের প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান যথাযথভাবে মেনে চলা প্রত্যেকের দায়িত্ব। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, উসকানিমূলক বা আইনবিরোধী কোনো বিষয় প্রকাশ, প্রচার, সংরক্ষণ কিংবা অন্যের কাছে পাঠানো থেকে বিরত থাকতে হবে।

চাকরিতে যোগদান কিংবা অন্য কোনো ক্ষেত্রে কোনো কাগজপত্রের বিষয়বস্তু না বুঝে সাদা কাগজে স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে আইনি জটিলতা এড়াতে নিজের ইকামা ব্যবহার করে অন্য ব্যক্তি, কফিল বা প্রতিষ্ঠানের নামে মোবাইল, সিম, যানবাহনসহ কোনো সম্পদ ক্রয়-বিক্রয় বা নিবন্ধন না করার জন্য সতর্ক করেছে কনস্যুলেট।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্থানীয় আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকতে হবে। এর মধ্যে অন্যের ইকামা ব্যবহার, রাস্তায় পড়ে থাকা পণ্য বা মালামাল সংগ্রহ ও বিক্রি এবং অনুমতি ছাড়া রাস্তার পাশে ব্যবসা পরিচালনাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ড রয়েছে।

এ ছাড়া পরিচয় ও উদ্দেশ্য নিশ্চিত না হয়ে অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো ধরনের অবৈধ আর্থিক লেনদেন না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা থেকেও প্রবাসীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে কনস্যুলেট।

কনস্যুলেট জেনারেল বলেছে, প্রবাসীদের সচেতনতা এবং সৌদি আরবের স্থানীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও সম্মানজনক প্রবাসজীবন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সৌদি আরবে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনার টেবিলেই আছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ মে, ২০২৬

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনার টেবিলেই আছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র!

স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকরের লক্ষ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পর্দার আড়ালে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে সংকট নিরসনে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চললেও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যে এখনও মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বার্তা নিয়ে চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো তেহরান সফরে গেছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা আইএসএনএ-এর বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, মহসিন নকভি ইতোমধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। অতিরিক্ত আলোচনা ও ধারাবাহিক বৈঠকের জন্য শুক্রবার (২২ মে) পর্যন্ত তার তেহরানে অবস্থানের কথা রয়েছে।

উভয় পক্ষের মধ্যে চলমান এই মতবিরোধের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পারমাণবিক কর্মসূচি ও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইস্যু। তেহরান তাদের ১৪ দফা প্রস্তাব অনুযায়ী চায়, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে আলাদাভাবে আলোচনা হোক। অন্যদিকে ওয়াশিংটন চায়, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির আগেই পারমাণবিক ইস্যুর সম্পূর্ণ আলোচনা ও নিষ্পত্তি করা হোক।

গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকেই মূলত এই আঞ্চলিক উত্তেজনার সূত্রপাত। জবাবে তেহরানও ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়।

পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় কোনো স্থায়ী সমঝোতা হয়নি। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ালেও কৌশলগত সমুদ্রপথে ইরানের বন্দরগামী বা সেখান থেকে আসা জাহাজের ওপর মার্কিন অবরোধ এখনও বহাল রেখেছেন।


বাংলাদেশের সীমান্তের পাশে রাখাইনে জান্তার বিমান হামলায় ৫০ জন নিহত, জাতিসংঘের উদ্বেগ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

বাংলাদেশের সীমান্তের পাশে রাখাইনে জান্তার বিমান হামলায় ৫০ জন নিহত, জাতিসংঘের উদ্বেগ

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বাংলাদেশ সীমান্তের খুব কাছে রাখাইন রাজ্যে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে। সোমবার কায়ুকতো শহরে এই হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা আরও অনেক। স্থানীয়দের দাবি, নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।

হামলার খবর জানার পর মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক বলেন, রাখাইনের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে যে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরার মতো পরিবেশ এখন সেখানে নেই। তিনি মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের পক্ষ থেকে হামলার তীব্র নিন্দা জানান। গুতেরেস বেসামরিক মানুষের জীবন রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে সহিংসতা এখনই বন্ধ করার কথাও বলেছেন তিনি।

রাখাইনভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি জানিয়েছে, হামলায় ৫০ জন মারা গেছেন এবং ৫৮ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় এক দাতব্যকর্মী ওয়েই হান ওং এই সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। তার দেওয়া এক ছবিতে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নারী ও শিশুদের মরদেহ বের করা হচ্ছে।

আরাকান আর্মির মুখপাত্র খাইং থুকা অভিযোগ করেছেন, জান্তার বিমানবাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে জনবহুল বাজার, স্কুল, আবাসিক এলাকা এবং সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোও বলছে, হামলাটি একটি বাজারে হয়েছে।

২০২১ সালে অং সান সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করার পর থেকে মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ চলছে। এই হামলা সেই সংঘাতেরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।


মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীকে পরিবারসহ সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর, ২০২৬

মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীকে পরিবারসহ সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ

সৌদি আরব থেকে মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীকে পরিবারসহ দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। একইসঙ্গে ওই অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।

টমি পিগট বলেছেন, ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ক্রমেই বেশি শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে। এর মধ্যে দেশটির বেসামরিক বিমানবন্দরসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলাও রয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক মানুষ হতাহত হচ্ছেন। পাশাপাশি যাতায়াতব্যবস্থায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে।

টমি পিগট আরও বলেন, ‘মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’

মধ্যপ্রাচ্যের একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, কাতার ও বাহরাইন থেকেও মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তবে টমি পিগট জোর দিয়ে বলেছেন, বুধবারের নির্দেশটি শুধু সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাসের যেসব কর্মীর আপাতত থাকা জরুরি নয়, তাদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য।

এর আগে, বুধবার জারি করা এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানিয়েছে, মার্কিন নাগরিকদের বিমানবন্দরে সম্ভাব্য হামলা এবং সাধারণ যাতায়াতব্যবস্থায় বিঘ্নের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুথিদের ধারাবাহিক প্রাণঘাতী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন নাগরিকদের জন্য এই বার্তা দেয়া হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সৌদি সামরিক স্থাপনা, তেল অবকাঠামো এবং সামুদ্রিক নৌযান চলাচল।

নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন আকাশযান (ইউএভি) হামলার পর সৌদি আরবে কর্মরত মার্কিন সরকারি কর্মচারীদের দেশটির যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহারের জন্য মিশনপ্রধানের কাছ থেকে বিশেষ অনুমোদন নিতে হবে।