?> সৌদি বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় নিহত ৩ | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

সৌদি বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় নিহত ৩

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় নিহত ৩

সৌদি আরবের দুটি বিমানবন্দরে ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের চালানো দুটি পৃথক হামলায় তিনজন নিহত এবং অন্তত ৩৬ জন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ আভা এবং রিয়াদের বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই হামলার জন্য সরাসরি কাউকে দায়ী না করলেও হুথি বিদ্রোহীরা আগেই এই হামলার দায় স্বীকার করেছিল। আভা বিমানবন্দর হামলায় একজন মরোক্কান ও একজন আলজেরিয়ান নাগরিক নিহত এবং ২৮ জন আহত হন, অন্যদিকে রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় একজন সুদানি নাগরিক নিহত ও ৮ জন আহত হন।

গত সপ্তাহে রিয়াদকে লক্ষ্যবস্তু করার পর শহরের প্রধান বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় তেলের কোম্পানি সৌদি আরামকোর জ্বালানি ট্যাংকের সুরক্ষায় নতুন খাঁচা সদৃশ বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক দেশটিতে সাম্প্রতিক দিনে সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে আক্রমণ বাড়ায় বিকল্প নৌ চলাচলের পথ ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি জানান, রিয়াদের উত্তরে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে এবং হামলা চালাতে ব্যবহৃত সানার একটি প্ল্যাটফর্ম নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তবে এই তথ্যের সতত্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ইয়েমেনের পশ্চিম লোহিত সাগর উপকূল এবং বাব এল-মানদেব প্রণালীতে হুথিদের দখলে নেওয়া এলাকা পুনরুদ্ধারে সৌদি আরব ও তাদের মিত্র ইয়েমেনি বাহিনী বিমান ও স্থল অভিযান জোরদার করেছে। বিশ্ব বাণিজ্যের ১২ শতাংশের যাতায়াত পথ ওই প্রণালীর আশেপাশের কিছু কৌশলগত এলাকা জোট বাহিনী পুনরায় নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র: এপি

এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কেনার ঐতিহাসিক চুক্তি আজ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কেনার ঐতিহাসিক চুক্তি আজ

ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) সই করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এ চুক্তি সই হবে।

‘স্প্রেডিং আওয়ার উইংস টুগেদার’ শিরোনামের অনুষ্ঠানে বিমানের পক্ষে চারটি এ৩৫০-৯০০ ও ছয়টি এ৩২১নিও উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই হবে। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো এয়ারবাসের উড়োজাহাজ বিমানের বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রশস্ত কাঠামোর এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজগুলো দূরপাল্লার আন্তর্জাতিক রুটে এবং সরু কাঠামোর এ৩২১নিও আঞ্চলিক ও মাঝারি দূরত্বের রুটে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উড়োজাহাজের সরবরাহ ২০৩৩ সালে শুরু হতে পারে। পর্যায়ক্রমে ২০৩৬ বা ২০৩৭ সাল পর্যন্ত উড়োজাহাজগুলো বিমানের বহরে যুক্ত হতে পারে।

তবে ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে মোট কত অর্থ ব্যয় হবে, সে বিষয়ে এখনো বাংলাদেশ বা এয়ারবাসের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুর্গেন ওয়েস্টারমায়ার উপস্থিত থাকবেন।

এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তির আগে চলতি বছর দুই দফায় মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে মোট ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

গত ৩০ এপ্রিল প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়। এসবের মধ্যে রয়েছে আটটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ এবং চারটি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ। বাংলাদেশি মুদ্রায় ওই চুক্তির মূল্য প্রায় ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা।

এরপর গত ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি ৭৮৭-১০ এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বোয়িংয়ের উড়োজাহাজগুলো ২০৩১ সাল থেকে বিমানের বহরে যুক্ত হতে পারে। সব উড়োজাহাজ পেতে ১১ থেকে ১২ বছর সময় লাগবে।

চুক্তি হলেও সরবরাহের আগে এসব উড়োজাহাজের পুরো মূল্য পরিশোধ করতে হবে না। একটি করে উড়োজাহাজ সরবরাহের সময় তার মূল্য পরিশোধ করা হবে। তবে বিমান কর্তৃপক্ষ অন্তত একটি উড়োজাহাজ ২০২৭ বা ২০২৮ সালে সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে বর্তমানে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি বোয়িং এবং পাঁচটি ড্যাশ-৮। ইতোমধ্যে দুটি উড়োজাহাজ প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বাকি ১৭টিও আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বহর থেকে বাদ পড়বে।

এ অবস্থায় তাৎক্ষণিক চাহিদা মেটাতে আরও ১০টি উড়োজাহাজ ভাড়া নেওয়ার চেষ্টা করছে বিমান। একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনো কোনো উড়োজাহাজ ভাড়া নিতে পারেনি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থাটি।

এয়ারবাসের ১০টি এবং বোয়িংয়ের চুক্তি করা ২৫টি উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হলে নতুন উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৫টি। বর্তমান বহরের উড়োজাহাজ বিবেচনায় নিলে ভবিষ্যতে বিমানের বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা ৫০ ছাড়াতে পারে।

বর্তমানে বিমানের বহরের বড় অংশই যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংয়ের তৈরি। এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দুই নির্মাতার উড়োজাহাজ নিয়ে বহর পরিচালনা করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।


তীব্র বিক্ষোভ
যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে আরও এক মার্কিনি নিহত

প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে আরও এক মার্কিনি নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিস শহরে অভিবাসনবিরোধী অভিযানের মধ্যে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে আরও এক মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় শহরজুড়ে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সশস্ত্র ফেডারেল বাহিনী দ্রুত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের নেতারা।

মিনিয়াপোলিস পুলিশ বিভাগের প্রধান ব্রায়ান ও’হারা জানান, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে মারা যান ৩৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। তিনি মিনিয়াপোলিসের বাসিন্দা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন। নিহত ব্যক্তির বাবা-মা তাকে অ্যালেক্স প্রেট্টি হিসেবে শনাক্ত করেছেন। তিনি একটি হাসপাতালের আইসিইউতে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী নীতির অংশ হিসেবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মিনিয়াপোলিসে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টসহ (আইসিই) বিভিন্ন ফেডারেল সংস্থার এজেন্ট মোতায়েন করা হয়েছে। এসব অভিযানের মধ্যেই এই গুলির ঘটনা ঘটে।

এর আগে, গত ৭ জানুয়ারি মিনিয়াপোলিসে আইসিই কর্মকর্তার গুলিতে রেনে গুড নামে ৩৭ বছর বয়সী এক নারী নিহত হন। ওই ঘটনার পর থেকেই শহরটিতে প্রতিদিন বিক্ষোভ চলছিল। গত সপ্তাহে আলাদা আরেক ঘটনায় মিনিয়াপোলিসে এক ভেনেজুয়েলান নাগরিকও ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে আহত হন।

মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের গভর্নর টিম ওয়ালজ সেন্ট পল শহরে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বিষয়টি বহু আগেই কেবল অভিবাসন প্রয়োগের সীমা ছাড়িয়েছে। তার কথায়, এটি এখন অঙ্গরাজ্যের মানুষের বিরুদ্ধে সংগঠিত নিষ্ঠুরতার এক অভিযান। তিনি জানান, এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত মিনেসোটা কর্তৃপক্ষই পরিচালনা করবে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ দাবি করেছে, একজন ইউএস বর্ডার প্যাট্রোল এজেন্ট একজন সশস্ত্র ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেন। ওই ব্যক্তি একটি হ্যান্ডগান বহন করছিলেন এবং অস্ত্র নামাতে বাধা দিচ্ছিলেন। বিভাগের মুখপাত্র ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি সহিংসভাবে প্রতিরোধ করায় আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানো হয়।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ এবং মিনিয়াপোলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রেকে আক্রমণ করে বলেন, তারা উসকানিমূলক ও বিপজ্জনক বক্তব্য দিয়ে বিদ্রোহে প্ররোচনা দিচ্ছেন। ট্রাম্প দাবি করেন, আইসিই কর্মকর্তাদের রক্ষা করতে স্থানীয় পুলিশকে কেন অনুমতি দেওয়া হয়নি, সে প্রশ্নের জবাব দেওয়া দরকার।

আসলে কী ঘটেছিল?

প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, অ্যালেক্স প্রেট্টি রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিজের মোবাইল ফোনে ফেডারেল এজেন্টদের ছবি তুলছিলেন। একপর্যায়ে এক এজেন্ট পিপার স্প্রে ব্যবহার করলে প্রেট্টি তা ঠেকানোর চেষ্টা করেন এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের সাহায্য করেন। এরপর একাধিক এজেন্ট তাকে মাটিতে ফেলে মাথা ও শরীরে আঘাত করতে থাকে। মাটিতে ধরে রাখার সময় এক এজেন্ট অস্ত্র বের করেন এবং একাধিক গুলির শব্দ শোনা যায়। পরে প্রেট্টির নিথর দেহ রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

তদন্তকারী সংস্থা বেলিংক্যাট জানায়, ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, প্রথম গুলির আগে ওই ব্যক্তির কাছ থেকে একটি অস্ত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। তাদের দাবি, অন্তত দুইজন এজেন্ট গুলি চালান এবং মোট ১০টির বেশি গুলির শব্দ শোনা যায়। বেশিরভাগ গুলিই প্রেট্টি মাটিতে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকার সময় ছোড়া হয়।

পুলিশ প্রধান ব্রায়ান ও’হারা বলেন, নিহত ব্যক্তি বৈধভাবে অস্ত্র বহনের অনুমতিপ্রাপ্ত ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মিনেসোটায় অনুমতি থাকলে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা আইনসম্মত।

তীব্র হয়েছে বিক্ষোভে

ঘটনার পর মিনিয়াপোলিসের ওই এলাকায় কয়েকশ মানুষ বিক্ষোভে জড়ো হন। বিক্ষোভকারীরা ফেডারেল এজেন্টদের লক্ষ্য করে স্লোগান দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এজেন্টরা কাঁদানে গ্যাস ও ফ্ল্যাশব্যাং গ্রেনেড ব্যবহার করেন।

মিনিয়াপোলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রে বলেন, ছয়জনের বেশি মুখোশধারী এজেন্ট একজন বাসিন্দাকে মারধর করে গুলি করে হত্যা করেছেন—এমন ভিডিও তিনি নিজেই দেখেছেন। তার প্রশ্ন, আর কতজন মার্কিন নাগরিকের প্রাণ গেলে এই অভিযান বন্ধ হবে?

ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যামি ক্লোবুচার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, ট্রাম্প প্রশাসনকে এখনই মিনেসোটা থেকে আইসিই প্রত্যাহার করতে হবে। কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর এই হত্যাকাণ্ডকে ‘একটি প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ড’ বলে আখ্যা দেন এবং বলেন, ট্রাম্প মিনিয়াপোলিসকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছেন।

ঘটনার পর গভর্নর টিম ওয়ালজ জানান, তিনি হোয়াইট হাউজের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন এবং পরিস্থিতি শান্ত রাখতে অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। মিনিয়াপোলিস সিটি কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের শান্ত থাকার এবং ঘটনাস্থল এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে।


সৌদি আরবে হামলা: বাংলাদেশ থেকে রিয়াদের ৫ ফ্লাইট বাতিল

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর, ২০২৬

সৌদি আরবে হামলা: বাংলাদেশ থেকে রিয়াদের ৫ ফ্লাইট বাতিল

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের একের পর এক হামলার কারণে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট উড্ডয়ন বাতিল করা হয়েছে। 

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সংবাদমাধ্যমকে জানায়, হুথি হামলার কারণে শনিবার (১০ অক্টোবর) থেকে রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত মোট ৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। 

এগুলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, সৌদিয়া এবং রিয়াদ এয়ারের ফ্লাইট।

শনিবার ঢাকা থেকে রিয়াদের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বিমানবন্দরের পরিস্থিতি দেখে মাঝপথে ওমানের মাস্কাট বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে ফ্লাইটটি ঢাকায় ফিরে আসে।

এদিকে শনিবার মধ্যরাতে রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের মিসাইল হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশি  ছাড়াও মিশর, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সুদান, সিরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রয়েছেন। হামলার পর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

গত এক সপ্তাহে রিয়াদ বিমানবন্দরে অন্তত এ নিয়ে চারবার হামলা হয়েছে। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার এক পাইলটসহ তিন সৌদির নাগরিক নিহত হন।

হুথিরা ওই দিন বিমানবন্দরের অবকাঠামোর পাশাপাশি সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের একটি বিমানকেও টার্গেট করে হামলা চালায়। এতে ওই পাইলটের মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রায় দুই মাস ধরে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী এবং সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটছে। হুথিরা এক্ষেত্রে রিয়াদ বিমানবন্দরকে সবচেয়ে বড় টার্গেটে পরিণত করেছে। 

তারা এর আগে সতর্কতা দিয়েছিল, যদি কোনো বিমানসংস্থা সৌদির আকাশ দিয়ে বিমান চালায় তাহলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। এরপর, গতকাল (শনিবার) রাজধানী রিয়াদের বিমানবন্দরে এ বড় হামলার ঘটনা ঘটে।