?> সৌদি আরবকে অনেক সাহায্য করছে ইসরায়েল: ট্রাম্প | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

সৌদি আরবকে অনেক সাহায্য করছে ইসরায়েল: ট্রাম্প

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবকে অনেক সাহায্য করছে ইসরায়েল: ট্রাম্প

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি আরবকে ইসরায়েল অনেক সহায়তা করেছে এবং ভবিষ্যতে রিয়াদ ও জেরুজালেমের মধ্যে স্বাভাবিকীকরণ চুক্তি পুনর্বহাল হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এক খবর জানানো হয়েছে।হোয়াইট হাউসের লনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, সৌদি আরব ইসরায়েল ও আমেরিকার সমর্থন পেয়ে অত্যন্ত সন্তুষ্ট। আব্রাহাম আকর্ডসের মাধ্যমে ইসরায়েল ও সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সম্ভাবনা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন আরও জোরালো বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।জুলাই মাসে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ নতুন করে শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের তেল স্থাপনা, ট্যাংকার এবং রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। সৌদি সামরিক জোটের পাশাপাশি ইসরায়েলও দীর্ঘদিন ধরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখোমুখি হয়ে তাদের ওপর পাল্টা আঘাত হেনে আসছে।

এদিকে হুথিদের এই উসকানিমূলক হামলায় ইরানের সমর্থনের অভিযোগ তোলে সৌদি আরব। তবে শুক্রবার ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানান, হুথিরা তাদের নিজস্ব মূল্যায়নে কাজ করে, তবে মধ্যস্থতা করতে তেহরান সর্বদা প্রস্তুত।

ইয়েমেনের আল-মাশিক রাষ্ট্রপতির প্রাসাদে হুথিদের সাম্প্রতিক মারাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৫ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন। সৌদি আরব এবং লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হুথিদের এই ধারাবাহিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।


সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন নিয়মে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন নিয়মে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ভাড়াটে খুনি স্মিথকে ১৯৮৮ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তার মৃত্যুদণ্ড একবার কার্যকর করার চেষ্টা করা হলেও তখন সে বেঁচে গিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালাবামা অঙ্গরাজ্য নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করে দোষী সাব্যস্ত এক খুনির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে।

প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন ব্যবহার করে সর্বোচ্চ সাজা কার্যকর করার পদ্ধতি চালু হওয়ার চার দশক পর বৃহস্পতিবার নতুন আরেকটি পদ্ধতি ব্যবহার করল যুক্তরাষ্ট্র। এদিন আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত খুনি কেনেথ স্মিথের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। 

ভাড়াটে খুনি স্মিথকে ১৯৮৮ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু তার মৃত্যুদণ্ড একবার কার্যকর করার চেষ্টা করা হলেও সে বেঁচে যায়। বিরল ওই ঘটনাটি ঘটে ২০২২ সালের নভেম্বরে। ওই সময় তার দেহের শিরায় একটি সুই ঢোকানোর জন্য কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা করা হলেও তা প্রবেশ করানো যায়নি। এ ঘটনার পর অ্যালবামার কর্মকর্তারা প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন দিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা বাতিল করেন।

আরও পড়ুন: গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধের নির্দেশ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের

এরপর অঙ্গরাজ্যটি নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পদ্ধতি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। নতুন এই পদ্ধতিকে ‘মানুষের জানা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সবচেয়ে কম যন্ত্রণাদায়ক ও মানবিক উপায়’ বলে অভিহিত করেছিল তারা।  

কর্তৃপক্ষের ধারণা ছিল নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগের এক মিনিটের মধ্যেই স্মিথ জ্ঞান হারাবে ও মারা যাবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এতে আরও কয়েক মিনিট লেগেছে বলে মনে হয়েছে।


মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য হয় শিরা নয় তো প্রাণাঘাতী ইঞ্জেকশনের খোঁজে হন্যে হয়ে থাকা কারাগারগুলোর জন্য শ্বাসরোধ একটি সহজ বিকল্প বলে দাবি করেছে অ্যালাবামা।

রয়টাসর্ জানিয়েছে, জাতিসংঘের নির্যাতন বিশেষজ্ঞ ও স্মিথের আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এই পদ্ধতির বিরুদ্ধে ছিল। তাদের বক্তব্য ছিল, এই পদ্ধতি ঝুঁকিপূর্ণ, পরীক্ষামূলক এবং এটি যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু বা আঘাতের কারণ হতে পারে। 

বৃহস্পতিবার স্মিথ দ্বিতীয় কিন্তু শেষবারের মতো জল্লাদখানায় যান। জল্লাদরা তাকে একটি চাকা ওয়ালা স্ট্রেচারে আটকে রেখে তার মুখে কল-কারখানায় ব্যবহার করা হয় এমনটি একটি মানসম্মত মুখোশ বেঁধে দেন। এরপর ওই মুখোশে বিশুদ্ধ নাইট্রোজেন ভরা একটি ক্যান আটকে দেন। এই নাইট্রোজেনের প্রবাহ স্মিথকে অক্সিজেন নেওয়া থেকে বঞ্চিত করে।

আরও পড়ুন: গাজার ক্ষুধার্ত মায়েদের বুকে দুধ নেই, অনাহারে লাখ লাখ শিশু   

কারা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৩ মিনিটে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর শুরু হয়, এরপর রাত ৮টা ২৫ মিনিটে স্মিথকে মৃত ঘোষণা করা হয়।       

গণমাধ্যমের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে পাঁচজন সাংবাদিক এ মৃত্যুদণ্ড দেখার অনুমতি পেয়েছিলেন। তারা জানিয়েছেন, নাইট্রোজেন প্রয়োগ শুরু করার পরও স্মিথ বেশ কয়েক মিনিট সজাগ ছিলেন। এরপর তিনি তার মাথা ঝাঁকাতে থাকেন আর প্রায় দুই মিনিট ধরে মোচড়ামোচড়ি করেন, তারপর বেশ কয়েক মিনিট ধরে গভীরভাবে শ্বাস নিতে থাকেন, একপর্যায়ে শ্বাসপ্রশ্বাস ধীর হয়ে আসে যা পরে আর দৃষ্টিগোচর হয়নি। 

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যালাবামার সংশোধন কমিশনার জন হ্যাম বলেন, “মনে হয়েছে স্মিথ যতক্ষণ সম্ভব তার নিশ্বাস বন্ধ করে রেখেছিলেন।”


অবশেষে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ, ২০২৪

অবশেষে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

অবশেষে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় জরুরিভিত্তিতে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস হলো। সোমবার (২৫ মার্চ) পাস হওয়া এই প্রস্তাবে গাজায় যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি হামাসের হাত থাকা জিম্মিদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির শর্ত রাখা হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ প্রস্তাবে  ভোটদানে বিরত ছিল ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। তবে নিরাপত্তা পরিষদের বাকি ১৪টি দেশ প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেয়।

এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হয়েছে। এই প্রস্তাব অবশ্যই বাস্তবায়ন হতে হবে। যদি কোনো পক্ষ এই যুদ্ধবিরতি ও এর শর্তগুলো বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তাহলে তা হবে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধের শামিল।

এর আগে শুক্রবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতির খসড়া প্রস্তাব দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু রাশিয়া ও চীনের ভেটোর কারণে প্রস্তাবটি পাস হয়নি। সেদিন মস্কোর অভিযোগ ছিল, ওয়াশিংটনের দ্বিমুখী নীতি ইসরায়েলের ওপর কোনো চাপ তৈরি করছে না।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে তোলা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ১১ দেশ। বিপক্ষে দেয় তিন দেশ। আর ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে একটি দেশ।

তবে জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেছিলেন, এই খসড়াটি অত্যন্ত রাজনীতিকরণ করা হয়েছে ও এতে রাফায় সামরিক অভিযান চালানোর জন্য কার্যকর সবুজ সংকেত রয়েছে।


নেতানিয়াহুকে সমর্থন দিলেন ট্রাম্প

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

নেতানিয়াহুকে সমর্থন দিলেন ট্রাম্প

ইসরায়েলের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনের আগে দেশটির দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও তার ডানপন্থি লিকুদ পার্টি কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুকে ‘মহান যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক হামলায় অংশ নেওয়ার জন্যও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে কৃতিত্ব দেন তিনি।

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সপ্তম মাসে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। এ যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিও চাপে পড়েছে।

ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেন, ইসরায়েলের ভেতর থেকেও বিরোধিতার মুখে পড়েছেন নেতানিয়াহু। এত বাধা সত্ত্বেও তিনি শক্তিশালী, সাহসী ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। কঠিন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ চাপের কাছে নতি স্বীকার করলেও নেতানিয়াহু আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছেন বলে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ইসরায়েলের জনগণের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহু যাতে আবারও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, সে জন্য তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছেন তিনি।

তবে ট্রাম্পের এই সমর্থন নেতানিয়াহু বা তার দলের নির্বাচনী অবস্থান কতটা শক্তিশালী করবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় ইসরায়েলি জনগণের মধ্যে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমেছে।

বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনের পর সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত স্পষ্ট সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। ইসরায়েলে সরাসরি জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন না। পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দলের মধ্যে জোট গঠনের মাধ্যমে সরকার গঠন করা হয়।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর এটিই হবে ইসরায়েলের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ওই হামলার পর ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ শুরু করে। পরে লেবানন ও ইরানকে ঘিরেও সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে অস্থির করে তোলে।

এবারের নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করতে পারে, ইসরায়েলের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংকটময় সময় পার করে নেতানিয়াহু ক্ষমতায় টিকে থাকবেন, নাকি মধ্যপন্থি প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে পরাজিত হবেন। বিরোধী নেতারা ক্ষমতায় এলে দেশটিতে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় শুরুর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

ট্রাম্পের সমর্থনের জন্য নেতানিয়াহুও দ্রুত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘প্রিয় বন্ধু ডোনাল্ড’ বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে লেখেন, ‘একসঙ্গে আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণ করব।

সূত্র: রয়টার্স