?> সৌদি আরবে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠিয়েছে যুক্তরাজ্য | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

সৌদি আরবে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠিয়েছে যুক্তরাজ্য

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠিয়েছে যুক্তরাজ্য

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরবে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী একটি সামরিক বিমান পাঠিয়েছে যুক্তরাজ্য। 

সোমবার (১২ অক্টোবর) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

শাফাক নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পার্লামেন্টে বক্তব্য দেওয়ার সময় বার্নহাম বলেন, সৌদি আরবে মোতায়েন করা ‘ভয়েজার’ নামের বিমানটি ইতিমধ্যে ১৪টি সামরিক অভিযান সম্পন্ন করেছে। বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ সহায়তা প্রয়োজন।

রোববার (১১ অক্টোবর) হুতিরা দাবি করে, আগের ২৪ ঘণ্টায় তারা ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে সৌদি আরবের দুটি বিমানবন্দর ও রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর দুটি স্থাপনায় চারটি অভিযান চালিয়েছে।


হুতিদের দাবি, সানআ, তাইজ, মারিব, আল-জাওফ, হাজ্জা, আল-হুদায়দা ও সা'দা অঞ্চলে সৌদি আরবের ১২৪টি বিমান হামলার জবাবে এসব অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের আরও দাবি, সাম্প্রতিক উত্তেজনা শুরুর পর থেকে সৌদি বাহিনী মোট ২ হাজার ৫৮টি বিমান হামলা চালিয়েছে।তবে হুতিদের দেওয়া এসব হামলার হিসাব ও দাবির বিষয়ে প্রতিবেদনে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

চকলেটের প্যাকেটে আইফোন ১৮ উপহার দিয়ে কর্মীদের চমকে দিলেন ব্যবসায়ী!

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চকলেটের প্যাকেটে আইফোন ১৮ উপহার দিয়ে কর্মীদের চমকে দিলেন ব্যবসায়ী!

কর্মীদের হাতে চকলেট তুলে দিয়ে একটি ছোট্ট প্র্যাঙ্ক করতে চেয়েছিলে দুবাইয়ের এক নারী ব্যবসায়ী। কিন্তু প্যাকেট খুলতেই কারও হাতে মিলল একেবারে নতুন আইফোন ১৮, আর কারও হাতে বড় চকলেট বার। পরবর্তীতে চকলেট পাওয়া কর্মীদেরও নতুন আইফোন উপহার দিয়ে চমকে দেওয়া হয়। সেরা কর্মীদের ধরে রাখতে নেওয়া এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ী হাসিনা নিশাদের কিছু কর্মীকে নতুন আইফোন ১৮ উপহার দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তিনি জানিয়েছেন, কর্মীদের খুশি রাখা এবং তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখাই তাদের প্রতিষ্ঠানের অন্যতম মূলনীতি।

খালিজ টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওয়ার্ল্ড স্টার হোল্ডিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসিনা নিশাদ বলেন, ‘কর্মীরাই আমাদের শক্তি। তাদের ছাড়া আমাদের কোনো উন্নতি সম্ভব নয়। তাই প্রথম দিন থেকেই কর্মীদের পেছনে ব্যয় করাকে আমার স্বামী ও আমি অগ্রাধিকার দিয়ে আসছি।’

স্বামী নিশাদ হুসাইনের সঙ্গে মিলে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হাসিনা। জনবল সরবরাহ সেবা নিয়ে কাজ করা এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নিশাদ হুসাইন। চলতি সপ্তাহের শুরুতে নিশাদকে কয়েকজন কর্মীর মধ্যে প্যাকেট বিতরণ করতে দেখা যায়, যার অর্ধেকের মধ্যে ছিল নতুন আইফোন ১৮ এবং বাকিগুলোতে ছিল চকলেট বার। সবাই প্যাকেট খোলার পর হাসিনা সেখানে উপস্থিত হন এবং চকলেট পাওয়া কর্মীদের প্রত্যেককে নতুন ফোন উপহার দেন।

হাসিনা জানান, তাদের সেরা পারফর্ম করা ১২ জন কর্মীর জন্যই এই উপহার ছিল। চকলেটগুলো একটি ছোট্ট প্র্যাঙ্ক হলেও, যারা চকলেট পেয়েছিলেন তারা কেউ হতাশ হননি বরং খুশি মনে তা গ্রহণ করেছিলেন। পরে ফোন পাওয়ার পর তাদের মুখের আনন্দই তাদের জন্য বড় উপহার ছিল বলে জানান তিনি।

কর্মীদের খুশি রাখতে হাসিনা ও নিশাদের এমন উদ্যোগ এবারই প্রথম নয়। এর আগে গত বছর সেরা পারফর্ম করা কর্মীদের আইফোন উপহার দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে ১৬ কর্মীর জন্য পাঁচ তারকা হোটেলে থাকা, চালকসহ বিলাসবহুল গাড়িতে ভ্রমণ এবং ইয়টে পার্টির আয়োজন করা হয়। ২০২৩ সালে কর্মীদের জন্য বিশেষ সিনেমা প্রদর্শনীরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

হাসিনার মতে, এ ধরনের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানটিকে দীর্ঘমেয়াদে সেরা কর্মীদের ধরে রাখতে সহায়তা করেছে। তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মীরা খুব কমই চাকরি ছাড়েন এবং অনেকেই পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। সেরা কর্মীদের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের মনোবল চাঙা রাখতে খেলাধুলা ও শারীরিক কর্মকাণ্ডের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে মাত্র স্বামী-স্ত্রী মিলে এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু করেছিলেন হাসিনা ও নিশাদ। বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা এই প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দুতে কর্মীরাই রয়েছেন এবং কর্মীদের যথাযথ যত্ন নিলে প্রতিষ্ঠান নিজে থেকেই এগিয়ে যাবে বলে তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।


সৌদিতে নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশসহ যে দেশের নাগরিকেরা আছেন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর, ২০২৬

সৌদিতে নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশসহ  যে দেশের নাগরিকেরা আছেন

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কাছে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তিন শতাধিক মানুষ।

সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবারের (১০ অক্টোবর) এ হামলায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন সৌদি নাগরিক ও দুজন বাংলাদেশি রয়েছেন।

নিহত অন্যদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, সুদান ও মিসরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন। সৌদি জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ) জানিয়েছে, হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০৯ জন।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হামলায় বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থাপনারও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চলতি সপ্তাহে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের এটি তৃতীয় হামলা। এর আগে বৃহস্পতিবার একই বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় অন্তত তিনজন সৌদি নাগরিক নিহত হন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন পাইলটও ছিলেন বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

সর্বশেষ হামলার পর বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সূত্র: আল-জাজিরা


অবশেষে সক্রিয় মক্কা চুক্তি : সৌদিতে সেনা পাঠাচ্ছে পাকিস্তান, তুরস্ক

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

অবশেষে সক্রিয় মক্কা চুক্তি : সৌদিতে সেনা পাঠাচ্ছে পাকিস্তান, তুরস্ক

ইরানের মদতপুষ্ট সশস্ত্র ইয়েমেনি গোষ্ঠী হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাত তীব্র হওয়ার পর অবশেষে সক্রিয় হলো ত্রিপাক্ষিক মক্কা প্রতিরক্ষা জোট। গতকাল সোমবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে জোটের কৌশলগত-রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির বৈঠকে জোট সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি, এ সিদ্ধান্তের আওতায় সৌদি আরবে দ্রুত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের ঘোষণাও দিয়েছে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের অপর দুই শরিক দেশ পাকিস্তান ও তুরস্ক।

হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতাসহ সৌদি আরবের সংঘাত এবং তার জেরে ইয়েমেন থেকে সৌদির সামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোর ওপর অব্যাহত হামলা ও নিরাপত্তা হুমকির জোট সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৩ দেশ।

সোমবারের বৈঠকের পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “জোটের নির্বাহী কমিটি যৌথ প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে অবিলম্বে অগ্রসর হওয়ার এবং সৌদি আরবে দ্রুত মোতায়েনের জন্য সম্মত সামরিক বাহিনী ও সক্ষমতা প্রদানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

‘সম্মত শর্তানুযায়ী সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হবে’

গত আগস্টে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের চুক্তিতে যেসব শর্তের উল্লেখ ছিল, সেগুলো মেনেই সামরিক বাহিনী মোতায়েন করছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের অনুমোদিত ব্যবস্থা এবং জাতীয় আইন অনুযায়ী এই মোতায়েন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করা, তিন দেশের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা এবং যেকোনো হুমকির মোকাবিলায় তাদের যৌথ সক্ষমতা বাড়ানো।”

যৌথ বিবৃতিতে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক মুসলিমদের দুই পবিত্র শহর মক্কা-মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রচেষ্টার পাশাপাশি সৌদি শহর এবং বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হুথি বিদ্রোহীদের অব্যাহত হামলার নিন্দা জানিয়েছে। সেই সঙ্গে দেশের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সৌদি সশস্ত্র বাহিনীর লড়াকু মনোভাবের প্রশংসাও করেছে তুরস্ক-পাকিস্তান।

রিয়াদের বৈঠকে ৩ দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ

সোমবারের উচ্চপর্যায়ের  বৈঠকে তিন দেশেরই জ্যেষ্ঠ প্রতিরক্ষা, কূটনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন। তুরস্কের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলের এবং সেনাপ্রধান (চিফ অফ জেনারেল স্টাফ) জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারোগলু।

পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার, চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ। সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং সেনাপ্রধান (চিফ অফ জেনারেল স্টাফ) জেনারেল ফায়াদ বিন হামেদ আল-রুওয়াইলি।

পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নুমান মাহমুদ—যিনি মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মহাসচিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন—তিনিও এই বৈঠকে অংশ নেন।

প্রথম মহাসচিব হিসেবে পাকিস্তানি জেনারেলের নিয়োগ

জোট কমিটি পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নুমান মাহমুদকে তিন বছরের মেয়াদে ‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

জোটভুক্ত ৩ দেশ জানিয়েছে, প্রতিটি সদস্যের নিরাপত্তা তাদের সম্মিলিত নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা জোর দিয়ে বলে যে, যৌথ প্রতিরক্ষার জন্য ‘মক্কা চুক্তি’ বাস্তবায়ন সম্মিলিত প্রতিরক্ষার প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতিকেই তুলে ধরে এবং এটি প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে হুথি হুমকি

হুথিদের ধারাবাহিক আক্রমণের মুখে এই চুক্তিটি কার্যকর করা হলো; হুথিরা দাবি করেছে যে তাদের এসব আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু ছিল সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো।

এই পদক্ষেপটি সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক; এর মাধ্যমে দেশ তিনটি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আসা হুমকির মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

গত ৭ আগস্ট ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। এই চুক্তির আওতায়, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র আক্রমণকে তিন দেশের সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।

তারপর থেকে দেশগুলো চুক্তিটি কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। আগস্ট মাসে ইস্তাম্বুলে জোটভুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক প্রধানরা বৈঠক করেন এবং ২৫ সেপ্টেম্বর রিয়াদে সামরিক প্রধানরা আরও আলোচনা করেন।

সূত্র : এপি, ইন্ডিয়া টুডে