?> শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভেনথাম নাভি পিলাই | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভেনথাম নাভি পিলাই

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভেনথাম নাভি পিলাই

 চলতি বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন মানবাধিকার কর্মী নাভেনথাম নাভি পিলাই। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টার দিকে তার নাম ঘোষণা করা হয়।

নোবেল কমিটি জানিয়েছে, শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টার কারণে তাকে সম্মানজনক এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

কমিটি আরও জানিয়েছে, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যাকারীরা যেন বিচারের মুখোমুখি হয় সেটি নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন নাভেনথাম।

দক্ষিণ আফ্রিকায় যখন বর্ণ বৈষম্য চলছিল তখন ডারবানে ভারতীয় বংশোদ্ভূত তামিল পরিবারে জন্ম হয় নাভেনথামের। তিনি পরবর্তীতে আইনজীবী ও আইনি ক্ষেত্রে অগ্রদূত হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

তিনি সমাজে থাকা অবকাঠামোগত বৈষম্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার জনপ্রিয় বর্ণবাদবিরোধী নেলসন ম্যান্ডেলাসহ অন্যান্যদের পক্ষে আইনি লড়াই করেছেন জীবনের শুরুতে। এরপর বিচারক হিসেবে কাজ করেছেন বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সব আদালতে।

তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্টের বিচারকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রুয়ান্ডার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে কাজ করেছেন।

সম্প্রতি তিলি ফিলিস্তিনের দখলকৃত ভূখণ্ডে দখলদার ইসরায়েলের অপরাধ তদন্তে গঠিত জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশনেও কাজ করেছেন।

আর বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে আছেন যেখানে গণহত্যায় অভিযুক্ত মিয়ানমারের বিচার চলছে।

এরআগে গত বছর শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো।

ভেনেজুয়েলার সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে উদ্বুদ্ধ করা এবং দেশটিকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে একনায়কতন্ত্র থেকে গণতান্ত্রিক পথে নেওয়ার আন্দোলনের জন্য তাকে নোবেল দেওয়া হয় বলে জানায় নোবেল কমিটি।

২০১৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন পাকিস্তানের মালালা ইউসুফ জাই। তার চেয়ে কম বয়সে আর কেউ নোবেলে ভূষিত হয়নি। অপরদিকে ১৯৯৫ সালে ৮৬ বছর বয়সে নোবেল পেয়েছিলেন জোসেফ রোটব্লাট।

নোবেল কমিটি বলেছে এ বছর নাভেনথামকে নোবেলে ভূষিত করে তারা বিশ্বকে মনে করিয়ে দিতে চান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন মিলে সেই সিস্টেম গড়ে তোলে যেগুলো দিয়ে আমরা অসহিংসভাবে দ্বন্দ্বের সমাধান এবং শান্তি সমুন্নত রাখতে পারি।

গাজা যেন এক বিচ্ছিন্ন মৃত্যুপুরী!
বেঁচে যাওয়া মানুষ প্রয়োজনীয় খাদ্য ও নিত্যসামগ্রী পাচ্ছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বেঁচে যাওয়া মানুষ প্রয়োজনীয় খাদ্য ও নিত্যসামগ্রী পাচ্ছে না

বার্তাবেলা ডেস্ক: ইসরায়েলি হামলায় গাজা ধ্বংসপ্রায়। ৩০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত ও ৫০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত।  ইসরায়েলের নির্দেশমতো উত্তর গাজা থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষ দক্ষিণে সরে গেছে। রাফা সীমান্তে তাদের পরিণতি কী ঘটে বলা যাচ্ছে না। পানি, বিদ্যুত্ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সব সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন মৃত্যুপুরী এখন গাজা।

অবরুদ্ধ গাজায় মানবিক সংকট দিনে দিনে গভীরতর হচ্ছে। বেঁচে যাওয়া মানুষ প্রয়োজনীয় খাদ্য ও নিত্যসামগ্রী পাচ্ছে না। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, ইসরায়েল গাজার সাধারণ মানুষকে অনাহারে থাকতে বাধ্য করছে যা আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।

ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ শব্দ নাকবা। আরবি শব্দ যার অর্থ বিপর্যয়। ১৯৪৮ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর সাড়ে সাত লাখ ফিলিস্তিনি ভিটেমাটি থেকে উত্খাত হয় যা নাকবা পরিচিতি পায়। ইসরায়েলের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিরা যেভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন মনে হয় আরেকটি নাকবার মাধ্যমে সংকট শেষ হবে। দেশটির কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী আভি ডিচতার ডিসেম্বরে বলেছিলেন, গাজার বাস্তুচ্যুতি ২০২৩ সালের নাকবা হয়ে থাকবে। ইসরায়েলের ক্ষমতাসীনদের মুখে নাকবা শব্দ তেমন একটা শোনা যায় না। দেশটির উগ্র ডানপন্থি রাজনীতিবিদরা সম্প্রতি নাকবা শব্দ ব্যবহার করছেন। শব্দটা ফিলিস্তিনিদের জন্য স্বাভাবিক বলেই তারা মনে করেন। ’৪৮ সালের সেই ঘটনা তাদের জন্য বিপর্যয় ছিল না। ইসরায়েলের জন্য সীমানা সম্প্রসারণের সুযোগ। ডানপন্থি জায়নিস্ট পার্টি থেকে আসা অর্থমন্ত্রী বেজালেল সমোিরচ কয়েক বছর আগে পশ্চিম তীর অন্তর্ভুক্তিকরণের একটি পরিকল্পনা প্রস্তাব দেন। বলা হয়েছিল সেখানে বসবাসরত ফিলিস্তিনিরা পূর্ণ নাগরিক না হয়ে হয় ইসরায়েলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবে অথবা অন্য কোথাও চলে যাবে। পূর্ণ নাগরিক না অর্থ স্থায়ী বসবাসের অধিকার বা ভোটাধিকার থাকবে না। পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিরা বর্তমানে সেই অবস্থায় আছে।

অনেকে বলছেন, গাজায় এখন যা হচ্ছে তা আসলেই নাকবাই। ১৯৪৮ সাল বা ১৯৬৭ সালে যা হয়েছিল বর্তমান পরিস্থিতি সম্মিলিতভাবে ঐ দুই ঘটনাকে ছাপিয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এখনই এ ব্যাপারে কিছু একটা করা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেছেন, ইসরায়েলের গাজা পুরোটা বা অংশবিশেষ দখলও তারা সমর্থন করেন না। যুদ্ধে বাস্তুচ্যুত মানুষের অবশ্যই তাদের নিজ ভিটামাটিতে ফেরার সুযোগ দিতে হবে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ডিসেম্বরের প্রথম দিকে বলেছিলেন, গাজা অথবা পশ্চিম তীর থেকে ফিলিস্তিনিদের উত্খাত অথবা গাজার সীমা পুনর্নির্ধারণ যুক্তরাষ্ট্র কোনো অবস্থাতেই অনুমোদন করবে না। বাইডেন প্রশাসন যদি এই নীতিতে অনড় থাকে তবে তাদের ইসরায়েলকে এখনই বোঝানো উচিত।

১৯৪৮ ও ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর ইসরায়েল বিশাল ফিলিস্তিনি এলাকা দখল করে। বর্তমান যুদ্ধের তীব্রতা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে। নিহতদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। পুরো গাজায় এখন বসবাসের মতো কোনো নিরাপদ জায়গা নেই। সবশেষ দক্ষিণ গাজার রাফায় আরেকটি ট্র্যাজিডি তৈরি হচ্ছে বলে মনে হয়। ইসরায়েল চাইছে মিশর তাদের আশ্রয় দিক, বিশেষ করে সিনাই উপত্যকায় তাদের নিয়ে থাকতে দেওয়া হোক। কিন্তু মিশর এ ব্যাপারে সাফ না বলে দিয়েছে।

ফিলিস্তিনিরা যেন গাজায় তাদের ফেলে যাওয়া বাড়িঘরে ফিরতে পারে সেটা ইসরায়েলি সরকারকে নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের এখনই বলা দরকার। বিশেষ করে উত্তর গাজায় বাস্তুচ্যুত মানুষ ফিরতে পারবে কি না তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা রয়েছে। নাকবা শুধু ফিলিস্তিনিদের বসতভিটা থেকে উত্খাত করা নয় বরং তারা যেন হাতছাড়া হওয়া ভিটার ওপর দাবি তুলতে না পারে সেজন্য আইনি অস্ত্রও বটে। ১৯৫০ সালে ইসরায়েল অনুপস্থিত সম্পত্তি আইন প্রণয়ন করে বাস্তুচ্যুত লোকজনের ফেরার পথ আটকে দেয়। সেই থেকে ফিলিস্তিনিদের জন্য যে কোনো যুুদ্ধই স্থায়ী বাস্তুচ্যুতির খড়গ হয়ে ঝুলছে। যদিও ইসরায়েল কাগজে কলমে সম্প্রতি ট্রাস্টি করেছে কিন্তু সেটা কেবল অভিবাসী ইহুদিদের পুনর্বাসনের জন্যই। পরিত্যক্ত সম্পত্তিগুলোতে এক সময় শুরু হয় বসতি নির্মাণ। কিছুদিন আগে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের শেখ জাররাহ থেকে ফিলিস্তিনিদের উত্খাত বৈধতা দিতে ইসরায়েল ঐ প্রয়োগ করেছিল।

বাস্তুচ্যুত গাজাবাসী যদিও-বা ফিরতে পারে তারপরও প্রশ্ন থেকে যাবে পুনর্গঠন কীভাবে হবে। এর জন্য প্রয়োজন হবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ। ইসরায়েলের ১৬ বছরের অবরোধ এড়িয়ে সেখানে নির্মাণসামগ্রী পৌঁছান প্রায় অসম্ভব। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো যেখানে বিপর্যয় ঠেকাতে কিছুই করেনি সেখানে আরেকটি নাকবা আটকাতে কী তারা ভূমিকা পালন করবে সেটাও একটি প্রশ্নসাপেক্ষ বিষয়।


ভিক্ষার অভিযোগে সৌদি আরবে বাংলাদেশি ও ভারতীয় ৪ প্রবাসী গ্রেপ্তার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৬

ভিক্ষার অভিযোগে সৌদি আরবে বাংলাদেশি ও ভারতীয় ৪ প্রবাসী গ্রেপ্তার

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে ভিক্ষাবৃত্তির অভিযোগে বাংলাদেশি ও ভারতীয় চার প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের আটক রাখার পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সৌদি জননিরাপত্তা বিভাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে দান করতে আগ্রহীদের অনুমোদিত ও সরকারি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রকৃত অভাবী মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করা সম্ভব বলে জানিয়েছে বিভাগটি।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সূত্র: আজেল নিউজ 


বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপ: খাবার ও পানি মজুতের নির্দেশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপ: খাবার ও পানি মজুতের নির্দেশ

রাশিয়া ইউক্রেন সীমানা ছাড়িয়ে ইউরোপের অন্যান্য দেশে যুদ্ধ বিস্তার করতে পারে—এমন চরম আশঙ্কার মধ্যে সমগ্র ইউরোপজুড়ে বড় ধরনের সামরিক ও বেসামরিক যুদ্ধপ্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়েছে।।

সুওয়ালকি করিডোরের কাছে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ সামরিক মিত্র বেলারুশের সাম্প্রতিক বড় আকারের সামরিক মহড়া ন্যাটোর সার্বভৌমত্বের জন্য নতুন হুমকি তৈরি করেছে। পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যবর্তী সংবেদনশীল এই সীমান্ত অঞ্চলটি বাল্টিক দেশগুলোকে ন্যাটোর মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার একমাত্র স্থলপথ হওয়ায় এখানে যেকোনো আক্রমণের তীব্র ঝুঁকি রয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ক্যানজাত খাদ্য ও পানীয় জল মজুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং দেশটির সেনাপ্রধান একে বিগত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক সময় বলে সতর্ক করেছেন। জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ মহাদেশটির স্বাধীনতা ও শান্তি রক্ষার আহ্বান জানিয়ে হাসপাতালগুলোকে যেকোনো হামলার পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ হাইব্রিড হামলা থেকে জাতীয় অবকাঠামো রক্ষায় নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন এবং পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টুস্ক রুশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সম্ভাবনা নিয়ে সতর্ক করেছেন। এমনকি দীর্ঘদিনের নিরপেক্ষ দেশ সুইজারল্যান্ডও সশস্ত্র আক্রমণ মোকাবেলায় একটি নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল অনুমোদন করেছে।

ন্যাটোর সিদ্ধান্তহীনতা পরীক্ষা করতে রাশিয়া সাইবার হামলা, অগ্নিকাণ্ড, নাশকতা এবং ড্রোন অনুপ্রবেশের মতো অস্পষ্ট ‘গ্রে জোন’ কৌশল ব্যবহার করছে। সম্প্রতি মার্কিন কৌঁসুলিরা সিআইএ ও ইউরোপীয় অবকাঠামোতে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে রুশ গোয়েন্দা সংশ্লিষ্ট একটি চক্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পর যুক্তরাষ্ট্রও এই হুমকির বাস্তবতা দেখতে পায়।

ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে সম্ভাব্য আক্রমণের ক্ষেত্রে ধ্বংসাত্মক জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ন্যাটো প্রতিশ্রুতি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে পুরো ইউরোপে এখন বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্যসেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সুরক্ষা জোরদার করা হচ্ছে, যাতে আক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

সূত্র: সিএনএন