?> রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ভারতের ৩ দফা | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ভারতের ৩ দফা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ভারতের ৩ দফা

পঞ্চম বছরে পা দেওয়া রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধে তিন দফার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পেশ করেছে ভারত। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের গত মাসের কিয়েভ সফরের সময় এই পরিকল্পনাটি ইউক্রেনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। বুধবার (৭ অক্টোবর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের পেশ করা প্রস্তাবের তিন মূল বিষয়ের মধ্যে রয়েছে শক্তি কেন্দ্র ও অন্যান্য অবকাঠামোয় আক্রমণ বন্ধ করা, কৃষ্ণসাগরের বন্দর দিয়ে শস্য ও জ্বালানি পরিবহন স্বাভাবিক রাখা এবং এই কৌশলগত জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা পুরোপুরি বন্ধ রাখা।

ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই সিবিহা ভারতের প্রস্তাব পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে এটিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে আসা চারটি আন্তর্জাতিক প্রস্তাবের মধ্যে সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ বলে উল্লেখ করেছেন। তুরস্ক, মিসর এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব পেলেও যেকোনো চুক্তিতে কেবল সামরিক অভিযান নয়, বরং শক্তি অবকাঠামো ও কৃষ্ণসাগর পরিস্থিতির সুরক্ষার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকা প্রয়োজন বলে তিনি জানান।


এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মন্তব্য করেন, যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতামূলক সমাধানের লক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অত্যন্ত ভালো চিন্তাভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে যুদ্ধ থামাতে কাজ করায় তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রশংসাও করেন।

ভারতের প্রস্তাবটি তুরস্ক ও মিসরের প্রস্তাব থেকে ভিন্ন, কারণ তারা মূলত বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধের মাধ্যমে শস্য চলাচলের ওপর জোর দিয়েছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনাটি কেবল শক্তি অবকাঠামোয় যুদ্ধবিরতির ওপর কেন্দ্র করে তৈরি। 

দিল্লি মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর জানান, ভারত কেবল মৌখিক আহ্বানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে উভয় দেশের সঙ্গেই কার্যকর আলোচনা চালাচ্ছে। রাশিয়া সঙ্গে ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা সম্পর্ক থাকায় ভারত নীতিগতভাবে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আনোয়ারের বৈঠক

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আনোয়ারের বৈঠক

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। বৈঠকে মিয়ানমারের শরণার্থীদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনসহ দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা।

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের মালয়েশিয়া সফর উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় রয়্যাল মালয়েশিয়ান রেঞ্জার রেজিমেন্টের (১ আরআরডি) প্রথম ব্যাটালিয়নের সদস্যরা তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

পরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসেন আনোয়ার ইব্রাহিম। প্রায় ৩০ মিনিটের এ বৈঠকে দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ ও উদ্বেগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।

বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায় মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত মিয়ানমারের শরণার্থীদের বিষয়টি। বিশেষ করে জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে তাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন দুই নেতা।

আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, মিয়ানমারের শরণার্থী সংকটের স্থায়ী সমাধানে প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং এবং মিয়ানমারের নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা ও দরকষাকষি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংককে গত বছরের শুরুতে মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শুরু হওয়া আলোচনার ধারাবাহিকতা হিসেবেই এবারের বৈঠককে দেখছেন তিনি।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার ভিত্তিতে সরাসরি আলোচনার সুযোগ সীমিত রাখার অতীত পদ্ধতিগুলো কার্যকর ফল বয়ে আনেনি। বরং কয়েক দশক ধরে চলমান শরণার্থী সংকট আরও জটিল হয়েছে এবং এটি মালয়েশিয়ার জনগণের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ তৈরি করছে।

তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে যে আলোচনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে, সেটিকে কাজে লাগিয়ে এখন একটি বাস্তব ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

আনোয়ার ইব্রাহিমের মতে, দীর্ঘদিনের এ সংকটের স্থায়ী সমাধানে মিয়ানমারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও আলোচনার বিকল্প নেই। আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি সমাধান খুঁজে বের করতে হবে, যা শরণার্থীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মালয়েশিয়ার স্বার্থ ও উদ্বেগকেও বিবেচনায় নেয়।

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের মালয়েশিয়া সফরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং মিয়ানমারের দীর্ঘস্থায়ী সংকটের বিভিন্ন দিকও আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।


দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা

প্রকাশিত: ০৮ এপ্রিল, ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা

দক্ষিণ লেবাননে বুধবার সকালে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে ইসরায়েলের কাছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ওই চুক্তির ঘোষণার পরপরই বুধবার সকালে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের টায়ার এবং নাবাতিয়েহ এলাকায় হামলা চালানো হয়।

যুদ্ধবিরতির চুক্তি ইরানসমর্থিত লেবানিজ সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে চলা সংঘাতকেও অন্তর্ভুক্ত করার দাবি অস্বীকার করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

এ বিষয়ে লেবানন সরকার এবং হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এই চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, চুক্তির মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, হিজবুল্লাহ যে কোনো চুক্তির মধ্যে লেবানন ফ্রন্টকেও অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল।

অন্যদিকে ইসরায়েল ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা লেবাননের সীমান্তের ভেতরে একটি নিরাপত্তা বাফার জোন তৈরি করতে চায়। এরই মধ্যে ইসরায়েলি সৈন্যরা লেবাননে ঢুকেছে এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে, এর ফলে দেশটির কিছু অংশ ইসরায়েলের দখলে চলে যেতে পারে।


ইরানকে দ্রুত এগোতে হবে, নইলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৬

ইরানকে দ্রুত এগোতে হবে, নইলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না

ইরানকে দ্রুত এগোতে হবে, নইলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (১৭ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এ কথা লেখেন। খবর বিবিসির। 

যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় ট্রাম্প বলেন, ঘড়ির কাটা টিক-টিক করছে; সময় ফুরিয়ে আসছে। ইরানকে দ্রুত এগোতে হবে, নইলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। এছাড়া সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

গত শুক্রবার (১৫ মে) ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, ইরান যদি ২০ বছরের জন্য তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত রাখে, তাহলে তিনি তা মেনে নিতে পারেন।

এর আগে গত এপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার ঠিক আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, চুক্তি না হলে একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে। চলতি সপ্তাহেও তিনি বলেন, তেহরানের দাবিগুলো প্রত্যাখ্যান করার পর যুদ্ধবিরতি এখন ম্যাসিভ লাইফ সাপোর্টে রয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধে তেহরানের সবশেষ প্রস্তাবের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র কোনো সুস্পষ্ট ছাড় দেয়নি।

ইরানের আধা-সরকারি মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের অনমনীয় অবস্থান আলোচনা প্রক্রিয়াকে অচলাবস্থার দিকে ঠেলে দেবে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। আলোচনা এগিয়ে নিতে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেনে চলা হলেও মাঝেমধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে। এদিকে, ইরান এখনো হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে। অন্যদিকে, তেহরানকে চাপে রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ জারি রেখেছে। এ সংঘাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। তবে দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে এখনো বড় ধরনের দূরত্ব রয়ে গেছে।