?> মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আনোয়ারের বৈঠক | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আনোয়ারের বৈঠক

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আনোয়ারের বৈঠক

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। বৈঠকে মিয়ানমারের শরণার্থীদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনসহ দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা।

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের মালয়েশিয়া সফর উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় রয়্যাল মালয়েশিয়ান রেঞ্জার রেজিমেন্টের (১ আরআরডি) প্রথম ব্যাটালিয়নের সদস্যরা তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

পরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসেন আনোয়ার ইব্রাহিম। প্রায় ৩০ মিনিটের এ বৈঠকে দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ ও উদ্বেগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।

বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায় মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত মিয়ানমারের শরণার্থীদের বিষয়টি। বিশেষ করে জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে তাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন দুই নেতা।

আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, মিয়ানমারের শরণার্থী সংকটের স্থায়ী সমাধানে প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং এবং মিয়ানমারের নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা ও দরকষাকষি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংককে গত বছরের শুরুতে মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শুরু হওয়া আলোচনার ধারাবাহিকতা হিসেবেই এবারের বৈঠককে দেখছেন তিনি।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার ভিত্তিতে সরাসরি আলোচনার সুযোগ সীমিত রাখার অতীত পদ্ধতিগুলো কার্যকর ফল বয়ে আনেনি। বরং কয়েক দশক ধরে চলমান শরণার্থী সংকট আরও জটিল হয়েছে এবং এটি মালয়েশিয়ার জনগণের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ তৈরি করছে।

তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে যে আলোচনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে, সেটিকে কাজে লাগিয়ে এখন একটি বাস্তব ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

আনোয়ার ইব্রাহিমের মতে, দীর্ঘদিনের এ সংকটের স্থায়ী সমাধানে মিয়ানমারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও আলোচনার বিকল্প নেই। আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি সমাধান খুঁজে বের করতে হবে, যা শরণার্থীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মালয়েশিয়ার স্বার্থ ও উদ্বেগকেও বিবেচনায় নেয়।

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের মালয়েশিয়া সফরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং মিয়ানমারের দীর্ঘস্থায়ী সংকটের বিভিন্ন দিকও আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

ইয়েমেনের বন্দরশহরে সৌদির বিমান হামলা, নিহত ৬

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইয়েমেনের বন্দরশহরে সৌদির বিমান হামলা, নিহত ৬

লোহিত সাগরের তীরবর্তী ইয়েমেনি বন্দরশহর মোখায় অভিযান পরিচালনা করেছে সৌদি আরবের বিমান বাহিনী। এতে ৬ জন নিহত এবং আরও ৮ জন আহত হয়েছেন।

ইয়েমেনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাবা নিউজ এজেন্সি আজ মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “সোমবার রাতে মোখায় বোমা বর্ষণ করেছে সৌদি বিমান বাহিনী। এতে ৬ জন নিহত এবং ৮ জন আহত হয়েছেন। নিহত এবং আহতরা সবাই বেসামরিক। আহতদের মধ্যে ২ জন শিশু এবং একজন নারী আছেন।”

গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ইয়েমেনে বিমান অভিযান শুরু করেছে সৌদি আরব। ইরানের মদতপুষ্ট এই ইয়েমেনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর নেতারা জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনে হুথি নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন এলাকা এবং গোষ্ঠীটির বিভিন্ন সামরিক ও লজিস্টিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে বিমান অভিযান অতিমাত্রায় বাড়িয়েছে সৌদি বিমান বাহিনী। হুথি হাইকমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর— ৭ দিনে প্রায় ৩০০টি অভিযান সৌদি বিমান বাহিনী পরিচালনা করেছে বলেও উল্লেখ করেছেন হুথি নেতারা।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর বুধাবর সৌদি আরবের বিমান বাহিনীর একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে হুথি বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিধ্বস্ত বিমানটির ভিডিও পোস্ট করেছে গোষ্ঠীটি। এছাড়া সৌদির জ্বালানি খাতের বিভিন্ন স্থাপনাতেও সম্প্রতি বেশ কয়েক দফা হামলা করেছে হুথি বাহিনী। এতে রিয়াদের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।

আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে ইয়েমেনে হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়েছে সৌদি আরবের। ইতোমধ্যে কয়েক দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে সৌদি আরবের জ্বালানি খাতের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির পর গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে লোহিত সাগর ও এডেন সাগরকে সংযুক্তকারী বাব এল মান্দেব প্রণালি দখল করেছে হুথি যোদ্ধারা, যা সৌদির জন্য বড় দুঃসংবাদ। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বাব এল মান্দেব প্রণালি দিয়ে এত দিন নিজেদের অধিকাংশ জ্বালানি তেল রপ্তানি করে আসছিল সৌদি আরব।

সূত্র : এএফপি


পদার্থে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হেলজেন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

পদার্থে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হেলজেন

চলতি বছর পদার্থে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন বেলজিয়ামের পদার্থ বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হেলজেন । সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে নতুন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে।

আইসকিউব নিউট্রিনো পর্যবেক্ষনের ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান এবং মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

দক্ষিণ মেরুর বরফ ব্যবহার করে নিউট্রিনো কণার সন্ধান পাওয়া সম্ভব—এই ধারণা প্রথম দিয়েছিলেন হেলজেন। তার এ ধারণাই ‘আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি’ নির্মাণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। এক ঘনক কিলোমিটার (কিউবিক কিলোমিটার) আয়তনের বরফের এই বিশাল গবেষণাগারটি আলোক সংবেদী সেন্সরে সজ্জিত। এই আইসকিউব ব্যবহার করেই গবেষকেরা মহাবিশ্বের দূরদূরান্তের অত্যন্ত শক্তিশালী ও নানামুখী প্রক্রিয়া থেকে ছুটে আসা নিউট্রিনো কণা শনাক্ত করছেন।

নিউট্রন সব জায়গায় বিরাজমান। কিন্তু তারা নিজেদের জানান দেয় না। নিউট্রন বিশ্বের সর্বত্র এবং আমাদের শরীরের মাঝে দিয়ে চলে। কিন্তু এটি কেউ টের পান না। খুবই বিরলভাবে একটি একক নিউট্রন একটি অ্যাটোমিক নিউট্রনের সঙ্গে মিলতে পারে। ওই সময় সঠিক যন্ত্র ব্যবহার করে কেউ এটি খুঁজে পাওয়া যেতে পারে।

অন্য সব কণা যে পরিবেশে তৈরি হয়, অত্যন্ত শক্তিধর নিউট্রিনোগুলোও ঠিক একই পরিবেশ থেকে আসে। তবে অন্য কণাগুলোর মতো নিউট্রিনো পথ বদলায় না বা শক্তি হারায় না; সোজা আমাদের কাছে পৌঁছে যায়। এর মানে হলো, এমন কিছু গোপন তথ্য এটি আমাদের দিতে পারে, যা অন্য কোনো উপায়ে পাওয়া একরকম অসম্ভব।

১৯৮৮ সালে দক্ষিণ মেরুতে নিউট্রন পাওয়ার ধারণাটি দেন হেলজেন। যখন একটি সাধারণ নিউট্রিনোর সঙ্গে অ্যাটোমিক নিউক্লিয়াসের সংঘর্ষ হয়, তখন এটি আলোর একটি ঝলকানি তৈরি করে। আর এই আলো হিমবাহের স্বচ্ছ বরফে সেন্সরের মাধ্যমে ট্র্যাক করা সম্ভব।

বৈজ্ঞানিক দিক দিয়ে দক্ষিণ মেরুর বরফের অনেক সুবিধা রয়েছে। যেহেতু এগুলো বাইরের বিভিন্ন প্রভাব থেকে মুক্ত এবং ভৌগলিকভাবে স্থানটি স্থিতিশীল এবং সেখানে ভূমিকম্প সংঘটিত হয় না, তাই হেলজেনের এই ধারণাটি অন্যান্য গবেষকদের সমর্থন পায়। আর এর কিছুদিন পরই সেখানে সেন্সর দিয়ে প্রাথমিক পরীক্ষা করা হয়।

মহাশূন্য থেকে আসা অতিরিক্ত শক্তির এই নিউট্রিনো কণাগুলো অত্যন্ত বিরল। তাই এগুলোর ধাক্কা বা সংঘর্ষ ঠিকঠাক দেখতে হলে বিশাল পরিমাণ বরফের প্রয়োজন হয়। এক ঘনক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই 'আইসকিউব' গবেষণাগারটির নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০১১ সালে।

বিজ্ঞানীরা খুব দ্রুতই প্রথম উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো কণাগুলোর সন্ধান পান। এর ঠিক কয়েক বছর পর তারা এমন সব নিউট্রিনো খুঁজে পাওয়ার ঘোষণা দেন, যা আমাদের সৌরজগতের অনেক দূরের কোনো স্থান থেকে এসেছে। এভাবেই মহাবিশ্বের নিউট্রিনো উৎসের সন্ধান করার আসল কাজ শুরু হয়ে যায়।

আইসকিউব মেশিনে সব সময় যে কণাগুলো ধরা পড়ছে, সেগুলো নিয়ে বিজ্ঞানীরা এখন জানতে পারছেন কীভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী নিউট্রিনোগুলো তৈরি হয়। আর এরমাধ্যমে মহাকাশের অনেক অজানা তথ্য সামনে আসতে পারে।

এদিকে গত বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ ডেভোরেট এবং জন এম মার্টিনিস। বৈদ্যুতিক বর্তনীর মধ্যে‌ ‌‌‌স্থূল কোয়ান্টাম যান্ত্রিক টানেলিং এবং ‌শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য এ পুরস্কার পেয়েছিলেন তারা।

১৯০১ সাল থেকে পদার্থে নোবেল দেওয়া শুরু হয়। এ পর্যন্ত ১১৯বার এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। মাত্র ২৫ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ এ পুরস্কারটি জিতেছিলেন লরেন্স ব্র্যাগ। অপরদিকে সবচেয়ে বেশি বয়স হিসেবে ৯৬ বছর বয়স্ক আর্থুর আসকিন জেতেন পদার্থের নোবেল। ২০১৮ সালে তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।


পিতার 'মাথা কেটে' হাতে নিয়ে ছেলের ইউটিউবে ভিডিও ধারণ!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

পিতার 'মাথা কেটে' হাতে নিয়ে ছেলের ইউটিউবে ভিডিও ধারণ!

যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া জাস্টিন মোন নামে ৩২ বছর বয়সী এক যুবক তার বাবার মাথা কেটে দেহ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে ফেলে। এরপর সেই কাটা মাথা হাতে ঝুলিয়ে ভিডিও ধারণ করে পোস্ট করে ইউটিউবে। 

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, জাস্টিনের ধারণা ছিল যে তার বাবা বিশ্বাসঘাতক এবং দেশদ্রোহী। সেই ধারণা থেকে রাগে বাবার মাথা কেটে ন়ৃশংসভাবে হত্যা করে জাস্টিন। হত্যার পর কাটা মাথা হাতে ঝুলিয়ে ভিডিও রেকর্ড করে পোস্ট করে ইউটিউবে। ভিডিওটি পোস্ট করার প্রায় ৫ ঘণ্টা পর ইউটিউব ভিডিওটি তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে মুছে ফেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, জাস্টিন ইউটিউবে ১৪ মিনিটের একটি ভিডিও আপলোড করেছিলেন। তাতে দেখা গেছে, বাবার কাটা মাথা হাতে ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিনি। ম়ৃত বাবার নাম করে তিনি ভিডিওতে জানিয়েছেন, তার বাবা মাইকেল মোন একজন সরকারি কর্মী ছিলেন যিনি দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। পুলিশ বলেছে, মাইকেল সরকারি কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাকে উৎসাহ দিয়েছিলেন।

মাইকেল মোনের স্ত্রী ডেনিস মোন বাড়িতে এসে সন্ধ্যা ৭ টার দিকে মাথাবিহীন দেহটি পড়ে থাকতে দেখেন। সাথে সাথেই তিনি পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে মাইকেলের মৃতদেহটি উদ্ধার করে। এসময় একটি ছুরি এবং রক্তাক্ত গ্লাভস উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় জাস্টিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।