?> কৃষ্ণ সাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, ২৩ ভারতীয় নাবিককে উদ্ধার রাশিয়ার | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

কৃষ্ণ সাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, ২৩ ভারতীয় নাবিককে উদ্ধার রাশিয়ার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

কৃষ্ণ সাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, ২৩ ভারতীয় নাবিককে উদ্ধার রাশিয়ার

কৃষ্ণ সাগরে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলা হয়েছে। বিধ্বস্ত সেই জাহাজটি থেকে ২৩ জন ভারতীয় নাবিককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে রাশিয়ার কোস্টগার্ড বাহিনী।

গত কাল মঙ্গলবার ঘটেছে এ ঘটনা। রাশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশ করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লাইবেরিয়ার পতকাবাহী আফরাম্যাক্স রিও নামের সেই জাহাজটিতে নাভাল (সমুদ্রে ব্যবহারের উপযোগী) ড্রোন আঘাত হেনেছিল। হামলার পর জাহাজটিতে আগুন ধরে গিয়েছিল এবং অল্প সময়ের মধ্যে সেই আগুন পুরো জাহাজে ছড়িয়ে পড়েছিল।

“মোট ২৩ জন নাবিক ছিলেন জাহাজটিতে। রাশিয়ার কোস্টগার্ড বাহিনীর উদ্ধারকারী টিম যখন জাহাজটির কাছে পৌঁছায়, সে সময় পুরো জাহাজে আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। জাহাজে মোট ২৩ জন নাবিক ছিলেন এবং তারা সবাই ভারতীয়। আগুনের তেজের কারণে তাদের উদ্ধার করতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে, তবে সবাইকে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।”

নাবিকদের উদ্ধারের পর দমকল বাহিনীর কয়েকটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায় বলে জানানো হয়েছে রুশ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।

সামাজিক যোগাাযোগমাধ্যমে জ্বলতে থাকা সেই জাহাজটির ছবি প্রকাশিত হয়েছে। সেসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সাগরের বুকে পানিতে জাহাজটি দাউদাউ করে জ্বলছে এবং কালো ধোঁয়ার বিশাল কুন্ডলি উঠছে সেই জাহাজটি থেকে।

হামলাটি ঘটেছে কৃষ্ণ সাগর তীরবর্তী রুশ রিসোর্ট শহর সোচি’র কাছাকাছি সাইরিয়াস এলাকায়। এ ঘটনার পর সাইরিয়াসের সবগুলো সাগরতীরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

কোনো পক্ষ এখন পর্যন্ত হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে এটি যে ইউক্রেন ঘটিয়েছে— তা মোটামুটি নিশ্চিত। কারণ গোয়েন্দা তথ্য বলছে, রুশ অপরিশোধিত তেল পরিবহনের সাথে জড়িত জাহাজগুলোর ওপর নজরদারির অংশ হিসেবে ট্যাঙ্কারটি এর আগেই ইউক্রেনের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।


সূত্র : এএফপি, ফার্স্টপোস্ট

ইউরোপে ভয়াবহ গরমে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর, ২০২৬

ইউরোপে ভয়াবহ গরমে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু

ইউরোপে ২০২৬ সালের গ্রীষ্মে ভয়াবহ তাপপ্রবাহে বিভিন্ন শহরে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নতুন এক গবেষণা অনুযায়ী, এটি ইউরোপে তাপজনিত মৃত্যুর রেকর্ডে সবচেয়ে প্রাণঘাতী গ্রীষ্ম হতে পারে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, এসব মৃত্যুর মধ্যে ৩২ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর জন্য সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করা হচ্ছে। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট দূষণ বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়িয়ে তাপপ্রবাহকে আরও তীব্র করছে।

গবেষণার ফলাফল নেচার হেলথ সাময়িকীতে প্রকাশিত দুটি গবেষণাপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণার অন্যতম লেখক ও লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের চরম আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক গবেষক ক্লেয়ার বার্নস বলেন, ইউরোপের বড় একটি অংশে ২০২৬ সালের গ্রীষ্ম তাপজনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে রেকর্ডে সবচেয়ে ভয়াবহ হয়ে থাকতে পারে।

জাতিসংঘের বার্ষিক জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে আন্তর্জাতিক নেতাদের তুরস্কে সমবেত হওয়ার কয়েক সপ্তাহ আগে এই মৃত্যুর হিসাব সামনে এল। এর কয়েক দিন আগে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়, প্রাক্‌-শিল্প যুগের তুলনায় বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার লক্ষ্য অর্জনের সুযোগ এখন কার্যত শেষ হয়ে গেছে।

বার্নস বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব ঠেকানোর ক্ষেত্রে বিশ্ব অনেক পিছিয়ে রয়েছে। দ্রুত পদক্ষেপ ও দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে না পারলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।

ইউরোপ বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত উষ্ণ হয়ে ওঠা মহাদেশ। চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলোর মধ্যে তাপপ্রবাহই সবচেয়ে প্রাণঘাতী। চলতি বছরের মে মাসের শেষ দিক থেকে আগস্টের শেষ পর্যন্ত নজিরবিহীন উচ্চ তাপমাত্রায় পুড়েছে মহাদেশটি।

গবেষণায় বলা হয়েছে, পশ্চিম ইউরোপে এ বছর রেকর্ডে সবচেয়ে উষ্ণ গ্রীষ্ম দেখা গেছে। এ সময় তাপমাত্রা ১৯৯১ থেকে ২০২০ সালের গড়ের তুলনায় প্রায় ২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৫.২ ডিগ্রি ফারেনহাইট) বেশি ছিল। তবে কিছু দেশে নির্দিষ্ট দিনে তাপমাত্রার পার্থক্য স্বাভাবিকের তুলনায় ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি ছিল। সূত্র: সিএনএন


বিশ্ববাজারে আরও কমলো জ্বালানি তেলের দাম

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিশ্ববাজারে আরও কমলো জ্বালানি তেলের দাম

সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাইপলাইন পুনরায় চালু হওয়ায় পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধিতে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আরও কমেছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) টানা ষষ্ঠ সেশনের মতো কমে অপরিশোধিত তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলে ১ দশমিক ০৯ ডলার বা ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৯৮ দশমিক ১৬ ডলারে দাঁড়ায়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে ১ দশমিক ৫০ ডলার বা ১ দশমিক ৬৭ শতাংশ কমে ৮৯ দশমিক ০১ ডলারে নেমে আসে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ধ্বংসের হুমকি দিলেও তার প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানি প্রতিনিধিদের সাথে ইতিবাচক আলোচনা করেছেন বলে জানান। নিউ ইয়র্কে এই বৈঠকের পর বাজারে প্রায় সাত মাস ধরে চলা সংঘাত অবসানের আশা দেখা দেওয়ায় মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বরের পর প্রথমবারের মতো ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০০ ডলারের নিচে নেমে আসে।
ইরাকি মিলিশিয়াদের ড্রোন হামলার কারণে গত ১১ সেপ্টেম্বর সৌদি আরব তাদের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে বৈশ্বিক চাহিদার প্রায় ৪ শতাংশ অর্থাৎ দৈনিক ৪০ লাখ ব্যারেল তেল ইয়ানবু বন্দরে পাঠানোর এই ব্যবস্থাটি মঙ্গলবার পুনরায় চালু করা হয়, যা বাজারে সরবরাহ সংক্রান্ত স্বস্তি বাড়িয়েছে।

এর পাশাপাশি ইরাকের তেলমন্ত্রী বাসিম মোহাম্মদ জানান, তাদের দেশ থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বেড়ে দৈনিক ৩০ লাখ ব্যারেল অতিক্রম করেছে এবং তুরস্কের মাধ্যমে তা দৈনিক ৬ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করার প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া ১৮ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে তেলের মজুত ১ দশমিক ৮ মিলিয়ন ব্যারেল বৃদ্ধি পাওয়ায় জ্বালানির বাজারে মন্দাভাব আরও জোরদার হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স


উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তরে সম্মত হয়নি ইরান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তরে সম্মত হয়নি ইরান

ইরান তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত বিদেশে হস্তান্তরে সম্মত হয়নি বলে জানিয়েছেন দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। রোববার (২৪ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। 

ইরানি কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া প্রাথমিক সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরানের পারমাণবিক ইস্যু অন্তর্ভুক্ত ছিল না। বিষয়টি চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনার সময় বিবেচনা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, পারমাণবিক ইস্যু চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে, তাই এটি বর্তমান সমঝোতার অংশ নয়। এছাড়া ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশ থেকে বাইরে পাঠানোর বিষয়ে কোনো ধরনের সমঝোতা হয়নি। 

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার (২৩ মে) দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতা চুক্তি 'প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে' পৌঁছেছে এবং শিগগিরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে।  

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। যদিও ৮ এপ্রিল থেকে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চালু রয়েছে, তবে মাঝে মধ্যে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এখনও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও চলাচল, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং ইরানের জব্দকৃত অর্থ ফেরত।