?> জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তান | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তান

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তান

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সহায়তার উপায় খুঁজে বের করতে তিন দেশের চিফ অব স্টাফদের নিয়ে এক জরুরি বৈঠকের উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান।

সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, নিউইয়র্কে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। তবে এই সামরিক বৈঠক কবে অনুষ্ঠিত হবে কিংবা কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

চলতি বছরের ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।

চুক্তিটি স্বাক্ষরের পর থেকেই তিন দেশ এর সঠিক বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে এই দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক প্রধানদের উপস্থিতিতে 'কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটি'র প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সৌদি আরবে একটি সচিবালয় স্থাপন এবং সামরিক সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে তারা সম্মত হন।

নিউইয়র্কের বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মক্কা সহ সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত সাম্প্রতিক হামলাগুলোর তীব্র নিন্দা জানান এবং জাতিসংঘের সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সৌদি আরবের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন। ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবের দিকে নতুন করে ধারাবাহিক আক্রমণের খবরের পরপরই এই কূটনৈতিক পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হয়। বৃহস্পতিবার তায়েফ ও ইয়ানবুর দিকে ছুড়ে মারা ৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার কথা জানিয়েছে সৌদি এয়ার ডিফেন্স।

সূত্র: আল-জাজিরা

মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মজুরি ২ হাজার রিঙ্গিত করার ভাবনা, শ্রমিক ইউনিয়নের দাবি ৩১০০

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মজুরি ২ হাজার রিঙ্গিত করার ভাবনা, শ্রমিক ইউনিয়নের দাবি ৩১০০

মালয়েশিয়ায় স্বল্প বেতনভোগী শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনায় রয়েছে। ২০২৭ সালের বাজেট ঘোষণার আগে বর্তমান ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিতের ন্যূনতম মজুরি বাড়িয়ে ২ হাজার রিঙ্গিত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার। তবে শ্রমিক সংগঠনগুলো এর চেয়ে আরও বেশি মজুরি দাবি করেছে।

বর্তমানে মালয়েশিয়ায় মাসিক ন্যূনতম মজুরি ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫০ হাজার টাকার কাছাকাছি। সরকার এটি বাড়িয়ে ২ হাজার রিঙ্গিত করার বিষয়ে আলোচনা করছে। তবে নতুন হার কত হবে এবং কবে থেকে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

মালয়েশিয়ার অর্থমন্ত্রী আকমান নাসরুল্লাহ মোহাম্মদ নাসির বলেছেন, ন্যূনতম মজুরি ২ হাজার রিঙ্গিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ২০২৭ সালের বাজেট ঘোষণার সময় জানাবেন। তবে মজুরি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ওপর এর প্রভাবও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা এবং বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও এমএসএমই খাতের টিকে থাকার মধ্যে ভারসাম্য রেখে ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর ইঙ্গিত দেন। ইউনিভার্সিটি টেকনোলজি মারার সাবেক শিক্ষার্থীদের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, কোনো কোম্পানি বিলিয়ন বিলিয়ন রিঙ্গিত মুনাফা করবে, অথচ শ্রমিকরা ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত বেতন পাবেন—এটি টেকসই নয়।

তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতা ও কোম্পানির আয় বাড়লে শ্রমিকদেরও উচ্চ মজুরির মাধ্যমে তার সুফল পাওয়া উচিত। এ বিষয়ে বাজেটে কিছু উদ্যোগ ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।

২০১৩ সালে ৯০০, এখন ১ হাজার ৭০০

মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মজুরি ব্যবস্থা চালু হয় ২০১৩ সালে। তখন মাসিক ন্যূনতম মজুরি ছিল ৯০০ রিঙ্গিত। এরপর ২০১৬ সালে ১ হাজার, ২০১৯ সালে ১ হাজার ১০০, ২০২০ সালে ১ হাজার ২০০, ২০২২ সালে ১ হাজার ৫০০ এবং ২০২৫ সালে তা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত করা হয়।

অর্থাৎ ২০১৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মজুরি বেড়েছে প্রায় ৮৮ দশমিক ৯ শতাংশ।

বর্তমান ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিতের হার ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নির্দিষ্ট শ্রেণির নিয়োগকর্তার ক্ষেত্রে কার্যকর হয়। পরে ১ আগস্ট থেকে কর্মীর সংখ্যা নির্বিশেষে দেশজুড়ে তা কার্যকর করা হয়। তবে গৃহকর্মীরা এর আওতাভুক্ত নন।

বাংলাদেশিসহ বিদেশি শ্রমিকরাও পাবেন সুবিধা

মালয়েশিয়ার ন্যূনতম মজুরি আইন বিদেশি শ্রমিকদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ফলে বাংলাদেশ, নেপাল, ইন্দোনেশিয়াসহ অন্যান্য দেশের যোগ্য বিদেশি শ্রমিকরাও স্থানীয় আইনে নির্ধারিত ন্যূনতম মৌলিক মজুরি পাওয়ার অধিকারী।

বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি শ্রমিকরাও অন্তত ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত ন্যূনতম বেসিক বেতন পাওয়ার অধিকার রাখেন। নতুন হার ২ হাজার রিঙ্গিত হলে যোগ্য বিদেশি শ্রমিকদের বেসিক বেতনও সেই হারে বাড়বে।

মালয়েশিয়ায় প্রায় ৪ লাখ নেপালি শ্রমিক কাজ করেন। ন্যূনতম মজুরি বাড়লে তারাও সরাসরি উপকৃত হবেন।

মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি ও নেপালের কয়েকজন শ্রমিক জানান, জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়তে থাকায় সঞ্চয় করা কঠিন হয়ে পড়েছে। খাবারের দাম বাড়ায় খরচ মেটানোর পর যে অর্থ অবশিষ্ট থাকে, তা দেশে পাঠাতে হয়। ওভারটাইম না থাকলে সঞ্চয় করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে বলেও জানান তারা।

শ্রমিক ইউনিয়নের দাবি ৩ হাজার ১০০ রিঙ্গিত

ন্যূনতম মজুরি ২ হাজার রিঙ্গিত করার আলোচনা চললেও মালয়েশিয়ান ট্রেডস ইউনিয়ন কংগ্রেস (এমটিইউসি) ন্যূনতম মজুরি ৩ হাজার ১০০ রিঙ্গিত করার দাবি জানিয়েছে। বর্তমান ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিতের তুলনায় এই দাবি ৮২ শতাংশেরও বেশি।

ইতোমধ্যে কিছু সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি ও সরকারি বিনিয়োগ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান মাসে ৩ হাজার ১০০ রিঙ্গিতকে ‘লিভিং ওয়েজ’ বা জীবনযাপনের উপযোগী মজুরির মানদণ্ড হিসেবে গ্রহণ করেছে। তবে এটিকে এখনো নতুন আইনগত ন্যূনতম মজুরি হিসেবে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব করেনি।

১ হাজার ৭০০ থেকে সরাসরি ৩ হাজার ১০০ রিঙ্গিতে মজুরি বাড়ালে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের শ্রম ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। বিশেষ করে সীমিত মুনাফায় পরিচালিত ছোট ব্যবসাগুলোতে অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ তৈরি হতে পারে বলে ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ রয়েছে। এর প্রভাব পণ্যের দাম ও নতুন নিয়োগের ওপরও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আকমান নাসির বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদে টেকসই মজুরি বৃদ্ধির জন্য শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা, দক্ষতা ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। তার মতে, মজুরি বৃদ্ধির সঙ্গে উৎপাদনশীলতারও সমন্বয় থাকা প্রয়োজন।

দুই বছর পরপর পর্যালোচনা

মালয়েশিয়ার আইনে অন্তত দুই বছর পরপর ন্যূনতম মজুরি পর্যালোচনার বিধান রয়েছে। এ সময় জাতীয় মজুরি পরামর্শ কাউন্সিলকে ন্যূনতম মজুরির সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর প্রভাব মূল্যায়ন করতে হয়।

২০২৭ সালের বাজেটের প্রাক-বাজেট বিবৃতিতেও সরকারের ‘ডিসেন্ট ওয়েজ এজেন্ডা’ বা মর্যাদাপূর্ণ মজুরি কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, দেশে ন্যূনতম মজুরি বর্তমানে ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত। একই সঙ্গে সরকারি মালিকানাধীন বিনিয়োগ কোম্পানি ও সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলো ৩ হাজার ১০০ রিঙ্গিতকে জীবনযাপনের উপযোগী মজুরির মানদণ্ড হিসেবে গ্রহণ করেছে।

মালয়েশিয়ার ১৩তম পরিকল্পনাতেও ২০৩০ সালের মধ্যে অর্থনীতিকে উচ্চ আয় ও উচ্চ উৎপাদনশীলতার দিকে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে বিদেশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ব্যয়ের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে। ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে বেতনের ওপর মালয়েশিয়ার কর্মচারী ভবিষ্যৎ তহবিল (ইপিএফ)-এ নিয়োগকর্তা ও বিদেশি শ্রমিক উভয়কেই ২ শতাংশ করে অবদান রাখতে হচ্ছে।


‘অগ্রহণযোগ্য, নির্বোধ মন্তব্য’: ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পের কথার জবাবে মাক্রোঁ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর, ২০২৬

‘অগ্রহণযোগ্য, নির্বোধ মন্তব্য’: ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পের কথার জবাবে মাক্রোঁ

ফ্রান্সের শহরগুলোয় চলা অস্থিরতা নিয়ে ডনাল্ড ট্রাম্প ও অন্যান্য বিদেশি নেতারা রাজনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য ‘নির্বোধ মন্তব্য’ করছেন বলে অভিযোগ প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁর।

আসছে সপ্তাহিক ছুটিতে ফ্রান্সে আরও বিক্ষোভের প্রস্তুতির মুখে মাক্রোঁ এ অভিযোগ করলেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, কাতারে এক সফরকালে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমন অভিযোগ করলেও কারও নাম নেননি। 


ভারতে মন্দিরের কাছে ট্রাকচাপায় ১২ ভক্ত নিহত

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

ভারতে মন্দিরের কাছে ট্রাকচাপায় ১২ ভক্ত নিহত

ভারতের মধ্যপ্রদেশের গালিওরের শীতলা মাতা মন্দিরের কাছে নিয়ন্ত্রণহীন ট্রাকের চাপায় ১২ ভক্ত নিহত হয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত দেড়টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন তীর্থযাত্রী। যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ট্রাকটি পুলিশের চেকপোস্ট ভেঙে এসে মন্দিরের বাইরের দেওয়াল ও গেটে ধাক্কা দেয়। এতে ১২ জন নিহতসহ মন্দিরের বাইরের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

গালিওর পুলিশের এসএসপি ধর্মবীর সিং বলেছেন, রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় চিন্নরের দিক থেকে আসা শস্যবোঝাই একটি ট্রাক রাস্তার নিচু অংশে নিয়ন্ত্রণ হারায়। এরপর এটি পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মন্দিরের বাইরে জড়ো হওয়া ভক্তদের ওপর ওঠে যায়। এরপর ট্রাকটি মন্দিরের বাইরের দেওয়াল ও গেটে ধাক্কা দেয়।


এ ঘটনায় মন্দিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুই পুলিশ সদস্যও আহত হন। অন্যদের পাশাপাশি তাদেরও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।এসএসপি ধর্মবীর সিং আরও জানিয়েছেন, ট্রাক চাপা দেওয়ার পর ৩৯ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যারমধ্যে ১২ জনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এছাড়া পাঁচ থেকে ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আর বাকিরা সামান্য আঘাত পেয়েছেন।

ভয়াবহ ও আকস্মিক এ দুর্ঘটনার পর সেখানে বিশৃঙ্খল ও হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি তৈরি হয়।

এনডিটিভি জানিয়েছে, যারা নিহত হয়েছেন তারা সবাই ভক্ত এবং বড় দল নিয়ে মন্দিরের দিকে এসেছিলেন।


সূত্র: এনডিটিভি