?> ইসরায়েলগামী ফ্লাইটে মুসলিম দেশের পাইলটদের নিষেধাজ্ঞা এয়ার ফ্রান্সের | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

ইসরায়েলগামী ফ্লাইটে মুসলিম দেশের পাইলটদের নিষেধাজ্ঞা এয়ার ফ্রান্সের

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

ইসরায়েলগামী ফ্লাইটে মুসলিম দেশের পাইলটদের নিষেধাজ্ঞা এয়ার ফ্রান্সের

ইসরায়েলের বিতর্কিত নতুন নির্দেশনা মেনে ফরাসি বিমান সংস্থা ‘এয়ার ফ্রান্স’ বাংলাদেশসহ ৩১টি মুসলিম দেশের নাগরিক বা দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা পাইলট ও কেবিন ক্রুদের তেল আবিবগামী ফ্লাইটে দায়িত্ব পালন থেকে বাদ দিয়েছে।  

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘মিডিয়াপার্ট’-এর প্রতিবেদন সূত্রে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, ইসরায়েলগামী ফ্লাইটে নির্দিষ্ট কিছু দেশের ক্রুদের না পাঠানোর ইসরায়েলি শর্ত মানতে সম্মত হয়েছে এয়ার ফ্রান্স।

যেসব দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, সেই তালিকার অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশ, আলজেরিয়া, তিউনিশিয়া, ইরান ও পাকিস্তানের মতো ৩১টি দেশের নাগরিক বা দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ফরাসি কর্মীরা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন।

যদিও এই নির্দেশনায় কোনো ধর্মের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তবে জাতীয়তার ওপর আরোপিত এই নিষেধাজ্ঞার কারণে কার্যত ওই দেশগুলোর মুসলিম পাইলট ও কেবিন ক্রুরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
 
এয়ার ফ্রান্স তাদের কর্মীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে তা দ্রুত জানানোর নির্দেশ দিয়েছে এবং কথা না শুনলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের কারণে ফ্রান্সে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বিমান সংস্থাটি।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম এন১২-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর ইসরায়েলের পরিবহন মন্ত্রণালয় এই নির্দেশনা জারি করে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ‘ফ্লাইদুবাই’য়ের এক ওমানি সহ-পাইলট দুবাই থেকে তেল আবিবগামী একটি বিমান ইসরায়েলের বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার পরেই নিরাপত্তার অজুহাতে ইসরায়েল এই নতুন নিয়ম কার্যকর করে। এ ঘটনার পর ইসরায়েলি বিমান সংস্থাগুলো এখন তাদের কর্মীদের ওপর কঠোর নজরদারি চালাচ্ছ।

একটি ইসরায়েলি এয়ারলাইন প্রায় ২,৫০০ পাইলট ও কেবিন ক্রুর অতীত ইতিহাস যাচাই করা শুরু করেছে। অন্যদিকে, মিডিয়াপার্টের প্রতিবেদনের পর বিশ্বজুড়ে সমালোচনা হলেও এয়ার ফ্রান্সের পক্ষ থেকে কোনো প্রকাশ্য মন্তব্য করা হয়নি।

ইরাকে বিমান ঘাঁটিতে হামলা
ইরাকে বিমান ঘাঁটিতে হামলা, মার্কিন সেনা আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি, ২০২৪

ইরাকে বিমান ঘাঁটিতে হামলা, মার্কিন সেনা আহত

বার্তাবেলা ডেস্ক: ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়ারা আল আসাদ বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় ওই বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেট দিয়ে হামলা চালানো হয়।

হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া কমপক্ষে একজন ইরাকি কর্মকর্তাও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিজেদের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স বলে দাবি করা একটি গ্রুপ ওই বিমান ঘাঁটিতে হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসি অনুসারে, এই গ্রুপটি ২০২৩ সালের শেষের দিকে প্রকাশ্যে এসেছে। ইরাকে পরিচালিত বেশ কয়েকটি ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর সমন্বয়ে এটি গঠিত হয়েছে বলে জানানো হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু হামলার দাবি করেছে এই গোষ্ঠী। গত কয়েক বছরে আল আসাদ ঘাঁটিতে বারবার হামলা চালানো হয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, শনিবার বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আটকানো সম্ভব হলেও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

গত ৭ অক্টোবরে ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ওই অঞ্চলে ইরান-সমর্থিত বিভিন্ন গোষ্ঠীর হামলা বেড়ে গেছে। ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং এর মিত্ররা লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক জাহাজে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধ করতে পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে।

শনিবার মার্কিন বাহিনী হুথিদের বিরুদ্ধে আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে। ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের বেশিরভাগ অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী বলছে, তারা হুথিদের একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের স্থানে হামলা চালিয়েছে।


ইউক্রেইন রাশিয়া যুদ্ধ
রাশিয়ার তুমুল হামলায় ইউক্রেইনে নিহত ১১

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

রাশিয়ার তুমুল হামলায় ইউক্রেইনে নিহত ১১

ইউক্রেইনের রাজধানী কিইভ ও অন্য শহরগুলোতে রাশিয়ার তুমুল ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত ও আরও শতাধিক আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোররাতে এসব হামলা চালানো হয় বলে ইউক্রেইনের কর্তৃপক্ষগুলো জানিয়েছে।

চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এক যুদ্ধে ইউক্রেইনের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে রাশিয়া। আর চলতি বছর রাশিয়ার তেল স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেইন। উভয়পক্ষই বেসামরিকদের লক্ষ্যস্থল করার কথা অস্বীকার করেছে।

গত সপ্তাহে ক্রেমলিন সতর্ক করে বলেছিল, তারা কিইভের লক্ষ্যস্থলগুলোতে ‘পরিকল্পিত আঘাত’ হানবে। ইউক্রেইনের রাশিয়া অধিকৃত অঞ্চল লুহানস্কে এক ছাত্রাবাসে ড্রোন হামলায় ২১ জন নিহত হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় মস্কো এ হুমকি দেয়। ইউক্রেইন হামলার দায় অস্বীকার করে।

রয়টার্স জানিয়েছে হামলার পর কিইভের সুউচ্চ ভবনগুলোতে বিস্ফোরণ ও সেখানে থেকে ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডুলি উঠতে দেখা যায়। এখানে রাতভর হামলায় চারজন নিহত ও শিশুসহ ৬৫ জন আহত হয় বলে জানিয়েছেন মেয়র ভিতালি ক্লিচকো।

ক্লিচকো জানান, সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ২৪তলা এক ভবনের একটি অংশ ধসে পড়েছে। লোকজন সম্ভবত ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে। আর ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভাব্য ধ্বংসাবশেষের আঘাতে অন্যান্য ভবনের মধ্যে নয়তলা একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে আগুন ধরে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ভোররাতেই হাজার হাজার মানুষ কিইভের সাবওয়েতে এসে আশ্রয় নেওয়ার জন্য হাজির হয়। তখন ইউক্রেইনের প্রতিরক্ষা পদ্ধতিগুলো রাশিয়ার হামলা প্রতিহতে ব্যস্ত ছিল আর সারা আকাশজুড়ে তার ঝলক দেখা যাচ্ছিল।

ভোর হওয়ার পরও কিইভের বিভিন্ন স্থানে আরও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছিল বলে রয়টার্সের এক প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক জানিয়েছেন।

দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় দিনিপ্রোর আঞ্চলিক গভর্নর ওলেকজান্দার হানজা টেলিগ্রামে জানিয়েছেন, দিনিপ্রো শহর ও এর আশপাশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সাতজন নিহত ও আরও ৩৬ জন আহত হয়েছে।

ইউক্রেইনের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া রাতভর ৬৫৬টি ড্রোন ও ৭৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে, অধিকাংশই কিইভকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। টেলিগ্রামে এক বিবৃতিতে বাহিনীটি জানিয়েছে, তারা ৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬০২টি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে অথবা ধ্বংস করেছে।

বিমান বাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে আটটি জিরকন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। মস্কোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়ে নয়গুণ বেশি গতিতে চলতে পারে আর এগুলোর পাল্লা ১০০০ কিলোমিটার।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লক্ষ্যে সুনির্দিষ্টভাবে আঘাত হানার সক্ষমতা সম্পন্ন দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেইনের প্রতিরক্ষা শিল্প স্থাপনাগুলোতে তারা ‘ব্যাপক আঘাত’ হেনেছে।


সৌদি জোটের হামলার পর আরামকোতে হুথিদের পাল্টা হামলা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

সৌদি জোটের হামলার পর আরামকোতে হুথিদের পাল্টা হামলা

সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট কর্তৃক ইয়েমেনের রাজধানী সানায় তেল কেন্দ্রে হামলার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সৌদি আরবের জ্বালানি জায়ান্ট আরামকোতে হামলা চালিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সৌদি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএর বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে আল জাজিরা।

সৌদি শক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ধাহরানে আরামকোর ভবনে আগুনের ঘটনা ঘটলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এর আগে সানার আল-সাবাহ কেন্দ্রীয় তেল স্টেশনে আক্রমণের কঠোর জবাব হিসেবে আরামকোর কার্যালয়, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রিয়াদ শোধনাগার থেকে সব কর্মী ও বেসামরিক মানুষকে দ্রুত সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি দাবি করেন, হুথিরা সানার জ্বালানি কেন্দ্রটিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছিল। একই সময়ে রিয়াদ অভিমুখে ছোড়া একাধিক হুথি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী, যার ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ৪ জন আহত এবং ১৫টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

রিয়াদের বিমানবন্দরে বিগত শনিবার ও রোববারের প্রাণঘাতী হুথি হামলায় মোট ১৪ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলো ওই অঞ্চলে ফ্লাইট স্থগিত রেখেছে। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে বলা হয়েছে, হুথিদের এই উস্কানির পরিণাম ভোগ করতে হবে, এবং অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে হস্তক্ষেপর আহ্বান জানাতে পারেন বলে জানান।

ইয়েমেনজুড়ে যুদ্ধ তীব্র রূপ নেওয়ায় ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের অংশ হিসেবে সরকারি বাহিনী তায়েজ, ধুবাব ও আল-মাসরাখ এলাকায় হুথিদের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে। তায়েজে হুথিদের আবাসিক এলাকায় গোলাবর্ষণে ৫ বছর বয়সী এক শিশুসহ ৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, এবং রেড ক্রস সভাপতি মিরিয়ানা স্পোলজারিক এবং জাতিসংঘ এই সংঘাত নিরসনে জরুরি তাগিদ প্রদান করেছে।

সূত্র: আল জাজিরা