?> ইরানকে দ্রুত এগোতে হবে, নইলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

ইরানকে দ্রুত এগোতে হবে, নইলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

ইরানকে দ্রুত এগোতে হবে, নইলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না

ইরানকে দ্রুত এগোতে হবে, নইলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (১৭ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এ কথা লেখেন। খবর বিবিসির। 

যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় ট্রাম্প বলেন, ঘড়ির কাটা টিক-টিক করছে; সময় ফুরিয়ে আসছে। ইরানকে দ্রুত এগোতে হবে, নইলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। এছাড়া সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

গত শুক্রবার (১৫ মে) ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, ইরান যদি ২০ বছরের জন্য তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত রাখে, তাহলে তিনি তা মেনে নিতে পারেন।

এর আগে গত এপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার ঠিক আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, চুক্তি না হলে একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে। চলতি সপ্তাহেও তিনি বলেন, তেহরানের দাবিগুলো প্রত্যাখ্যান করার পর যুদ্ধবিরতি এখন ম্যাসিভ লাইফ সাপোর্টে রয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধে তেহরানের সবশেষ প্রস্তাবের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র কোনো সুস্পষ্ট ছাড় দেয়নি।

ইরানের আধা-সরকারি মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের অনমনীয় অবস্থান আলোচনা প্রক্রিয়াকে অচলাবস্থার দিকে ঠেলে দেবে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। আলোচনা এগিয়ে নিতে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেনে চলা হলেও মাঝেমধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে। এদিকে, ইরান এখনো হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে। অন্যদিকে, তেহরানকে চাপে রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ জারি রেখেছে। এ সংঘাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। তবে দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে এখনো বড় ধরনের দূরত্ব রয়ে গেছে।

সবচেয়ে দামি গরু ভিয়াতিনা, দাম ৫৯ কোটি টাকা!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

সবচেয়ে দামি গরু ভিয়াতিনা, দাম ৫৯ কোটি টাকা!

আর ক’দিন পরই বাংলাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। ত্যাগের মহিমায় এই উৎসব পালন করতে এখন কুরবানির পশুর হাটে ভিড় করছেন মানুষ। সেখানে কয়েকটি জাতের গরুর দাম ১২-১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠছে। যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয়, একটি গরুর কত দাম সর্বোচ্চ কত হতে পারে?
 
ব্রাজিলের এক নিলামে একটি ‘নেলোর’ প্রজাতির গরু ৪৮ লাখ মার্কিন ডলারে (বর্তমানে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৯ কোটি টাকা) বিক্রি হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে দামি গরু হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও জায়গা করে নিয়েছে ‘ভিয়াতিনা ১৯’ নামের গরুটি।

২০২৩ সালের ব্রাজিলের সাও পাওলো শহরের আরন্দুতে ১ হাজার ১০১ কেজি ওজনের গরুটি নিলামে তোলা হয়েছিল। এর আংশিক মালিকানা ১৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি হওয়ার পর গরুটির মোট বাজারমূল্য রেকর্ড ৪৩ লাখ ৮০ হাজার ডলারে গিয়ে পৌঁছায়। 

চোখ কপালে তুলে দেয়া দামের পেছনে রয়েছে নেলোর প্রজাতির গরুর জিনগত উপাদানের সম্ভাবনা। দামই বলে দিচ্ছে, এই জাতটির কত উন্নত গুণমানের। এর তুষার-সাদা রঙ, বিশাল আকৃতি এবং চমৎকার জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের জন্য এটি বিখ্যাত। শারীরিক দিক থেকে এই গরু অতি শক্তিশালী। গরুটির দুধেও আছে অনেক বেশি পুষ্টিগুণ।

নেলোর জাতের গরুর উৎপত্তি ভারতে। অন্ধ্র প্রদেশের নেলোর জেলার নাম থেকেই এই প্রজাতির নামকরণ করা হয়েছে। ১৮৬৮ সালে জাহাজে এক জোড়া নেলোর গরু ব্রাজিলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর এই গরুর সংখ্যার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছিল দেশটিতে। এখন ব্রাজিলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবাদি পশুর জাত হয়ে উঠেছে নেলোর গরু।


ইউক্রেইন রাশিয়া যুদ্ধ
রাশিয়ার তুমুল হামলায় ইউক্রেইনে নিহত ১১

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

রাশিয়ার তুমুল হামলায় ইউক্রেইনে নিহত ১১

ইউক্রেইনের রাজধানী কিইভ ও অন্য শহরগুলোতে রাশিয়ার তুমুল ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত ও আরও শতাধিক আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোররাতে এসব হামলা চালানো হয় বলে ইউক্রেইনের কর্তৃপক্ষগুলো জানিয়েছে।

চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এক যুদ্ধে ইউক্রেইনের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে রাশিয়া। আর চলতি বছর রাশিয়ার তেল স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেইন। উভয়পক্ষই বেসামরিকদের লক্ষ্যস্থল করার কথা অস্বীকার করেছে।

গত সপ্তাহে ক্রেমলিন সতর্ক করে বলেছিল, তারা কিইভের লক্ষ্যস্থলগুলোতে ‘পরিকল্পিত আঘাত’ হানবে। ইউক্রেইনের রাশিয়া অধিকৃত অঞ্চল লুহানস্কে এক ছাত্রাবাসে ড্রোন হামলায় ২১ জন নিহত হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় মস্কো এ হুমকি দেয়। ইউক্রেইন হামলার দায় অস্বীকার করে।

রয়টার্স জানিয়েছে হামলার পর কিইভের সুউচ্চ ভবনগুলোতে বিস্ফোরণ ও সেখানে থেকে ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডুলি উঠতে দেখা যায়। এখানে রাতভর হামলায় চারজন নিহত ও শিশুসহ ৬৫ জন আহত হয় বলে জানিয়েছেন মেয়র ভিতালি ক্লিচকো।

ক্লিচকো জানান, সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ২৪তলা এক ভবনের একটি অংশ ধসে পড়েছে। লোকজন সম্ভবত ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে। আর ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভাব্য ধ্বংসাবশেষের আঘাতে অন্যান্য ভবনের মধ্যে নয়তলা একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে আগুন ধরে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ভোররাতেই হাজার হাজার মানুষ কিইভের সাবওয়েতে এসে আশ্রয় নেওয়ার জন্য হাজির হয়। তখন ইউক্রেইনের প্রতিরক্ষা পদ্ধতিগুলো রাশিয়ার হামলা প্রতিহতে ব্যস্ত ছিল আর সারা আকাশজুড়ে তার ঝলক দেখা যাচ্ছিল।

ভোর হওয়ার পরও কিইভের বিভিন্ন স্থানে আরও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছিল বলে রয়টার্সের এক প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক জানিয়েছেন।

দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় দিনিপ্রোর আঞ্চলিক গভর্নর ওলেকজান্দার হানজা টেলিগ্রামে জানিয়েছেন, দিনিপ্রো শহর ও এর আশপাশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সাতজন নিহত ও আরও ৩৬ জন আহত হয়েছে।

ইউক্রেইনের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া রাতভর ৬৫৬টি ড্রোন ও ৭৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে, অধিকাংশই কিইভকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। টেলিগ্রামে এক বিবৃতিতে বাহিনীটি জানিয়েছে, তারা ৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬০২টি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে অথবা ধ্বংস করেছে।

বিমান বাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে আটটি জিরকন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। মস্কোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়ে নয়গুণ বেশি গতিতে চলতে পারে আর এগুলোর পাল্লা ১০০০ কিলোমিটার।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লক্ষ্যে সুনির্দিষ্টভাবে আঘাত হানার সক্ষমতা সম্পন্ন দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেইনের প্রতিরক্ষা শিল্প স্থাপনাগুলোতে তারা ‘ব্যাপক আঘাত’ হেনেছে।


গাজার খান ইউনিসে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪

গাজার খান ইউনিসে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬৫

বার্তাবেলা ডেস্ক: গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবারের (২২ জানুয়ারি) ওই হামলায় কমপক্ষে ৬৫ জন নিহত হয়েছে। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডবে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ২৫ হাজার ২৯৫ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ৬৩ হাজার মানুষ।

এদিকে খান ইউনিসে প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্টের সোসাইটির (পিআরসিএস) সদর দপ্তরেও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানে কামানের গোলা দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে পিআরসিএস ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, ইসরায়েলি ড্রোন থেকে ব্যাপক গুলি চালানো হয়েছে। ওই সদর দপ্তরে আশ্রয় নেওয়া অনেকেই আহত হয়েছেন। তারা নিরাপদ স্থান ভেবে সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে খান ইউনিসে ইসরায়েলি আগ্রাসন অনেক বেড়ে গেছে। এতে শত শত বেসামরিক নাগরিকের হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলছে, তারা শহরে হামাস যোদ্ধাদের নির্মূল করার চেষ্টা করছে। কিন্তু হামাসের বিরুদ্ধে অভিযানের নামে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যকার সংঘাতের ঢেউ গিয়ে পড়েছে সিরিয়া এবং ইয়েমেনেও।

ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লোহিত সাগরে ইসরায়েলি জাহাজে হামলা চালাচ্ছে হুথি বিদ্রোহীরা। অপরদিকে হুথিদের ওপর পাল্টা আক্রমণ করছে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য।

এদিকে সোমবার হুথিদের লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে যৌথ বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য। পেন্টাগন বলছে, সোমবার আটটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। ভূগর্ভস্থ একটি গুদাম, ক্ষেপণাস্ত্র এবং নজরদারির স্থানে হামলা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরান-সমর্থিত হুথিরা লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুট দিয়ে যাতায়াতকারী ইসরায়েল ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত জাহাজগুলোতে হামলা চালাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য বলছে, লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজের অবাধ প্রবাহ রক্ষা করার চেষ্টা করছে তারা। পেন্টাগনের জারি করা একটি যৌথ বিবৃতিতে হুথিদের বিরুদ্ধে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমাদের লক্ষ্য লোহিত সাগরে উত্তেজনা হ্রাস করা এবং স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করা। ওই অঞ্চলে বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহ রক্ষা করার বিষয়ে আমরা দ্বিধা করব না।