শেয়ার বাজার

যুদ্ধ
ইরানের বিরুদ্ধে গোপনে একের পর এক হামলা চালিয়েছে আরব আমিরাত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে গোপনে একের পর এক হামলা চালিয়েছে আরব আমিরাত

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধে সংযুক্ত আরব আমিরাতও গোপনে অংশ নিয়েছিল বলে দাবি করেছে প্রভাবশালী এক মার্কিন সংবাদমাধ্যম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের শুরুর দিক থেকে শুরু করে এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরদিন পর্যন্ত ইরানের বিভিন্ন কৌশলগত ও জ্বালানি স্থাপনায় কয়েক ডজন বিমান হামলা চালায় আমিরাত। এসব অভিযান চালাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদেরকে গোয়েন্দা সহায়তা দিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
 
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৯ মে) এক প্রতিবেদনে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল (ডব্লিউএসজে) জানায়, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের শুরুর দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) গোপনে ইরানে কয়েক ডজন বিমান হামলা চালিয়েছিল এবং এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরদিন পর্যন্ত সেই অভিযান অব্যাহত ছিল।

প্রতিবেদনে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করে বলা হয়, এসব অভিযান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হয়েছিল। ইরানে হামলা চালাতে দুটি দেশই আরব আমিরাতকে গোয়েন্দা সহায়তা দিয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
 
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানে আমিরাতের হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল হরমুজ প্রণালির কৌশলগত বিভিন্ন দ্বীপ, হরমুজ প্রণালির কৌশলগত বন্দরনগরী বন্দর আব্বাস এবং ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন জ্বালানি অবকাঠামো। এর মধ্যে একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স ও একটি দ্বীপভিত্তিক তেল শোধনাগারেও হামলা চালায় আরব আমিরাত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পক্ষ থেকেও আমিরাতের তেল ও গ্যাস স্থাপনায় পাল্টা কিছু বিমান হামলা চালানো হয়েছিল। এর আগে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছিল, যেসব হামলাকে তারা সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছে, সেগুলোর জন্য এবং তার পরিণতির জন্য তারা ইরানকেই সম্পূর্ণ দায়ী মনে করে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধে আমিরাতের সামরিক সম্পৃক্ততার ব্যাপকতা সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্কেও চাপ সৃষ্টি করেছিল। আমিরাত ওয়াশিংটনের কাছে অভিযোগ করেছিল যে এসব হামলার ফলে আঞ্চলিক জ্বালানি স্থাপনাগুলো যুদ্ধের ঝুঁকিতে পড়তে পারে এবং বৈশ্বিক তেলের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিলের শেষ দিকে আমিরাত ওপেক ও ওপেক প্লাস জোট থেকে সরে যায় এবং ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করে। সংঘাত চলাকালে ইসরায়েল আমিরাতে ‘আয়রন ডোম’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সেনা মোতায়েন করেছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শুরু হচ্ছে আজ পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা, মিনায় পৌঁছেছেন হজযাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

শুরু হচ্ছে আজ পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা, মিনায় পৌঁছেছেন হজযাত্রীরা

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে আজ সোমবার (২৫ মে)। সেই লক্ষ্যে সারাবিশ্ব থেকে আগত হাজিরা নিজেদের প্রস্তুত করছেন। গতকাল রোববার এশার নামাজের পরই হাজিরা তাবুর শহর হিসেবে পরিচিত মিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। মিনায় যাওয়ার আগে মুসল্লিরা ইহরামের কাপড় পরিধান করেন।

শরীয়তের বিধান অনুসারে, হাজীরা ৮ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে ফজর হতে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। মিনায় রাত্রিযাপন শেষে ৯ জিলহজ (মঙ্গলবার) আরাফাতের উদ্দেশে রওনা হবেন তারা। সেখানে এ বছর হজের খুতবা দেবেন মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুদাইফি।

খুতবার পর হাজিরা একসঙ্গে যোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন। সূর্যাস্ত পর্যন্ত এখানেই অবস্থান করবেন হাজীরা। শরিয়তের বিধানানুসারে আরাফাতে অবস্থান করাই হজ।

৯ জিলহজ সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার উদ্দেশে রওয়ানা দিবেন হাজীরা। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ শেষে উন্মুক্ত আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন ১০ জিলহজ সূর্যোদয়ের আগে মুজদালিফা থেকে মিনায় যাবেন হাজীরা এবং শুধু বড় জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন। এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় পশু কোরবানি দেবেন ও মাথা মুণ্ডন কিংবা চুল ছোটো করবেন।

১১ ও ১২ জিলহজ হজের বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পূর্বে মিনা ত্যাগ করবেন হাজীরা।

চলতি বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৬ লাখ থেকে ১৮ লাখ মুসলমান হজ পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর বাংলাদেশ থেকে এ বছর সাড়ে ৭৮ হাজার মানুষ হজ পালন করতে সৌদি আরব গেছেন।

এদিকে হজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সৌদি প্রশাসন। দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বিশেষ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল মনসুর বিন নাসের আল-ফায়েজ হজের পবিত্র স্থানগুলোতে নিয়োজিত বাহিনীর কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি জানান, হাজিদের সেবায় নিরাপত্তা বাহিনীগুলো পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে।

কমান্ডার আরও উল্লেখ করেন, এ বছর বিভিন্ন নিরাপত্তা ও সেবামূলক সংস্থাগুলোর মধ্যে চমৎকার সমন্বয় রয়েছে। এর ফলে আল্লাহর মেহমানরা অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের ইবাদত সম্পন্ন করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে সর্বমোট ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ৩২০ জন ধর্মপ্রাণ মুসলিম হজ পালন করেছিলেন। এর মধ্যে সৌদি আরবের বাইরে থেকে আসা হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ৬ হাজার ৫৭৬ জন। এ বছর হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই সেই সংখ্যা পার হয়ে যাওয়ায় এবারের হজ গত বছরের তুলনায় হতে যাচ্ছে আরও বড় পরিসরে।


বিরল মহাজাগতিক ঘটনা, ৩৩ বছর পর কাবা শরিফে থাকবে না ছায়া!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

বিরল মহাজাগতিক ঘটনা, ৩৩ বছর পর কাবা শরিফে থাকবে না ছায়া!

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ওই দিন স্থানীয় সময় দুপুরে সূর্য সরাসরি কাবা শরিফের ওপর অবস্থান নেবে। এ সময় মক্কায় কোনো বস্তুর ছায়া দেখা যাবে না, কারণ সূর্যের অবস্থান হবে সম্পূর্ণ খাড়াভাবে মাথার ওপরে।

 
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বছরে দুইবার সূর্য কাবার ওপর সরাসরি অবস্থান করে। মক্কা কর্কটক্রান্তি রেখার কাছাকাছি ২১ দশমিক ৪ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়ায় সূর্যের আপাত গতিপথের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে থাকে।
 
তবে আরাফাতের দিনের সঙ্গে এবার মিলে যাওয়ায় এ ঘটনাকে বিশেষ করে তুলেছে। কারণ, কাবার ওপর সূর্যের সরাসরি অবস্থান এবং আরাফাতের দিন একই সময়ে পড়ার ঘটনা সর্বশেষ ঘটেছিল ১৯৯৩ সালে।
 
 
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, হিজরি চন্দ্র বর্ষপঞ্জি ও গ্রেগরিয়ান সৌর বর্ষপঞ্জির পার্থক্যের কারণেই এমন বিরল সমাপতন ঘটে। চন্দ্র বছরের সঙ্গে সৌর বছরের তারিখ পুনরায় মিলতে প্রায় ৩৩ বছর সময় নেয়।
 
সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, এটি একটি স্বাভাবিক ও পুনরাবৃত্ত জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা। এর সঙ্গে অস্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির সরাসরি সম্পর্ক নেই।
 
 
সৌদি সংবাদমাধ্যম আজেলের বরাতে আবহাওয়া কেন্দ্র জানায়, আবহাওয়া কেবল সূর্যের অবস্থানের ওপর নির্ভর করে না। আর্দ্রতা, মেঘের উপস্থিতি, বাতাসের গতি এবং বায়ুপ্রবাহের মতো বিভিন্ন জলবায়ুগত উপাদান তাপমাত্রা নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।
 
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের মুখপাত্র হুসেইন আল-কাহতানি বলেন, এ ধরনের ঘটনা প্রতিবছরই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে নজরদারিতে করা হয়। এ ঘটনাকে ঘিরে রেকর্ড গরমের যে দাবি করা হচ্ছে, তা বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
 
তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ

ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক নির্ভর করবে ফারাক্কা চুক্তি সম্পাদনের ওপর: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক নির্ভর করবে ফারাক্কা চুক্তি সম্পাদনের ওপর: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে এ বছরের ডিসেম্বরে। জনগণের সঙ্গে আলাপ করে তাঁদের চাওয়া অনুযায়ী অবিলম্বে এ চুক্তি সম্পাদন করতে হবে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে যে সুসম্পর্ক স্থাপিত হওয়ার সুযোগ এসেছে, সেটা নির্ভর করবে ভারতের এই গঙ্গা চুক্তি বা ফারাক্কা চুক্তি সম্পাদনের ওপর দিয়ে। এ কথা আমি বিশ্বাস করি এবং সেই আহ্বান আমরা তাদের কাছে জানাতে চাই...বাংলাদেশের স্বার্থ বিনষ্ট করে আমরা কখনই কোনো চুক্তি কাউকে করতে দেব না। এ ব্যাপারে আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন।

ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি এ সভার আয়োজন করে।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, তারেক রহমানের সরকার বৈধ উপায়ে নির্বাচিত। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। আজ সরকারের বিরুদ্ধে কিছু শক্তি অপপ্রচার চালাচ্ছে। শুধু তা–ই নয়, তারা দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার একটা পাঁয়তারা চালাচ্ছে।


অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, যাঁরা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, তাঁদের অনেক বেশি সজাগ হতে হবে। শুধু সজাগ নয়, সংগঠিতও হতে হবে, যাতে কোনো রকম চক্রান্ত সরকারের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে না পারে। দেশের জনগণ কখনোই কোনো চক্রান্ত, ষড়যন্ত্রকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেবেন না।

ফখরুল বলেন, ফারাক্কা দিবস এখন প্রতিরোধের একটা প্রতীক। মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর এ আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের মানুষকে রক্ষা করা। প্রতিবেশী দেশ যে অন্যায় করেছে, সেটার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো। বিশাল একটা জনগোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার পরিকল্পনার বিরুদ্ধে তিনি এ আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন।

ফারাক্কা বাঁধ নির্মিত হলে দেশের মানুষের জীবন-জীবিকা বিনষ্ট হবে, জীববৈচিত্র্য বিনষ্ট হয়ে যাবে, তখনই ভাসানী সেসব কথা তুলে ধরেছেন, বলেন ফখরুল। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেই আন্দোলন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরেছিলেন, বলেন তিনি। এ জন্য তিনি যে চুক্তি করেছিলেন, সেটা অনেকাংশে বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে গিয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত ঐতিহাসিক বলে মন্তব্য করেন ফখরুল। অন্যান্য যেসব শক্তি বা দেশ আছে, তাদের ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অতিথি ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আতাউর রহমান ঢালী প্রমুখ।