?> হরমুজের নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেলপ্রতি গুনতে হবে ১ ডলার | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

ইরানের ২ নম্বর শর্ত
হরমুজের নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেলপ্রতি গুনতে হবে ১ ডলার

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজের নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেলপ্রতি গুনতে হবে ১ ডলার


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতির সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেসব জাহাজ চলাচল করবে তাদের প্রতি ব্যারেলের জন্য ১ ডলারের সমপরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সি দিতে হবে। ইরানের ১০ দফা শর্তের ২ নম্বর দফায় হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের একচ্ছত্র অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

এদিকে যুদ্ধবিরতির পরপরই হরমুজে টোল আদায়ের জন্য ইরানের সঙ্গে একটি ‘যৌথ উদ্যোগ’ গঠনের কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার (৮ এপ্রিল) ইরানের তেল, গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানিকারক ইউনিয়নের মুখপাত্র হামিদ হোসেইনির বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করে দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।

মুখপাত্র বলেন, প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য ১ ডলার খরচ হবে এবং জাহাজগুলোকে তারা কী বহন করছে সে তথ্য ইরানি কর্তৃপক্ষকে ইমেইলের মাধ্যমে জানাতে হবে।

হোসেইনি বলেন, ই-মেইল পাওয়ার পর এবং ইরান যাচাই শেষ করলে, জাহাজগুলোকে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বিটকয়েনে অর্থ পরিশোধ করতে হবে, যাতে নিষেধাজ্ঞার কারণে তা অনুসরণ বা জব্দ করা না যায়।

তিনি আরও জানান, এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে যাতে কোনো অস্ত্র এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা না হয়।

তিনি বলেন, সব কিছুই যেতে পারবে, তবে প্রতিটি জাহাজের জন্য প্রক্রিয়াটি সময় নেবে এবং ইরান তাড়াহুড়ো করছে না।

এদিকে বুধবার (৮ এপ্রিল) ট্রাম্প বলেন, র বিষয়টি বিবেচনা করছে। তিনি এবিসি নিউজের সাংবাদিক জনাথন কার্লকে বলেন, ‘আমরা এটিকে একটি যৌথ উদ্যোগ হিসেবে করার কথা ভাবছি। এটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় এবং অন্যদের থেকেও সুরক্ষা দেবে। এটি একটি ভালো বিষয়।’

হরমুজ প্রণালি ইরানের উপকূলের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটি কার্যত বন্ধ। ফলে তেলের দাম বেড়ে গেছে। কারণ আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হতো।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করবেন বলে ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এর পরপরই তেলের দাম কমতে শুরু করে।

একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, ইরান বৃহস্পতি বা শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সীমিতভাবে, ইরানের নিয়ন্ত্রণে প্রণালিটি খুলে দিতে পারে।

অন্যদিকে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ইরান মধ্যস্থতাকারীদের বলেছে যে তারা টোল আদায় করবে এবং প্রতিদিন প্রায় ১২টি জাহাজ চলাচলের সীমা নির্ধারণ করবে।

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত অন্তত ২২

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত অন্তত ২২

আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, হামলায় অন্তত ২২ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। নিহতরা ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ ও ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর সদস্য বলে দাবি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অপারেশন গজব লিল-হক’-এর অংশ হিসেবে পরিকল্পিত ও নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক এই বিমান হামলা চালানো হয়। পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক ও তাদের সহযোগীদের নির্মূলের লক্ষ্যের অংশ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের দাবি, নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আফগানিস্তানের দুটি এলাকায় জঙ্গিদের ক্যাম্প ও গোপন আস্তানায় হামলা চালানো হয়। এসব স্থাপনা ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’, ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ ও তাদের সহযোগীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, নির্দিষ্ট লক্ষ্যগুলো নিখুঁতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলায় ২২ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। পাশাপাশি ওই ঘাঁটিগুলোতে মজুত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদও ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দেশটি সবসময় চেষ্টা করে এসেছে। তবে পাকিস্তানের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আফগানিস্তান এখনও সন্ত্রাসবাদের একটি কেন্দ্র হিসেবে রয়ে গেছে বলে পাকিস্তানের উদ্বেগ রয়েছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের হুমকি আফগানিস্তান থেকেই আসছে বলেও দাবি করেছে ইসলামাবাদ।

এই পরিস্থিতিতে সন্ত্রাসীদের ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়। বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ নীতির আওতায় ‘গজব লিল-হক’ নামে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই অভিযান পূর্ণ গতিতে অব্যাহত থাকবে।

বিদেশি মদদ ও সহায়তায় পরিচালিত সন্ত্রাসবাদ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার কথাও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।


সূত্র: জিও নিউজ


রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় ২৪ বাংলা‌দে‌শি আহত

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর, ২০২৬

রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় ২৪ বাংলা‌দে‌শি আহত

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত এবং ২৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১১ জন কর্মী এবং ১৩ জন ওমরাহ যাত্রী। তারা রিয়াদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহতদের মধ্যে তিনজন কিং আব্দুল্লাহ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস এসব তথ‌্য জা‌নি‌য়ে‌ছে।

দূতাবাস জানায়, গত শ‌নিবার আনুমানিক দিবাগত রাত ৩টা ১৫ মিনিটে বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩-এর ওপর একটি ক্ষেপণাস্ত্র পড়ে। এ ঘটনায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের যাত্রীরা হতাহত হন। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলায় মোট ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই বাংলাদেশি এবং আহতদের মধ্যে ২৪ জন বাংলাদেশি রয়েছেন।

দূতাবাস জানিয়েছে, আহত বাংলাদেশিরা রিয়াদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের চিকিৎসার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে দূতাবাস। 

কিং আব্দুল্লাহ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন তিন বাংলাদেশির সঙ্গে দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছে। বর্তমানে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল। তারা হলেন- হাফেজ হাসান (ঢাকা), কাজী নুরুল্লাহ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) এবং মো. ওমর ফারুক (সৌদি প্রবাসী কর্মী)।

দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ন্যাশনাল গার্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুই বাংলাদেশি হলেন সাফকাত রহমান (নওগাঁ) ও মো. দাউদুল ইসলাম (কুমিল্লা)। সাফকাত রহমান অচেতন অবস্থায় আছেন। রিয়াদ মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মো. সাইমুল ইসলাম সৌরভ ও আবুল মনসুর মো. রিয়াজ উদ্দীন। দুজনেরই বাড়ি ঢাকা।

প্রিন্স সুলতান মিলিটারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. আব্দুল্লাহ (ঢাকা)। সুলাইমান আলহাবিব হাসপাতালের তাখাসসুসি শাখায় চিকিৎসাধীন আরমান হোসেনসহ (ঢাকা) তিন বাংলাদেশি কর্মী।

কিংডম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. রফিক মিয়া। কিং খালেদ মেডিক্যাল সিটিতে চিকিৎসাধীন ইসমাইল হোসাইন, মো. মিসবাহ উদ্দিন হীরক ও মো. রায়হানুল ইসলাম।

প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পাঁচ বাংলাদেশি কর্মী হলেন- সালমা আক্তার, মো. শাহাদাত হোসেন, মোশাহিদ আহমেদ সৈকত, জাহিদ আহমেদ এবং সোহবে সাদেক মো. শাহজাহান সরকার।

এ ছাড়া, এজতাহ সনদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. আসাদুল ইসলাম ও মো. জামাল; সুলাইমান ফকিহ হাসপাতালে নাজমা আক্তার এবং সুলাইমান আলহাবিব হাসপাতালের আলসাহাফা শাখায় উমায়ের ও আব্দুল্লাহ কামিল চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, আহত সবাই রিয়াদ থেকে জেদ্দায় যাওয়ার জন্য ট্রানজিটে বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন।

আটকে পড়া যাত্রীদের জন্য ব্যবস্থা

হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ থেকে আসা এবং রিয়াদ হয়ে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে যাতায়াতের অপেক্ষায় থাকা প্রায় ৫০০ যাত্রী আটকা পড়েন। এ ছাড়া রিয়াদ থেকে বাংলাদেশে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা যাত্রীরাও আটকে পড়েন। তাদের জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

টার্মিনাল-৩-এ সৌদিয়া এয়ারলাইনসের এসভি৮০৪, রিয়াদ এয়ারের আরএক্স১৭ এবং ইউএস-বাংলার ইউএস২৮১ ফ্লাইটে বাংলাদেশ থেকে আসা এবং ফ্লাইনাস, ফ্লাইএডিল ও ফ্লাইরিয়াদে সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা ১০০ জন যাত্রীর আবাসন ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের মেরিয়ট হোটেল, রেডিসন হোটেল এবং প্রিন্সেস নূরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমিটরিতে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে ইহরামের পোশাক পরে আসা ৬৭ জনকে বিশেষ বাসে রিয়াদ থেকে জেদ্দায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

রিয়াদ-ঢাকাগামী সৌদিয়া এয়ারলাইনসের বাতিল হওয়া এসভি-৮০৪ ফ্লাইটের প্রায় ৪০০ বাংলাদেশি যাত্রীকে দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া, রিয়াদ থেকে বাহরাইনগামী দুই বাংলাদেশি কর্মীকে আলখোবার স্থলবন্দর দিয়ে বাহরাইন যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করা হয়েছে।


গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৮ ফিলিস্তিনি নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৬

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৮ ফিলিস্তিনি নিহত


গাজা সিটিতে ইসরায়েলি হামলায় নিহত এক ফিলিস্তিনির মরদেহ নিয়ে যাচ্ছে স্বজন ও প্রতিবেশীরা। রয়টার্স

ফিলিস্তিনি ছিটমহল গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছে বলে ভূখণ্ডটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চললেও ইসলায়েলি বাহিনীর একের পর এক হামলায় তা অত্যন্ত নড়বড়ে হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে ইরানের কয়েক সপ্তাহ ধরে চালানো বিমান হামলা থামানোর পর থেকে ইসরায়েল গাজায় হামলা বৃদ্ধি করেছে। ফিলিস্তিনি এই ভূখণ্ডের অর্ধেকের বেশি এখন ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে, বাকি অংশগুলোতে হামাস তাদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে তুলছে, লিখেছে রয়টার্স।

গাজার চিকিৎসা কর্মীরা জানিয়েছেন, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসে ইসরায়েলি হামলায় এক পুলিশ পোস্টের কাছে এক ফিলিস্তিনি ও আরেকজন এক তাঁবুতে নিহত হয়।

তাদের জন্য ‘হুমকি হয়ে ওঠা এক জঙ্গিকে’ তারা খান ইউনিসে হত্যা করেছে বলে দাবি ইসরায়েলি বাহিনীর।

পৃথকভাবে আরেক দল চিকিৎসা কর্মী জানিয়েছেন, মধ্যাঞ্চলীয় শহর দিয়ের আল-বালাহে এক কমিউনিটি কিচেনের কাছে ইসরায়েলি আকাশ হামলায় তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়।

ইসরায়েল বলছে, তারা হামাসের এক কমান্ডারকে লক্ষ্য করে হামলাটি চালিয়েছে যিনি ‘ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছিলেন’।

গাজার চিকিৎসা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আরও তিন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এদের মধ্যে একজনকে খান ইউনিসে গুলি করে আর অপর দুইজনকে দিয়ের আল-বালাহে একটি বেকারির কাছে আকাশ হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়।

শনিবার ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, তারা শত্রুবার গাজা সিটিতে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যস্থলে আঘাত হেনে গাজায় হামাসের সশস্ত্র শাখার প্রধান ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদকে হত্যা করেছে।

হামাস হাদ্দাদের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করলেও প্রতিশোধ নেওয়ার কোনো হুমকি দেওয়া থেকে বিরত ছিল।

অক্টোবরে দুপক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৮৭০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। একই সময় ফিলিস্তিনিদের পাল্টা হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে।