?> এবার বিদেশি শিক্ষার্থী কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছে কানাডা | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

এবার বিদেশি শিক্ষার্থী কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছে কানাডা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৪

এবার বিদেশি শিক্ষার্থী কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছে কানাডা

বার্তাবেলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আবাসন সংকট মোকাবিলায় এবার বিদেশি শিক্ষার্থী কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছে কানাডা। দেশটির অভিবাসন মন্ত্রী মার্ক মিলার স্থানীয় একটি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর রয়টার্সের।

অর্থনীতি সচল রাখতে এবং ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য অভিবাসীদের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল কানাডা। তবে সাম্প্রতিক সময় উত্তর আমেরিকার দেশটিতে আবাসন সংকট বেড়ে যাওয়ার জন্য অভিবাসী ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের দায়ী করা হচ্ছে। এ নিয়ে বেশ হওয়ায় সমালোচনার মুখে রয়েছে জাস্টিন ট্রুডোর সরকার।

সিটিভি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কানাডীয় অভিবাসন মন্ত্রী বলেছেন, চলতি বছরের প্রথম এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যায় সীমাবদ্ধতা আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার।

কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি বিরক্তিকর। এটি সত্যিই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

তবে কানাডীয় সরকার কী পরিমাণ বিদেশি ছাত্র কমানোর পরিকল্পনা করছে, সে বিষয়ে কিছু বলেননি মিলার। এ বিষয়ে জানতে তার মুখপাত্রের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সরকারি তথ্যমতে, ২০২২ সালে সক্রিয় ভিসাসহ কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল আট লাখেরও বেশি, যা ২০১২ সালে ছিল মাত্র ২ লাখ ৭৫ হাজার জন।

মার্ক মিলারের সাক্ষাৎকারটি রোববার (১৩ জানুয়ারি) সম্প্রচারিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কাজের অনুমতি পাওয়া তুলনামূলক সহজ হওয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য কানাডা।

দেশটির লিবারেল সরকার গত আগস্টেই বিদেশি শিক্ষার্থী কমানোর পরিকল্পনার কথা সামনে এনেছিল। তবে সেসময় অভিবাসন মন্ত্রী শন ফ্রেজার বলেছিলেন, সরকার এই পথ অনুসরণ করবে কি না সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এর আগে, গত ডিসেম্বরে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য খারাপ খবর দিয়েছিল কানাডা। দেশটিতে পড়তে যাওয়ার জন্য খরচ একলাফে দ্বিগুণ করেছিল ট্রুডো সরকার। আগের তুলনায় এখন ব্যাংকে দ্বিগুণ অর্থ দেখাতে হচ্ছে কানাডায় পড়তে ইচ্ছুক বিদেশি শিক্ষার্থীদের।

যুদ্ধে ইরানকে ‘ভারী মূল্য’ দিতে হয়েছে: নেতানিয়াহু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

যুদ্ধে ইরানকে ‘ভারী মূল্য’ দিতে হয়েছে: নেতানিয়াহু

ইরান সাম্প্রতিক সংঘাতে ‘ভারী মূল্য’ দিতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার ভিত্তি নড়ে গেছে এবং সেটি শেষ পর্যন্ত পতনের দিকেই এগোচ্ছে। মঙ্গলবার (২ জুন) এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহু বলেন, 'যুদ্ধে ইরান ইতোমধ্যে খুবই ভারী মূল্য পরিশোধ করেছে। দেশটিতে সন্ত্রাসের এই শাসনব্যবস্থায় ফাটল ধরেছে। এটি আর কখনো আগের অবস্থায় ফিরতে পারবে না।'

তিনি আরও বলেন, 'আমি আপনাদের বলছি, এই শাসনব্যবস্থার পতন খুবই নিকটে।' তবে নেতানিয়াহুর এ মন্তব্যের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইরান।

ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এমন মন্তব্য করলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। বিশ্লেষকদের মতে, চলমান আঞ্চলিক সংঘাত এবং পারস্পরিক হুমকি-পাল্টা হুমকির মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখনও অব্যাহত রয়েছে।


ইরানের ৭ দিনের শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইরানের ৭ দিনের শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের

ইরানের দেওয়া সাত দিনের যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর তেহরানে পুনরায় বোমাবর্ষণ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যৌথ হামলা শুরু করার পর তৈরি হওয়া সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটন শর্ত মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যে কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া ও যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান।

শুক্রবার জাতিসংঘে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাত দিনের একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা পাঠানো হয়েছে। মার্কিন পক্ষ থেকে চুক্তি ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার ব্যাপারে আন্তরিকতা থাকলে সবকিছু প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের। ইরান কোনো চাপ, হুমকি বা ভয়ভীতি সহ্য করবে না এবং চাপের মুখে সার্বভৌম অধিকার বিসর্জন দেবে না।’

তবে ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরই দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানায়, ট্রাম্প প্রস্তাবটি নাকচ করে দিয়েছেন। তেহরান তার শর্ত পূরণ করবে কি না তা নিয়ে ট্রাম্প সংশয় প্রকাশ করেছেন এবং নতুন করে বোমাবর্ষণ শুরু হওয়ার পথেই এগোচ্ছেন।

ইরানের দেওয়া প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের নৌ অবরোধ তুলে নেয়, তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা মওকুফ করে এবং লেবাননসহ পুরো অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি মেনে চলে, তবে তারা সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় ফিরবে। এই প্রস্তাবটি গত জুনে সই হওয়া একটি চুক্তির অনুরূপ ছিল।

গত ১৭ জুন ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বন্ধে ১৪ দফার একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। সেখানে লেবাননসহ সব সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করা এবং ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর অঙ্গীকার ছিল। কিন্তু ৮ জুলাই ট্রাম্প চুক্তিটি বাতিল বলে ঘোষণা করেন এবং এক সপ্তাহ পর ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে তেহরান সমঝোতা স্মারক স্থগিত করে।

হোয়াইট হাউস শুক্রবার জানিয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তারা মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সূত্র: এনডিটিভি


যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তা

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার হয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল (সোমবার) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে এ চিত্র দেখা গেছে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, বিমানবন্দরের ভেতরে হুইলচেয়ারে বসে থাকা ড. ইউনূসের দিকে এগিয়ে গিয়ে কয়েকজন লোক উচ্চস্বরে স্লোগান দিচ্ছে। এসময় বিক্ষোভকারীরা তাকে উদ্দেশ্য করে ‘ইউ আর আ টেরোরিস্ট’ এবং ‘হোয়াই ইউ কাম হিয়ার’ বলে চিৎকার করছিল।

এছাড়া, বিক্ষোভকারীরা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করার অভিযোগ তোলেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন স্লোগান দেন।

পরে সঙ্গে থাকা সহযোগীর সহায়তায় সামনের দিকে এগিয়ে যায় ড. ইউনূস।