?> চলতি মাসের ১৯ তারিখে চীন সফরে যাবেন পুতিন: সিনহুয়া | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

চলতি মাসের ১৯ তারিখে চীন সফরে যাবেন পুতিন: সিনহুয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

চলতি মাসের ১৯ তারিখে চীন সফরে যাবেন পুতিন: সিনহুয়া

আগামী ১৯ ও ২০ মে চীন সফরে যাচ্ছেন রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আসন্ন এই সফরে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন তিনি। শনিবার (১৬ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় চীনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া।


ভূ-রাজনীতিতে এখন 'বার্নিং-টপিক' যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ। অন্যদিকে, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের 'হিডেন-অ্যালাই' রাশিয়া ও চীন। যুদ্ধে সুবিধাজনক পজিশনে 'না' থাকায় অনেকটা আত্মসমর্পণ করে চীন সফর শেষ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সাথে নিয়ে গিয়েছিলেন এক ঝাঁক বিলিয়নিয়ারদের। বেশ কয়েকটি মার্কিন গণমাধ্যম দাবিও করেছেন, ঘটা করে দলবল নিয়েও চীন থেকে খালি হাতেই ফিরেছেন ট্রাম্প। 

এদিকে, ট্রাম্পের সফর শেষ হতে না হতেই চীনে সফরের ঘোষণা দিয়েছে মস্কো। পুতিন-শি'র বৈঠক আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে বেশ গুরুত্বপূর্ণ, সে কথা আর বলার অবকাশ রাখে না।

ক্রেমলিনের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাশিয়া ও চীনের মধ্যে ‘সুপ্রতিবেশী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা চুক্তি’র ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই সফরের আয়োজন করা হয়েছে। দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত এই চুক্তিকে সামনে রেখেই আলোচনায় গুরুত্ব পাবে পারস্পরিক সহযোগিতা ও কৌশলগত অংশীদারত্ব।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বৈঠকে বর্তমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা, কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার উপায় এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে মতবিনিময় করবেন দুই নেতা।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও সংক্ষিপ্ত এক বার্তায় পুতিনের আসন্ন সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়া। অন্যদিকে, জীবাশ্ম জ্বালানির বড় আমদানিকারকদের মধ্যে রয়েছে চীন। ফলে জ্বালানি সহযোগিতাও এবারের বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া ইরান ইস্যুতো আছেই। 

ইরাকে বিমান ঘাঁটিতে হামলা
ইরাকে বিমান ঘাঁটিতে হামলা, মার্কিন সেনা আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি, ২০২৪

ইরাকে বিমান ঘাঁটিতে হামলা, মার্কিন সেনা আহত

বার্তাবেলা ডেস্ক: ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়ারা আল আসাদ বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় ওই বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেট দিয়ে হামলা চালানো হয়।

হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া কমপক্ষে একজন ইরাকি কর্মকর্তাও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিজেদের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স বলে দাবি করা একটি গ্রুপ ওই বিমান ঘাঁটিতে হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসি অনুসারে, এই গ্রুপটি ২০২৩ সালের শেষের দিকে প্রকাশ্যে এসেছে। ইরাকে পরিচালিত বেশ কয়েকটি ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর সমন্বয়ে এটি গঠিত হয়েছে বলে জানানো হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু হামলার দাবি করেছে এই গোষ্ঠী। গত কয়েক বছরে আল আসাদ ঘাঁটিতে বারবার হামলা চালানো হয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, শনিবার বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আটকানো সম্ভব হলেও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

গত ৭ অক্টোবরে ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ওই অঞ্চলে ইরান-সমর্থিত বিভিন্ন গোষ্ঠীর হামলা বেড়ে গেছে। ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং এর মিত্ররা লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক জাহাজে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধ করতে পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে।

শনিবার মার্কিন বাহিনী হুথিদের বিরুদ্ধে আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে। ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের বেশিরভাগ অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী বলছে, তারা হুথিদের একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের স্থানে হামলা চালিয়েছে।


রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে আটক করল দিল্লি পুলিশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে আটক করল দিল্লি পুলিশ

ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন বিরোধী দলের নেতাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের কাছে অবস্থান কর্মসূচি থেকে মঙ্গলবার রাতে তাদের আটক করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে পুলিশ রাহুল গান্ধীসহ অন্য নেতাদের আটক করে বাসে তুলে নেয়। কংগ্রেস সূত্র জানিয়েছে, তাদের উত্তর দিল্লির কিংসওয়ে ক্যাম্প থানায় নেওয়া হচ্ছিল।

এর আগে সকালে পার্লামেন্ট ভবন থেকে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় ‘নির্বাচন সদন’-এর উদ্দেশে মিছিল বের করেন ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সকাল ১১টার দিকে শুরু হওয়া ওই মিছিলে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ লেখা ব্যানার ছিল। তারা জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের কাছে পৌঁছানোর পর রাহুল গান্ধী ও অন্য নেতারা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ‘অনিয়ম’ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ‘একতরফা’ সিদ্ধান্তের অভিযোগ তুলে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

রাহুল গান্ধী বলেন, নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় তাদের অবস্থানস্থল থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরে হলেও সেখানে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তার দাবি, প্রায় ৩০০ জন সংসদ সদস্য জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করতে চান।

রাহুল বলেন, ‘জনগণের প্রতিনিধিরা যদি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে না পারেন, তাহলে গণতন্ত্রের অর্থ কী?’

মঙ্গলবার দুপুরেও রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে পুলিশ কিছু সময়ের জন্য একটি বাসে উঠিয়েছিল। পরে তারা বাস থেকে নেমে আসেন। সন্ধ্যায় আবার তাদের আটক করা হয়।

কংগ্রেস সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, দলের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অপর দুই নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কমিশনের কোনো কর্মকর্তা এক-দুই দিনের মধ্যে সাক্ষাতের আশ্বাস দিলে রাহুল অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করতে পারেন- এমন কথাও দলীয় সূত্র জানিয়েছে। তবে তার শর্ত, ৩০০ জন সংসদ সদস্যকে একসঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দিতে হবে।

ইন্ডিয়া জোটের মিছিল


মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে ইন্ডিয়া জোটের বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্যরা অংশ নেন। তবে জোটের দুই গুরুত্বপূর্ণ দল ডিএমকে ও আম আদমি পার্টি (এএপি) মিছিলে অংশ নেয়নি বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কংগ্রেস জ্ঞানেশ কুমার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এর অংশ হিসেবে ১০ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সাইকেল ও মোটরসাইকেল মিছিল এবং জ্ঞানেশ কুমারের কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর কর্মসূচিও রাখা হয়েছে।

২৫ অক্টোবর থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত বুথ পর্যায়ে জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে বড় সমাবেশের কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে কংগ্রেস।

এ ছাড়া ২৫ ও ২৬ নভেম্বর দিল্লির আশপাশের ছয়টি এলাকা থেকে ‘চলো দিল্লি’ কর্মসূচির আওতায় আলাদা মিছিল বের করার পরিকল্পনা রয়েছে। মিছিলগুলো ২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবসে দিল্লিতে এসে মিলিত হবে।

কংগ্রেসের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেও নির্বাচন কমিশন ও জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিষয়গুলো তোলা হবে। সিইসির বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব আনার কথাও জানিয়েছে দলটি।

এদিকে ভারতের সুপ্রিম কোর্টেও নির্বাচন কমিশন-সংক্রান্ত একটি মামলা চলছে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জ্ঞানেশ কুমার ও নির্বাচন কমিশনকে নোটিশ দিয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে আদালত রাজি হয়নি। সংবাদপত্রের প্রতিবেদন সব সময় শতভাগ নির্ভুল নাও হতে পারে- এমন পর্যবেক্ষণও আদালত দিয়েছেন। মামলাটির শুনানি অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি


সিইসির পদত্যাগের দাবিতে বেঙ্গালুরুতে বিক্ষোভ, দীপকের সাথে হাত মেলালেন ধ্রুব রাঠি-প্রকাশ রাজ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

সিইসির পদত্যাগের দাবিতে বেঙ্গালুরুতে বিক্ষোভ, দীপকের সাথে হাত মেলালেন ধ্রুব রাঠি-প্রকাশ রাজ

ভারতের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির তথা সিজেপির নেতৃত্বে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। 

 
আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দক্ষিণের রাজ্য কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি এবং তামিল অভিনেতা-অধিকারর্মী প্রকাশ রাজ। 

 
আয়োজকরা জানিয়েছেন, কর্ণাটকজুড়ে এসআইআরের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের নিয়ে ‘জনগণের ট্রাইব্যুনাল’ হিসেবে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে। বিক্ষোভে নারী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছেন। নারীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে ‘চপ্পল প্রতিবাদ’ কর্মসূচিও রাখা হয়েছে। 

 
বিক্ষোভে বক্তব্য দিতে গিয়ে দীপকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে ‘গণতন্ত্র হত্যা ও ভোট চুরির’ অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার পদ থেকে পদত্যাগ না করা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলবে।

 
বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা পোস্টারে বিভিন্ন স্লোগান দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি স্লোগান হলো- ‘এরর ৪০৪-নাম খুঁজে পাওয়া যায়নি’, ‘সময় হয়ে গেছে ভাই, পদত্যাগ করুন স্যার’ এবং ‘আমাদের মুছে ফেলবেন না, আমাদের কথা শুনুন’। 

এছাড়া বিক্ষোভকারীরা ‘একনায়কতন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না’, ‘ভোট চুরি’ এবং ‘জ্ঞানেশ কুমার, গদি ছাড়ুন, চেয়ার ছেড়ে দিন’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।
 

পোস্টারে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী ভগৎ সিং ও সুভাষচন্দ্র বসুর ছবিও দেখা যায়। পাশাপাশি ‘গ্র্যান্ড থেফট ডেমোক্রেসি’ লেখা পোস্টারও প্রদর্শন করছেন বিক্ষোভকারীরা।

 
ভোটার তালিকা থেকে পড়া অনেকেই এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। বেঙ্গালুরুভিত্তিক সফটওয়্যার প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান বলেন, ‘এটা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। আমাদের ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। গণতন্ত্র রক্ষায় আমাদের একসঙ্গে থাকতে হবে, কারণ আমি নিজেই আমার ভোট হারিয়েছি।’

 
তিনি অভিযোগ করেন, ভোটার তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে তার নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে ফর্ম-৭ কে জমা দিয়েছেন, তা তিনি জানেন না বলেও জানান। 

 
তথ্যসূত্র: দ্য ট্রিবিউন