?> চকলেটের প্যাকেটে আইফোন ১৮ উপহার দিয়ে কর্মীদের চমকে দিলেন ব্যবসায়ী! | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

চকলেটের প্যাকেটে আইফোন ১৮ উপহার দিয়ে কর্মীদের চমকে দিলেন ব্যবসায়ী!

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চকলেটের প্যাকেটে আইফোন ১৮ উপহার দিয়ে কর্মীদের চমকে দিলেন ব্যবসায়ী!

কর্মীদের হাতে চকলেট তুলে দিয়ে একটি ছোট্ট প্র্যাঙ্ক করতে চেয়েছিলে দুবাইয়ের এক নারী ব্যবসায়ী। কিন্তু প্যাকেট খুলতেই কারও হাতে মিলল একেবারে নতুন আইফোন ১৮, আর কারও হাতে বড় চকলেট বার। পরবর্তীতে চকলেট পাওয়া কর্মীদেরও নতুন আইফোন উপহার দিয়ে চমকে দেওয়া হয়। সেরা কর্মীদের ধরে রাখতে নেওয়া এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ী হাসিনা নিশাদের কিছু কর্মীকে নতুন আইফোন ১৮ উপহার দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তিনি জানিয়েছেন, কর্মীদের খুশি রাখা এবং তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখাই তাদের প্রতিষ্ঠানের অন্যতম মূলনীতি।

খালিজ টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওয়ার্ল্ড স্টার হোল্ডিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসিনা নিশাদ বলেন, ‘কর্মীরাই আমাদের শক্তি। তাদের ছাড়া আমাদের কোনো উন্নতি সম্ভব নয়। তাই প্রথম দিন থেকেই কর্মীদের পেছনে ব্যয় করাকে আমার স্বামী ও আমি অগ্রাধিকার দিয়ে আসছি।’

স্বামী নিশাদ হুসাইনের সঙ্গে মিলে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হাসিনা। জনবল সরবরাহ সেবা নিয়ে কাজ করা এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নিশাদ হুসাইন। চলতি সপ্তাহের শুরুতে নিশাদকে কয়েকজন কর্মীর মধ্যে প্যাকেট বিতরণ করতে দেখা যায়, যার অর্ধেকের মধ্যে ছিল নতুন আইফোন ১৮ এবং বাকিগুলোতে ছিল চকলেট বার। সবাই প্যাকেট খোলার পর হাসিনা সেখানে উপস্থিত হন এবং চকলেট পাওয়া কর্মীদের প্রত্যেককে নতুন ফোন উপহার দেন।

হাসিনা জানান, তাদের সেরা পারফর্ম করা ১২ জন কর্মীর জন্যই এই উপহার ছিল। চকলেটগুলো একটি ছোট্ট প্র্যাঙ্ক হলেও, যারা চকলেট পেয়েছিলেন তারা কেউ হতাশ হননি বরং খুশি মনে তা গ্রহণ করেছিলেন। পরে ফোন পাওয়ার পর তাদের মুখের আনন্দই তাদের জন্য বড় উপহার ছিল বলে জানান তিনি।

কর্মীদের খুশি রাখতে হাসিনা ও নিশাদের এমন উদ্যোগ এবারই প্রথম নয়। এর আগে গত বছর সেরা পারফর্ম করা কর্মীদের আইফোন উপহার দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে ১৬ কর্মীর জন্য পাঁচ তারকা হোটেলে থাকা, চালকসহ বিলাসবহুল গাড়িতে ভ্রমণ এবং ইয়টে পার্টির আয়োজন করা হয়। ২০২৩ সালে কর্মীদের জন্য বিশেষ সিনেমা প্রদর্শনীরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

হাসিনার মতে, এ ধরনের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানটিকে দীর্ঘমেয়াদে সেরা কর্মীদের ধরে রাখতে সহায়তা করেছে। তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মীরা খুব কমই চাকরি ছাড়েন এবং অনেকেই পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। সেরা কর্মীদের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের মনোবল চাঙা রাখতে খেলাধুলা ও শারীরিক কর্মকাণ্ডের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে মাত্র স্বামী-স্ত্রী মিলে এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু করেছিলেন হাসিনা ও নিশাদ। বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা এই প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দুতে কর্মীরাই রয়েছেন এবং কর্মীদের যথাযথ যত্ন নিলে প্রতিষ্ঠান নিজে থেকেই এগিয়ে যাবে বলে তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতার অগ্রগতিকে স্বাগত জানালেন ইইউ প্রেসিডেন্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতার অগ্রগতিকে স্বাগত জানালেন ইইউ প্রেসিডেন্ট

ক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনায় অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া যাবে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভন ডার লেইন বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তির দিকে অগ্রগতিকে আমি স্বাগত জানাই। আমাদের এমন একটি চুক্তি প্রয়োজন, যা সত্যিকার অর্থে উত্তেজনা কমাবে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেবে এবং টোলমুক্ত পূর্ণ নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে।'

তিনি আরও বলেন, 'ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেওয়া যাবে না।'

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার (২৩ মে) দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতা চুক্তি 'প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে' পৌঁছেছে এবং শিগগিরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে।

ট্রাম্প জানান, এই বিষয়ে তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন, যা 'খুব ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে'। তবে ইসরায়েলি সূত্রগুলো বলছে, সম্ভাব্য এই চুক্তি তাদের জন্য 'বড় ধরনের উদ্বেগের বিষয়' হয়ে দাঁড়িয়েছে।


বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া পর্যটন সেতুবন্ধনে মাইশা ট্রাভেল

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া পর্যটন সেতুবন্ধনে মাইশা ট্রাভেল

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি প্রদর্শনী ‘ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম, আর্টস অ্যান্ড কালচার এক্সিবিশন অ্যান্ড কনফারেন্স (ইনট্যাক) ২০২৬’-এ অংশ নিয়ে পর্যটনসেবা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরেছে মালয়েশিয়া সরকারের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের লাইসেন্সপ্রাপ্ত ট্রাভেল এজেন্সি মাইশা ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরস এসডিএন বিএইচডি।

তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২৫টি দেশ অংশ নেয়। কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারে ১৫৫টি বুথে বিভিন্ন দেশের পর্যটন গন্তব্য, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পর্যটনসেবা তুলে ধরা হয়।

প্রদর্শনীতে মাইশা ট্রাভেল বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ পরিকল্পনা, ট্যুর প্যাকেজ ও পর্যটনসেবা তুলে ধরার পাশাপাশি মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে পর্যটক আনা এবং বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।

মাইশা ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মিন্টু এমডি ইসহাক বলেন, ‘আমরা চাই মালয়েশিয়া থেকে কিছু ইনভেস্টর বাংলাদেশে নিয়ে গিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করতে পারি।’

এদিকে প্রদর্শনীতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নেয় বাংলাদেশ। দুটি বুথের মাধ্যমে দেশের পর্যটন সম্ভাবনা, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটনসেবা তুলে ধরা হয়। কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও পর্যটন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এম৩৬০ আইসিটি যৌথভাবে এ উদ্যোগ নেয়।

বাংলাদেশ বুথ পরিদর্শন করেন কুয়ালালামপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী। তিনি বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার গুরুত্বের কথা বলেন।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) প্রণব কুমার ঘোষ বলেন, দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, খাবারের বৈচিত্র ও পর্যটন গন্তব্য সম্পর্কে বিদেশি দর্শনার্থীদের জানানো হয়েছে।

প্রদর্শনীর ওপেন স্টেজে বাংলাদেশের পর্যটনবিষয়ক ভিডিওচিত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি দল দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা করে। এসব পরিবেশনা দর্শনার্থীদের প্রশংসা অর্জন করে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইনট্যাকের মতো আন্তর্জাতিক আয়োজন পর্যটন গন্তব্য প্রচারের পাশাপাশি ট্রাভেল এজেন্সি, পর্যটনসেবা প্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগকারী ও বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরির গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে পর্যটন, ব্যবসা ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।


সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে বাংলাদেশি বলে ফেরত পাঠানো যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে বাংলাদেশি বলে ফেরত পাঠানো যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট

কেবল সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে ডিপোর্ট বা দেশছাড়া করার ক্ষমতা রাজ্য সরকারের নেই বলে মন্তব্য করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের এক বাসিন্দাকে আটকে রেখে তাকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর প্রস্তাব চ্যালেঞ্জ করে করা রিট পিটিশনের শুনানি চলাকালে তিনি এ কথা বলেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, আবেদনকারীর আইনজীবীর দাবি, ‘গত ৮ আগস্ট থেকে কয়েকজন প্রতিবেশীর দেওয়া জবানবন্দি থেকে তৈরি হওয়া সন্দেহের ভিত্তি’তেই তার মক্কেলকে আটকে রাখা হয়েছে। ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের (এফআরআরও) ঐ দম্পতিকে দেশান্তরের নির্দেশ এবং স্বামীর আটকের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট আবেদনটি করেন আটক ব্যক্তির স্ত্রী। স্ত্রীকে অবশ্য আটক করা হয়নি।

দেশছাড়া করার আদেশটি আপাতত ‘স্থগিত রাখা হয়েছে উল্লেখ করে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানান, কোনো ব্যক্তির নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তাকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া উচিত। 

এসময় মনে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীকে (আটক ব্যক্তি) কোনো সুযোগই দেয়নি বলে জানান বিচারপতি।

পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, ঐ ব্যক্তিকে কেন দুই মাস ধরে হেফাজতে আটকে রাখা হয়েছে এবং তার জাতীয়তা বা নাগরিকত্ব নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ কেন ‘একটি পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া’ অনুসরণ করেনি?

এদিকে রিট আবেদনকারীর আইনজীবী রবিউল ইসলাম বলেন, ‘আমার মক্কেল দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে আটক রয়েছেন। তাকে আটকের ভিত্তি ছিল কয়েকজন প্রতিবেশীর বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া সন্দেহ।’

বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, কেবল এ ধরনের তথ্যের ওপর ভর করে কীভাবে একজন মানুষের জাতীয়তা বা নাগরিকত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব? 

একইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, সঠিক আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কোনো ব্যক্তিকে আটক রাখা যাবে না। 

বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘১৯৭০-এর দশক থেকে কত লোক সীমান্ত অতিক্রম করেছেন? তাদের সবাইকে ফেরত পাঠানো কি সম্ভব?’

মামলাটি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে ফেরত পাঠিয়ে তিনি অনুরোধ করেন যেন এটি একটি ‘উপযুক্ত বেঞ্চে’ শুনানির জন্য পাঠানো হয়।

জানা যায়, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে বিজেপিশাসিত অনেক রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, বাংলাভাষী মুসলিম পরিযায়ী শ্রমিকদের তারা ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ বলে চিহ্নিত করছে এবং আদালত বা ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ ছাড়াই বিএসএফের সহায়তায় তাদের জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে (পুশ-ইন)। 

বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার কয়েকদিন পরই নতুন সরকার ‘ডিটেইন, ডিলিট, ডিপোর্ট’ (আটক, বাতিল ও বিতাড়ন) নীতি ঘোষণা করে। এই নীতির অধীনে পুলিশের কাজ ছিল সন্দেহভাজন তথাকথিত ‘বাংলাদেশিদের’ ‘হোল্ডিং সেন্টারে’ আটকে রাখা এবং সংক্ষিপ্ত প্রক্রিয়ায় দ্রুত বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া। এমন চারজন ভারতীয় নাগরিক—যাদের মধ্যে একজন নারী ও দুটি শিশুও ছিল—বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রায় এক বছর কাটানোর পর গত জুলাই মাসে আদালতের আদেশে মালদার মহদিপুর স্থলবন্দর দিয়ে নিজ দেশে ফিরে আসেন।

এ বিষয়ে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মন্তব্য করেন, ‘সুতরাং, যেকোনো ব্যক্তিকে দেশান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকারের উচিত তার নথিপত্র সঠিকভাবে যাচাই করা। গুটি কয়েক মানুষের জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে কেউ সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে না যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন অনুপ্রবেশকারী।’

রাজ্য সরকারের পক্ষে উপস্থিত অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার যুক্তি দেন যে, আটক ব্যক্তি হয়তো জাল বা ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ভোটার কার্ড, আধার ও প্যান কার্ডের মতো নথিপত্র সংগ্রহ করেছেন।

হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণগুলো এমন এক সময়ে এলো, যখন ভোটার তালিকায় নাম, নাগরিকত্ব এবং নথিপত্র সংক্রান্ত বিষয়গুলো জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।