?> বিশ্বসেরা বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. শফিক সিদ্দিকীর সাফল্য | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

বিশ্বসেরা বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. শফিক সিদ্দিকীর সাফল্য

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্বসেরা বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. শফিক সিদ্দিকীর সাফল্য

গবেষণা ও উদ্ভাবনে ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি অধ্যাপক প্রফেসর ড. শফিক সিদ্দিকী। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ বিজ্ঞানীদের তালিকায় ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে স্থান পেয়েছেন তিনি।


দীর্ঘ গবেষণাজীবনে ড. শফিক সিদ্দিকী ১৫০টি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে উচ্চ প্রভাবসম্পন্ন জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্র ১০৮টি, নন-ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর জার্নালে ২২টি এবং নন-ইনডেক্সড প্রকাশনা ২০টি। পাশাপাশি তাঁর রয়েছে চারটি পেটেন্ট ও চারটি ট্রেডমার্ক। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় তিনি ৩৯টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেছেন।


ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া সাবাহতে (ইউএমএস) দায়িত্ব পালনকালে মাস্টার্স ও স্নাতক পর্যায়ে ১২টি কোর্স পড়িয়েছেন ড. শফিক। তাঁর তত্ত্বাবধানে পিএইচডি ও এমএসসি পর্যায়ে ২৭ জন শিক্ষার্থী গবেষণা করেছেন। তাঁদের মধ্যে ২৫ জন ইতোমধ্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। অন্যদের গবেষণা কার্যক্রম চলমান।


গবেষণার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তিনি পেয়েছেন ৩৭টি গবেষণা অনুদান। এর মধ্যে আটটি প্রকল্প সরাসরি কমিউনিটি ও শিল্পখাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। গবেষণারআন্তর্জাতিক প্রভাবের অন্যতম সূচক সাইটেশনেও রয়েছে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবস্থান। বর্তমানে স্কোপাসে তাঁর এইচ-ইনডেক্স ৩৩ এবং গুগল স্কলারে ৪০।


মালয়েশিয়ার অন্যতম বৃহৎ হালাল বাণিজ্য প্রদর্শনী ‘মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল হালাল শোকেস’ মিহাসের ২২তম আসরে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের আমন্ত্রণে ‘ভিভিফাই’ ও ‘ট্রিয়াল’ নামের গবেষণালব্ধ পণ্য নিয়ে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে অংশ নেন ড. শফিক। মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদদের উৎসাহিত করা এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরির অংশ হিসেবে হাইকমিশনের উদ্যোগে তিনি এ আয়োজনে অংশ নেন।


মিহাসে ড. শফিক সিদ্দিকীর সঙ্গে কথা হয়। নিজের গবেষণা ও সাফল্যের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তরুণ গবেষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তুমি নিজেকে যতটুকু সক্ষম বলে মনে করো, তার চেয়েও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারো। সংকল্পকে দৃঢ় করো এবং প্রচেষ্টা অবিরাম ও ধারাবাহিক রাখো। লক্ষ্যের প্রতি অটল থাকলে একদিন অবশ্যই সেখানে পৌঁছানো সম্ভব।’


বিজ্ঞান ও গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আয়োজনে ২৫ বার মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন ড. শফিক। গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ৭০টি পুরস্কার।


এসব পুরস্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাবাহ রাজ্যের ‘এসই কিনাবালু ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড’, কোরিয়া ইনভেনশন একাডেমির ২০২০ সালের চতুর্থ আসরের বিশেষ ও স্বর্ণ পুরস্কার, জার্মানির আইইএনএ-২০২১ পুরস্কার, ২০১৫ সালের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোক্তা প্রকল্প পুরস্কার, পিইসিপিটিএ-২০১৫ ও ২০১৯ এবং আইটিইএক্স-২০১৯-এর স্বর্ণপদক।


২০১৪ সালে তিনি অর্জন করেন প্রসপার-নেট-স্কোপাস তরুণ বিজ্ঞানী পুরস্কার। ২০১৭ সালে আইএসআই ও স্কোপাসে সূচিবদ্ধ জার্নালে প্রকাশনা ও সাইটেশনের ভিত্তিতে সর্বাধিক প্রকাশনাসম্পন্ন শীর্ষ পাঁচ লেখকের তালিকাতেও স্থান পান তিনি।


২০২৬ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগে স্কোপাস-সূচিবদ্ধ জার্নালে প্রকাশনার জন্য ইউএমএসের সর্বোচ্চ সাইটেশন পুরস্কার অর্জন করেন ড. শফিক। এর আগে ২০১২ ও ২০২১ সালে তিনি ইউএমএসের উৎকৃষ্ট সেবা পুরস্কার লাভ করেন। ২০১০ সালে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ায় সেরা স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীর স্বীকৃতিও অর্জন করেন তিনি।


শুধু গবেষণাপত্র ও পুরস্কার অর্জনেই থেমে নেই ড. শফিকের কাজ। গবেষণার ফলাফলকে বাস্তব প্রয়োগে নিয়ে এসে সেগুলোর বাণিজ্যিকীকরণেও কাজ করছেন তিনি। তাঁর গবেষণালব্ধ পণ্য ইতোমধ্যে বাজারে এসেছে। গবেষণা থেকে উদ্ভাবন এবং উদ্ভাবন থেকে শিল্প ও ভোক্তা পর্যায়ে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।


স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিক অন্তর্ভুক্তি ড. শফিকের গবেষণাকর্মের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। শিক্ষকতা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং গবেষণালব্ধ পণ্যের বাণিজ্যিকীকরণ সব মিলিয়ে মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাঙ্গনে বাংলাদেশি শিক্ষাবিদদের অবদানের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছেন তিনি।


ড. শফিকের গবেষণা ও উদ্ভাবন নিয়ে মালয়েশিয়ার জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেল টিভি১, টিভি২ ও টিভি৭-এ প্রতিবেদন প্রচার হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সংবাদপত্রেও তাঁর গবেষণার ফলাফল ও উদ্ভাবন গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছালেন জিনপিং, স্বাগত জানালেন ট্রাম্প

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছালেন জিনপিং, স্বাগত জানালেন ট্রাম্প

নিজেদের প্রধান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে গত কাল ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার প্রেসিডেন্ট জিনপিং তার স্ত্রী ও চীনের ফার্স্টলেডি পেং লি ইউয়ানকে সঙ্গে নিয়ে  পৌঁছেছেন তিনি।

স্থানীয় সময় বিকেলের দিকে ওয়াশিংটনের অ্যান্ড্রুজ বিমানঘাঁটিতে চীনের প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্টলেডিকে বহনকারী উড়োজাহাজটি অবতরণ করার পর বিমানঘাঁটিতে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার স্ত্রী ও মার্কিন ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। মার্কিন শিশুরা  এ সময় শি জিনপিং ও পেং লি ইউয়ানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়। দুই পাশে লাল গালিচার পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাদের গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে সামরিক ব্যান্ড। সেই সঙ্গে ২১ বার তোপধ্বনি এবং যুদ্ধবিমান উড়িয়ে অভিবাদনও জানানো হয়।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট জিনপিং ও ফার্স্টলেডি পেং লি ইউয়ানকে স্বাগত জানাতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি সারা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করা একটি সফর।

প্রেসিডেন্ট জিনপিংকে একজন মহান নেতা উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে তার পদার্পণের মুহূর্তটিও মহান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বিভিন্ন ইস্যুতে ফলপ্রসূ মতবিনিময় এবং দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করেন।

জবাবে এক লিখিত বক্তব্যে চীনা জনগণের পক্ষ থেকে মার্কিন জনগণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে শি জিনপিং বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই মহান দেশ এবং দুই দেশের জনগণই মহান। চীন-যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ যোগাযোগ রয়েছে এবং দুই দেশের স্বার্থ গভীরভাবে জড়িত। দুই দেশের অংশীদার হওয়া উচিত, প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। চীনা জাতির মহান পুরুদ্ধার এবং ‘আমেরিকাকে আবার মহান করা’—এই দুই লক্ষ্য পরস্পরের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়; বরং এগুলো পাশাপাশি এগিয়ে যেতে পারে, একে অপরকে এগিয়ে নিতে পারে এবং বিশ্বকে উপকৃত করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চলতি বছরের মে মাসে চীন সফর করার সময় আমরা চীন-যুক্তরাষ্ট্রের গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে একমত হয়েছিলাম, যা ভবিষ্যতে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের উন্নয়নের জন্য কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিয়েছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের উচিত তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয় এবং এমন একটি স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তোলা, যেখানে সহযোগিতা হবে প্রধান ভিত্তি, প্রতিযোগিতা থাকবে সংযত, মতপার্থক্য থাকবে নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং শান্তির সম্ভাবনা থাকবে সুস্পষ্ট। এভাবেই নতুন যুগে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দুই বৃহৎ দেশের সঠিকভাবে সহাবস্থানের পথ তৈরি করা সম্ভব।”

চীনের প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, বিশ্ব এগিয়ে চলছে, সময়ও পরিবর্তিত হচ্ছে। তবে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহাসিক যুক্তি বদলায়নি; দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্বপূর্ণ যোগাযোগের আন্তরিক আকাঙ্ক্ষা বদলায়নি; আর চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যাপক প্রত্যাশাও বদলায়নি।


বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের নতুন তালিকা প্রকাশ, শীর্ষে বানার্ড আর্নল্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল, ২০২৪

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের নতুন তালিকা প্রকাশ, শীর্ষে বানার্ড আর্নল্ট

পুরো বিশ্বে যখন কিনা অর্থনৈতিক সংকট চলছে, সেই সময়ও ধনী ব্যক্তিরা আরও ধনী হচ্ছেন। সম্প্রতি ২০২৪ সালের শীর্ষ ধনীদের নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্যবসা-বাণিজ্যবিষয়ক ম্যাগাজিন ফোর্বস। দেখা গেছে―চলমান বিশ্বে যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করেও গতবারের তুলনায় সম্পদ বেড়েছে অনেক ধনীদের।

বিলিওনিয়ারদের তালিকায় জায়গা করে নেয়া দুই-তৃতীয়াংশ ধনীদের সম্পদমূল্য গত বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে, আর কমেছে মাত্র এক-চতুর্থাংশ ব্যক্তিদের সম্পদমূল্য। এছাড়া শীর্ষ ২০ ধনীর সম্পদমূল্য অনেক বেশিই বৃদ্ধি পেয়েছে। সামগ্রিকভাবে তাদের সম্পদমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৭০ হাজার কোটি ডলার।

ফোর্বসের প্রকাশ করা তালিকায় এবার শীর্ষে রয়েছে ফ্রান্সের বানার্ড আর্নল্ট ও তার পরিবার। তার সর্বমোট সম্পদমূল্য ২৩৩ বিলিয়ন ডলার। ৭৫ বছর বয়সী বার্নাড হচ্ছেন লুই ভুইতোঁ ও সেফোরাসহ বিশ্বের ৭৫টি নামিদামি ফ্যাশন ও কসমেটিক্স ব্র্যান্ডের মালিক।

এরপর দ্বিতীয়তে রয়েছেন নাগরিক টেসলা ও স্পেস এক্সের কর্ণধার ইলন মাস্ক। ৫২ বছর বয়সী এই ব্যক্তির সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৯৫ বিলিয়ন ডলার।

তৃতীয়তে রয়েছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। গত বছরের তুলনায় এবার তার সম্পদমূল্য বেড়েছে প্রায় ৮৫ বিলিয়ন ডলার। তার মোট সম্পদমূল্য ১৯৪ বিলিয়ন ডলার।

তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। ৩৯ বছর বয়সী এই ব্যক্তির গতবার সম্পদমূল্য ছিল ৬৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। তা এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৭ বিলিয়ন ডলার।

তালিকায় সপ্তম অবস্থানে রয়েছেন বিশ্বের আলোচিত বিলিওনিয়ার মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। এবার তার সম্পদমূল্য বেড়ে ১২৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আর ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানি ১১৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার নিয়ে তালিকার ৯ম-এ অবস্থান করছেন।

এবার বিশ্বের বিলিওনিয়ারদের নিয়ে প্রকাশ করা এই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ১৪১ জনের বেশি ধনী ব্যক্তি। সবমিলে এখন বিশ্বে বিলিওনিয়ার রয়েছেন ২ হাজার ৭৮১ জন।


‘মক্কা-মদিনা ছাড়া পুরো সৌদি আরব হামলার জন্য উন্মুক্ত’

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

‘মক্কা-মদিনা ছাড়া পুরো সৌদি আরব হামলার জন্য উন্মুক্ত’

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে সোমবার (৫ অক্টোবর) আবারও হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। বিগত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনে সৌদি আগ্রাসনের জবাবে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী এই আক্রমণ পরিচালনা করেছে বলে হুথিদের এক সামরিক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন।

হুথি সামরিক মুখপাত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিমানবন্দরটিতে সূক্ষ্ম হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে সেখানকার বিমান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।

এর আগে একই দিনে সৌদি আকাশসীমা ব্যবহারের বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি জারি করে হুথি বিদ্রোহীরা। ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়, ‘মক্কা ও মদিনার পবিত্র আকাশসীমা ব্যতীত সমগ্র সৌদি আকাশসীমা আমাদের হামলার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।’

হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে সৌদি আকাশসীমা ব্যবহার অব্যাহত রাখলে যেকোনো ধরনের উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় নিতে তারা অস্বীকার করেছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই