?> বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, পরপর আটক বিরোধী সাংসদরা | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, পরপর আটক বিরোধী সাংসদরা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, পরপর আটক বিরোধী সাংসদরা

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ করেছেন বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ব্লকের সাংসদরা। মঙ্গলবার সকালে সংসদ ভবন থেকে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তর ‘নির্বাচন সদন’-এর দিকে মিছিল বের করেন তারা।

মিছিলে বিরোধী সাংসদদের হাতে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ লেখা ব্যানার দেখা যায়। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা। জ্ঞানেশ কুমারকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে সরানোর দাবিও জানান বিরোধীরা।

নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। পরে রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তার সঙ্গে অবস্থানে যোগ দেন সমাজবাদী পার্টির (এসপি) প্রধান অখিলেশ যাদব, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ ইন্ডিয়া জোটের একাধিক সাংসদ।

বিক্ষোভে অংশ নেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

জানা গেছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কর্মসূচি আগেই নির্ধারণ করেছিল ইন্ডিয়া ব্লক। গত সপ্তাহে জোটের বৈঠকের পর থেকেই এ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছিল।

বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকায় বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম হচ্ছে। ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগসহ বিভিন্ন বিষয় সামনে এনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলো।

এদিকে মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে ইন্ডিয়া ব্লকের দুই গুরুত্বপূর্ণ শরিক দল ডিএমকে ও আম আদমি পার্টি (এএপি) অংশ নেয়নি বলে জানা গেছে।

বিরোধীদের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। দিল্লি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। ব্যারিকেড দিয়ে পুরো এলাকা ঘিরে রাখে নিরাপত্তা বাহিনী।

বিক্ষোভের একপর্যায়ে রাহুল গান্ধীকে পুলিশের ব্যারিকেডের ওপর উঠে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়। কয়েকজন সাংসদও ব্যারিকেডের ওপর উঠে স্লোগান দেন। সমাজবাদী পার্টির কয়েকজন সাংসদ ব্যারিকেড টপকানোর চেষ্টা করেন।

এ সময় একের পর এক বিরোধী সাংসদকে আটক করে পুলিশ। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও কেসি বেনুগোপালকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন রাহুল গান্ধী, অখিলেশ যাদব, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ বিরোধী দলের একাধিক সাংসদ।

সমাজবাদী পার্টির সাংসদ রাজীব রাই অভিযোগ করেন, ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা প্রায় ১৫ হাজার ভোটারের তথ্য তিনি জমা দিয়েছেন।

ইমরান খানের ঘাঁটিতে জরুরি অবস্থা: পাকিস্তানের পদক্ষেপে উল্টো বিপদের ঝুঁকি

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

ইমরান খানের ঘাঁটিতে জরুরি অবস্থা: পাকিস্তানের পদক্ষেপে উল্টো বিপদের ঝুঁকি

সড়কে কনটেইনারের ব্যারিকেড, শহরজুড়ে সেনাটহল আর বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর সাঁড়াশি অভিযানের মধ্যে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) রাজনৈতিক দুর্গ হিসেবে পরিচিত খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

এর মাধ্যমে স্থগিত করা হয়েছে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা পিটিআইয়ের প্রাদেশিক সরকারও।

বিবিসি লিখেছে, রোববার জরুরি অবস্থা জারির পর শুরুতে স্কুল বন্ধ ও ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করা হলেও দুদিনের মাথায় তা সচল হয়। তবে পিটিআই নেতাদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।

মঙ্গলবারও খাইবার জেলায় দলটির কর্মীদের ওপর টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়েছে। আটক হয়েছেন বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়া প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি।

পিটিআইয়ের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে; তবে সরকারের দাবি, তিনি ‘নিরাপত্তা হেফাজতে’ আছেন।

পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, ‘সন্ত্রাসবাদের মারাত্মক হুমকি থেকে’ জনগণকে রক্ষা করতেই সাংবিধানিক এইপদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী আতা তারার অভিযোগ করেন, পিটিআইয়ের প্রাদেশিক সরকার ‘জঙ্গিদের সঙ্গে যোগসাজশে’ লিপ্ত ছিল। তবে এর কোনো প্রমাণ তিনি দেখাননি।

তিনি দাবি করেন, জরুরি অবস্থা জারির পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই এবং সরকার আগেই পিটিআইয়ের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করেছিল।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপের নেপথ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক তীব্র চাপ ও বিক্ষোভ।

তিন বছরের বেশি সময় ধরে কারাবন্দি ইমরান খানের সঙ্গে গত এক বছরে পরিবার বা আইনজীবীদের কাউকেই দেখা করতে দেওয়া হয়নি।

সুপ্রিম কোর্ট উদ্বেগ জানানোর পর গত অগাস্টে এক বোন কারাগারে ও অন্য বোন হাসপাতালে চেকআপের সময় দেখা করতে পেরেছিলেন। এর বাইরে আর কাউকে সুযোগ দেওয়া হয়নি।

এর মধ্যে কর্মীদের সংগঠিত করার অভিযোগে সেপ্টেম্বরে ইমরানের তিন বোনকে গ্রেপ্তার করা হয়, তারা এখনো বন্দি।

সরকারের অভিযোগ, সাক্ষাতের সুযোগ নিয়ে ইমরান রাজনীতির আলোচনা করে জেল কোড ভাঙছিলেন।

নেতার মুক্তি ও তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ থেকে গত এক সপ্তাহ ধরে খাইবার পাখতুনখোয়াজুড়ে হাজার হাজার সমর্থক নিয়ে বড় আকারে ‘লং মার্চ’ শুরু করেছিল পিটিআই।

আটলান্টিক কাউন্সিলের জ্যেষ্ঠ ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান বলেন, তৃণমূলের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের মুখে সরকারের ওপর চাপ তৈরির পথ বন্ধ করতেই জরুরি অবস্থার মত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ইসলামাবাদভিত্তিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক জাহিদ হুসেন বলেন, ক্ষমতার ভারসাম্য এখন পুরোপুরি সেনাবাহিনীর দিকে হেলে পড়েছে।

চ্যাথাম হাউজের ফারজানা শেখের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনায় ভূমিকা রেখে আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি বাড়ায় পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এখন আত্মবিশ্বাসী যে তারা বৈশ্বিক চাপ অনায়াসেই সামাল দিতে পারবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, সরকারের ওই সিদ্ধান্ত বুমেরাং হতে পারে। ২০২৬ সালের ‘গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স’-এ সন্ত্রাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তান।

এর মধ্যে জঙ্গি আস্তানা থাকার অভিযোগে প্রতিবেশী আফগানিস্তানে দফায় দফায় বিমান হামলা চালাচ্ছে ইসলামাবাদ, যদিও কাবুল ওই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে সীমান্তে বৈরিতা এবং মধ্যপ্রাচ্যে হুতিদের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষায় সৌদি আরবকে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাকিস্তান আগেই বহুমুখী আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে রয়েছে।

এমন নাজুক পরিস্থিতিতে দেশের ভেতরে নতুন সংকট তৈরি করাকে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ হিসেবে দেখছেন কুগেলম্যান।

তিনি বলছেন, প্রাদেশিক সরকার না থাকায় স্থানীয়দের সব ক্ষোভের তীর এখন সরাসরি কেন্দ্রের দিকে যাবে।

এছাড়া নতুন করে সামরিক অভিযান চালালে সেনাদের বড় প্রাণহানি খোদ সামরিক বাহিনীর ভেতরেও ক্ষোভের জন্ম দিতে পারে।

বিশ্লেষক আরিফা নূরের ভাষায়, জেনে-বুঝেই এক আত্মঘাতী রাজনৈতিক সংকটের গহ্বরে পা বাড়াচ্ছে উভয় পক্ষ।


রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় ২৪ বাংলা‌দে‌শি আহত

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর, ২০২৬

রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় ২৪ বাংলা‌দে‌শি আহত

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত এবং ২৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১১ জন কর্মী এবং ১৩ জন ওমরাহ যাত্রী। তারা রিয়াদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহতদের মধ্যে তিনজন কিং আব্দুল্লাহ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস এসব তথ‌্য জা‌নি‌য়ে‌ছে।

দূতাবাস জানায়, গত শ‌নিবার আনুমানিক দিবাগত রাত ৩টা ১৫ মিনিটে বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩-এর ওপর একটি ক্ষেপণাস্ত্র পড়ে। এ ঘটনায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের যাত্রীরা হতাহত হন। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলায় মোট ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই বাংলাদেশি এবং আহতদের মধ্যে ২৪ জন বাংলাদেশি রয়েছেন।

দূতাবাস জানিয়েছে, আহত বাংলাদেশিরা রিয়াদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের চিকিৎসার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে দূতাবাস। 

কিং আব্দুল্লাহ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন তিন বাংলাদেশির সঙ্গে দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছে। বর্তমানে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল। তারা হলেন- হাফেজ হাসান (ঢাকা), কাজী নুরুল্লাহ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) এবং মো. ওমর ফারুক (সৌদি প্রবাসী কর্মী)।

দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ন্যাশনাল গার্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুই বাংলাদেশি হলেন সাফকাত রহমান (নওগাঁ) ও মো. দাউদুল ইসলাম (কুমিল্লা)। সাফকাত রহমান অচেতন অবস্থায় আছেন। রিয়াদ মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মো. সাইমুল ইসলাম সৌরভ ও আবুল মনসুর মো. রিয়াজ উদ্দীন। দুজনেরই বাড়ি ঢাকা।

প্রিন্স সুলতান মিলিটারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. আব্দুল্লাহ (ঢাকা)। সুলাইমান আলহাবিব হাসপাতালের তাখাসসুসি শাখায় চিকিৎসাধীন আরমান হোসেনসহ (ঢাকা) তিন বাংলাদেশি কর্মী।

কিংডম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. রফিক মিয়া। কিং খালেদ মেডিক্যাল সিটিতে চিকিৎসাধীন ইসমাইল হোসাইন, মো. মিসবাহ উদ্দিন হীরক ও মো. রায়হানুল ইসলাম।

প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পাঁচ বাংলাদেশি কর্মী হলেন- সালমা আক্তার, মো. শাহাদাত হোসেন, মোশাহিদ আহমেদ সৈকত, জাহিদ আহমেদ এবং সোহবে সাদেক মো. শাহজাহান সরকার।

এ ছাড়া, এজতাহ সনদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. আসাদুল ইসলাম ও মো. জামাল; সুলাইমান ফকিহ হাসপাতালে নাজমা আক্তার এবং সুলাইমান আলহাবিব হাসপাতালের আলসাহাফা শাখায় উমায়ের ও আব্দুল্লাহ কামিল চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, আহত সবাই রিয়াদ থেকে জেদ্দায় যাওয়ার জন্য ট্রানজিটে বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন।

আটকে পড়া যাত্রীদের জন্য ব্যবস্থা

হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ থেকে আসা এবং রিয়াদ হয়ে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে যাতায়াতের অপেক্ষায় থাকা প্রায় ৫০০ যাত্রী আটকা পড়েন। এ ছাড়া রিয়াদ থেকে বাংলাদেশে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা যাত্রীরাও আটকে পড়েন। তাদের জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

টার্মিনাল-৩-এ সৌদিয়া এয়ারলাইনসের এসভি৮০৪, রিয়াদ এয়ারের আরএক্স১৭ এবং ইউএস-বাংলার ইউএস২৮১ ফ্লাইটে বাংলাদেশ থেকে আসা এবং ফ্লাইনাস, ফ্লাইএডিল ও ফ্লাইরিয়াদে সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা ১০০ জন যাত্রীর আবাসন ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের মেরিয়ট হোটেল, রেডিসন হোটেল এবং প্রিন্সেস নূরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমিটরিতে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে ইহরামের পোশাক পরে আসা ৬৭ জনকে বিশেষ বাসে রিয়াদ থেকে জেদ্দায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

রিয়াদ-ঢাকাগামী সৌদিয়া এয়ারলাইনসের বাতিল হওয়া এসভি-৮০৪ ফ্লাইটের প্রায় ৪০০ বাংলাদেশি যাত্রীকে দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া, রিয়াদ থেকে বাহরাইনগামী দুই বাংলাদেশি কর্মীকে আলখোবার স্থলবন্দর দিয়ে বাহরাইন যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করা হয়েছে।


মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের পাশে দাঁড়াচ্ছে তুরস্ক

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের পাশে দাঁড়াচ্ছে তুরস্ক

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের অব্যাহত হামলার মুখে সৌদি আরবের সামরিক চাহিদা মেটাতে তুরস্ক প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। পাকিস্তানসহ ত্রিপক্ষীয় মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হতে পারে বলে তিনি জানান। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এক সাক্ষাৎকারে বরাতে এই খবর জানিয়েছে ডন।

হাকান ফিদান জানান, সৌদি আরবের ভূখণ্ড ও সার্বভৌমত্বের ওপর গুরুতর আক্রমণ ঘটছে এবং ত্রিপক্ষীয় জোট চুক্তির কারণে আঙ্কারা রিয়াদের সঙ্গে পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছে। বিশেষ করে কিছু কারিগরি বিষয়ে সৌদি আরবের সামরিক প্রয়োজন থাকতে পারে এবং তুরস্কের তা পূরণে কোনো সমস্যা নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। গত মাসে সই হওয়া চুক্তি অনুযায়ী তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে সব দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হয়।

ইয়েমেনের জনবহুল এলাকা নিয়ন্ত্রণকারী হুথিরা জুলাই মাসে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণার পর থেকে দেশটির বিভিন্ন শহর, জ্বালানি অবকাঠামো ও নৌপথে আক্রমণ চালিয়ে আসছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহ এবং হরমুজ প্রণালির স্থবিরতার মুখে বিকল্প লোহিত সাগরীয় রুট হুমকির মুখে পড়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি থাকায় ট্রাম্প প্রশাসন হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদিকে সামরিক সহায়তা দিতে অস্বীকার করেছে।

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংঘাত এড়িয়ে চলা সৌদি আরবকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের অংশ করা অগ্রহণযোগ্য। সংঘাত অবসান ঘটাতে সব পক্ষের কাছে নতুন প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, অর্থনৈতিক ক্ষতি সহ্যসীমা অতিক্রম করায় সব পক্ষের উচিত প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করা। 

ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তির অধিকারী তুরস্ক স্পষ্ট করেছে, পাকিস্তান ও সৌদির সঙ্গে তাদের চুক্তিটি অন্যান্য দেশের জন্য উন্মুক্ত এবং এটি বিদ্যমান কোনো আন্তর্জাতিক জোটকে প্রতিস্থাপন করে না।

শনিবার ভোরে সৌদি রাজধানী রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরের কাছে ধোঁয়া ও আগুনের কুণ্ডলী দেখার কয়েক ঘণ্টা পর শহরের ‘সংবেদনশীল’ স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করে হুথিরা। তুরস্ক এসব হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।

সূত্র: ডন