?> ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বাতিল শত শত ফ্লাইট | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বাতিল শত শত ফ্লাইট

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বাতিল শত শত ফ্লাইট

ইয়েমেনের হুথি বাহিনীর অব্যাহত হামলার পর সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যার ফলে দেশটিজুড়ে শত শত ফ্লাইট বাতিল হয়ে গেছে।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এয়ার ডেটা নিউজের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, বিমানবন্দরটিতে পরিদর্শন ও ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনার কাজ চলায় জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিসিএএ) সাময়িকভাবে কার্যক্রম স্থগিতের এই সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে।তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিরিয়ামের উপাত্ত অনুযায়ী, সোমবার সৌদি আরবের ১ হাজার ৪৮টি নির্ধারিত ফ্লাইটের মধ্যে ৪৮৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে, যা তাদের দৈনিক সূচির প্রায় ৪৬ শতাংশ।


পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, রিয়াদ বিমানবন্দরে রোববারের প্রায় সব ফ্লাইট এবং সোমবারের আনুমানিক ৭৮ শতাংশ সেবা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে বিমান সংস্থাগুলো।উদ্ভুদ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিমান সংস্থাগুলো তাদের ফ্লাইট স্থগিতের মেয়াদ আরও বাড়িয়েছে। লুফথানসা গ্রুপ ১৬ অক্টোবর এবং এয়ার ফ্রান্স-কেএলএম চলতি মাসের শেষ পর্যন্ত রিয়াদগামী পরিষেবা বন্ধ রেখেছে। এছাড়া ফিলিপাইন এয়ারলাইন্স ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত, ইন্ডিগো ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত এবং ফ্লাইদুবাই ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ ও দাম্মামে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডেল্টা এয়ারলাইন্স আগামী ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত তাদের আটলান্টা-রিয়াদ পথ চালুর সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দিয়েছে।

কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ১০ অক্টোবরের হামলায় ১৩ জন নিহত ও ৩০০ জনের বেশি আহত হন এবং পরদিন টার্মিনাল ৪-এ অপর এক প্রক্ষেপকের আঘাতে এক পাকিস্তানি নাগরিক নিহত ও ১১ জন আহত হন। সৌদিয়ার একটি এয়ারবাস এ৩২০ বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে মারাত্মক সংকট দেখা দেয়।

আটকে পড়া যাত্রীদের জন্য বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দফতর (এফসিডিইউ) তাদের নাগরিকদের বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা জর্ডান হয়ে সড়কপথে দেশ ত্যাগের পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এফএএ এবং ইউরোপের ইএএসএ বেসামরিক বিমান চলাচলে ঝুঁকির বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে।

সূত্র: এয়ার ডেটা নিউজ

ইরানের প্রকাশিত সমঝোতার খসড়াকে ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’ দাবি হোয়াইট হাউসের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬

ইরানের প্রকাশিত সমঝোতার খসড়াকে ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’ দাবি হোয়াইট হাউসের

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) খসড়া প্রতিবেদনকে ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে হোয়াইট হাউস। খবর, সিএনএনের। 

বুধবার (২৭ মে) হোয়াইট হাউসের র‍্যাপিড রেসপন্স অ্যাকাউন্ট থেকে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, ইরান নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমের এই প্রতিবেদন সত্য নয় এবং তারা যে এমওইউ প্রকাশ করেছে তা সম্পূর্ণ মনগড়া। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম যা প্রচার করছে তা বিশ্বাস করা উচিত নয়। সত্য গুরুত্বপূর্ণ।

এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দাবি করেছিল, খসড়া সমঝোতায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আশপাশ থেকে সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেবে এবং ইরানি বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে।

তবে মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানের প্রচারিত নথির অনেক তথ্য বাস্তব আলোচনার সঙ্গে মেলে না। যদিও ওয়াশিংটন আগে ইঙ্গিত দিয়েছিল, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ শিথিল করার বিষয় বিবেচনা করতে পারে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনায় আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট।

তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুধুমাত্র এমন একটি চুক্তি করবেন যা আমেরিকান জনগণের জন্য ভালো হবে এবং যা নিশ্চিত করবে যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।

উল্লেখ্য, চলমান আলোচনা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।


উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তরে সম্মত হয়নি ইরান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তরে সম্মত হয়নি ইরান

ইরান তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত বিদেশে হস্তান্তরে সম্মত হয়নি বলে জানিয়েছেন দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। রোববার (২৪ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। 

ইরানি কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া প্রাথমিক সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরানের পারমাণবিক ইস্যু অন্তর্ভুক্ত ছিল না। বিষয়টি চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনার সময় বিবেচনা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, পারমাণবিক ইস্যু চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে, তাই এটি বর্তমান সমঝোতার অংশ নয়। এছাড়া ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশ থেকে বাইরে পাঠানোর বিষয়ে কোনো ধরনের সমঝোতা হয়নি। 

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার (২৩ মে) দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতা চুক্তি 'প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে' পৌঁছেছে এবং শিগগিরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে।  

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। যদিও ৮ এপ্রিল থেকে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চালু রয়েছে, তবে মাঝে মধ্যে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এখনও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও চলাচল, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং ইরানের জব্দকৃত অর্থ ফেরত। 


সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানপন্থি ১৮ যোদ্ধা নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানপন্থি ১৮ যোদ্ধা নিহত

বার্তাবেলা ডেস্ক: সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় কমপক্ষে ১৮ জন ইরানপন্থি যোদ্ধা নিহত হয়েছে। যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ বিষয়ক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে স্থানীয় সময় শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক বিবৃতিতে ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবর-এএফপির। 

মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এবং তেহরান-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর ওপর হামলা চালানোর পরপরই পর্যবেক্ষক সংস্থাটি জানিয়েছে, সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলে বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৮ ইরানপন্থী যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে পাঁচজন নিহত হয়েছেন দেইর এজ্জোর এলাকায়।

এদিকে ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি তেহরান। ধারণা করা হচ্ছে, এসব হামলার কারণে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেসব খতিয়ে দেখছে তারা।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল যে, তারা ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কুদস বাহিনীসহ ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এসব স্থান ইরানের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কুদস ফোর্স ইরান সমর্থিত কোনো আধাসামরিক গোষ্ঠী নয়, এটি সরাসরি ইরানি সেনাবাহিনীর একটি অফিসিয়াল শাখা।


তাই এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র পরোক্ষভাবে বলছে যে, তারা ইরাক ও সিরিয়ায় বা ওই সীমান্তে ইরানি সেনাবাহিনীকে টার্গেট করেছে যা বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ঘটনায় ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এছাড়া হামলায় অংশ নেওয়া যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসে হামলা চালিয়েছে এবং এটাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলা যায়। কারণ অনেকদিন ধরেই এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের সামরিক সম্পদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে তেহরান।

আরও পড়ুন: ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের ৮৫ স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

গত রোববার (২৮ জানুয়ারি) জর্ডানে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় তিন সেনা নিহত হন। জর্ডানে ওই হামলার জন্য ইরান–সমর্থিত একটি সশস্ত্র গ্রুপকে দায়ী করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই হামলায় তিনজন নিহত ছাড়াও আহত হন আরও ২৫ জন সেনা সদস্য। ওই হামলার কঠোর প্রতিশোধ হিসেবেই ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র।