?> আগস্টে বাংলাদেশিদের কার্ডে বিদেশে ব্যয় ৯৮৭ কোটি টাকা | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

আগস্টে বাংলাদেশিদের কার্ডে বিদেশে ব্যয় ৯৮৭ কোটি টাকা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

আগস্টে বাংলাদেশিদের কার্ডে বিদেশে ব্যয় ৯৮৭ কোটি টাকা

বিদেশে কেনাকাটা, ভ্রমণ ও বিভিন্ন সেবার মূল্য পরিশোধে ব্যাংক কার্ডের ব্যবহার বাড়ছে বাংলাদেশিদের। এর ধারাবাহিকতায় গত আগস্টে দেশের ব্যাংকগুলো থেকে ইস্যু করা কার্ড ব্যবহার করে বিদেশে ৯৮৭ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন গ্রাহকরা। এর মধ্যে ক্রেডিট কার্ডে ৫০৫ কোটি, ডেবিট কার্ডে ৪২২ কোটি এবং প্রিপেইড কার্ডে ৬০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। বিদেশে ক্রেডিট কার্ডে বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্ডভিত্তিক লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে বিদেশে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ডে মোট ব্যয়ের ১৭ দশমিক ১৬ শতাংশ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকার পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, ভারত ও সিঙ্গাপুর। দেশগুলোতে ব্যয়ের হার যথাক্রমে ১০ দশমিক ৮৬, ৯ দশমিক ৭৫, ৯ দশমিক ১২ ও ৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

বিদেশে কার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশিদের ব্যয়ের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরেও কার্ডভিত্তিক লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, গত পাঁচ বছরে দেশে কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের অর্থমূল্য বেড়েছে প্রায় ১০৩ শতাংশ।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছিল ২৪ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। চলতি বছরের আগস্টে সেই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ হাজার ৭৭০ কোটি টাকায়।

লেনদেনের অর্থমূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশে ব্যাংক কার্ডের সংখ্যাও বেড়েছে। একই পাঁচ বছরে কার্ডের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৯৬ শতাংশ। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে দেশে ব্যাংক কার্ডের সংখ্যা ছিল দুই কোটি ৭০ লাখের কিছু বেশি। চলতি বছরের আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ কোটি ২৯ লাখ ৫৪ হাজার ২৪১টিতে।

মোট কার্ডের মধ্যে ডেবিট কার্ড রয়েছে চার কোটি আট লাখ ৮৭ হাজার ৮০৪টি। এ ছাড়া ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা ২৮ লাখ পাঁচ হাজার ৪৪৯ এবং প্রিপেইড কার্ড রয়েছে ৯২ লাখ ৭০ হাজার ৯৮৮টি।

তবে সামগ্রিকভাবে কার্ডভিত্তিক লেনদেন বাড়লেও গত আগস্টে দেশের অভ্যন্তরে ক্রেডিট কার্ডে ব্যয়ের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। ওই মাসে এ ধরনের কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকরা ব্যয় করেছেন চার হাজার ৮৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এর আগের মাস জুলাইয়ে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল চার হাজার ৩২৫ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে অভ্যন্তরীণ ক্রেডিট কার্ড ব্যয় কমেছে ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

আগস্টে দেশের ভেতরে ক্রেডিট কার্ডে সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ হয়েছে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে। এ খাতে গ্রাহকদের ব্যয়ের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৯৬৯ কোটি টাকা। এ ছাড়া খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে ৫১৮ কোটি, ইউটিলিটি বিল পরিশোধে ৪৪২ কোটি এবং ওষুধ কেনায় ২৮৪ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন গ্রাহকরা।

অন্যদিকে, বিদেশি ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশে ব্যয়ের পরিমাণও বেড়েছে। গত আগস্টে বিদেশিরা এ দেশে কার্ডের মাধ্যমে ২৪৯ কোটি টাকা খরচ করেছেন। আগের মাসের তুলনায় এ ব্যয় বেড়েছে ৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। আর গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ৩৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার না হলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার না হলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। জ্বালানির দামেও স্থিতিশীলতা নেই। বর্তমানে জ্বালানি আমদানির উৎস হিসেবে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, অন্য উৎসগুলোও ঠিক নেই। এ অবস্থায় ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানির দাম সহনীয় রাখতে সরকার কাজ করছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, এমন পরিস্থিতিতে কেউ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে ধর্মঘটের চেষ্টা করলে ১৯৫৬ সালের আইন প্রয়োগ করা হবে। কথায় কথায় ধর্মঘট ডেকে পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণ করা হবে না।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। জনগণ আস্থা রেখে সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছে। তাই জনগণ যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তিতে না পড়ে, সে বিষয়ে সরকার সজাগ রয়েছে। ধর্মঘটের পথে না গিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে।

জ্বালানিমন্ত্রী আরও বলেন, এলপিজি ব্যবসায়ীদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে চলতি মাসেই আবারও বৈঠক হবে।


পাকিস্তান থেকে জাহাজে এবার যা যা এসেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ ডিসেম্বর, ২০২৪

পাকিস্তান থেকে জাহাজে এবার যা যা এসেছে

দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান থেকে সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে কনটেইনারবাহী জাহাজ ‘এমভি ইউয়ান জিয়াং ফা ঝং’। এবার জাহাজটিতে চিনি, আখের গুড়, ডলোমাইট, সোডা অ্যাশ, থ্রি-পিস, খেজুর ছাড়াও নানান ধরনের পণ্য এসেছে।

এসব পণ্যের ৮৬ শতাংশই পাকিস্তান থেকে এসেছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিশোধিত চিনি ও খনিজ পদার্থ ডলোমাইট।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে কনটেইনারবাহী জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছায়। গত ১১ ডিসেম্বর পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে ৮১১ টিইইউস (২০ ফুট দৈর্ঘ্যের একক) কনটেইনার নিয়ে জাহাজটি রওনা দেয়।

এই জাহাজটিই সংযুক্ত আরব আমিরাত হয়ে প্রথমে পাকিস্তান এবং পরে ৩৭০টিইইউস কনটেইনার নিয়ে গত ১১ নভেম্বর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। সেসময় জাহাজটির বিভিন্ন কনটেইনারে সোডা অ্যাশ, ডলোমাইট চুনাপাথর, ম্যাগনেশিয়াম ভাঙা কাচ, কাঁচামাল কাপড়, রং, গাড়ির যন্ত্রাংশ, পেঁয়াজ, আলু, খেজুর, জিপসাম, পুরোনো লোহার টুকরা, মার্বেল ব্লক, কপার ওয়্যার, রেজিন এবং মাদক হুইস্কি, ভদকা ও ওয়াইন ছিল। ১২ নভেম্বর জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দর ত্যাগ করে। ওইসময় তা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বেশ শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। ফের সেই একই জাহাজ করাচি থেকে চট্টগ্রামে এসেছে দ্বিগুণেরও বেশি পণ্য নিয়ে। যদিও এর আগে পাকিস্তান থেকে চট্টগ্রামে পণ্য আনা-নেওয়া হতো তৃতীয় কোনো বন্দরের মাধ্যমে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জাহাজটি কনটেইনার খালাস ও খালি কনটেইনার লোড করার জন্য বন্দরের এনসিটি জেটিতে দুদিন অবস্থান করবে। কাজ শেষে যাওয়ার পথে চট্টগ্রাম থেকে ইন্দোনেশিয়ার বন্দরের জন্য ৪০০ টিইইউ’স (২০ ফুট দীর্ঘ হিসাবে) এবং মালয়েশিয়ার বন্দরের জন্য ৬০০ টিইইউ’স খালি কনটেইনার নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

জাহাজটিতে এবার আরব আমিরাত ও পাকিস্তান থেকে আনা হয়েছে ৮১১ একক কনটেইনার পণ্য। যা জাহাজটির প্রথম ট্রিপের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি। এর মধ্যে ৬৭৮ একক কনটেইনার পণ্যই এসেছে পাকিস্তান থেকে। দেশটি থেকে এবার সবচেয়ে বেশি এসেছে পরিশোধিত চিনি ও খনিজ পদার্থ ডলোমাইট।

পাকিস্তান থেকে এবার ২৮৫ কনটেইনারে ১ লাখ ৪৮ হাজার ২০০ ব্যাগ চিনি আনা হয়েছে। যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টন।

কাঁচশিল্পে ব্যবহারের জন্য চিনির পর পাকিস্তান থেকে সবচেয়ে বেশি আনা হয়েছে ডলোমাইট। এবার ১৭১ কনটেইনারে ডলোমাইট আমদানি হয়েছে। এই কাঁচামাল এনেছে নাসির ফ্লোট গ্লাস ও আকিজ গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজ। পাকিস্তান থেকে আমদানি হওয়া আরেকটি পণ্য হলো সোডা অ্যাশ। এই পণ্য আমদানি হয়েছে ১৩৮ কনটেইনারে। শিল্পে ব্যবহারের এই কাঁচামাল এনেছে নাসির ফ্লোট গ্লাসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

এছাড়া শতভাগ রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানাগুলো এনেছে কাপড়ের রোল। মোট ৪৬টি কনটেইনারে রয়েছে কাপড়ের রোল। আলু আমদানি হয়েছে ১৮ একক কনটেইনারে। এছাড়া জয়পুরহাটের পিঅ্যান্ডপি ট্রেডিং ২০ কনটেইনারে আখের গুড় এনেছে। এসব পণ্যের পাশাপাশি পুরোনো লোহার টুকরা, রেজিন, থ্রি-পিস ইত্যাদি পণ্য আমদানি হয়েছে।

পাকিস্তান ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আনা হয়েছে খাদ্যপণ্য, খেজুর, লুব অয়েল, যন্ত্রাংশ ইত্যাদি। পাকিস্তানের পাশাপাশি আমিরাত থেকেও ১০ কনটেইনার চিনি আমদানি হয়েছে।

‘এমভি ইউয়ান জিয়াং ফা ঝং’ জাহাজটির স্থানীয় প্রতিনিধি কর্ণফুলী লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান রিজেনসি লাইনস লিমিটেড এই সংস্থার বাংলাদেশে স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে যুক্ত হয়েছে। দুবাই ভিত্তিক কনটেইনার জাহাজ পরিচালনাকারী সংস্থা ফিডার লাইনস ডিএমসিসি দুবাই-করাচি-চট্টগ্রাম-মালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়া-ভারত-দুবাই রুটে ‘এমভি ইউয়ান জিয়াং ফা ঝং’ জাহাজটি চালু করেছে।

কর্ণফুলী লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক আনিস উদ দৌলা বলেন, জাহাজটিতে প্রথমবারের তুলনায় এবার দ্বিগুণ কনটেইনার এসেছে। সরাসরি জাহাজটি আসায় সময় কয়েকদিন কম লাগছে। এতে ব্যবসায়ীদের খরচ সাশ্রয় হচ্ছে।

শিপিং এজেন্ট, বন্দর ব্যবহারকারী ও আমদানিকারকদের মতে, দুবাই-করাচি-চট্টগ্রাম রুটে সরাসরি কনটেইনার জাহাজ চালু হওয়ায় মেরিটাইমে গুরুত্বপূর্ণ দুই বিবেচ্য বিষয় ‘ভাড়া’ ও ‘সময়’ সাশ্রয় হচ্ছে। পাকিস্তান থেকে এত দিন শ্রীলঙ্কা বা সিঙ্গাপুর হয়ে চট্টগ্রামে পণ্য আমদানি হতো। তাতে এসব কনটেইনার একবার এসব বন্দরে নামানো হতো। আবার চট্টগ্রামমুখী জাহাজে তুলে দেওয়া হতো। এতে সময় লাগতো বেশি। এখন সরাসরি জাহাজসেবা চালুর কারণে ১০ দিনে পণ্য হাতে পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।


পুঁজিবাজার
অস্থিরতার পেছনে প্লেয়ার ও রেগুলেটরদের দুষলেন: অর্থ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

অস্থিরতার পেছনে প্লেয়ার ও রেগুলেটরদের দুষলেন: অর্থ উপদেষ্টা

পুঁজিবাজারে অস্থিরতার পেছনে প্লেয়ার ও রেগুলেটরদের অনেক দোষ আছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ব্যাংকিং অ্যালমানাকের ষষ্ঠ সংস্করণের প্রকাশনা উৎসবে তিনি বলেন, আপনারা জেড ক্যাটাগরির শেয়ার কিনছেন, যার কোনো অস্তিত্ব নেই। আবার শেয়ার প্রাইস কমে গেলেই আন্দোলন করেন, আমি এর পক্ষে নই।

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিবিএসকে বলা হয়েছে তথ্য যা আছে তাই প্রকাশ যেন হয়। এখানে কারচুপির কোনো ব্যাপার নেই। আমাদের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের মতো পুঁজিবাজারের অবস্থাও একই রকমের। আপনারা জেড ক্যাটাগরির শেয়ার কিনছেন, যার কোনো অস্তিত্ব নেই। অথচ এ শেয়ার মহা আনন্দে কিনছেন। নূন্যতম কোনো মূল্য নেই, এগুলো কয়েক দিন পরই ওয়েস্ট পেপার হিসেবে ব্যবহার হবে। এজন্য একটু কষ্ট করতে হবে। আমি বিনিয়োগকারীদের দায়ী করছি না। পুঁজিবাজারের প্লেয়ার ও রেগুলেটরদের অনেক দোষ আছে। আমি মনে করি এটা প্রচার করা দরকার।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমরা কোনো পাওয়ার দেখাতে আসিনি, একটা দায়িত্ব নিয়ে এসেছি। বিগত ১৫ বছরের তথ্য নিয়ে নানা বিভ্রাট রয়েছে। তথ্য লুকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা এগুলো পরিবর্তন ও সংস্কারের চেষ্টা করছি। কারণ দাতা সংস্থাগুলো আমাদের কাছে নানা প্রশ্ন করেন, তারা বোঝাতে চান আগেই কম ছিল ইত্যাদি। এ নিয়ে আমরা তাদের বোঝাচ্ছি আগের তথ্য লুকানো ছিল, আমরা সঠিকটা উপস্থাপন করছি।’

তিনি আরও বলেন, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো করার চেষ্টা করছি। যাতে করে ব্যবসায়ীরা এক স্থান থেকে সব তথ্য পায়। তথ্যের জন্য ব্যবসায়ীদের ১০ জায়গায় দৌড়াতে হবে না। আরও সুসংহতভাবে তথ্য যদি ম্যানেজমেন্ট করতে না পারি তাহলে সামনে আরও সমস্যা তৈরি হবে। আমাদের এই মিথ্যা তথ্যের প্রয়োজন নেই, কারণ প্রিয় মিথ্যা যন্ত্রণাদায়ক।

ব্যাংকিং অ্যালমানাকের চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সিকদার, এবিবির সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আমিন গ্রন্থটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সৈয়দ জিয়া উদ্দিন আহমেদ, আব্দার রহমান প্রমুখ।

অর্থ সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, আমরা সেক্টরগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। আর্থিকখাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে উন্নয়ন সহযোগিদের সহযোগিতা চাই। যাতে বিশৃঙ্খলা না হয়। আমরা এরইমধ্যে বিভিন্ন বোর্ডে পরিবর্তন এনেছি।