?> স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হলেন জাহেদুল হক  | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হলেন জাহেদুল হক 

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৩ এপ্রিল ২০২৪

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হলেন জাহেদুল হক 

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ৩৮৯তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রবিবার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হলেন শরিয়াহ্ ভিত্তিক স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি.-এর পরিচালক, চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো. জাহেদুল হক।

জাহেদুল হক চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানাধীন পশ্চিম শাকপুরা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট হাই স্কুল থেকে ১৯৮৫ সালে এসএসসি এবং চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ থেকে ১৯৮৭ সালে এইচএসসি পাশ করেন। ১৯৯২ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থইস্ট লুইসিয়ানা ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ সম্পন্ন করেন।

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের প্রাক্তন পরিচালক, বাংলাদেশ গার্মেন্টস্ ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এর প্রাক্তন সদস্য, চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড কমার্স ও খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ফাইন্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ এর সহ সভাপতি জনাব মো. জাহেদুল হক সততা, যোগ্যতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে দ্রুত সফলতার শীর্ষে আরোহণ করেন। পেশাগত জীবনে তিনি মেসার্স জাহেদ ব্রাদার্স এর প্রোপ্রাইটর এবং মেসার্স নূর অয়েল অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস্ ও মেসার্স আরাফাত লিমিটেডের পরিচালক।

মানবহিতৈষী, সকলের প্রিয় ব্যক্তিত্ব জাহেদুল হক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত। তিনি বোয়ালখালী হাজী মো. নুরুল হক ডিগ্রী কলেজ, শাকপুরা, চট্টগ্রাম- এর গভর্নিং বডির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য; চট্টগ্রাম রাইজিং স্টার ক্লাবের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান, আর্মি গল্ফ ক্লাব ঢাকা, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল এবং চট্টগ্রাম হার্ট ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য; চট্টগ্রাম বোট ক্লাব, চট্টগ্রাম ক্লাব লিমিটেড, চট্টগ্রাম কলেজিয়েট ক্লাব এবং চট্টগ্রাম সিনিয়রস্' ক্লাব লিমিটেডের স্থায়ী সদস্য। এছাড়াও তিনি আমেনিয়া ফোরকানিয়া নূরীয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা এবং চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর।

কয়েক দফা কমার পর ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কয়েক দফা কমার পর ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুড ও ডব্লিউটিআই—দুই ধরনের তেলের দামই ব্যারেলপ্রতি ২ ডলারের বেশি বেড়েছে।

অয়েল প্রাইস ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারের মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৮২ ডলার বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ দশমিক ৯ ডলারে উঠেছে।

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ২ দশমিক ২৭ ডলার বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার পর্যন্ত টানা পাঁচ কার্যদিবস আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছিল। তবে বুধবার থেকে বাজারে সেই নিম্নমুখী প্রবণতা বদলাতে শুরু করে। বৃহস্পতিবারও দুই প্রধান বেঞ্চমার্কের দাম বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকে।


জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব সবজির বাজারে

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব সবজির বাজারে

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহনের খরচ বৃদ্ধি ও বৃষ্টির কারণ দেখিয়ে রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে এখনও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। আসন্ন শীত মৌসুমে সবজির দাম কম থাকার কথা থাকলেও উল্টো বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্য। বাজারে বেশির ভাগ সবজিই বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকার ঘরে; আর শিম ও বেগুনের দাম ক্রেতাদের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা থেকে ১৮০ টাকায় এবং বেগুন প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া করলা ও ঢেঁড়সের প্রতি কেজি ৮০ টাকা। তবে সবজির মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে কেবল মুলা, যার প্রতি কেজি ৩০ টাকা।
আজকের বাজারে প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, বেগুন (গোল) প্রতি কেজি ১০০ টাকায়, শিম প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, পটল প্রতি কেজি ৬০ টাকা এবং কাকরোল প্রতি কেজি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এছাড়া অন্যান্য সবজির মধ্যে ঝিঙা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ৭০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ধন্দুল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীর মালিবাগ বাজারে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী কামরুজ্জামান সোহেল। তিনি বলেন, “বাজারের সব ধরনের সবজির দাম বেশি বেশি। ১০০ টাকা ৮০ টাকার ঘরে প্রায় সব ধরনের সবজি। এত টাকা দিয়ে সবজি কিনে খাওয়া সাধারণ মানুষের জন্য আসলেই কঠিন। শীত মৌসুম আসতে চলেছে, এ সময় সবজির দাম কম হওয়ার কথা, উল্টো সবজির দাম বাড়তি। বিক্রেতাদের জিজ্ঞেস করলে তারা বলে পরিবহনের খরচ বাড়ার কারণে সবজির দাম বাড়তি যাচ্ছে। আগে যেখানে এক কেজি সবজি কিনতাম, এখন এক আইটেম সবজি কিনি আধা কেজি করে।”

সবজির দাম বিষয়ে রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা খাদিমুল ইসলাম বলেন, ‘বেগুন ১০০ টাকা কেজি, বাকি সবজিগুলো ৮০ টাকা ৬০ টাকার ঘরে বিক্রি হচ্ছে। সবজির দাম বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারণ হচ্ছে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া। পরিবহন খরচ বৃদ্ধির বিষয়টি সবজির বাজারে প্রভাব ফেলেছে। এছাড়া সামনের শীতকালের মৌসুম আসছে, এ সময় নতুন করে সব সবজি বাজারে উঠবে। তার আগে এখন আগের সবজি শেষ হয়ে যাচ্ছে, তাই বাজারে তুলনামূলক সরবরাহ কম। সবকিছু মিলিয়ে সবজির দাম কিছুটা বাড়তি যাচ্ছে। তবে দুই-এক মাসের মধ্যে শীতকালীন মৌসুম শুরু হয়ে গেলে বাজারে প্রচুর পরিমাণে নতুন সবজি উঠবে, তখন আবার সবজির দাম কমে আসবে।’


ব্যবসায় ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ সরকারের বড়ো পরীক্ষা: ফরাসি রাষ্ট্রদূত

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ব্যবসায় ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ সরকারের বড়ো পরীক্ষা: ফরাসি রাষ্ট্রদূত

বিমান বাংলাদেশের বহরের জন্য উড়োজাহাজ কেনায় এয়ারবাসের প্রস্তাব এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) মতো বৃহৎ প্রকল্পগুলোর ওপরই বাংলাদেশের সঙ্গে ফ্রান্সের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে। একই সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে সব পক্ষকে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ দেওয়াকে বর্তমান সরকারের জন্য বড়ো পরীক্ষা বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’-এ উপস্থিত হয়ে ফরাসি রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে বলেন, সাড়ে চার বিলিয়ন ইউরোর (আনুমানিক ৬১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা) দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে নতুন উচ্চতায় নিতে এবং ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা জোরদার করতে এয়ারবাস কেনার এই মেগা প্রকল্প অন্যতম প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে। 

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ফ্রান্স কোনো ধরনের ব্ল্যাকমেইল বা চাপ প্রয়োগের কূটনীতিতে বিশ্বাস করে না।

জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা ‘বিমান বাংলাদেশ’-এর বহর সম্প্রসারণে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘বোয়িং’ নাকি ইউরোপীয় ‘এয়ারবাস’ থেকে উড়োজাহাজ কেনা হবে—তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এক ধরণের ভূ-রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক আলোচনা চলছে। এই প্রেক্ষাপটে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের এই বক্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক রাজনীতির বর্তমান পেক্ষাপটে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের দ্বন্দ্বে বাংলাদেশকে কোনো এক পক্ষ না নিয়ে ‘কৌশলগত স্বায়ত্ত্বশাসন’ বা নিজস্ব স্বাধীন সিদ্ধান্ত বজায় রাখার পরামর্শ দেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত।

তিনি জানান, বাণিজ্যের পাশাপাশি স্যাটেলাইট ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ যাতে তার নিজস্ব স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে পারে, সেটিকে প্যারিস পূর্ণ সম্মান জানায়। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কোনো একক আধিপত্যবাদের বাইরে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ‘তৃতীয় পথ’ হিসেবে নিজেদের অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

সম্প্রতি বাংলাদেশে বিভিন্ন গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ফরাসি রাষ্ট্রদূত বলেন, গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই একটি সুস্থ গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।