?> ২ পেসার নিয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

২ পেসার নিয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

২ পেসার নিয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

একমাত্র টেস্ট ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো টাইগাররা নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে খেলবে। যেখানে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা ১২টায়।

দুই পেসার ও তিন স্পিনার নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে অধারাবাহিক হলেও জায়গা ধরে রেখেছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। স্কোয়াডে ফেরার পর একাদশেও আছেন স্পিনার নাঈম হাসান। তার সঙ্গে অভিজ্ঞ তাইজুল ইসলাম ও মেহেদি হাসান মিরাজ স্পিন বিভাগ সামলাবেন। একাদশে দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেন।

প্রথমবারের মতো আফগানদের টেস্টে নেতৃত্ব দিতে নেমেছেন রহমত শাহ। তার দলে তিনটি করে স্পিন ও পেস অপশন রাখা হয়েছে। দু’দল এখন পর্যন্ত দুই বার টেস্টে মুখোমুখি হয়ে ফিফটি-ফিফটি ফল। বাংলাদেশ ও আফগানরা জিতেছে একটি করে।

বাংলাদেশ একাদশ :
সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদি হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম ও এবাদত হোসেন।

আফগানিস্তান একাদশ : আবদুল মালিক, সেদিকউল্লাহ অটল, রহমত শাহ (অধিনায়ক), হাশমতউল্লাহ শহীদি, ইকরাম আলিখিল (উইকেটরক্ষক), জিয়া-উর-রেহমান, শহিদুল্লাহ কামাল, ইয়ামিন আহমদজাই, কাইস আহমদ, মোহাম্মদ সেলিম সাফি ও ইসমাত আলম।


পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশের ইতিহাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশের ইতিহাস

সিলেট টেস্টের পঞ্চম দিনের প্রথম সেশনে ব্যাট করতে নেমেছে পাকিস্তান। অষ্টম উইকেটে পঞ্চাশের বেশি রানের জুটি গড়েন রিজওয়ান ও সাজিদ। আর ঠিক তখনই জয়ের স্বপ্ন দেখা শুরু করে সফরকারীরা। কিন্তু সেই জুটি ভেঙে ফেলেন টাইগার স্পিনার তাইজুল ইসলাম।

৪৩৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে ৭ উইকেটে ৩১৭ রান সংগ্রহ করেছিল পাকিস্তান। শেষ দিনে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র তিন উইকেট। বিপরীতে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১২০ রান।

পঞ্চম দিনের শুরুতে ব্যাট করার জন্য নামেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার মোহাম্মিদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান। দিনের শুরুতেই এই জুটি ভাঙার সুযোগ আসে। নাহিদ রানার বলে স্লিপে ক্যাচও দিয়েছিলেন রিজওয়ান। কিন্তু সেটি মিস করেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

কিন্তু এই সুযোগ মিস করার পর ভুগতে হয় বাংলাদেশিদের। রিজওয়ান ও সাজিদ খানের দাপুটে পারফরম্যান্সে জয়ের স্বপ্নও দেখা শুরু করেছিল পাকিস্তানিরা। একসময় এই জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। সাজিদ খানকে আউট করে নিজের ফাইফার পূর্ণ করেন বাঁহাতি এই স্পিনার। আউট হওয়ার আগে ৩৬ বলে ২৮ রান সংগ্রহ করেন সাজিদ খান।

এদিকে সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন পাকিস্তানের রিজওয়ান। কিন্তু এই উইকেটকিপার ব্যাটারকে শতক স্পর্শ করতে দেননি শরিফুল ইসলাম। মিরাজের হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে ৯৪ রান তুলেন রিজওয়ান। ১৬৬ বলে খেলা ইনিংসটিতে ১০টি চার নিয়েছেন। শূন্য রানে সাজঘরে ফিরেছেন খুররাম শেহজাদ। আর শূন্য রাতে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ আব্বাস।

অন্যদিকে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ছয়টি নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। ৩৪.২ ওভার বল করে ১২০ রান দিয়ে তুলেছেন ছয়টি উইকেট। নাহিদ রানা নিয়েছেন দুই উইকেট, আর একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন শরিফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ।

সিলেট টেস্টের শুরুতে ব্যাট করার জন্য নেমে লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে ব্যাট করতে মাঠে নেমে ২৩২ রান তুলে পাকিস্তান। ফলে ৪৬ রানে লিড পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিকরা ৩৯০ রান করলে ৪৩৭ রানের টার্গেট দাঁড়ায়। কিন্তু পাকিস্তান ৩৫৮ রানেই অলআউট হয়।


ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্বের যে সমাধান দিলেন শেহজাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্বের যে সমাধান দিলেন শেহজাদ

ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্ব সামনে আসলেই ভক্তদের মুখ থেকে অনায়াসেই এমন বাক্য বেরিয়ে যায়। যেখানে এই ম্যাচ নিয়ে ভক্তদের থাকার কথা প্রবল আগ্রহ, সেখানে তারাই হচ্ছেন বিরক্ত। যার জন্য দায়ী সরাসরি ভারত-পাকিস্তানই।

আইসিসি ইভেন্টের আয়োজক ভারত ও পাকিস্তানের কোনোটি হলেই শুরু হয় বিড়ম্বনা। কোনোভাবেই পাকিস্তানে টুর্নামেন্ট খেলতে যেতে চায় না ভারত। যার সর্বশেষ উদাহরণ চ্যাম্পিয়ন ট্রফি। বহু চেষ্টা করেও ভারতকে খেলতে যেতে রাজি করাতে পারেনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

সমঝোতার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়, হাইব্রিড মডেলে হবে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। আয়োজক হিসেবে থাকবে পাকিস্তানই। তবে ভারতের সবগুলো ম্যাচ হবে আরব আমিরাতে। অচলাস্থা কেটে যাওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত হয় ভেন্যু।

ভারতের একঘেয়েমির কারণে কঠিন হয়েছে পাকিস্তানও। ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে গেলেও এবার পিসিবি জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৭ সাল পর্যন্ত আইসিসির কোনো ইভেন্টে অংশ নিতে ভারতে যাবে না পাকিস্তান। অর্থাৎ এই সময়ে ভারতের মাটিতে হওয়া টুর্নামেন্টগুলোও হবে হাইব্রিড মডেলে।

দুই দেশের এই দ্বন্দ্ব ক্রিকেটীয় চেতনার সঙ্গেও বেমানান। আবার আইসিসি যে সমাধান দিয়েছে, তাও ক্ষণস্থায়ী। চলমান এই দ্বন্দ্বের একটি দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের প্রয়োজন অনুভব করছেন ক্রিকেটভক্তরা।

এর জন্য একটি সমাধান দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটার আহমেদ শেহজাদ। তিনি ধারণা দেন, দুই দেশের সীমান্তে একটি স্টেডিয়াম হবে। যে স্টেডিয়ামের একটি গেট থাকবে পাকিস্তানে। অন্যটি ভারতে।

একটি পডকাস্টে শেহজাদ বলেন, ‘সীমান্তে একটি স্টেডিয়াম তৈরি করুন। একটি গেট ভারতের দিক থেকে খুলবে। তাদের খেলোয়াড়েরা সেই গেট দিয়ে মাঠে আসবে। আমাদের খেলোয়াড়েরা যাবে এদিক (পাকিস্তানের দিকের গেট) দিয়ে।’

শুধু সমাধান দিয়েই থামেননি শেহজাদ। কৌশলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ও ভারত সরকারের সমালোচনাও করেছেন। অনেকটা খোঁচা মেরে শেহজাদ বলেন, ‘আমার মনে হয় এরপরও বিসিসিআই ও ভারত সরকার ঝামেলা করবে। তারা বলবে, তোমাদের (পাকিস্তান) খেলোয়াড়েরা যখন মাঠে আমাদের প্রান্তে আসবে, আমরা তাদের ভিসা দেবো না।’


‘ননসেন্স’ কথা উড়িয়ে নেইমার বললেন, ‘ফিট আছি’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৬

‘ননসেন্স’ কথা উড়িয়ে নেইমার বললেন, ‘ফিট আছি’

ম্যাচে নেইমারের বদলি নিয়ে তোলপাড় ও বিতর্ক তো হয়েই গেছে। ম্যাচের পর তিনি ক্ষোভ উগড়ে দিলেন সমালোচকদের নিয়ে। তার চোট, তার মানসিকতা নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলেছেন, তাদেরক কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে ব্রাজিলিয়ান তারকা জানিয়ে রাখলেন, বিশ্বকাপের জন্য শারীরিকভাবে তিনি তৈরি।

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করা হবে সোমবার। সেই দলে নেইমারের জায়গা হবে কি না, কৌতূহল এখন ফুটবল বিশ্বজুড়ে। গত বেশ কিছুদিন ধরেই বারবার ঘুরেফিরে উঠে এসেছে প্রসঙ্গটি। এখন স্রেফ উত্তর মেলার পালা।

দল ঘোষণার আগে নিজেকে মেলে ধরার শেষ সুযোগ ছিল তার রোববার। ব্রাজিলিয়ান লিগে সান্তোসের ম্যাচ ছিল করিচিবার সঙ্গে। ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে তুলে নেওয়া হয় নেইমারকে। তবে সেটি ছিল আসলে ফোর্থ অফিসিয়ালের ভুল।

নেইমারকে যখন নাটকীয়ভাবে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়, তিনি অভিযোগ করেন যে, বদলির সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন চতুর্থ রেফারি। সতীর্থ গন্সালো এসকোবার পায়ের মাংসপেশির চিকিৎসার জন্য সাময়িকভাবে মাঠ ছাড়লেও, তাকে বদলি করা হয়।

নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি বোর্ডে তুলে ধরেন চতুর্থ রেফারি এবং তার জায়গায় রবিনিয়ো জুনিয়রকে মাঠে নামেন। কিন্তু নেইমার মাঠে ফেরার চেষ্টা করায় হলুদ কার্ড পান এবং এরপরই তিনি তীব্র প্রতিবাদে জড়িয়ে পড়েন।

তার যুক্তি শুনতে রাজি হননি রেফারি এবং চরম হতাশার মুহূর্তে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বদলির স্লিপটি ছিনিয়ে নিয়ে নেইমার টিভি ক্যামেরার সামনে দেখান এটা প্রমাণ করার জন্য যে, তাকে নয়, বরং এসকোবারকেই মাঠ থেকে তুলে নেওয়ার কথা ছিল।

লাভ কিছু হয়নি। ক্ষু্ব্ধ ও হতাশ নেইমারকে মাঠ ছাড়তেই এবং অধিনায়কের আর্মব্যান্ডটি তুলে দেন তিনি এসকোবারের হাতে, যাকে বদলি করানোর কথা ছিল।

ম্যাচে প্রথমার্ধের তিন গোলে হেরে যায় সান্তোস।

ম্যাচের পর নেইমারের দিকে মূল প্রশ্ন ছিল অবশ্য তার বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে। সেখানে নিজের আশাবাদ জানিয়ে ৩৪ বছর বয়সী তারকা ক্ষোভ প্রকাশ করলেন সমালোচকদের নিয়ে।

“শারীরিকভাবে আমি দারুণ আছি। ফিট আছি’ প্রতিটি ম্যাচের সঙ্গে সঙ্গে আরও উন্নতি করছি। নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছি – এটা সহজ ছিল না। আমাকে বলতেই হচ্ছে, এটা সহজ ছিল না।”

“বছরের পর বছর ধরে কঠোর পরিশ্রমের ফল এটা, পাশাপাশি আমার শারীরিক অবস্থা ও আমি যা করছিলাম, তা নিয়ে অনেক ‘ননসেন্স’ কথাও বলা হয়েছে। মানুষ যেভাবে এসব নিয়ে কথা বলে, তা সত্যিই দুঃখজনক। আমি কঠোর পরিশ্রম করেছি… নীরবে, বাড়িতে… মানুষের কথার কারণে কষ্ট পেয়েছি। তবে শেষ পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে গেছে।”

নেইমারের মতে, নিজের শতভাগ দিয়ে তিনি চেষ্টা করেছেন। বাকিটুকু কোচ কার্লো আনচেলত্তির হাতে।

“আমি অক্ষত অবস্থায় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছেছি। আমার পারফরম্যান্সে, এখনও পর্যন্ত যা কিছু করেছি, তাতে আমি খুশি... যা-ই ঘটুক না কেন, আনচেলত্তি অবশ্যই এই লড়াইয়ের জন্য সেরা ২৬ জন ফুটবলারকে ডাকবেন।”

৭৯ গোল করে ব্রাজিলের সর্বকালের সফলতম গোলস্কোরার নেইমার। তবে ২০২৩ সালের অক্টোবরে গুরুতর চোটের পর আর দেশের জার্সিতে দেখা যায়নি তাকে।