শেয়ার বাজার

মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনই পড়লো ১৬ উইকেট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪

মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনই পড়লো ১৬ উইকেট

মিরপুর টেস্টে আলোকস্বল্পতায় আগেভাগে খেলা বন্ধ হলো। তার আগে বোলারদের রাজ করার এক দিন কাটলো। টেস্টের প্রথম দিনেই দুই দলের মিলিয়ে পড়েছে ১৬ উইকেট।

বাংলাদেশকে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১০৬ রানে গুটিয়ে দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাব দিতে নেমে তারাও খুব স্বস্তিতে নেই। প্রথম দিন শেষ করেছে ৬ উইকেটে ১০৪ রান নিয়ে। ৩৪ রানের লিড নিয়েছে প্রোটিয়ারা।

দক্ষিণ আফ্রিকার পতন হওয়া ৬ উইকেটের মধ্যে ৫টিই নিয়েছেন তাইজুল। ৪৮ টেস্টের ক্যারিয়ারে এ নিয়ে ১৩ বারের মতো পাঁচ উইকেট শিকার করলেন তাইজুল। একইসঙ্গে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম ২০০ উইকেট শিকারীও হয়েছেন তাইজুল। পেছনে ফেলেন সাকিব আল হাসানকে।

২০০ উইকেট শিকার করতে সাকিবের লেগেছিল ৫৪ টেস্ট। তাইজুল তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ৪৮তম টেস্টে এসেই এই মাইলফলকে পৌঁছালেন।

বাংলাদেশকে অল্প রানে গুটিয়ে ব্যাট করতে নামা সফরকারীদের শিবিরে শুরুতেই আঘাত হানেন হাসান মাহমুদ। ইনিংসের প্রথম ওভারের শেষ বলে প্রোটিয়া ওপেনার এইডেন মার্করামকে বোল্ড করেন ডানহাতি টাইগার পেসার। হাসানের ভেতরে ঢোকা বল ডানহাতি ব্যাটার মার্করামের (৭ বলে ৬) ব্যাটের কোনা স্পর্শ করে স্টাম্প ভেঙে দেয়। দলীয় ৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

দ্বিতীয় উইকেটে পিচে সেট হয়ে ব্যাটিং করছিলেন টনি ডি জর্জি ও ত্রিস্টান স্টাবস। ৪১ রানের জুটিও করে ফেলেছিলেন তারা। অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকার এই জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনারের বাইরের দিকে বেরিয়ে যাওয়া বল ডানহাতি স্টাবসের ব্যাটের কাণায় লেগে স্লিপে সাদমান ইসলামের হাতে জমা হয়। ২৭ বলে ২৩ রান করে সাজঘরে ফেরত যান প্রোটিয়া ব্যাটার।

তৃতীয় সেশনের শুরুতে আরও একটি শিকার ধরলেন তাইজুল ইসলাম। দক্ষিণ আফ্রিকার ডানহাতি ব্যাটার ডেভিড বেডিংহামকে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের ক্যাচ বানান তিনি। বাঁহাতি স্পিনার তাইজুলের দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে ২৫ বলে ১১ রান করেন বেডিংহাম। ৭২ রানে তৃতীয় হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

ইনিংসের ২৮তম ওভারে একে জোড়া শিকার করেন তাইজুল। ওভারের দ্বিতীয় বলে পিচে থিতু হয়ে থাকা টনি ডি জর্জিকে শর্ট লেগে মাহমুদুল হাসান জয়ের ক্যাচ বানান তিনি। ৭০ বলে ৩০ রান করে সাজঘরে ফেরত যান প্রোটিয়া ওপেনার।

ওই ওভারের শেষ বলে নতুন ব্যাটার ম্যাথিউ ব্রিটজকে (৪ বলে ০) বোল্ড করে দেন তাইজুল। দলীয় ৯৯ রানে ৫ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর সেট ব্যাটার রায়ান রিকেলটনকে আউট করে প্রোটিয়াদের ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটান তাইজুল। উইকেটরক্ষক লিটন দাসকে ক্যাচ দেওয়ার আগে রিকেলটন করেন ৪৯ বলে ২৭।

এর আগে শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দুই সেশনও টেকেনি বাংলাদেশ। ৪১.১ ওভার ব্যাট করে ১০৬ রানেই অলআউট হয়ে যায় স্বাগতিকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের তোপে ৩০ রানের বেশি করতে পারেননি কোনো ব্যাটার।

দিনের শুরুতেই ব্যাটিং ব্যর্থতার আভাস দেয় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই আউট হয়ে যান ওপেনার সাদমান ইসলাম। ৪ বল খেলে ০ রানে সাজঘরে ফেরত গেছেন এই ব্যাটার। প্রোটিয়া পেসার উইয়ান মুলদারের বলে দ্বিতীয় স্লিপে এইডেন মার্করামের হাতে ক্যাচ হন বাঁহাতি সাদমান। দলীয় ৬ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

এক ওভার বিরতি দিয়ে আউট যান মুমিনুল হকও। ৬ বলে মাত্র ৪ রান করে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটেন বাহাতি ব্যাটার। মুলদারের বলে উইকেটরক্ষক কাইল ভেরেইনের হাতে ক্যাচ হন তিনি।

ষষ্ঠ ওভারে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্ত (৭ বলে ৭)। মুলদারের বলে শর্ট মিড অফে কেশব মহারাজের তালুবন্দি হন বাংলাদেশ অধিনায়ক। অর্থাৎ প্রথম ৩টি উইকেটই নেন মুলদার। ২১ রানে তৃতীয় উইকেটের পতন হয় বাংলাদেশের।

এরপর বাংলাদেশকে টেনে তুলতে চেয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু পারলেন না। দক্ষিণ আফ্রিাকার পেসার কাগিসো রাবাদার বল যেন বুঝে উঠতে পারছেন না অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। শেষমেশ উইকেট দিয়ে আসলেন তিনিও। প্রোটিয়া ডানহাতি পেসার উপড়ে ফেলেন ডানহাতি মুশফিকের দুটি স্টাম্প। ২২ বলে ১১ রান করে সাজঘরে ফেরত আসেন মুশফিক।

৪০ রানে ছিল না ৪ উইকেট। চরম ব্যাটিং বিপর্যযে পড়া বাংলাদেশকে সামান্য স্বস্তিও এনে দিতে পারলেন না লিটন দাস। দলীয় ৫ রান যোগ না হতেই আউট যান উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ১৩ বলে খেলে মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফেরত যান ডানহাতি লিটন। কাগিসো রাবাদার বলে স্লিপে ত্রিস্টান স্টাবসের হাতে ক্যাচ হন তিনি।

লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে আউট হন মেহেদী হাসান মিরাজ (২৪ বলে ১৩)। দলীয় ৬০ রানে দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার কেশব মহারাজের বলে এলবিডব্লিউ হন তিনি। আম্পায়ারের সরাসরি আউটের ঘোষণার পর রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি ডানহাতি ব্যাটার।

পিচে থিতু হয়ে থেকেও ভালো ইনিংস খেলতে পারেননি ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। ৯৭ বল খেলে মাত্র ৩০ রান করতে পারেন তিনি। প্রোটিয়া স্পিনার ডেন পিডটের বলে বোল্ড হন ডানহাতি ব্যাটার।

অভিষেক ম্যাচ রাঙাতে পারেননি জাকের আলী অনিক। ১৫ বলে মাত্র ২ রান করে মহারাজের বলে স্টাম্পড হন ডানহাতি ব্যাটার। স্কোরকার্ড ৭৬ রানের স্থির থাকতেই ২টি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। নাইম হাসান ৮ আর তাইজুল ইসলাম করেন ১৬ রান। ৪ রানে অপরাজিত ছিলেন হাসান মাহমুদ।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন কাগিসো রাবাদা, উইয়ান মুলদার ও কেশব মহারাজ।

শেষ মুহূর্তে রিশাদ-ঝড়, সিরিজ বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ মার্চ, ২০২৪

শেষ মুহূর্তে রিশাদ-ঝড়, সিরিজ বাংলাদেশের

লক্ষ্য খুব বড় ছিল না, ২৩৬ রানের। কনকাশন বদলি হিসেবে নেমে তানজিদ হাসান তামিম খেলে দিলেন ৮১ বলে ৮৪ রানের মারকুটে ইনিংস। তারপরও সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে হারের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ।

১৩০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে রীতিমত ধুঁকছিল টাইগাররা। সেখান থেকে মুশফিকুর রহিম আর মেহেদী হাসান মিরাজের জুটি। কিন্তু মিরাজ আউট হওয়ার পর আবারও শঙ্কা। সেই শঙ্কা কেটে গেলো রিশাদ হোসেনের শেষ সময়ের টর্নেডো এক ইনিংসে।

১৮ বলে ৪৮ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে দলকে জয়ের পথ গড়ে দিয়েছেন লোয়ার অর্ডারের রিশাদ। শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেট আর ৫৮ বল হাতে রেখে হারিয়ে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ।

১৩০ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর মুশফিক-মিরাজ ষষ্ঠ উইকেটে গড়েন ৬২ বলে ৪৮ রানের জুটি। ৪০ বলে ২৫ করে আউট হন মিরাজ। মুশফিকের সঙ্গে তখন বলতে গেলে স্বীকৃত ব্যাটার আর কেউ নেই। শঙ্কা তাই তৈরি হয়েছিল।

কিন্তু রিশাদ আরও একবার ব্যাট হাতে চমক দেখান। মাঠে নেমেই চার-ছক্কার ফুলঝুরি ছোটাতে থাকেন ডানহাতি এই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ১৮ বলে ৪৮ রানের ইনিংসে ৫টি চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কা হাঁকান এই লেগস্পিনার। ৩৬ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন মুশফিক।

২৩৬ রানের লক্ষ্য বেশ সহজই। রয়ে সয়ে খেলতে পারলে অনায়াসেই জয় তুলে নেয়া সম্ভব। সৌম্য সরকারের কনকাশন সাব হিসেবে মাঠে নামা তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাটে জয়ের স্বপ্নটাও বাংলাদেশের বেশ চওড়া হচ্ছিলো। কিন্তু অহেতুক ছক্কা মারতে গিয়ে সেঞ্চুরি মিস করেন তানজিদ তামিম। বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৮১ বলে ৯ চার আর ৪ ছক্কায় ৮৪ রান করেন এই ওপেনার।

এর আগে ওপেনিংয়ে এনামুল হক বিজয় এবং তানজিদ তামিম মিলে জুটিটা ভালোই গড়ে তুলেছিলো। দু’জনের ৫০ রানের জুটি ভেঙে দেন লাহিরু কুমারা। তার বল অফসাইডে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন বিজয়। অনেক উঁচুতে লাফিয়ে উঠে ক্যাচটি ধরেন আভিস্কা ফার্নান্দো। ২২ বলে ১২ রান করেন বিজয়।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আজও হতাশ করলেন। প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি করে দলকে জেতানোর পর টানা দুই ম্যাচ ব্যর্থ হলেন। আজ মাত্র ১ রান করে আউট হয়ে গেলেন তিনি।

মিডল অর্ডারে নির্ভরতার প্রতীক তাওহিদ হৃদয় জুটি বাধেন তানজিদ তামিমের সঙ্গে। ৪৯ রানের জুটি গড়েন তারা দু’জন। ২২তম ওভারের ৪র্থ বলে লাহিরু কুমারার বাউন্স হয়ে আসা বলে খেলতে গিয়ে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ তুলে দেন হৃদয়। ৩৬ বলে ২২ রান করে আউট হন তিনি।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ওপর আস্থা ছিল সবার। কিন্তু লাহিরু কুমারার দুর্দান্ত একটি বলকে ডিফেন্স করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন তিনি। ৪ বলে মাত্র ১ রান করে বিদায় নেন বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ের এই স্তম্ভ।

শ্রীলঙ্কার ডানহাতি পেসার লাহিরু কুমারা ৪৮ রান খরচায় নেন ৪টি উইকেট। দুটি উইকেট শিকার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার।

এর আগে চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ২৩৫ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। জেনিথ লিয়ানাগে একাই খেলেন। দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে অপরাজিত থাকেন এই মিডল অর্ডার। ১০১ রান করেন তিনি। এছাড়া ৩৭ রান করেন চারিথ আশালঙ্কা, ২৯ রান করেন কুশল মেন্ডিস।

সংক্ষিপ্ত স্কোর 

শ্রীলঙ্কা: ৫০ ওভারে ২৩৫/১০ (জানিথ লিয়ানাগে ১০১*, চারিথ আসালাঙ্কা ৩৭, কুশল মেন্ডিস ২৯; তাসকিন আহমেদ ৩/৪২, মোস্তাফিজুর রহমান ২/৩৯, মেহেদি হাসান মিরাজ ২/৩৮, রিশাদ হোসেন ১/৫১)

বাংলাদেশ: ৪০.২ ওভারে ২৩৭/৬ (তানজিদ হাসান তামিম ৮৪, তাওহিদ হৃদয় ২২, মেহেদী হাসান মিরাজ ২৫, মুশফিকুর রহিম ৩৭*, রিশাদ হোসেন ৪৮*; লাহিরু কুমারা ৪/৪৮)


বিশ্বকাপ ট্রফি এখন বাংলাদেশে

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

বিশ্বকাপ ট্রফি এখন বাংলাদেশে

বাংলাদেশে চলে এলো ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের মূল ট্রফি। আজ (বুধবার) সকাল দশটার দিকে বাংলাদেশের মাটিতে এসে পৌঁছায় সোনালি ট্রফিটি। সেখানে কিছু আনুষ্ঠানিকতার পর হোটেল রেডিসনে আসবে এই ট্রফি।

আজ দুপুর দুইটার পর নির্বাচিত দর্শকদের জন্য ট্রফি নিয়ে সেশনের ব্যবস্থা আছে। তবে সাধারণ দর্শকদের দেখার তেমন সুযোগ থাকছে না।

ট্রফির সঙ্গে এসেছেন ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের সাবেক মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।

কোকা-কোলা কোম্পানি ও আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফার যৌথ উদ্যোগে গত ৩ জানুয়ারি শুরু হয় ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলা এর ষষ্ঠ আসর। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিশ্বকাপ ট্রফির বিশ্বভ্রমণের সূচনা করা হয়।

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। এই প্রথম তিনটি দেশ- কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। আগের যে কোনো আসরের তুলনায় এবারের বিশ্বকাপে থাকবে আরও বেশি দল (৪৮টি), আরও বেশি ম্যাচ (১০৪) এবং ব্যাপক উৎসব আয়োজন।

ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি ভ্রমণ করবে ৩০টি ফিফা সদস্য দেশের ৭৫টি গন্তব্যে। পুরো সফর চলবে ১৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে, যা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য জীবনে একবার দেখার মতো এক অনন্য সুযোগ তৈরি করবে।


সাকিবকে ছাড়িয়ে দ্রুততম ২০০ উইকেটের রেকর্ড তাইজুলের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৪

সাকিবকে ছাড়িয়ে দ্রুততম ২০০ উইকেটের রেকর্ড তাইজুলের

তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত টার্ন, অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা ম্যাথু ব্রিটজে হয়তো আশাই করেননি বল এতটা ঢুকে যাবে। যতক্ষণে বুঝেছেন, ততক্ষণে উপড়ে গেছে অফস্টাম্প। শূন্য রানেই টেস্ট ক্যারিয়ার শুরু হলো প্রোটিয়া ব্যাটারের। এরই সঙ্গে তাইজুলও নাম লেখালেন দারুণ এক রেকর্ডে।

ব্রিটজকে আউট করে টেস্টে ২০০ উইকেটের মালিক হলেন তাইজুল। ক্যারিয়ারের ৪৮তম টেস্টে এসে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন বাঁহাতি টাইগার স্পিনার।

তাইজুলের আগে বাংলাদেশের কেবল একজনই ২০০ উইকেটের ক্লাবে ঢুকেছেন। তিনি আর কেউ নন সাকিব আল হাসান। অর্থাৎ দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ২০০ উইকেটের মালিক হলেন তাইজুল।

তবে একটা জায়গায় সাকিবকে ছাড়িয়ে গেছেন তাইজুল। টেস্টে ২০০ উইকেট তিনি পেয়েছেন ৪৮তম টেস্টে। সাকিবের ২০০ ছুঁতে লেগেছিল ৫৪ টেস্ট।

টেস্টে বাংলাদেশের সেরা ৫ উইকেট শিকারি

১. সাকিব আল হাসান-২৪৬ উইকেট

২. তাইজুল ইসলাম-২০১ উইকেট*

৩. মেহেদী হাসান মিরাজ-১৮৩ উইকেট*

৪. মোহাম্মদ রফিক-১০০ উইকেট

৫. মাশরাফি বিন মর্তুজা-৭৮ উইকেট।

চলতি টেস্টে উইকেটসংখ্যা বাড়তে পারে।