সিলেট টেস্টের পঞ্চম দিনের প্রথম সেশনে ব্যাট করতে নেমেছে পাকিস্তান। অষ্টম উইকেটে পঞ্চাশের বেশি রানের জুটি গড়েন রিজওয়ান ও সাজিদ। আর ঠিক তখনই জয়ের স্বপ্ন দেখা শুরু করে সফরকারীরা। কিন্তু সেই জুটি ভেঙে ফেলেন টাইগার স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
৪৩৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে ৭ উইকেটে ৩১৭ রান সংগ্রহ করেছিল পাকিস্তান। শেষ দিনে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র তিন উইকেট। বিপরীতে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১২০ রান।
পঞ্চম দিনের শুরুতে ব্যাট করার জন্য নামেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার মোহাম্মিদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান। দিনের শুরুতেই এই জুটি ভাঙার সুযোগ আসে। নাহিদ রানার বলে স্লিপে ক্যাচও দিয়েছিলেন রিজওয়ান। কিন্তু সেটি মিস করেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
কিন্তু এই সুযোগ মিস করার পর ভুগতে হয় বাংলাদেশিদের। রিজওয়ান ও সাজিদ খানের দাপুটে পারফরম্যান্সে জয়ের স্বপ্নও দেখা শুরু করেছিল পাকিস্তানিরা। একসময় এই জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। সাজিদ খানকে আউট করে নিজের ফাইফার পূর্ণ করেন বাঁহাতি এই স্পিনার। আউট হওয়ার আগে ৩৬ বলে ২৮ রান সংগ্রহ করেন সাজিদ খান।
এদিকে সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন পাকিস্তানের রিজওয়ান। কিন্তু এই উইকেটকিপার ব্যাটারকে শতক স্পর্শ করতে দেননি শরিফুল ইসলাম। মিরাজের হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে ৯৪ রান তুলেন রিজওয়ান। ১৬৬ বলে খেলা ইনিংসটিতে ১০টি চার নিয়েছেন। শূন্য রানে সাজঘরে ফিরেছেন খুররাম শেহজাদ। আর শূন্য রাতে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ আব্বাস।
অন্যদিকে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ছয়টি নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। ৩৪.২ ওভার বল করে ১২০ রান দিয়ে তুলেছেন ছয়টি উইকেট। নাহিদ রানা নিয়েছেন দুই উইকেট, আর একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন শরিফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
সিলেট টেস্টের শুরুতে ব্যাট করার জন্য নেমে লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে ব্যাট করতে মাঠে নেমে ২৩২ রান তুলে পাকিস্তান। ফলে ৪৬ রানে লিড পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিকরা ৩৯০ রান করলে ৪৩৭ রানের টার্গেট দাঁড়ায়। কিন্তু পাকিস্তান ৩৫৮ রানেই অলআউট হয়।








