?> সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযান: সম্রাট বাহিনীর কবল থেকে ৪ জেলে উদ্ধার | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযান: সম্রাট বাহিনীর কবল থেকে ৪ জেলে উদ্ধার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযান: সম্রাট বাহিনীর কবল থেকে ৪ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবনে কুখ্যাত বনদস্যু সম্রাট বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে খুলনার দাকোপ থানাধীন সুন্দরবনের শিপসা নদীর আরবানিয়া খালসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে বনদস্যুরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনের সক্রিয় বনদস্যু বাহিনী নির্মূল ও উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড জানতে পারে, কুখ্যাত সম্রাট বাহিনীর সদস্যরা খুলনার দাকোপ থানাধীন সুন্দরবনের শিপসা নদীর আরবানিয়া খালসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে গত ১১ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট নলিয়ান ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে বনদস্যুদের কবল থেকে জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়।

কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে বনদস্যুরা জিম্মি জেলেদের ফেলে বনের ভেতরে পালিয়ে যায়। ফলে অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া জেলেরা জানান, গত ১০ অক্টোবর সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গেলে সম্রাট বাহিনীর সদস্যরা তাঁদের ধরে নিয়ে যায়। পরে তাঁদের জিম্মি করে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে নির্যাতন করা হয়।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন—মইনুর (৫০), বাদশা গাজী (৩৯), সুজন হোসেন (৩৪) ও ইমামুল মল্লিক (২২)। তাঁরা সবাই খুলনা জেলার পাইকগাছা থানার বাসিন্দা। তাঁদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, সরকারের নির্দেশনা, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টায় সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে বনদস্যুমুক্ত করতে তারা আশাবাদী।

অভিযান-সংক্রান্ত ব্রিফিং প্রদান করেন লেফটেন্যান্ট সাকিব ইমরান, নেভিগেটিং অফিসার, বিসিজিএস স্বাধীন বাংলা।

সাধারণ মানুষের কথা শুনতে ঈদে গ্রামগঞ্জের হাটবাজারে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬

সাধারণ মানুষের কথা শুনতে ঈদে গ্রামগঞ্জের হাটবাজারে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নিজ সংসদীয় এলাকার সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও প্রত্যাশার কথা সরাসরি শুনতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। বুধবার (২৭ মে ) প্রটোকল ছাড়াই তাকে দেখা গেছে ময়মনসিংহের গ্রামগঞ্জের হাটবাজারে। 

ঈদের ছুটির এই দিনগুলোতে নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করে মানুষের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন এবং সরাসরি সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী। চায়ের দোকানের আড্ডায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের রাস্তাঘাটের সমস্যা, জনসেবা প্রাপ্তির প্রতিবন্ধকতা ও এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর কাছে সরাসরি মতামত জানান।

প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে সবার কথা শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে সব সমস্যার সমাধান করার আশ্বাস দেন। ঈদের সময় একজন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীকে এভাবে নিজেদের মাঝে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ঈদ কেবল আনুষ্ঠানিক আনন্দের উৎসব নয়, এটি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ারও সময়। নির্বাচনী এলাকার মানুষের প্রকৃত অবস্থা ও সমস্যাগুলো সরাসরি জানতেই আমি তৃণমূলের মানুষের কাছে ছুটে এসেছি। জনসেবা এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণেই এই সরকার সবসময় কাজ করে যাবে। 

দুর্যোগ কবলিত মানুষের উদ্দেশে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, মানুষের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপদে সরকার সবসময় পাশে আছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যেন দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে, সে জন্য সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকবে। একই সাথে তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন। 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং পশুর দাম, বেচাকেনার অবস্থা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে খোঁজখবর নেন তিনি। হাটে সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখা, কৃত্রিম যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং ঈদের দিন কোরবানির পর পশুর বর্জ্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপসারণ করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। 


ধর্ষণের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

ধর্ষণের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব: মির্জা ফখরুল

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিভায়েড পেজে ধর্ষণের নিন্দা জানিয়ে একটি পোস্ট করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেই পোস্টে তিনি ধর্ষণকে নৈতিক অবক্ষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

মির্জা ফখরুল বলেছেন, আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ এই অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বহু বছর ধরে চলতে থাকা নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক দায়িত্বহীনতা এবং মানবিক মূল্যবোধের দ্রুত পতনের ভয়াবহ প্রতিফলন।’

তিনি লিখেছেন, ‘আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ, এই অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব এবং ইনশাআল্লাহ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করব, যেখানে আমাদের সন্তানরা ভয়হীনভাবে বেড়ে উঠতে পারবে।’


পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘শুধু আইন বা সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন একটি শক্তিশালী জাতীয় সামাজিক আন্দোলন। পরিবার, বিদ্যালয়, মাদরাসা, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, গণমাধ্যম, সামাজিক সংগঠন এবং প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের ছেলেমেয়েদের সম্মান, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও নারীর মর্যাদা সম্পর্কে শিক্ষা দিতে হবে। আমাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করা।’


নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪: পরিচয় মিলল ৯ জনের, তদন্ত কমিটি গঠন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৬

নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪: পরিচয় মিলল ৯ জনের, তদন্ত কমিটি গঠন

নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৯ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার সময় নাটোর-পাবনা মহাসড়কের পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে ঘটে এই দুর্ঘটনা। এ সময় ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

নিহতদের মধ্যে পরিচয় শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার কনোপাড়া গ্রামের বাবর আলীর ছেলে আনোয়ার হক (৩০), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের মেয়ে তাছফিয়া খাতুন (৮), শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার কাজীরহাট গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে সোহাগ হোসেন (৩০), একই উপজেলার বড়কান্দি গ্রামের জহুর উদ্দিনের ছেলে জুয়েল রানা (৪০), ডুবিসাহেবের গ্রামের জাহান উদ্দিন মোল্লার ছেলে শালাল মোল্লা (৪৫), কাজীরহাট গ্রামের শাহিন হোসেন (২৫), জাজিরা উপজেলার সামাদ (৭০), কাশেম (৩৫) ও জহুর উদ্দিন। এ ছাড়া বাসটির চালক রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ফরহাদপুর গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে সোহেল রানা (৪০) নিহত হয়েছেন।

বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম হোসেন জানান, আরপি পরিবহনের বাসটি বরগুনা থেকে যাত্রী নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে, পঞ্চগড় থেকে বালু নিয়ে একটি ট্রাক যাচ্ছিল ঝিনাইদহের দিকে। ভোরে সরকারপাড়া এলাকায় পৌঁছালে যানবাহন দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এসআই শামীম হোসেন বলেন, ট্রাকটি মহাসড়কের বাম পাশের লেন দিয়ে চলছিল। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দ্রুতগতিতে চলা বাসটি অন্য একটি যানবাহনকে ওভারটেক করার সময় ট্রাকটির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।