?> সিলেটে কিশোরীকে অপহরণের চেষ্টা, বাধা দেওয়ায় ছুরিকাঘাতে দাদিকে হত্যা | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

সিলেটে কিশোরীকে অপহরণের চেষ্টা, বাধা দেওয়ায় ছুরিকাঘাতে দাদিকে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

সিলেটে কিশোরীকে অপহরণের চেষ্টা, বাধা দেওয়ায় ছুরিকাঘাতে দাদিকে হত্যা

সিলেটের গোয়াইনঘাটে ঘরের দরজা ভেঙে এক কিশোরীকে অপহরণের চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় বাধা দিলে তার দাদি ছুরিকাঘাতে নিহত হন। তাঁর নাম দিলারা বেগম (৫৪)। এ ঘটনায় আহত হয়েছে ওই কিশোরী ও তার মা। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দিলারা বেগমের ছেলে মো. আম্বিয়া প্রায় আট বছর ধরে ওমানে থাকেন। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও এক মেয়ে থাকেন। গতকাল রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত সাড়ে তিনটার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আম্বিয়ার মেয়েকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় কিশোরীর চিৎকারে মা সাজনা বেগম ও দাদি দিলারা বেগম জেগে ওঠেন। তাঁরা বাধা দিলে দুর্বৃত্তরা তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এতে দিলারা বেগম ছুরিকাঘাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান। কিশোরী ও তার মাকে আঘাত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। আহত মা-মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


সিলেটের গোয়াইনঘাটে ঘরের দরজা ভেঙে এক কিশোরীকে অপহরণের চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় বাধা দিলে তার দাদি ছুরিকাঘাতে নিহত হন। তাঁর নাম দিলারা বেগম (৫৪)। এ ঘটনায় আহত হয়েছে ওই কিশোরী ও তার মা। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।


স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দিলারা বেগমের ছেলে মো. আম্বিয়া প্রায় আট বছর ধরে ওমানে থাকেন। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও এক মেয়ে থাকেন। গতকাল রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত সাড়ে তিনটার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আম্বিয়ার মেয়েকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় কিশোরীর চিৎকারে মা সাজনা বেগম ও দাদি দিলারা বেগম জেগে ওঠেন। তাঁরা বাধা দিলে দুর্বৃত্তরা তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এতে দিলারা বেগম ছুরিকাঘাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান। কিশোরী ও তার মাকে আঘাত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। আহত মা-মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রুস্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. আবদুল মতিন বলেন, এর আগেও প্রবাসী আম্বিয়ার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। এ ছাড়া আম্বিয়ার সঙ্গে এলাকার আরেক ওমানপ্রবাসীর টাকাপয়সা–সংক্রান্ত বিরোধ ছিল।


গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ওমানপ্রবাসী হারুন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে নিহত ওই নারীর ছেলে আম্বিয়ার আর্থিক বিরোধ ছিল। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিসও হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হামলার ঘটনায় হারুনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এদিকে সিলেটের বিয়ানীবাজারে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে আরেক বন্ধু নিহত হয়েছে। নিহত ও অভিযুক্ত দুজনেই কিশোর। গতকাল সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোর বিয়ানীবাজারের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে দুই বন্ধু মিলে আম পেড়ে আনে। সন্ধ্যায় আম খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আম খাওয়ার ছুরি দিয়ে একজন আরেকজনকে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই এক কিশোরের মৃত্যু হয়।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, নিহত কিশোরের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত কিশোরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা হবে: এসপি মাসুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা হবে: এসপি মাসুদ

চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেছেন, জঙ্গল সলিমপুরে আসলে সন্ত্রাসী যেই হোক, ইয়াসিন, রোকন বা অন্য কেউ—আমরা সবাইকেই শনাক্ত করার চেষ্টা করবো। কারা এর পেছনে আছে, তাদেরও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

রোববার (২৪ মে) দিবাগত রাতে সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলার পর, পাল্টা অভিযান পরিচালনা করে যৌথবাহিনী। পরদিন সোমবার এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এসপি মাসুদ বলেন, এখানে বড় ধরনের আর্থিক স্বার্থ জড়িত রয়েছে। কোটি কোটি টাকার বিষয় এখানে। যাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল, সেই সাম্রাজ্য হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। হাতছাড়া হওয়ার আগেই তারা কিছুটা ঝাঁকুনি দিচ্ছে, এটাই স্বাভাবিক।

তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে রয়েছে এবং সামনে আরও শক্তভাবে অবস্থান নেবে। আমাদের পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে, এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, এই জনপদে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে নিয়ে আসা, এখানে দেশের ভেতরে দেশ, রাষ্ট্রের ভেতরে রাষ্ট্র না বানাতে দেওয়া। এর জন্য যা যা করণীয় আমরা করবো।


খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ১১ মামলার শুনানি ১৪ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ১১ মামলার শুনানি ১৪ ফেব্রুয়ারি

বার্তাবেলা: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাশকতা ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে করা ১১ মামলায় শুনানির জন্য ১৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। রোববার এসব মামলায় অভিযোগ গঠন ও মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল।

অধিকাংশ মামলায় উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় ও এদিন খালেদা জিয়া অসুস্থতাজনিত কারণে আদালতে উপস্থিত হতে না পারায় তার আইনজীবীরা সময়ের আবেদন করেন। শুনানি শেষে কেরানীগঞ্জ কারাগারের নবনির্মিত ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামন সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এ তারিখ ধার্য করেন।

১১ মামলার মধ্যে যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে শুনানি ও অপর ১০ মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পিপি তাপস পাল এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে করার অভিযোগে ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাটি দায়ের করা হয়। এছাড়া ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরি পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রল বোমা হামলা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ ও একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

ওই ঘটনায় পরের দিন ২৪ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা হয়। অপরদিকে ২০১৫ সালে দারুস সালাম থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে আটটি মামলা দায়ের করা হয়। এই আট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আসামি করা হয়। খালেদা জিয়া ছাড়া এসব মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।


বিএনপির মিছিলে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফেলেই গ্রেফতার: ডিএমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪

বিএনপির মিছিলে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফেলেই গ্রেফতার: ডিএমপি

বিএনপির কালো পতাকা মিছিলে ওয়ারেন্টভুক্ত কোনো আসামি যোগ দিলে তাকে গ্রেফতার করতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) লিটন কুমার সাহা।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

লিটন কুমার সাহা বলেন, ‘ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আমরা গ্রেফতার করছি। আজ বিএনপির প্রোগ্রাম রয়েছে, সেখানে ওয়ারেন্টভুক্ত কোনো আসামি আসলে তাদের গ্রেফতারে আমাদের ব্যপক প্রস্তুতি রয়েছে। প্রোগ্রামে কোনো আসামি এসেছে কিন্তু আমরা ধরিনি, এমন নয়।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো সবসময়ই তাদের কর্মসূচি পালন করছে। রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচিতে আমরা বাধা দিচ্ছি না।’

আজ শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি রয়েছে বিএনপির। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার ও ‘অবৈধ সংসদ’ বাতিলের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করছে দলটি।

নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে ফকিরাপুল-আরামবাগ মোড় ঘুরে নয়াপল্টনে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।