?> শিক্ষা ও সমাজসেবায় সক্রিয় মিঠু, তাকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

শিক্ষা ও সমাজসেবায় সক্রিয় মিঠু, তাকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষা ও সমাজসেবায় সক্রিয় মিঠু, তাকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ওয়াসেকপুর উচ্চবিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এম এইচ মিঠু। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও উন্নয়নে তার ভূমিকা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে। শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তার।

সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা গুরুত্বপূর্ণ। ওয়াসেকপুর উচ্চবিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মিঠু এসব ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছেন জানিয়েছেন  এলাকাবাসীরা।


শিক্ষার পাশাপাশি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার কথাও তুলে ধরেছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, সামাজিক উন্নয়নে একজন ব্যক্তির অবদান মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তার বাস্তব কর্মকাণ্ড ও জনসম্পৃক্ততাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। 


এদিকে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় পর্যায়ে মিঠুর রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়েও আলোচনা রয়েছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ, এলাকার সমস্যা নিয়ে তার অবস্থান এবং সম্ভাব্য নির্বাচনী কর্মসূচি গুরুত্ব পাবে। 

এ বিষয়ে মিঠু বলেন, আমি যদি উন্নয়নের সুযোগ পাই, এলাকাবাসীর সকল সমস্যা সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিব। আমি মুখের কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী।

অন্যদিকে, মিঠুকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এসব তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, কিছু ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই ছাড়াই নেতিবাচক তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, যা তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

এ বিষয়ে মিঠুর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে যেসকল অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে, এগুলো সম্পূর্ন ভিত্তিহীন, আমি খুব শিগ্রই এসকল অপশক্তির বিরুদ্ধে আইনি মাধ্যমে একশানে যাব।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন, প্রাসঙ্গিক নথিপত্র এবং উভয় পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার স্বার্থে কোনো অভিযোগ বা পাল্টা অভিযোগ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন গণমাধ্যম কর্মীরা।

ঈদ বোনাস দিয়েছে ৯৪.৭০ শতাংশ পোশাক কারখানা: বিজিএমইএ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

ঈদ বোনাস দিয়েছে ৯৪.৭০ শতাংশ পোশাক কারখানা: বিজিএমইএ

সোমবার (২৫ মে) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বিজিএমইএ।

 
এতে বলা হয়, ঢাকা ও চট্টগ্রামে চালু রয়েছে মোট ২ হাজার ১৩৩টি কারখানা। যার মধ্যে ঢাকায় ১ হাজার ৭৯৪টি ও চট্টগ্রামে ৩৪০টি।
 
এপ্রিলের বেতন পরিশোধ করেছে ২ হাজার ১১৭টি কারখানা, যা শতকরা ৯৯ দশমিক ২০ শতাংশ। এরমধ্যে রয়েছে ঢাকার ১ হাজার ৭৮৩টি ও চট্টগ্রামের ৩৩৪টি কারখানা।
 
 
ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে মোট ২ হাজার ২১টি কারখানা, যা শতকরা ৯৪ দশমিক ৭০ শতাংশ। এরমধ্যে রয়েছে ঢাকার ১ হাজার ৭০৯ টি ও চট্টগ্রামের ৩১২টি কারখানা।
 
এছাড়া মে মাসের অগ্রিম বেতন পরিশোধ করেছে মোট ৭৬৭টি কারখানা, যা শতকরা ৩৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
 
এদিকে, ২৪ মে ঢাকা ছেড়েছে ১০৮টি পোশাক কারখানার কর্মীরা। ২৫ ও ২৬ মে ঢাকা ছাড়বে যথাক্রমে ৬৬৪টি ও ৭৭১টি পোশাক কারখানার কর্মী। আর আগামী ২৭ মে ২৫১টি পোশাক কারখানার কর্মীরা ঢাকা ছাড়বে।

চুয়াডাঙ্গায় ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক ১

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক ১

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার মুন্সিপুর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ভারতে পাচারের সময় ১ কোটি ৩৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের ছয়টি স্বর্ণের বারসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে মুন্সিপুর বিওপির একটি বিশেষ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে। আটক ব্যক্তির নাম দবির উদ্দিন (৫৫)। তিনি দামুড়হুদা উপজেলার মুন্সিপুর গ্রামের মো. দলিলের ছেলে এবং পেশায় একজন কৃষক।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি)-এর অধীন মুন্সিপুর বিওপির টহল দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ৯৩ থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মুন্সিপুর কবরস্থান এলাকা দিয়ে ভারতে স্বর্ণের একটি চালান পাচারের চেষ্টা চলছে। এমন খবরের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা সেখানে ওত পেতে থাকেন। পরে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টাকালে দবির উদ্দিনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ছয়টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি আরও জানায়, উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বারগুলোর মোট ওজন ৭০০ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৩৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। জব্দ করা স্বর্ণের বারগুলো আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চুয়াডাঙ্গা সরকারি ট্রেজারিতে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ঘটনায় আটক আসামির বিরুদ্ধে দামুড়হুদা থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, সীমান্ত এলাকা দিয়ে সব ধরনের অবৈধ পণ্য ও স্বর্ণের চোরাচালান সম্পূর্ণ বন্ধ করতে বিজিবি সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষায় এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি ভবিষ্যতেও জোরদার থাকবে।



সরকারের ‘ছায়ামন্ত্রী’
দ্বাদশ জাতীয় সংসদে চমক থাকছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতেও

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪

দ্বাদশ জাতীয় সংসদে চমক  থাকছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতেও

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে টানা চারবার ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ। এরই মধ্যে গঠিত হয়েছে ৩৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা। এবার চোখ সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে। মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এই কমিটির সভাপতি অনেকটা ছায়ামন্ত্রীর মতোই। নির্বাহী বিভাগের জবাবদিহি, তদারকি ও কাজে গতিশীলতা আনতে সংসদীয় কমিটি করার রেওয়াজ আছে সংসদে। আট থেকে ১৫ সংসদ সদস্যের ওই কমিটিতে একজন থাকেন সভাপতি। আর স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাধারণত হন সাবেক মন্ত্রী বা জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য।

নির্বাচনের পর নতুন সরকার ৩৯টি মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে ৩৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের কাছে রেখেছেন তিন মন্ত্রণালয়। বাকি ২৫টিতে মন্ত্রী ও ১১টিতে প্রতিমন্ত্রী দেওয়া হয়েছে। তাদের নেতৃত্বে মূলত চলবে মন্ত্রণালয়। তবে রেওয়াজ অনুযায়ী মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের কাজের তদারকি করবে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদের দফা (১)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের নিয়ে সংসদ (ক) সরকারি হিসাব কমিটি, (খ) বিশেষ অধিকার কমিটি এবং (গ) সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি গঠন করবে।

নির্বাচনের পর নতুন সরকার ৩৯টি মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে ৩৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের কাছে রেখেছেন তিন মন্ত্রণালয়। বাকি ২৫টিতে মন্ত্রী ও ১১টিতে প্রতিমন্ত্রী দেওয়া হয়েছে।

দফা (২)-এ সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা ও কার্যাবলির বর্ণনা রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কমিটি সংবিধান ও অন্য কোনো আইন সাপেক্ষে (ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করতে পারবে; (খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করতে পারবে; (গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলে সংসদ কোনো বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করলে সে বিষয়ে কোনো মন্ত্রণালয়ের কাজ বা প্রশাসন বিষয়ে অনুসন্ধান বা তদন্ত করতে পারবে।

কোনো মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহ এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তর লাভের ব্যবস্থা করতে পারবে। এবং (ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত অন্য যে কোনো দায়িত্ব পালন করতে পারবে। সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে সব কমিটির কাজের বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদে সংসদীয় কমিটি আছে ৫০টি। এরমধ্যে ৩৯টি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি। বাকিগুলোর মধ্যে রয়েছে- কার্যউপদেষ্টা কমিটি, কার্যপ্রণালি বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, পিটিশন কমিটি, লাইব্রেরি কমিটি, সংসদ কমিটি, বেসরকারি সদস্যদের বিল এবং বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি, সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটি ও সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটিতে কারা আসছেন, এ নিয়েও এখন আলোচনা হচ্ছে। অতীত পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এই কমিটিগুলো করেন সংসদ নেতা নিজেই। চিফ হুইপ বা স্পিকার সংসদ নেতার অনুমোদনক্রমে এগুলো সংসদে উপস্থাপন করেন। পরে তা গ্রহণ করে সংসদ। স্বভাবতই সাবেক মন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ অথবা জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়।

কারা হচ্ছেন ছায়ামন্ত্রী?

এবারে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী এম এ মান্নান। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বা সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর তালুকদার অথবা জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন মোহাম্মদ সাদিক বা আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার বা জাহিদ আহসান রাসেল। খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম আসতে পারেন। সাবেক মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আসতে পারেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে। ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

অতীত পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এই কমিটিগুলো করেন সংসদ নেতা নিজেই। চিফ হুইপ বা স্পিকার সংসদ নেতার অনুমোদনক্রমে এগুলো সংসদে উপস্থাপন করেন। পরে তা গ্রহণ করে সংসদ। স্বভাবতই সাবেক মন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ অথবা জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে সাবেক মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বা প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু আসতে পারেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে বর্তমান সভাপতি আ ফ ম রুহুল হকই থাকছেন। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে ফের আসতে পারেন বর্তমান সভাপতি রওশান আরা মান্নান। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বা রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু। সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু আসতে পারেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বা টিপু মুনশি। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন বা উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন বর্তমান সভাপতি শাজাহান খান বা সাবেক প্রতিমন্ত্রী এ বি তাজুল ইসলাম। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে দেওয়া হতে পারে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমানকে। কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাককে আনা হতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বা কাজী কেরামত আলী। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে স্থান পেতে পারেন সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু বা সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার হতে পারেন শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি থাকতে পারেন বর্তমান সভাপতি বেনজির আহমেদ বা বর্তমান কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী জাহিদ মালেক। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী শাহাবউদ্দিন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বা সাবেক প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. সেলিম মাহমুদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমেদ। সাবেক মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার হতে পারেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি। রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে বর্তমান সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম বা সাবেক মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন অথবা মুজিবুল হককে রাখা হতে পারে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন একই মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন এম এ লতিফ। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাহাদারা মান্নান বা উম্মে কুলসুম স্মৃতি। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন অ্যাডভোকেট আবু জাহির। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম। স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেতে পারেন মহিউদ্দিন আহমেদ।