?> সিআরএ কার্যালয়ে সাংবাদিক আলী আজগর ইমন: সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফলপ্রসূ মতবিনিময় | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

সিআরএ কার্যালয়ে সাংবাদিক আলী আজগর ইমন: সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফলপ্রসূ মতবিনিময়

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

সিআরএ কার্যালয়ে সাংবাদিক আলী আজগর ইমন: সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফলপ্রসূ মতবিনিময়


চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (সিআরএ) কার্যালয়ে এটিএন বাংলার অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (ডিজিটাল) ও স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আলী আজগর ইমনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঐক্য ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (সিআরএ) কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন (সিআরএ)র আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক মো. রুবেল। সঞ্চালনায় ছিলেন সদস্য সচিব সাইফুদ্দিন রমিজ। 

সভায় উপস্থিত ছিলেন সিআরএর সাবেক সভাপতি সোহাগ আরেফিন, রাজধানী টেলিভিশনের ব্যুরো প্রতিনিধি সোহেল মাহমুদ, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ শাকিল, সংস্কৃতি সম্পাদক আমিনুল হক শাহীন, সহদপ্তর সম্পাদক জহির উদ্দিন বাবর, তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক রিদুয়ান হৃদয়, সদস্য মোরশেদসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভাপতির বক্তব্যে মো. রুবেল বলেন, সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, সত্য ও তথ্যের যথাযথ যাচাই এবং পেশাগত নৈতিকতা অনুসরণ করে সাংবাদিকদের কাজ করতে হবে। সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য বজায় থাকলে পেশাগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে। সাংবাদিকদের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণে সিআরএ সম্মিলিতভাবে কাজ করতে চায়।

সঞ্চালকের বক্তব্যে সিআরএর সদস্য সচিব সাইফুদ্দিন রমিজ বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক উন্নয়নে এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সংবাদকর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নেও সংগঠনকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি সিআরএর সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

এটিএন বাংলার অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (ডিজিটাল) ও স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আলী আজগর ইমনের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকতার পরিবর্তিত ধারা, ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের বিকাশ, সংবাদ পরিবেশনে পেশাগত দায়িত্ব এবং সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান সময়ে সংবাদমাধ্যমের পরিসর দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। অনলাইন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিস্তারের ফলে সংবাদ দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। তবে দ্রুত সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি তথ্যের সত্যতা যাচাই, নিরপেক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাগত নৈতিকতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা নতুন সংবাদকর্মীদের জন্য সহায়ক হতে পারে।

তারা আরও বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, একে অপরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং সংগঠনভিত্তিক সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে সাংবাদিক সমাজকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফলপ্রসূ মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে সিআরএর নেতৃবৃন্দ এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আলী আজগর ইমনের মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। সভায় সিআরএর নেতৃবৃন্দ সংগঠনের চলমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করেন। সাংবাদিকদের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা এবং পেশাগত পরিবেশ উন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পাঁচ দশক পর মায়ের কোলে দুলি, নরওয়ে থেকে এসে মায়ের সঙ্গে বর্ষবরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

পাঁচ দশক পর মায়ের কোলে দুলি, নরওয়ে থেকে এসে মায়ের সঙ্গে বর্ষবরণ

পহেলা বৈশাখ মানেই নতুনের আবাহন। কিন্তু মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার মুক্তানগর গ্রামের আম্বিয়া বেগমের কাছে এবারের নববর্ষ কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টানো নয়, বরং দীর্ঘ অর্ধশতকের হাহাকার মুছে এক পূর্ণতার গল্প। নরওয়ে প্রবাসী মেয়ে দুলি রোজ থুভ সাত সমুদ্র তেরো নদী পেরিয়ে ফিরে এসেছেন মায়ের ভিটায়। এবারের বৈশাখ তাই আম্বিয়া বেগম আর দুলির কাছে এক অনন্য অনুভূতির নাম।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নরওয়ের নাগরিক দুলি রোজ। মাত্র এক বছর বয়সে ঢাকার শিশু সদন থেকে নরওয়েতে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। সেখানে পালক মা-বাবার কাছে বড়ো হলেও মনের গহিনে লালন করতেন এই মাটির সংস্কৃতি।

গত বছর একাত্তর টেলিভিশনের সহায়তায় দীর্ঘ লড়াই আর অপেক্ষার অবসান ঘটে, দুলি খুঁজে পান তার গর্ভধারিণী মাকে। এরপর থেকেই অপেক্ষার পালা ছিলো—কবে নিজের শেকড়ে ফিরে দেশি আমেজে মেতে উঠবেন।

দুলি রোজ জানান, তিনি ইন্টারনেট আর গুগলের মাধ্যমে পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা, লোকজ গান আর মেলার ছবি দেখতেন। খনার বচন, চারুকলার মুখোশ, পালকি আর গাজীর পট তাকে সবসময় টানতো। এবারের নববর্ষ সরাসরি উপভোগ করতে স্বামী ফয়েন থুভকে নিয়ে তিনি হাজির হয়েছেন মায়ের গ্রামে।

দুলি বলেন, এদেশের নিজস্ব পার্বণ পহেলা বৈশাখ যে এতো রঙিন, তা না দেখলে বিশ্বাস হতো না। চারদিকে প্রাণের উচ্ছ্বাস। গুগল থেকে জেনেছি এটি বিশ্ব ঐতিহ্য। মাকে খুঁজে পাওয়ার পর নিজের সংস্কৃতিতে অংশ নিতেই এবার আসা।

মুক্তানগর গ্রামের বাড়িতে এখন উৎসবের আমেজ। মা আর মেয়ের ভাষা আলাদা, একজন বলেন বাংলা আর অন্যজন ইংরেজি কিংবা নরওয়েজিয়ান। কিন্তু ভাষা না বুঝলেও অনুভূতির প্রকাশ থেমে নেই। একে অপরকে ছুঁয়ে থাকা আর ইশারায় চলছে মনের আলাপ।

মায়ের সঙ্গে বর্ষবরণের প্রস্তুতির কোনো কমতি রাখছেন না দুলি। সারাদিন ঘুরে চুড়ি, টিপ আর সাজসজ্জার সরঞ্জাম কিনেছেন। নিজের জন্য কিনেছেন বৈশাখের চিরায়ত লাল-সাদা শাড়ি। শুধু নিজের জন্য নয়, মা আর পরিবারের সদস্যদের জন্য সাধ্যমতো করেছেন নববর্ষের বাজার-সদাই।


গ্রামের নারীরা দুলি ও তার স্বামী ফয়েনকে হাতভরে মেহেদি পরিয়ে দিয়েছেন নানা নকশায়। এমন আন্তরিকতায় মুগ্ধ ফয়েন থুভ বলেন, সবখানে রঙের দারুণ ছোঁয়া। এখানকার মানুষের মন মাটির মতো নরম।

দুলির মা আম্বিয়া বেগম অসুস্থ ছিলেন। দূর প্রবাসে থেকেও পারিবারিক বন্ধু ক্রিস্টোফারের সহায়তায় মায়ের চিকিৎসা ও অপারেশনের সব ব্যবস্থা করেছেন দুলি। এখন মা-মেয়ে দুজনেই সুস্থ। আম্বিয়া বেগম ভাঙা ভাঙা গলায় মেয়েকে শিবালয়ের বৈশাখী মেলার গল্প শোনাচ্ছেন।

অর্ধশত বছর ধরে মুক্তানগরের এই বাড়িতে নববর্ষ আসত এক চাপা কষ্ট আর অপূর্ণতা নিয়ে। হারিয়ে যাওয়া সন্তানের শূন্যতা আম্বিয়া বেগমকে প্রতি বৈশাখে পোড়াত। আজ সেই শূন্যতা ভরাট হয়েছে। চৈত্রসংক্রান্তির রাত পোহালেই নতুন বছর। মুক্তানগরের এই বাড়িতে এবার নববর্ষ শুধু উৎসব নয়, এক হার না মানা সম্পর্কের পুনর্মিলন। দুলি আর ফয়েন দম্পতি বারবার ফিরে আসতে চান এই প্রাণের উৎসবে।


গরম বাড়তে পারে আরও, আগামী সপ্তাহে বৃষ্টিপাত বাড়ার আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল, ২০২৪

গরম বাড়তে পারে আরও, আগামী সপ্তাহে বৃষ্টিপাত বাড়ার আভাস

দিনের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। আগামী সপ্তাহে দেশে ঝড়-বৃষ্টি বাড়তে পারে জানিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আপাতত সিলেট অঞ্চল ছাড়া দেশের আর কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে না। মঙ্গলবার সিলেটে ৪১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

সারাদেশেই গরমে কষ্ট পাচ্ছে মানুষ। ঢাকাসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় বাড়ছে অস্বস্তি।

মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল চুয়াডাঙ্গায়। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, বুধবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।


বিএনপির মিছিলে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফেলেই গ্রেফতার: ডিএমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪

বিএনপির মিছিলে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফেলেই গ্রেফতার: ডিএমপি

বিএনপির কালো পতাকা মিছিলে ওয়ারেন্টভুক্ত কোনো আসামি যোগ দিলে তাকে গ্রেফতার করতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) লিটন কুমার সাহা।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

লিটন কুমার সাহা বলেন, ‘ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আমরা গ্রেফতার করছি। আজ বিএনপির প্রোগ্রাম রয়েছে, সেখানে ওয়ারেন্টভুক্ত কোনো আসামি আসলে তাদের গ্রেফতারে আমাদের ব্যপক প্রস্তুতি রয়েছে। প্রোগ্রামে কোনো আসামি এসেছে কিন্তু আমরা ধরিনি, এমন নয়।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো সবসময়ই তাদের কর্মসূচি পালন করছে। রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচিতে আমরা বাধা দিচ্ছি না।’

আজ শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি রয়েছে বিএনপির। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার ও ‘অবৈধ সংসদ’ বাতিলের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করছে দলটি।

নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে ফকিরাপুল-আরামবাগ মোড় ঘুরে নয়াপল্টনে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।