?> সাপের কামড়ে আহত মেয়েকে বাঁচাতে বস্তায় ভরে সাপসহ হাসপাতালে বাবা! | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

সাপের কামড়ে আহত মেয়েকে বাঁচাতে বস্তায় ভরে সাপসহ হাসপাতালে বাবা!

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাপের কামড়ে আহত মেয়েকে বাঁচাতে বস্তায় ভরে সাপসহ হাসপাতালে বাবা!

রান্নাঘরে কাজ করার সময় সাপের কামড়ের শিকার হন শেরপুরের নকলা উপজেলার এক তরুণী। চিকিৎসকদের দ্রুত সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সাহায্য করার জন্য এক দারুণ বুদ্ধিমত্তা দেখিয়েছেন তার বাবা। মেয়েকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় বস্তায় ভরে সেই সাপটিকেও সঙ্গে নিয়ে যান তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা আলোচনার জন্ম দেয়।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে নয়টার দিকে শেরপুরের নকলা পৌর শহরের দড়িপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী তরুণীর নাম রিয়া মণি (২০), তিনি ওই গ্রামের আকাব্বর আলীর মেয়ে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন রাতে রান্নাঘরে কাজ করার সময় রিয়া মণিকে সাপে কামড় দেয়। তার আত্মচিৎকারে পরিবারের লোকজন দ্রুত সেখানে ছুটে আসেন। এ সময় আকাব্বর আলী দেখতে পান রান্নাঘরের এক কোণে সেই সাপটি লুকিয়ে রয়েছে। বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে তিনি মাছ ধরার কোচ দিয়ে সাপটিকে নিরাপদে ধরে একটি বস্তাবন্দি করেন।

বস্তায় সাপ ও মেয়েকে নিয়ে দ্রুত নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান আকাব্বর আলী। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা জানান, হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে। তবে সাপটি দেখে এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা নিশ্চিত হন যে, রিয়া মণিকে কামড়ানো সাপটি বিষধর ছিল না।

তবে সাপের কামড়ের আকস্মিকতায় মানসিকভাবে মারাত্মক ভেঙে পড়েন ওই তরুণী। অতিরিক্ত ভয়ের কারণে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি না ঘটিয়ে স্বজনেরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে রিয়া মণি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে।

গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে আকাব্বর আলী বলেন, “মেয়ের জীবন নিয়ে চরম আশঙ্কায় ছিলাম। সাপটি কোন প্রজাতির, তা চিকিৎসকরা দেখলে দ্রুত বুঝতে পারবেন—এই চিন্তা থেকেই মাছ ধরার ব্যাগে করে সাপটি সঙ্গে নিয়েছিলাম।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাপে কাটলে ওঝা-বৈদ্যের কাছে সময় নষ্ট না করে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া উচিত। তবে এই ঘটনায় সচেতনতার অংশ হিসেবে সাপটিকে সঙ্গে নেওয়ায় চিকিৎসকদের জন্য রোগ নির্ণয় করা অনেক সহজ হয়েছে।

ধান শুকানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

ধান শুকানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

ধান শুকানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহিম (৭৫) মারা গেছেন। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বলাইশিমুল চকপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আবদুর রহিমের সঙ্গে প্রতিবেশী মো. জসিম উদ্দিন ওরফে এন্তাজ মিয়ার (৫০) সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ধান শুকানোর সীমানা নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন উভয় পক্ষকে বুঝিয়ে শান্ত করেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পর জসিম উদ্দিনের লোকজন আবদুর রহিমদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। এতে আবদুর রহিমসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই হাসপাতালে আবদুর রহিমের অবস্থার অবনতি হলে গতকাল শুক্রবার সকালে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে রাত সাড়ে তিনটার দিকে তিনি মারা যান।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদি মাকসুদ আজ শনিবার দুপুরে মুঠোফোনে বলেন, হামলায় আহত বলাইশিমুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহিম মারা গেছেন। তাঁর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনো থানায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। তবে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে।


গাজীপুরে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটরের ৩ কোটি টাকা লুট, একজন গুলিবিদ্ধ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

গাজীপুরে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটরের ৩ কোটি টাকা লুট, একজন গুলিবিদ্ধ

গাজীপুরের শ্রীপুরে মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘বিকাশ’-এর ডিস্ট্রিবিউটরের প্রায় তিন কোটি টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে। এসময় করা গুলিতে একজন গুলিবিদ্ধসহ তিনজন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শ্রীপুর-গোসিঙ্গা আঞ্চলিক সড়কের কর্ণপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় হিমেল নামের একজন অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার গুলিবিদ্ধ, প্রাইভেটকারে থাকা চালক লাল মিয়া এবং এরিয়া ম্যানেজার ফরহাদ আহত হন। গুলিবিদ্ধ হিমেলকে শ্রীপুর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিকাশের ডিস্ট্রিবিউটর ভালুকা চ্যানেল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড শ্রীপুরের ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রতিষ্ঠানটি শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় বিকাশের কার্যক্রম পরিচালনা করে। শুক্রবার সব ব্যাংক বন্ধ থাকা ও গার্মেন্টস কর্মীদের বেতনের চাপ থাকায় নগদ টাকার সংকটে পড়েন তারা। বিকাশের নিয়ম অনুযায়ী নরসিংদী সদরের বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটর হযরত আলী মুন্সীকে বিকাশের ব্যালেন্স দিয়ে নগদ টাকা প্রাইভেটকারে করে আনা হচ্ছিল।

প্রাইভেটকারটি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শ্রীপুর-গোসিঙ্গা আঞ্চলিক সড়কের কর্ণপুর এলাকায় পৌঁছালে ১০-১২টি মোটরসাইকেলযোগে এসে দুর্বৃত্তরা পথরোধ করে। এসময় তারা চাইনিজ কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে প্রাইভেটকারের গ্লাস ভেঙে ফেলেন। পরে একটি পিস্তল বের করে অ্যাকাউন্টস ম্যানেজারকে লক্ষ্য করে গুলি করে তারা।

প্রাইভেটকারে তিনটি প্লাস্টিকের বস্তায় চার কোটি টাকা ছিল। সেখান থেকে দুইটি প্লাস্টিকের বস্তা নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। ধারণা করা হচ্ছে, তিন কোটি টাকার মতো লুটের ঘটনা ঘটেছে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থল ও আহতদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযান: সম্রাট বাহিনীর কবল থেকে ৪ জেলে উদ্ধার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর, ২০২৬

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযান: সম্রাট বাহিনীর কবল থেকে ৪ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবনে কুখ্যাত বনদস্যু সম্রাট বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে খুলনার দাকোপ থানাধীন সুন্দরবনের শিপসা নদীর আরবানিয়া খালসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে বনদস্যুরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনের সক্রিয় বনদস্যু বাহিনী নির্মূল ও উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড জানতে পারে, কুখ্যাত সম্রাট বাহিনীর সদস্যরা খুলনার দাকোপ থানাধীন সুন্দরবনের শিপসা নদীর আরবানিয়া খালসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে গত ১১ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট নলিয়ান ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে বনদস্যুদের কবল থেকে জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়।

কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে বনদস্যুরা জিম্মি জেলেদের ফেলে বনের ভেতরে পালিয়ে যায়। ফলে অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া জেলেরা জানান, গত ১০ অক্টোবর সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গেলে সম্রাট বাহিনীর সদস্যরা তাঁদের ধরে নিয়ে যায়। পরে তাঁদের জিম্মি করে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে নির্যাতন করা হয়।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন—মইনুর (৫০), বাদশা গাজী (৩৯), সুজন হোসেন (৩৪) ও ইমামুল মল্লিক (২২)। তাঁরা সবাই খুলনা জেলার পাইকগাছা থানার বাসিন্দা। তাঁদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, সরকারের নির্দেশনা, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টায় সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে বনদস্যুমুক্ত করতে তারা আশাবাদী।

অভিযান-সংক্রান্ত ব্রিফিং প্রদান করেন লেফটেন্যান্ট সাকিব ইমরান, নেভিগেটিং অফিসার, বিসিজিএস স্বাধীন বাংলা।