?> রাজধানীতে লক্কড়ঝক্কড় গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে পুলিশ | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

রাজধানীতে লক্কড়ঝক্কড় গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে ২০২৬

রাজধানীতে লক্কড়ঝক্কড় গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে পুলিশ

রাজধানী ঢাকাতে লক্কড়ঝক্কড় ও ঝুঁকিপূর্ণ গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে পুলিশ। বুধবার এ নিয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা মহানগর এলাকায় নির্ধারিত ‘ইকোনমিক লাইফ’ অতিক্রান্ত গাড়ি না চালাতে সংশ্লিষ্ট মালিক ও চালকদের বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ডিএমপির গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু লক্কড়ঝক্কড় , ঝুঁকিপূর্ণ ও অনুপযোগী বাস এবং পণ্যবাহী যানবাহন ঢাকা মহানগরে চলাচল করছে। এ ধরনের যানবাহন প্রায়ই রাস্তা, উড়ালসড়ক (ফ্লাইওভার) ও সেতুর ওপর বিকল হয়ে মারাত্মক যানজটের সৃষ্টি করছে। এর ফলে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে এবং সড়ক নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এ কারণে ঢাকা মহানগর এলাকায় ইকোনমিক লাইফ অতিক্রান্ত লক্কড়ঝক্কড় , ঝুঁকিপূর্ণ ও অনুপযোগী সব যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।


বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ২০২৩ সালের জারি করা এক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাস ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে ২০ বছর এবং ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ অন্যান্য মালবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ২৫ বছর ইকোনমিক লাইফ নির্ধারিত।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যদি কেউ ঢাকা মহানগর এলাকায় ইকোনমিক লাইফ পেরিয়ে যাওয়া বিশেষ করে লক্কড়-লক্কড়ঝক্কড় , ঝুঁকিপূর্ণ ও অনুপযোগী যানবাহন চালায় তাদের বিরুদ্ধে শিগগির বিশেষ অভিযান চালানো হবে। স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে এ অভিযান হবে। এতে জরিমানা, যানবাহন ডাম্পিং-এ পাঠানোর মতো কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টিসিবির সয়াবিন তেল কিনতে ব্যয় বাড়ছে সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৪

টিসিবির সয়াবিন তেল কিনতে ব্যয় বাড়ছে সরকারের

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৮৭ কোটি টাকা। এই তেল কিনতে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর টিসিবির জন্য এই প্রথম সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হলো। প্রতি লিটার সয়বিন তেল কেনা হবে ১৫৭ টাকা ৯০ পয়সা করে। আওয়ামী লীগ সরকার সর্বশেষ যে দামে সয়াবিন তেল কিনেছিল এবার তার থেকে লিটারে প্রায় সাড়ে ৭ টাকা বেশি পড়ছে।

রোববার (২০ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি বৈঠকে এই সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে এই তেল কিনতে মোট খরচ হবে ৮৬ কোটি ৮৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের মূল্য ধরা হয়েছে ১৫৭ টাকা ৯০ পয়সা।

এর আগে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে সর্বশেষ সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয় গত ২৯ জুন। ওইদিন অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেয়।

প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ধরা হয় ১৫০ টাকা ৪৮ পয়সা। এতে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনতে মোট ৩৩১ কোটি ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়। এই সয়াবিন তেলও সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে কেনার সিদ্ধান্ত হয়। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সরকার সর্বশেষ যে দামে সয়াবিন তেল কিনেছে তার তুলনায় এবার প্রতি লিটারে ৭ টাকা ৪২ পয়সা বেশি পড়ছে।

সয়াবিন তেল কিনতে ব্যয় বেশি হলেও সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সরকারের তুলনায় বেশ কম দামে মসুর ডাল কিনছে সরকার। গত ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি বৈঠকে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। এই মসুর ডাল কিনতে মোট খরচ ধরা হয় ৯৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আর প্রতি কেজি মসুর ডালের দাম ধরা হয় ৯৬ টাকা ৩৯ পয়সা।

এর আগে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে সর্বশেষ মসুর ডাল কেনা হয় ১০২ টাকা ২০ পয়সা কেজি দরে। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সরকার সর্বশেষ যে দামে মসুর ডাল কিনে তার তুলনায় অন্তর্বর্তী সরকারের মসুর ডাল কিনতে কেজিতে ৫ টাকা ৮১ পয়সা কম পড়েছে।


চার বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে উত্তাল চট্টগ্রাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

চার বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে উত্তাল চট্টগ্রাম

চার বছরের এক শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, ঘেরাও এবং দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম। অভিযুক্ত যুবক মনিকে পুলিশ নিয়ে যেতে চাইলে বাধা দেয় স্থানীয়রা। তারা পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে চাইলে বাধে সংঘর্ষ। একপর্যায়ে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় বাকলিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটার বিসমিল্লাহ ম্যানশন এলাকায় শত শত স্থানীয় বাসিন্দা বিক্ষোভে অংশ নেন। এসময় কয়েক ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে পুলিশ, সাংবাদিকসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়। বন্ধ হয়ে যায় মহাসড়কে যান চলাচল। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় ডেকোরেশন দোকানের এক কর্মচারী ৪ বছরের এক শিশুকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ওই ভবন ঘিরে রাখে। 

পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে বিক্ষুব্ধ শত শত লোকজন অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে পুলিশের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ করে। ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুড়লে দুই সংবাদকর্মী সহ কয়েকজন আহত হন। একপর্যায়ে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেয় জনতা। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। 

এদিকে, অসুস্থ শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। 


বাজেটে ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রাখবো: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

বাজেটে ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রাখবো: প্রধানমন্ত্রী

বাজেটে ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রাখবো: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সামনের বাজেটে আমরা ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষক কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রাখবো। চলমান বাজেটে অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া বাজেট সেজন্য এখানে কোনো টাকা বরাদ্দ ছিল না।
শনিবার (১৬ মে) চাঁদপুরে খোর্দ্দ খাল পুনঃখননের উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য একটাই, আমরা স্বপ্ন দেখতে চাই না, পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই; যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের উপকার হবে। এমনকি দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারা বাংলাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবো। এর ফলে খালের দুই পাশে যারা থাকে, তারাও পানির সুবিধা পাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকরা স্বাবলম্বী হলে এই দেশের অর্থনীতি ধীরে ধীরে মজবুত হবে। আর দেশের অর্থনীতি মজবুত হলে এই দেশের মানুষের অর্থনীতি মজবুত হবে।