?> পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির

রাজধানীর পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট হয়ে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। বৃহস্পতিবার সকালে হকারমুক্ত ঘোষিত এসব সড়ক সরেজমিনে পরিদর্শন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

পরিদর্শনকালে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট হয়ে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ বসলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, হকার সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। তারা নিজেরাও স্বেচ্ছায় এসব মূল সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় নগরবাসীর জন্য ফুটপাত ও সড়কে স্বস্তিদায়ক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, কেবল রমনা ভবন সংলগ্ন পূর্ব পাশের ফুটপাতে সাধারণ মানুষের চলাচলের জায়গা রেখে নির্ধারিত স্থানে নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধিত নির্দিষ্টসংখ্যক হকার বসতে পারবেন। নির্ধারিত স্থান, সময়, সংখ্যা ও নিবন্ধনের বাইরে যত্রতত্র হকার বসে জনভোগান্তি তৈরির কোনো সুযোগ নেই।

তিনি সতর্ক করে বলেন, নিয়মের ব্যত্যয় ঘটালে কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

হকারদের নিবন্ধন ফি কমানোর দাবির বিষয়ে আবদুস সালাম বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

পরিদর্শনকালে ডিএসসিসি প্রশাসক এক ঘণ্টারও বেশি সময় উপস্থিত থেকে পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত মূল সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্তকরণ কার্যক্রম তদারকি করেন।

এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং হকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি নেতাদের হাতে ৪ হাজার ভিজিএফ কার্ড তুলে দিলেন চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

বিএনপি নেতাদের হাতে ৪ হাজার ভিজিএফ কার্ড তুলে দিলেন চেয়ারম্যান

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি ভিজিএফের প্রায় অর্ধেক কার্ড দলীয় নেতাকর্মীদের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বগারচর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ এসব কার্ড বিএনপি নেতাদের কাছে হস্তান্তর করেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে বগারচর ইউনিয়নের হতদরিদ্র, দুস্থ ও অসহায় পরিবারের জন্য এবার ৮ হাজার ৪৮টি ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কার্ডের বিপরীতে সুবিধাভোগীরা ১০ কেজি করে চাল পাবেন। সে হিসাবে ইউনিয়নের জন্য মোট ৮০ হাজার ৪৮০ কেজি চাল বরাদ্দ এসেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ মোট বরাদ্দের অর্ধেক, অর্থাৎ ৪ হাজার ২৪টি কার্ড সরাসরি ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের হাতে তুলে দেন। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি হাসিবুল হক সঞ্জু, বগারচর ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বেলায়েত হোসেন বুলাল, সাধারণ সম্পাদক সফিউল আলমসহ দলীয় অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, স্থানীয় প্রশাসনের গঠিত কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত দুস্থ ও হতদরিদ্রদের তালিকা প্রস্তুত করে ভিজিএফ কার্ড বিতরণ করার কথা। তবে প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা বা তদারকি কর্মকর্তার (ট্যাগ অফিসার) উপস্থিতি ছাড়াই প্রকাশ্যে বিপুল পরিমাণ কার্ড দলীয় নেতাদের হাতে তুলে দেওয়ায় বিতরণের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভিজিএফের চাল গরিব মানুষের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়, কোনো রাজনৈতিক দলের জন্য নয়। চেয়ারম্যান যদি অর্ধেক কার্ডই দলীয় নেতাদের হাতে তুলে দেন, তাহলে সাধারণ গরিব মানুষ চাল পাবে কীভাবে? এসব কার্ড এখন নেতাকর্মীদের আত্মীয়স্বজন ও পছন্দের লোকদের মধ্যে বণ্টন হবে, আর প্রকৃত অভাবীরা বঞ্চিত থাকবেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বগারচর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ বলেন, ‘দলীয় নির্দেশনা মোতাবেক ভিজিএফের বরাদ্দকৃত কার্ড উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি হাসিবুল হক সঞ্জুর হাতে তুলে দিয়েছি, যাতে ইউনিয়ন পরিষদের ওপর কোনো চাপ না আসে।’

তবে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স দাবি করেন, দল থেকে এ ধরনের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, ‘হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ভিজিএফ কার্ড যেন প্রকৃত গরিব ও অসহায় ব্যক্তিরা পান, সে বিষয়ে দলের নেতাকর্মীদের খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে মাত্র।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান সুমন বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে কার্ড ও চাল বিতরণ করার কথা। কোনো রাজনৈতিক দলের হাতে পাইকারি হারে কার্ড হস্তান্তরের বিধান নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন বলেন, ‘সরকারি ত্রাণ বা ভিজিএফ কার্ড কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে বিতরণের আইনি সুযোগ নেই। নিয়মবহির্ভূতভাবে কার্ড হস্তান্তর করা হয়ে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


বাজেটে ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রাখবো: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

বাজেটে ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রাখবো: প্রধানমন্ত্রী

বাজেটে ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রাখবো: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সামনের বাজেটে আমরা ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষক কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রাখবো। চলমান বাজেটে অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া বাজেট সেজন্য এখানে কোনো টাকা বরাদ্দ ছিল না।
শনিবার (১৬ মে) চাঁদপুরে খোর্দ্দ খাল পুনঃখননের উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য একটাই, আমরা স্বপ্ন দেখতে চাই না, পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই; যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের উপকার হবে। এমনকি দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারা বাংলাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবো। এর ফলে খালের দুই পাশে যারা থাকে, তারাও পানির সুবিধা পাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকরা স্বাবলম্বী হলে এই দেশের অর্থনীতি ধীরে ধীরে মজবুত হবে। আর দেশের অর্থনীতি মজবুত হলে এই দেশের মানুষের অর্থনীতি মজবুত হবে।


১৯ ইউনিটের প্রচেষ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

১৯ ইউনিটের প্রচেষ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন

গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রতিষ্ঠানটির ইউনিট-২-এ আগুনের সূত্রপাত হয়।

পরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের আরেকটি চারতলা ভবনে। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট। 

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের একটি ভবনে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন পাশের পেনসিলিং ভবনের চারতলায় ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতায় কারখানার ভেতরে থাকা বিভিন্ন মালপত্র পুড়ে যাচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগুনের প্রচণ্ড তাপ ও ঘন ধোঁয়ার কারণে এলাকায় অবস্থান করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এর সঙ্গে রাসায়নিকের তীব্র গন্ধ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। আগুনের ব্যাপকতা বাড়তে থাকায় পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন স্টেশন থেকে অতিরিক্ত ইউনিট আনা হয়। বর্তমানে ১৪টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার শাহিন আলম জানান, সকাল সোয়া ১০টার দিকে এসেনসিয়াল ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কারখানায় আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। 

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, আগুনের লেলিহান শিখা অত্যন্ত তীব্র হওয়ায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কারখানার ভেতরে কেমিক্যাল ও বিভিন্ন উপকরণ থাকায় অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে ঘটনাস্থল থেকে জানা গেছে। আগুনের তীব্র তাপ ও কেমিক্যালের গন্ধে আশপাশের পরিবেশ অস্বস্তিকর হয়ে পড়েছে। আগুনের কারণে কী ধরনের রাসায়নিক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এমতাবস্থায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের আগুন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। আগুন যাতে পাশের ভবন ও আশপাশের অন্যান্য স্থাপনায় আরও ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্যও চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এদিকে আগুন লাগার পরপরই কারখানার ভেতরে থাকা পানির ব্যবস্থা ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়। তবে একপর্যায়ে পানির সংকট দেখা দেয় বলে ঘটনাস্থল থেকে জানা গেছে। পরে গাজীপুর, টঙ্গী, উত্তরা ও আশপাশের বিভিন্ন স্থান থেকে পানিবাহী গাড়ি এনে আগুন নেভানোর কাজে সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুর, টঙ্গী, উত্তরা ও আশপাশের বিভিন্ন ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে আসা ১৬টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। কারখানার পাশাপাশি পাশের ভবনে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আগুনের কারণ, হতাহতের সম্ভাব্য সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।