?> পাঁচ দিনে ৫৬২ প্রার্থীর আপিল নির্বাচন কমিশনে | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

পাঁচ দিনে ৫৬২ প্রার্থীর আপিল নির্বাচন কমিশনে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

পাঁচ দিনে ৫৬২ প্রার্থীর আপিল নির্বাচন কমিশনে

বার্তাবেলা: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ও বাতিল চেয়ে পাঁচদিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল আবেদন করেছেন ৫৬২ প্রার্থী।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন চত্বরে এ আপিল আবেদন করেন তারা।

ইসি কর্মকর্তারা বলেন, প্রার্থিতা ফিরে পেতে ও বাতিল চেয়ে প্রথম দিন ৪২ জন, দ্বিতীয় দিন ১৪১ জন, তৃতীয় দিন ১৫৫ জন, চতুর্থ দিন ৯৩ জন এবং আজ ১৩১ জন আপিল করেছেন। পাঁচদিনে মোট ৫৬২ জন প্রার্থী ইসিতে আপিল করেছেন। এরমধ্যে বেশ কিছু বৈধ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আবেদনও করা হয়েছে।

ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর। ১ ডিসেম্বর থেকে বাছাই শুরু হয়, শেষ হয় ৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায়। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও শুনানি ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর।

টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালে আগুন, ২১ ইউনিটের চেষ্টায় চার ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালে আগুন, ২১ ইউনিটের চেষ্টায় চার ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে

গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ  বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে লাগা আগুন প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।  সেনাবাহিনী ও বিজেপিসহ আগুন নেভাতে টঙ্গী ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্টেশনের ২১টি ইউনিট কাজ করে। তবে আগুনের সূত্রপাত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।


ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার খবর পেয়ে প্রথমে টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের আটটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় পর্যায়ক্রমে আরও ১৩টি ইউনিট যুক্ত করা হয়। মোট ২১টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় প্রায় চার ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শাহিন আলম বলেন, সকাল ১০টার দিকে কারখানাটিতে আগুন লাগার খবর পেয়ে টঙ্গী ও গাজীপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।


কারখানাটির কোন অংশে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, আগুনে ওষুধ, কাঁচামাল বা উৎপাদনসংশ্লিষ্ট সরঞ্জামের ক্ষতি হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।


সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট

সাভারের ছোট কালিয়াকৈর এলাকার কামালপুরে ১৭ একর বনভূমির জমিতে "এগ্রো ট্যুরিজম ও রিসোর্ট" নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে কতিপয় ব্যাক্তি। 
বাইরে থেকে তাদের প্রচারণা দেখে এটিকে আকর্ষণীয় ও পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগ মনে হলেও গভীরে রয়েছে মারাত্মক আইনি ও পরিবেশগত ঝুঁকি। 
সার্বিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই প্রজেক্টটি বাণিজ্যিক স্বার্থে পরিবেশ আইন ও সরকারি ভূমি নীতি লঙ্ঘন করে গড়ে তোলা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারীদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে।


​নিচে প্রজেক্টটির প্রধান প্রধান নেতিবাচক ও ঝুঁকিপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরা হলো:


​১. বন বিভাগের জমি লিজের আইনি বৈধতা ও বড় ধরনের উচ্ছেদ ঝুঁকি
​বন আইন লঙ্ঘন: বাংলাদেশের সংবিধান ও বিদ্যমান বন আইন অনুযায়ী, সরকারি বনভূমি বা সাব-বিটের অন্তর্ভুক্ত জমি বাণিজ্যিক রিসোর্ট, পর্যটন বা ব্যক্তিস্বার্থমূলক প্রজেক্টের জন্য ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
​চুক্তির শর্তে অসচ্ছতা: বন বিভাগের জমি সাধারণত সামাজিক বনায়ন বা নির্দিষ্ট পরিবেশগত উদ্দেশ্যে সাময়িক চুক্তিতে দেওয়া হয়। সেখানে সদস্য বা কোনো বেসরকারি স্বত্বাধিকারীর নামে বাণিজ্যিক রিসোর্ট বা পশুপালনের দোহাই দিয়ে জমি ব্যবহারের দাবি আইনি পর্যালোচনায় টিকবে না। সরকার যেকোনো মুহূর্তে এই লিজ বাতিল করে জমি পুনঃদখল করতে পারে, যার ফলে প্রজেক্টের পুরো বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে।


​২. কৃষি জমি অকৃষি খাতে রূপান্তর ও পরিবেশগত ক্ষতি। রিসোর্ট ও কটেজ নির্মাণের জন্য পাশেই ব্যক্তিগত কৃষি জমি কেনার যে পরিকল্পনা করা হয়েছে, তা দেশের "কৃষি জমি সুরক্ষা আইন"-এর চরম পরিপন্থী। উর্বর কৃষি জমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে স্থানীয় খাদ্য উৎপাদন ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করা হচ্ছে।
​ইকো-সিস্টেম বিপর্যয়: সাভারের বিরুলিয়া ও বন বিট সংলগ্ন এলাকাটি প্রাকৃতিক লেক, বনাঞ্চল ও কৃষিজমির জন্য পরিচিত। এখানে প্রতিদিন শত শত পর্যটকের সমাগম, বর্জ্য নিষ্কাশন ও শব্দদূষণ স্থানীয় জীববৈচিত্র্য, পশুপাখি এবং বনাঞ্চলকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলবে।


​৩. ​স্বচ্ছতার অভাব: মাত্র ২০টি শেয়ার বিক্রি করে ধাপে ধাপে বিনিয়োগ নেওয়ার কথা বলা হলেও প্রজেক্টের মোট বাজেট, লভ্যাংশ বণ্টন পদ্ধতি কিংবা জমি হস্তান্তরের কোনো স্পষ্ট ও আইনি ফ্রেমওয়ার্ক নেই। ​বিনিয়োগকারীদের জালিয়াতির আশঙ্কা: লিজ নেওয়া বনভূমির কোনো মালিকানা বিনিয়োগকারীদের দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে কোনো আইনি জটিলতায় প্রজেক্ট বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা তাদের অর্থ ফেরত পাবেন না। কেবল ক্রয়কৃত সামান্য কৃষিজমির ওপর নির্ভর করে এত বড় রিসোর্ট চালানো একটি চরম অদূরদর্শী ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসায়িক মডেল।


​৪. ​ভুল বার্তা ও ছদ্মবেশী পর্যটন: প্রতিবেদনে বলা হয়েছে পর্যটনের মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকের লাভ হবে। কিন্তু বাস্তবে বন ও কৃষিজমি দখল করে কৃত্রিম রিসোর্ট বানালে স্থানীয় কৃষকরা নিজেদের মূল জীবিকা ও জমি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
​কৃষির ক্ষতি: আধুনিক রিসোর্টের কোলাহল ও পর্যটকদের আনাগোনায় স্বাভাবিক চাষাবাদ ব্যাহত হবে এবং স্থানীয় গ্রামটির প্রাকৃতিক পরিবেশ চিরতরে নষ্ট হয়ে যাবে।

​উপসংহারে বলা যায় ​সাভার বন বিটের পাশে কামালপুরের এই এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্টটি একটি আইনি জটিলতায় ঘেরা ও পরিবেশবিরোধী উদ্যোগ। বনভূমির জমিতে রিসোর্ট পরিচালনা করা যেকোনো সময় সরকারি অভিযানের মুখে পড়তে পারে। পর্যাপ্ত আইনি অনুমোদন, পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (EIA) ছাড়পত্র এবং স্পষ্ট আর্থিক গ্যারান্টি ছাড়া এই প্রজেক্টে শেয়ার কেনা বা বিনিয়োগ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।


মোহনগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

মোহনগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ফজলুর রহিম কাজল (৫১) নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে মোহনগঞ্জ পুলিশ। শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ১নং বড়কাশিয়া ইউনিয়নের বিরামপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানের একটি গাছ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, নিহত অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ফজলুর রহিম কাজলের বাড়ি পার্শ্ববর্তী সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের মরহুম জবান আলীর ছেলে। পরিবার সূত্র জানায়, গত ৭ অক্টোবর থেকে ফজলুর রহিম কাজল নিখোঁজ ছিলেন। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা তার সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করেন।

নিখোঁজ হওয়ার পর অপরিচিত একটি ফোন নম্বর থেকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় গত ৭ অক্টোবর ধর্মপাশা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে শুক্রবার সকালে বিরামপুর গ্রামের মোঃ দুলাল মিয়ার বাবা মরহুম মোহাম্মদ আলীর কবরস্থানে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ দেখতে পান। তারপর স্থানীয় লোকজনের কাছে ঝুলন্ত লাশের কথা বলেন। পরে থানায় খবর দেয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং লাশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। খবর পেয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে লাশ শনাক্ত করেন। মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, ফজলুর রহিম কাজলের পরিবারের সদস্যদের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। নিখোঁজ হওয়ার পর মুক্তিপণ দাবির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তবে এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজনেরা।