শেয়ার বাজার

পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে হতে পারে ভারী বৃষ্টিপাত

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে হতে পারে ভারী বৃষ্টিপাত

পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে বর্তমানে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

সংস্থাটি জানায়, আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আগামীকাল মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

আগামী বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

জুলাই অভ্যুত্থান: মামলায় ৪০ গুলির দাবি, তদন্তে মেলেনি একটিও

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

জুলাই অভ্যুত্থান: মামলায় ৪০ গুলির দাবি, তদন্তে মেলেনি একটিও

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পতন হয় আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের। ৩৬ দিনের গণআন্দোলনে শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার দিন ৫ আগস্ট পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় হাজারের বেশি মানুষ, স্থায়ী পঙ্গু হয় আরও ২০ হাজারের বেশি জনতা।

 
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর শুরু হয় জুলাই গণহত্যার বিচারের প্রক্রিয়া। কিন্তু সেইসঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে হতে থাকে জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ব্যক্তি পর্যায়ের মামলা। যেসব মামলা নিয়ে এরইমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে ব্যাপকভাবে।
 
ওই বছর ৪ আগস্ট রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনে আহত হন রিমন। এমন অভিযোগে অভ্যুথানের পর মামলা করেন তার বাবা। অভিযোগ ছিল ৪০টি গুলি করা হয় তার ছেলে রিমনকে। কিন্তু তদন্তে মেলেনি একটি গুলিরও প্রমাণ। ধানমন্ডি এলাকায় জুলাই আন্দোলনের আরেক মামলায় অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি আহত ব্যক্তির। যাত্রাবাড়ীতে এক মামলায় জীবিত ব্যক্তিকে দেখানো হয়েছে মৃত। এসব তথ্য উঠে এসেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে।
                                                                                                                       
আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন বলেন, 
মামলার বাদী আদালতে এসে হলফনামা দিয়েছেন যে, তাকে আসামি করা হয়নি। তাহলে আসামি করেছেন কে, সেটারও কোনো হদিস পাচ্ছি না। বাদীই জানেন না আসামি কে দিয়েছেন! এমনকি আসামিকে পর্যন্ত বাদী চেনেন না।
আসামিপক্ষের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকে অনেককে এ মামলাগুলোতে জড়ানো হয়েছে। একই বিষয় নিয়ে একাধিক থানায় যেসব মামলার ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো চার্জশিটে ফুটে উঠছে।’
 
শুধু পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তেই ১৬৫ মামলার মধ্যে ভুয়া শনাক্ত হয়েছে ৩১টি। বাকি ১১১টি মামলার ৯ হাজার ৬৯১ আসামির মধ্যে অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে ৩ হাজার ৭৭০ জনের বিরুদ্ধে। তবে প্রমাণ ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে দাবি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকীর। রাষ্ট্রপক্ষের এ আইনজীবী বলেন, ন্যায় বিচারের স্বার্থে বর্তমান সরকার ভুয়া মামলা শনাক্তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
 
‘থানার কর্মকর্তাদের বলে দেয়া হয়েছে, অভিযোগের স্পষ্টতা না থাকলে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না। যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, তাদেরকেই অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে’, যোগ করেন তিনি।  
 

 

সিনিয়র আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ্‌ বলেন, 

নিরীহ মানুষকে ঢালাওভাবে গ্রেফতার করা এবং মামলা করলেই একটা বিভীষিকাময় পরিস্থিতি সৃষ্টি করা-- এই দুইটার কারণেই মামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে এটাকে একটা ব্যবসাও বানিয়ে নিয়েছে।
এদিকে, দেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের প্রত্যাশায় যে জুলাই গণ-অভ্যুথান, সেই চেতনাই প্রশ্নবিদ্ধ হয় এসব ভুয়া মামলার মধ্য দিয়ে। এ ছাড়া, অন্তর্বর্তী সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় প্রশাসন ও বিচার বিভাগ কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি বলেও অভিযোগ তাদের।
 
মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন বলেন, ‘কোনো পুলিশের পক্ষে জুলাইয়ের মামলায় কাউকে অব্যাহতি দেয়া তার জন্য কঠিন হয়ে যায়। কারণ এখানে মবের একটা বিষয় আছে। থানায় আক্রমণ করা হয়, আদালতে আক্রমণ করা হয়।’



৪ ভাইয়ের নিয়ন্ত্রণে হুন্ডি সিন্ডিকেট? তদন্তে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য আলোচনায় এম এইচ মিঠু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

৪ ভাইয়ের নিয়ন্ত্রণে হুন্ডি সিন্ডিকেট? তদন্তে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য আলোচনায় এম এইচ মিঠু

প্রতিবেদক: শাখাওয়াত হোসেন, মিরপুর।

দেশজুড়ে অবৈধ হুন্ডি ব্যবসা ও মানি লন্ডারিং চক্রের বিরুদ্ধে চলমান নজরদারির অংশ হিসেবে আলোচনায় এসেছে এম এইচ মিঠু ওরফে “মুখুষ ধরি মিঠু” নামের এক ব্যক্তির নাম। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে হুন্ডি ব্যবসার আড়ালে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।


সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে অবৈধ আর্থিক লেনদেন পরিচালনার অভিযোগ উঠে আসে। অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, আর্থিক লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য উঠে এসেছে এবং খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ হতে পারে।


অর্থপাচার ও হুন্ডি কার্যক্রম দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের হুমকি উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টরা বলেন, এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।


তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি এম এইচ মিঠুর পক্ষ থেকে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


রাজধানীতে লক্কড়ঝক্কড় গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

রাজধানীতে লক্কড়ঝক্কড় গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে পুলিশ

রাজধানী ঢাকাতে লক্কড়ঝক্কড় ও ঝুঁকিপূর্ণ গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে পুলিশ। বুধবার এ নিয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা মহানগর এলাকায় নির্ধারিত ‘ইকোনমিক লাইফ’ অতিক্রান্ত গাড়ি না চালাতে সংশ্লিষ্ট মালিক ও চালকদের বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ডিএমপির গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু লক্কড়ঝক্কড় , ঝুঁকিপূর্ণ ও অনুপযোগী বাস এবং পণ্যবাহী যানবাহন ঢাকা মহানগরে চলাচল করছে। এ ধরনের যানবাহন প্রায়ই রাস্তা, উড়ালসড়ক (ফ্লাইওভার) ও সেতুর ওপর বিকল হয়ে মারাত্মক যানজটের সৃষ্টি করছে। এর ফলে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে এবং সড়ক নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এ কারণে ঢাকা মহানগর এলাকায় ইকোনমিক লাইফ অতিক্রান্ত লক্কড়ঝক্কড় , ঝুঁকিপূর্ণ ও অনুপযোগী সব যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।


বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ২০২৩ সালের জারি করা এক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাস ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে ২০ বছর এবং ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ অন্যান্য মালবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ২৫ বছর ইকোনমিক লাইফ নির্ধারিত।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যদি কেউ ঢাকা মহানগর এলাকায় ইকোনমিক লাইফ পেরিয়ে যাওয়া বিশেষ করে লক্কড়-লক্কড়ঝক্কড় , ঝুঁকিপূর্ণ ও অনুপযোগী যানবাহন চালায় তাদের বিরুদ্ধে শিগগির বিশেষ অভিযান চালানো হবে। স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে এ অভিযান হবে। এতে জরিমানা, যানবাহন ডাম্পিং-এ পাঠানোর মতো কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।