?> অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন

কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন করেছে পুলিশ সুপারের কার্যালয়।

পরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা মামলাটি তদন্ত করবেন বলে শুক্রবার রাতে জানিয়েছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান।

এ মামলার তদন্ত শুরু করেছিলেন সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলাম।

শুক্রবার সাইফুল ইসলাম বলেন, মামলাটি এখন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব আহমেদ তদন্ত করবেন। আজকালের মধ্যে মামলার যাবতীয় নথি হস্তান্তর করা হবে।

নতুন দায়িত্ব পাওয়া রাজিব আহমেদ বলেন, পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের আদেশ হয়েছে। নথিপত্র পাওয়ার পর তদন্ত কাজ শুরু হবে।

“আশা করি, তদন্তের পর দ্রুততম সময়ে আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করতে পারব।”

গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকালে নিখোঁজ হয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের শিক্ষক নাহিদা বেগমের ছেলে অপ্রতিম। সে কোটবাড়ী এলাকায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত।

১৯ সেপ্টেম্বর লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

লাশ উদ্ধারের পরের দিন পুলিশ দাবি করে, অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা আইফোন ছিনিয়ে নিতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।

অপ্রতিম হত্যা মামলায় বাদী হয়েছেন তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।

এ মামলায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।

অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় বাকি দুজনকে পাঠানো হয়েছে গাজীপুর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে।

নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪: পরিচয় মিলল ৯ জনের, তদন্ত কমিটি গঠন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৬

নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪: পরিচয় মিলল ৯ জনের, তদন্ত কমিটি গঠন

নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৯ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার সময় নাটোর-পাবনা মহাসড়কের পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে ঘটে এই দুর্ঘটনা। এ সময় ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

নিহতদের মধ্যে পরিচয় শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার কনোপাড়া গ্রামের বাবর আলীর ছেলে আনোয়ার হক (৩০), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের মেয়ে তাছফিয়া খাতুন (৮), শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার কাজীরহাট গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে সোহাগ হোসেন (৩০), একই উপজেলার বড়কান্দি গ্রামের জহুর উদ্দিনের ছেলে জুয়েল রানা (৪০), ডুবিসাহেবের গ্রামের জাহান উদ্দিন মোল্লার ছেলে শালাল মোল্লা (৪৫), কাজীরহাট গ্রামের শাহিন হোসেন (২৫), জাজিরা উপজেলার সামাদ (৭০), কাশেম (৩৫) ও জহুর উদ্দিন। এ ছাড়া বাসটির চালক রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ফরহাদপুর গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে সোহেল রানা (৪০) নিহত হয়েছেন।

বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম হোসেন জানান, আরপি পরিবহনের বাসটি বরগুনা থেকে যাত্রী নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে, পঞ্চগড় থেকে বালু নিয়ে একটি ট্রাক যাচ্ছিল ঝিনাইদহের দিকে। ভোরে সরকারপাড়া এলাকায় পৌঁছালে যানবাহন দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এসআই শামীম হোসেন বলেন, ট্রাকটি মহাসড়কের বাম পাশের লেন দিয়ে চলছিল। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দ্রুতগতিতে চলা বাসটি অন্য একটি যানবাহনকে ওভারটেক করার সময় ট্রাকটির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।


কুমিল্লা সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেবে বিএসএফ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

কুমিল্লা সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেবে বিএসএফ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশের পর আটক দুই পুলিশ সদস্যকে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিবির কুমিল্লা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রকিবুল হাসান।শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজার সার্বজনীন কেন্দ্রীয় কালীমন্দিরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

কর্নেল রকিবুল হাসান বলেন, দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের দুই সদস্য ভুলবশত ভারতের অভ্যন্তরে চলে গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে কথা হয়েছে। দুই দেশের অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে মাদকবিরোধী অভিযানে যায় ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের একটি দল। এ সময় পুলিশকে দেখে এক মাদক কারবারি পালানোর চেষ্টা করলে কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান তাকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে সীমান্তের ওপারে ভারতীয় নাগরিকেরা তাকে আটক করেন।

পরে দলের ইনচার্জ এএসআই ইমরান হোসেন তাকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে তাকেও আটক করা হয়। এরপর ঘটনাস্থলে থাকা বিএসএফ সদস্যদের ডেকে তাদের হাতে দুই পুলিশ সদস্যকে তুলে দেওয়া হয়।

এর আগে ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর একই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করায় র‍্যাব-১১-এর তিন সদস্য ও দুই সোর্সকে ভারতীয় নাগরিকেরা আটক করেছিলেন। পরে তাদের বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দুই দেশের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।


নজর কাড়ছে ৭৬ কেজির ছাগল, খামারে দর্শনার্থীদের ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

নজর কাড়ছে ৭৬ কেজির ছাগল, খামারে দর্শনার্থীদের ভিড়

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে সাতক্ষীরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে তিনটি বিশাল আকৃতির ছাগল। দূর থেকে দেখে মনে হয় ছোটখাটো ঘোড়া। কিন্তু কাছে যেতেই বোঝা যায়, এগুলো ঘোড়া নয়, ছাগল। একেকটির ওজন ৫৪ থেকে ৭৬ কেজি। বিশাল আকৃতির ছাগলগুলো ইতিমধ্যে এলাকার মানুষের নজর কেড়েছে। এগুলো এখন সাতক্ষীরার ঈদবাজারের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকার আমিরুল ইসলামের খামারে বেড়ে ওঠা ছাগলগুলো দেখতে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছেন, কেউ–বা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ঈদকে সামনে রেখে জেলার বিভিন্ন খামারে কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হলেও আমিরুলের ছাগল তিনটি আলাদা করেই নজর কেড়েছে।

খামারের মালিক আমিরুল ইসলাম পেশায় একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। দীর্ঘ ২২ বছর ধরে বিদেশি জাহাজে কাজ করছেন। ছুটিতে দেশে এসে প্রায় ৬ বছর আগে শখের বশে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে ১টি পুরুষ ছাগল এবং ১২ হাজার টাকা করে ২টি মাদি ছাগল কিনে খামার শুরু করেন। ধীরে ধীরে সেই ছোট উদ্যোগ এখন বড় পরিসরে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে তাঁর আট বিঘা জমিতে গাছপালা, মাছের পুকুর ও কবুতরের খামারের পাশাপাশি ছাগলের খামারে ৩৮টি ছাগল আছে। আর দেড় বিঘা জমিতে ছাগলের খাবারের জন্য নেপিয়ার ঘাস চাষ করছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে আমিরুলের খামারে গিয়ে দেখা যায়, কালো, খয়েরি ও সাদা রঙের বড় তিনটি ছাগল। তাদের পরিচ্ছন্ন আলাদা ঘরে রাখা হয়েছে। দুপুর হলেই গোসল করানো হয়। নির্দিষ্ট সময়ে দেওয়া হয় খাবার। দেখে মনে হয়, যেন পরিবারের সদস্য।

আমিরুল ইসলাম জানান, ঈদুল আজহা সামনে রেখে তিন বছর ধরে বিশেষভাবে কয়েকটি বড় ছাগল প্রস্তুত করেছেন। এবার করেছেন তিনটি ছাগল। এর মধ্যে সাদা ছাগলটির ওজন ৭৬ কেজি, খয়েরিটি ৬৪ কেজি এবং কালোটির ওজন ৫৪ কেজি। তিনজন কর্মচারী সার্বক্ষণিক এগুলোর দেখভাল করেন। গোসল করানো থেকে শুরু করে খাওয়ানো—সবকিছুতেই বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। প্রতিদিন তিনবার বিশেষ খাবার (ভুসি, কুঁড়া, পালিশ, সয়াবিন খইল ও তাজা ঘাস) দেওয়া হয়। প্রতিদিন তিনটি ছাগলের খাবারের জন্য প্রায় ৩০০ টাকা খরচ হয়।

জীবন্ত অবস্থায় ওজন করে প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে ছাগলগুলো বিক্রি করতে চান আমিরুল ইসলাম। ইতিমধ্যে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু খয়েরি রঙের ছাগলটি কিনে নিয়েছেন। প্রতি কেজি ৭০০ টাকা করে দাম পড়েছে ৪৪ হাজার ৮০০ টাকা। তবে ছাগলটি তিনি এখনো নিয়ে যাননি।

প্রায় দুই মণ ওজনের ছাগল দেখতে আমিরুলের খামারে ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘ফেসবুকে ভিডিও দেখে এসেছি। সরাসরি দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি। এত বড় ছাগল আমাদের দিকে খুব একটা দেখা মেলে না।’ কলেজছাত্র শাওন হোসেন বলেন, ‘ছাগলগুলো শুধু বড়ই নয়, খুব সুন্দর। দেখলে মায়ায় জড়িয়ে যেতে হয়। দেখলেই বোঝা যায়, খুব যত্ন নেওয়া হয়।’

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের উপসহকারী কর্মকর্তা সালাউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, দেশে সাধারণত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করেন সবাই। তবে কেউ কেউ ক্রস জাতের ছাগল পালন করছেন। এই জাতের ছাগল অনেক বড় হয়। খরচ ও পরিশ্রম একটু বেশি হলেও এ ধরনের ছাগলের প্রচুর চাহিদা আছে।