?> নজর কাড়ছে ৭৬ কেজির ছাগল, খামারে দর্শনার্থীদের ভিড় | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

নজর কাড়ছে ৭৬ কেজির ছাগল, খামারে দর্শনার্থীদের ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে ২০২৬

নজর কাড়ছে ৭৬ কেজির ছাগল, খামারে দর্শনার্থীদের ভিড়

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে সাতক্ষীরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে তিনটি বিশাল আকৃতির ছাগল। দূর থেকে দেখে মনে হয় ছোটখাটো ঘোড়া। কিন্তু কাছে যেতেই বোঝা যায়, এগুলো ঘোড়া নয়, ছাগল। একেকটির ওজন ৫৪ থেকে ৭৬ কেজি। বিশাল আকৃতির ছাগলগুলো ইতিমধ্যে এলাকার মানুষের নজর কেড়েছে। এগুলো এখন সাতক্ষীরার ঈদবাজারের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকার আমিরুল ইসলামের খামারে বেড়ে ওঠা ছাগলগুলো দেখতে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছেন, কেউ–বা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ঈদকে সামনে রেখে জেলার বিভিন্ন খামারে কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হলেও আমিরুলের ছাগল তিনটি আলাদা করেই নজর কেড়েছে।

খামারের মালিক আমিরুল ইসলাম পেশায় একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। দীর্ঘ ২২ বছর ধরে বিদেশি জাহাজে কাজ করছেন। ছুটিতে দেশে এসে প্রায় ৬ বছর আগে শখের বশে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে ১টি পুরুষ ছাগল এবং ১২ হাজার টাকা করে ২টি মাদি ছাগল কিনে খামার শুরু করেন। ধীরে ধীরে সেই ছোট উদ্যোগ এখন বড় পরিসরে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে তাঁর আট বিঘা জমিতে গাছপালা, মাছের পুকুর ও কবুতরের খামারের পাশাপাশি ছাগলের খামারে ৩৮টি ছাগল আছে। আর দেড় বিঘা জমিতে ছাগলের খাবারের জন্য নেপিয়ার ঘাস চাষ করছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে আমিরুলের খামারে গিয়ে দেখা যায়, কালো, খয়েরি ও সাদা রঙের বড় তিনটি ছাগল। তাদের পরিচ্ছন্ন আলাদা ঘরে রাখা হয়েছে। দুপুর হলেই গোসল করানো হয়। নির্দিষ্ট সময়ে দেওয়া হয় খাবার। দেখে মনে হয়, যেন পরিবারের সদস্য।

আমিরুল ইসলাম জানান, ঈদুল আজহা সামনে রেখে তিন বছর ধরে বিশেষভাবে কয়েকটি বড় ছাগল প্রস্তুত করেছেন। এবার করেছেন তিনটি ছাগল। এর মধ্যে সাদা ছাগলটির ওজন ৭৬ কেজি, খয়েরিটি ৬৪ কেজি এবং কালোটির ওজন ৫৪ কেজি। তিনজন কর্মচারী সার্বক্ষণিক এগুলোর দেখভাল করেন। গোসল করানো থেকে শুরু করে খাওয়ানো—সবকিছুতেই বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। প্রতিদিন তিনবার বিশেষ খাবার (ভুসি, কুঁড়া, পালিশ, সয়াবিন খইল ও তাজা ঘাস) দেওয়া হয়। প্রতিদিন তিনটি ছাগলের খাবারের জন্য প্রায় ৩০০ টাকা খরচ হয়।

জীবন্ত অবস্থায় ওজন করে প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে ছাগলগুলো বিক্রি করতে চান আমিরুল ইসলাম। ইতিমধ্যে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু খয়েরি রঙের ছাগলটি কিনে নিয়েছেন। প্রতি কেজি ৭০০ টাকা করে দাম পড়েছে ৪৪ হাজার ৮০০ টাকা। তবে ছাগলটি তিনি এখনো নিয়ে যাননি।

প্রায় দুই মণ ওজনের ছাগল দেখতে আমিরুলের খামারে ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘ফেসবুকে ভিডিও দেখে এসেছি। সরাসরি দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি। এত বড় ছাগল আমাদের দিকে খুব একটা দেখা মেলে না।’ কলেজছাত্র শাওন হোসেন বলেন, ‘ছাগলগুলো শুধু বড়ই নয়, খুব সুন্দর। দেখলে মায়ায় জড়িয়ে যেতে হয়। দেখলেই বোঝা যায়, খুব যত্ন নেওয়া হয়।’

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের উপসহকারী কর্মকর্তা সালাউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, দেশে সাধারণত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করেন সবাই। তবে কেউ কেউ ক্রস জাতের ছাগল পালন করছেন। এই জাতের ছাগল অনেক বড় হয়। খরচ ও পরিশ্রম একটু বেশি হলেও এ ধরনের ছাগলের প্রচুর চাহিদা আছে।

নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফ হত্যায় যুবক গ্রেপ্তার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফ হত্যায় যুবক গ্রেপ্তার

নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ হত্যা মামলায় অপূর্ব নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

অভিযান চালিয়ে শনিবার (১৭ অক্টোবর) মধ্যরাতে পুরাতন সিনেমা হল রোড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার সাজেবুল ইসলাম অপূর্ব (২৩) দুর্গাপুর পৌরশহরের উকিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা শমসের আলীর ছেলে। অপূর্ব দুর্গাপুরের অন্যতম সন্ত্রাসী তাজুল ইসলামের সহযোগী বলে নিশ্চিত করেছেন দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার সাকের আহমেদ।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় তেলনজিয়া গ্রামে বাড়ির পাশে দোকানে সাংবাদিক আলিফকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া আটটার দিকে দুর্গাপুর পৌরসভার শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের কিছুটা ভেতরে তেলনজিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।


নিহত সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির আইপিটিভি (ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন) চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামের একটি ফেসবুক পেজ চালাতেন। সেখানে বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধের বিষয়ে লেখালেখি করতেন। তার গ্রামের বাড়ি জেলার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের সুনই গ্রামে।


মকসুদপুরে পৃথক ঘটনায় নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মকসুদপুরে পৃথক ঘটনায় নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে একই দিনে পৃথক ঘটনায় এক নারী ও এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করেছে মুকসুদপুর থানা পুলিশ।

বুধবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার রাঘদী ইউনিয়নের ছাগলছিড়া এলাকায় নিজ বসতঘরের জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় শীতল মোল্লা (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার জহির মোল্লার ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের মধ্যে কোনো একসময় শীতল মোল্লা নিজ ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে গামছা দিয়ে জানালার গ্রিলের সঙ্গে ফাঁস দেন। পরে স্বজনরা সিন্দিয়াঘাট তদন্ত কেন্দ্রে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় ঘরের দরজা খুলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। 

পরে গামছা কেটে মরদেহ নিচে নামানো হয়। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে।

অন্যদিকে, একই দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বহুগ্রাম ইউনিয়নের ছোট তারাইল এলাকায় নিজ বসতঘরে কীটনাশক পান করে নমিতা বর (৬০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। 

তিনি রাধা বরের স্ত্রী। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নমিতা বর দীর্ঘদিন ধরে পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। খবর পেয়ে মুকসুদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।

মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পৃথক স্থান থেকে নারী ও পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।


মোহনগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০২৬

মোহনগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ফজলুর রহিম কাজল (৫১) নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে মোহনগঞ্জ পুলিশ। শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ১নং বড়কাশিয়া ইউনিয়নের বিরামপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানের একটি গাছ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, নিহত অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ফজলুর রহিম কাজলের বাড়ি পার্শ্ববর্তী সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের মরহুম জবান আলীর ছেলে। পরিবার সূত্র জানায়, গত ৭ অক্টোবর থেকে ফজলুর রহিম কাজল নিখোঁজ ছিলেন। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা তার সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করেন।

নিখোঁজ হওয়ার পর অপরিচিত একটি ফোন নম্বর থেকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় গত ৭ অক্টোবর ধর্মপাশা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে শুক্রবার সকালে বিরামপুর গ্রামের মোঃ দুলাল মিয়ার বাবা মরহুম মোহাম্মদ আলীর কবরস্থানে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ দেখতে পান। তারপর স্থানীয় লোকজনের কাছে ঝুলন্ত লাশের কথা বলেন। পরে থানায় খবর দেয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং লাশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। খবর পেয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে লাশ শনাক্ত করেন। মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, ফজলুর রহিম কাজলের পরিবারের সদস্যদের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। নিখোঁজ হওয়ার পর মুক্তিপণ দাবির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তবে এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজনেরা।