?> মকসুদপুরে পৃথক ঘটনায় নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

মকসুদপুরে পৃথক ঘটনায় নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মকসুদপুরে পৃথক ঘটনায় নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে একই দিনে পৃথক ঘটনায় এক নারী ও এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করেছে মুকসুদপুর থানা পুলিশ।

বুধবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার রাঘদী ইউনিয়নের ছাগলছিড়া এলাকায় নিজ বসতঘরের জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় শীতল মোল্লা (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার জহির মোল্লার ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের মধ্যে কোনো একসময় শীতল মোল্লা নিজ ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে গামছা দিয়ে জানালার গ্রিলের সঙ্গে ফাঁস দেন। পরে স্বজনরা সিন্দিয়াঘাট তদন্ত কেন্দ্রে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় ঘরের দরজা খুলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। 

পরে গামছা কেটে মরদেহ নিচে নামানো হয়। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে।

অন্যদিকে, একই দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বহুগ্রাম ইউনিয়নের ছোট তারাইল এলাকায় নিজ বসতঘরে কীটনাশক পান করে নমিতা বর (৬০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। 

তিনি রাধা বরের স্ত্রী। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নমিতা বর দীর্ঘদিন ধরে পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। খবর পেয়ে মুকসুদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।

মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পৃথক স্থান থেকে নারী ও পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সবুজ অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ মে, ২০২৬

পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সবুজ অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে সৌরশক্তি উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি ও আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের প্রতীক সংসদে এ কার্যক্রম প্রমাণ করে নেতৃত্ব কেবল নীতিতে নয়, কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয়। জলবায়ুর কষাঘাতে জর্জরিত বাংলাদেশ, তাই পরিবেশবান্ধব জ্বালানির বিকল্প নেই।

রোববার (২৪ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে ‘নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ অন-গ্রিড রুফটপ’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জাতীয় সংসদের ছাদে এই সৌরশক্তি ব্যবস্থা উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে বাংলাদেশ বিশ্বের একটি ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। সেজন্য টেকসই জ্বালানির পথে অগ্রসর হওয়া পরিবেশগত দায়বদ্ধতা নয়, বরং এটি অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ। সৌরশক্তি সেই সম্ভাবনার একটি উজ্জ্বল দিক। দেশের প্রতিটি নাগরিক যদি এই পরিবেশবান্ধব জ্বালানি অভিযাত্রায় অংশ নেয়, তবে খুব দ্রুত বাংলাদেশ একটি সবুজ এবং টেকসই উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি মন্তব্য করেন, বিরোধী দল এখন মানা করলেও শেষ পর্যন্ত সংবিধান সংশোধন কমিটিতে তারা আসবেই। 

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের হুইপবৃন্দ, সংসদ সদস্য, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সদস্যবৃন্দ এবং জাতীয় সংসদে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।


কুমিল্লা সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেবে বিএসএফ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

কুমিল্লা সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেবে বিএসএফ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশের পর আটক দুই পুলিশ সদস্যকে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিবির কুমিল্লা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রকিবুল হাসান।শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজার সার্বজনীন কেন্দ্রীয় কালীমন্দিরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

কর্নেল রকিবুল হাসান বলেন, দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের দুই সদস্য ভুলবশত ভারতের অভ্যন্তরে চলে গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে কথা হয়েছে। দুই দেশের অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে মাদকবিরোধী অভিযানে যায় ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের একটি দল। এ সময় পুলিশকে দেখে এক মাদক কারবারি পালানোর চেষ্টা করলে কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান তাকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে সীমান্তের ওপারে ভারতীয় নাগরিকেরা তাকে আটক করেন।

পরে দলের ইনচার্জ এএসআই ইমরান হোসেন তাকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে তাকেও আটক করা হয়। এরপর ঘটনাস্থলে থাকা বিএসএফ সদস্যদের ডেকে তাদের হাতে দুই পুলিশ সদস্যকে তুলে দেওয়া হয়।

এর আগে ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর একই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করায় র‍্যাব-১১-এর তিন সদস্য ও দুই সোর্সকে ভারতীয় নাগরিকেরা আটক করেছিলেন। পরে তাদের বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দুই দেশের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।


স্কুল ফিডিং প্রকল্পে ‘সাগর চুরি’, সপ্তাহে কলা-ডিমেই লোপাট ১৭ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৬

স্কুল ফিডিং প্রকল্পে ‘সাগর চুরি’, সপ্তাহে কলা-ডিমেই লোপাট ১৭ কোটি টাকা

সারাদেশে প্রায় ১৫০ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক স্কুল ফিডিং প্রকল্পটি চলছে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর থেকে। প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে বর্তমানে ৫ প্রকার খাবার দেওয়া হচ্ছে শিশুদের। তালিকায় রয়েছে, ডিম, বানরুটি, দুধ, কলা ও বিস্কুট। তবে অভিযোগ উঠেছে এই প্রকল্পে শিশুদের নিম্নমানের খাবার দেওয়া হচ্ছে। ১১ উপজেলায় যমুনা টেলিভিশনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সপ্তাহে কলা ও ডিম-বানরুটি থেকেই লোপাট হচ্ছে ১৭ কোটি টাকা। নিম্নমানের এসব খাবার খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে শিশুরা।

স্কুল ফিডিং প্রকল্পের খাবার খেয়ে দুই দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিল শিশু রাইসা মুনতাহা। সে জানায়, তার পেট ব্যথা করছিল। এছাড়াও তার ভাষ্যমতে, ওসব খাবার সব কেমিক্যাল।

রাইসার মিডডে মিল খাবারের ভয় এখনও কাটেনি। তেমনি তার মা জান্নাতুল সন্তানকে নিয়ে শঙ্কিত। তিনি বলেন, বিষাক্ত খাবার দিয়ে আমার লাভ কী? লাভ নেই। আর বাচ্চাদের যদি কিছু হয়ে যায়, তাহলে কী করবো? কে দেবে আমাকে বাচ্চা?

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার থুপশাড়ের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবারে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, মিডডে মিলের বানরুটিতে ফাঙ্গাস জমেছে। এর ফলে খাবার থেকে গন্ধ বের হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিয়াউল হক জানান, এমন ঘটনা নিয়মিতই ঘটে। আজ পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

একই চিত্র দেখা যায়, জেলার কালাই উপজেলার তেলিহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও। বিদ্যালয়টির শিক্ষক জানান, এই রুটি খেলে পেটে ব্যথা হবে।

১২০ গ্রাম ওজনের বান রুটির দাম ধরা হয়েছে ২৪ টাকা পর্যন্ত। এমনকি ওজন ঠিক রাখতে ভিজিয়ে রাখা হয়েছে রুটি।

আশেপাশের আরও কয়েকটি জেলা ঘুরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রুটির ভেতরের বাতাস থেকে এক ধরনের দুর্গন্ধ বের হয়, যা খাওয়ার অযোগ্য করে তোলে। তাই শিশুরা অনেক সময়ই সেটা ফেলে দেয়।

তবে নিয়ম অনুযায়ী ডিম দিতে হবে ন্যূনতম ৬০ গ্রাম ওজনের। প্রতি পিসের দাম ১৪ টাকা পর্যন্ত। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, একেকটি ডিমের ওজন ৩৫ কিংবা ৪০ গ্রামের বেশি নয়।

৬০ গ্রাম না দিয়ে কম ওজনের ডিম দেওয়া হচ্ছে, জানতে পাবনার একটি খামারে গেলে একজন জানান, ছোট ডিমে এক টাকা কম লাগে। তিনি আরও জানান, ৫৫ গ্রামের ডিমগুলো বড় ক্যাটাগরিতে পড়ে, দামও বেশি।

এসব কারণেই প্রতিদিন ২৯ লাখ ৫৮ হাজার ৭৫০ জন শিক্ষার্থীর বাজেটে এক টাকা কম করেও দেওয়া হলে সারা বাংলাদেশে প্রতিদিন নিয়মবহির্ভূতভাবে কর্মকর্তাদের পকেটে ঢুকবে লাখ টাকা, সপ্তাহে কোটি টাকা।

শুধু কম ওজন আর দামে সস্তা নয়, ঠিকঠাক সিদ্ধ না করা আর পচা ডিম সরবরাহের অভিযোগও আছে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্যমতে, এই ডিম খাওয়া যায় না, তেমনি পচাও থাকে।

এদিকে, শিক্ষার্থীরা জানায়, কলার মাঝের অংশ অনেক সময় খারাপ থাকে। এ বিষয়ে এক শিক্ষক বলেন, অভিভাবকরা অভিযোগ করছেন, এই কলা যদি খাওয়ানো হয়, তাহলে আগে বাচ্চার কাশির ওষুধ কিনে দিতে হবে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা এসব কলা খেতে পারছে না। তাদের ভাষ্যমতে, কলা শক্ত, এটি না পাকায় তাদের কাছে কস লাগে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের গিয়ে এক স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, কলার ওজন ৯০ গ্রাম। তবে সেখানে ১০০ গ্রাম ওজনের কলা দেওয়ার কথা ছিল সরবরাহকারীদের। চুক্তি অনুযায়ী ১০০ গ্রাম ওজনের প্রতিটি কলার দাম সাড়ে ১০ টাকা পর্যন্ত।

দাম যাচাইয়ে উত্তরাঞ্চলের কলার অন্যতম হাট দুর্গাদহ বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একেকটি কলার দাম পড়ে ৩ থেকে সাড়ে ৩ টাকা। এমনকি ওজনভেদেও দামের তারতম্য দেখা যায়।

কলার বাজেটে শিক্ষার্থীর জন্য প্রতি কলায় ৭ টাকা বরাদ্দ থাকলে, সেই হিসাবে প্রতি সপ্তাহে অসাধু কর্মকর্তাদের পকেটে প্রায় দুই কোটি টাকা ঢুকছে।

এসব নিম্নমানের কলা, রুটি, ডিম খেয়ে বিভিন্ন স্থানে অসুস্থ হয়েছেন তিন শতাধিক শিক্ষার্থী। তবে সবচেয়ে বেশি অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

গত ২২ এপ্রিল চাঁপাইনবাবগঞ্জের শঙ্করবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একসঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়েন ২০ জন শিক্ষার্থী। তারা জানান, পাউরুটি খেয়ে পেট ব্যথা এবং বমি হয়েছিল।

শুধু রাজশাহী বিভাগের ১২ উপজেলায় পৌনে দুই লাখ শিক্ষার্থীর জন্য কলা, রুটি, ডিম সরবরাহ করে গণউন্নয়ন সংস্থা গাক। একজন বলেন, গণনায় ধরলে ২২ হাজার ডিম আসে। এত ডিম কি চেক করে দেওয়া সম্ভব?

প্রকল্প পরিচালক বলেন, ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অ্যাকশন আমাদের নিতে হবে। কারণ আসলে কোমলমতি বাচ্চাদের এই খাবারের বিষয়ে আমরা কোনো প্রকার ছাড় দিতে রাজি নই।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, উপাদানগুলো যদি ক্ষতিকর হয়, তাহলে তা শিশুদের লিভারের ক্ষতির কারণ হতে পারে। আর যদি তা বাসি বা পচা হয়, তবে ডায়রিয়া, জন্ডিস, হেপাটাইটিস-এ ও ই হতে পারে।

সার্বিক বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে অবহিত করলে তিনি বলেন, এখন থেকে প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজমেন্ট কমিটি খাবার কমিটিতে থাকবে, তারা বিষয়টি বুঝে নেবে, এমনই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, স্কুল ফিডিং প্রকল্পে আগামীতে দেশের সরকারি সব প্রাথমিকে খাবার দিতে ১২ হাজার কোটি টাকা খরচ করতে চায় সরকার।