?> লক্ষ্মীপুরে উৎসব মুখর পরিবেশে চলছে বাজুস জেলা শাখার নির্বাচন | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

লক্ষ্মীপুরে উৎসব মুখর পরিবেশে চলছে বাজুস জেলা শাখার নির্বাচন

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে উৎসব মুখর পরিবেশে চলছে বাজুস জেলা শাখার নির্বাচন

লক্ষ্মীপুর: বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস) লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার নির্বাচন উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২৪ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে নয়টা থেকে ভোট গ্রহন শুরু হয়ে বিকেলে ৪ টা পর্যন্ত চলবে। শহরের চাইনি রেষ্টুরেন্টে এই কার্যক্রম চলছে।


 নির্বাচনে মোট ২৫ পদের মধ্যে ১৭ পদে প্রতিদ্বন্দীতা চলছে। সভাপতি পদে ২ জন, সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারী পদে ২ জন এবং সদস্য পদে ১৭ জন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ১ জন, জয়েন্ট সেক্রেটারী পদে ১ জন এবং সদস্য পদে ১৫ নির্বাচিত হবেন। বাকী পদের প্রার্থীরা ইতিমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছে। মোট ১৫৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার কথা রয়েছে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মানিক, সদস্য হিসেবে জেলা সমবায় কার্যালয়ের পরিদর্শক ওমর ফারুক, জ্যোতিময় মজুমদার দায়িত্ব পালন করছেন।


সভাপতি পদে সমীর কর্মকার ভোট দিয়ে সাংবাদিকদের জানান, অত্যান্ত উৎসব মুখর পরিবেশে এই নির্বাচনের ভোট গ্রহন চলছে। তিনি বলেন ভোট দিতে ভোটাররা কেন্দ্র আসছে। সকল মানুষের আনন্দ ও উদ্দিপনা কাজ করছে। 


 নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মানিক জানান, নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ন ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। সকলের সহযোগীতা আমরা এই নির্বাচন শেষ করতে পারবো। তিনি প্রার্থী,ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগীতা চেয়েছেন।

শিক্ষা ও সমাজসেবায় সক্রিয় মিঠু, তাকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

শিক্ষা ও সমাজসেবায় সক্রিয় মিঠু, তাকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ওয়াসেকপুর উচ্চবিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এম এইচ মিঠু। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও উন্নয়নে তার ভূমিকা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে। শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তার।

সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা গুরুত্বপূর্ণ। ওয়াসেকপুর উচ্চবিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মিঠু এসব ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছেন জানিয়েছেন  এলাকাবাসীরা।


শিক্ষার পাশাপাশি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার কথাও তুলে ধরেছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, সামাজিক উন্নয়নে একজন ব্যক্তির অবদান মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তার বাস্তব কর্মকাণ্ড ও জনসম্পৃক্ততাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। 


এদিকে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় পর্যায়ে মিঠুর রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়েও আলোচনা রয়েছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ, এলাকার সমস্যা নিয়ে তার অবস্থান এবং সম্ভাব্য নির্বাচনী কর্মসূচি গুরুত্ব পাবে। 

এ বিষয়ে মিঠু বলেন, আমি যদি উন্নয়নের সুযোগ পাই, এলাকাবাসীর সকল সমস্যা সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিব। আমি মুখের কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী।

অন্যদিকে, মিঠুকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এসব তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, কিছু ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই ছাড়াই নেতিবাচক তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, যা তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

এ বিষয়ে মিঠুর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে যেসকল অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে, এগুলো সম্পূর্ন ভিত্তিহীন, আমি খুব শিগ্রই এসকল অপশক্তির বিরুদ্ধে আইনি মাধ্যমে একশানে যাব।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন, প্রাসঙ্গিক নথিপত্র এবং উভয় পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার স্বার্থে কোনো অভিযোগ বা পাল্টা অভিযোগ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন গণমাধ্যম কর্মীরা।


ফরিদপুর চিনিকল আখচাষী কল্যাণ সংস্থার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ফরিদপুর চিনিকল আখচাষী কল্যাণ সংস্থার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

ফরিদপুরের মধুখালীতে অবস্থিত ফরিদপুর চিনিকল আখচাষী কল্যাণ সংস্থার নির্বাচন-২০২৬-এর তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চিনিকলের প্রশিক্ষণ ভবনে নির্বাহী পরিষদের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ফরিদপুর চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ও নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত ২২ সেপ্টেম্বরের সংশোধিত তফসিল থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার রেজাউল করিম ছাড়াও সদস্য হিসেবে রয়েছেন মধুখালী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কল্লোল সাহা এবং চিনিকলের কৃষি বিভাগের উপসহকারী ইক্ষু উন্নয়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৩ সেপ্টেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা পর্যন্ত খসড়া ভোটার তালিকার বিষয়ে আপত্তি গ্রহণ করা হবে। ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হবে। ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার মধ্যে মনোনয়নপত্র গ্রহণ এবং একই দিন দুপুর ১টায় বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

বৈধ প্রার্থীদের তালিকার বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি থাকলে ৩০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিতভাবে জানাতে হবে। একই দিন শুনানি শেষে দুপুর ১২টার মধ্যে চূড়ান্ত বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে চাইলে ১ অক্টোবর সকাল ১০টার মধ্যে নিজে নির্বাচন কমিশনের সামনে উপস্থিত হয়ে লিখিত আবেদন করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হবে না। ওই দিন বেলা ১২টায় প্রতীক বরাদ্দ এবং বিকেল ৩টায় প্রতীকসহ চূড়ান্ত বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

তফসিল অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর রাত ১২টার পর থেকে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার বন্ধ থাকবে।

নির্বাচনে সভাপতি, সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহসাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ক্রীড়া সম্পাদক এবং ১১ জন নির্বাহী সদস্যসহ মোট ২০টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৬০ জন।

ফরিদপুর চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার রেজাউল করিম জানান, ফরিদপুর চিনিকল আখচাষী কল্যাণ সংস্থার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হবে। কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চিনিকলের প্রশিক্ষণ ভবনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ফরিদপুর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ তারেক ফরহাদ জানান, আখচাষী কল্যাণ সংস্থার সাধারণ পরিষদের গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।


নজর কাড়ছে ৭৬ কেজির ছাগল, খামারে দর্শনার্থীদের ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

নজর কাড়ছে ৭৬ কেজির ছাগল, খামারে দর্শনার্থীদের ভিড়

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে সাতক্ষীরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে তিনটি বিশাল আকৃতির ছাগল। দূর থেকে দেখে মনে হয় ছোটখাটো ঘোড়া। কিন্তু কাছে যেতেই বোঝা যায়, এগুলো ঘোড়া নয়, ছাগল। একেকটির ওজন ৫৪ থেকে ৭৬ কেজি। বিশাল আকৃতির ছাগলগুলো ইতিমধ্যে এলাকার মানুষের নজর কেড়েছে। এগুলো এখন সাতক্ষীরার ঈদবাজারের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকার আমিরুল ইসলামের খামারে বেড়ে ওঠা ছাগলগুলো দেখতে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছেন, কেউ–বা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ঈদকে সামনে রেখে জেলার বিভিন্ন খামারে কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হলেও আমিরুলের ছাগল তিনটি আলাদা করেই নজর কেড়েছে।

খামারের মালিক আমিরুল ইসলাম পেশায় একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। দীর্ঘ ২২ বছর ধরে বিদেশি জাহাজে কাজ করছেন। ছুটিতে দেশে এসে প্রায় ৬ বছর আগে শখের বশে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে ১টি পুরুষ ছাগল এবং ১২ হাজার টাকা করে ২টি মাদি ছাগল কিনে খামার শুরু করেন। ধীরে ধীরে সেই ছোট উদ্যোগ এখন বড় পরিসরে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে তাঁর আট বিঘা জমিতে গাছপালা, মাছের পুকুর ও কবুতরের খামারের পাশাপাশি ছাগলের খামারে ৩৮টি ছাগল আছে। আর দেড় বিঘা জমিতে ছাগলের খাবারের জন্য নেপিয়ার ঘাস চাষ করছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে আমিরুলের খামারে গিয়ে দেখা যায়, কালো, খয়েরি ও সাদা রঙের বড় তিনটি ছাগল। তাদের পরিচ্ছন্ন আলাদা ঘরে রাখা হয়েছে। দুপুর হলেই গোসল করানো হয়। নির্দিষ্ট সময়ে দেওয়া হয় খাবার। দেখে মনে হয়, যেন পরিবারের সদস্য।

আমিরুল ইসলাম জানান, ঈদুল আজহা সামনে রেখে তিন বছর ধরে বিশেষভাবে কয়েকটি বড় ছাগল প্রস্তুত করেছেন। এবার করেছেন তিনটি ছাগল। এর মধ্যে সাদা ছাগলটির ওজন ৭৬ কেজি, খয়েরিটি ৬৪ কেজি এবং কালোটির ওজন ৫৪ কেজি। তিনজন কর্মচারী সার্বক্ষণিক এগুলোর দেখভাল করেন। গোসল করানো থেকে শুরু করে খাওয়ানো—সবকিছুতেই বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। প্রতিদিন তিনবার বিশেষ খাবার (ভুসি, কুঁড়া, পালিশ, সয়াবিন খইল ও তাজা ঘাস) দেওয়া হয়। প্রতিদিন তিনটি ছাগলের খাবারের জন্য প্রায় ৩০০ টাকা খরচ হয়।

জীবন্ত অবস্থায় ওজন করে প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে ছাগলগুলো বিক্রি করতে চান আমিরুল ইসলাম। ইতিমধ্যে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু খয়েরি রঙের ছাগলটি কিনে নিয়েছেন। প্রতি কেজি ৭০০ টাকা করে দাম পড়েছে ৪৪ হাজার ৮০০ টাকা। তবে ছাগলটি তিনি এখনো নিয়ে যাননি।

প্রায় দুই মণ ওজনের ছাগল দেখতে আমিরুলের খামারে ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘ফেসবুকে ভিডিও দেখে এসেছি। সরাসরি দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি। এত বড় ছাগল আমাদের দিকে খুব একটা দেখা মেলে না।’ কলেজছাত্র শাওন হোসেন বলেন, ‘ছাগলগুলো শুধু বড়ই নয়, খুব সুন্দর। দেখলে মায়ায় জড়িয়ে যেতে হয়। দেখলেই বোঝা যায়, খুব যত্ন নেওয়া হয়।’

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের উপসহকারী কর্মকর্তা সালাউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, দেশে সাধারণত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করেন সবাই। তবে কেউ কেউ ক্রস জাতের ছাগল পালন করছেন। এই জাতের ছাগল অনেক বড় হয়। খরচ ও পরিশ্রম একটু বেশি হলেও এ ধরনের ছাগলের প্রচুর চাহিদা আছে।