?> লক্ষ্মীপুরে ২২ ভরি স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৩ | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

লক্ষ্মীপুরে ২২ ভরি স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৩

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে ২২ ভরি স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৩

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে চারটি জুয়েলারি দোকান থেকে প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যবসায়ী রণজিত পালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার স্ত্রী উর্মি পাল ও সহযোগী শিতল পালকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার রাতে রাজধানীর এনায়েতগঞ্জ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী।

গ্রেপ্তার রণজিত পাল লক্ষ্মীপুর বাজারের স্বর্ণকার সড়কের পাল শিল্পালয়ের স্বত্বাধিকারী। তার স্ত্রী উর্মি পাল এবং সহযোগী শিতল পাল। রণজিত পরিবার নিয়ে শহরের শাঁখারিপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে, রণজিত পাল প্রায় ৩০ বছর ধরে লক্ষ্মীপুর বাজারে স্বর্ণের ব্যবসা করে আসছেন। বাজারের অন্যান্য স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক ছিল। ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে গহনা এনে গ্রাহকদের দেখানো এবং বিক্রির প্রচলন রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ সেপ্টেম্বর সকালে রণজিত পাল লক্ষ্মীপুর শহরের চারটি জুয়েলারি দোকান থেকে গ্রাহকদের দেখানোর কথা বলে প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যান। তবে দুপুরের পরও তিনি স্বর্ণালংকারগুলো ফেরত দেননি। তার নিজের দোকান খোলা থাকলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে তার ভাড়া বাসাতেও গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানতে পারেন, রণজিত তার পরিবারসহ লক্ষ্মীপুর ছেড়ে পালিয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের একজন তমা শিল্পালয়ের পলাশ কুরী বলেন, স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় রণজিত পালের বিরুদ্ধে তিনি লিখিত অভিযোগ করেছেন। পরে পুলিশ রণজিত পাল, তার স্ত্রী উর্মি পাল ও সহযোগী শিতল পালকে গ্রেপ্তার করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী বলেন, প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণ নিয়ে রণজিত পাল ও তার সহযোগীরা ঢাকার এনায়েতগঞ্জ এলাকায় একটি বাসা ভাড়া করে অবস্থান করছিলেন। গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে স্বর্ণালংকারগুলোও উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নজর কাড়ছে ৭৬ কেজির ছাগল, খামারে দর্শনার্থীদের ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

নজর কাড়ছে ৭৬ কেজির ছাগল, খামারে দর্শনার্থীদের ভিড়

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে সাতক্ষীরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে তিনটি বিশাল আকৃতির ছাগল। দূর থেকে দেখে মনে হয় ছোটখাটো ঘোড়া। কিন্তু কাছে যেতেই বোঝা যায়, এগুলো ঘোড়া নয়, ছাগল। একেকটির ওজন ৫৪ থেকে ৭৬ কেজি। বিশাল আকৃতির ছাগলগুলো ইতিমধ্যে এলাকার মানুষের নজর কেড়েছে। এগুলো এখন সাতক্ষীরার ঈদবাজারের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকার আমিরুল ইসলামের খামারে বেড়ে ওঠা ছাগলগুলো দেখতে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছেন, কেউ–বা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ঈদকে সামনে রেখে জেলার বিভিন্ন খামারে কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হলেও আমিরুলের ছাগল তিনটি আলাদা করেই নজর কেড়েছে।

খামারের মালিক আমিরুল ইসলাম পেশায় একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। দীর্ঘ ২২ বছর ধরে বিদেশি জাহাজে কাজ করছেন। ছুটিতে দেশে এসে প্রায় ৬ বছর আগে শখের বশে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে ১টি পুরুষ ছাগল এবং ১২ হাজার টাকা করে ২টি মাদি ছাগল কিনে খামার শুরু করেন। ধীরে ধীরে সেই ছোট উদ্যোগ এখন বড় পরিসরে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে তাঁর আট বিঘা জমিতে গাছপালা, মাছের পুকুর ও কবুতরের খামারের পাশাপাশি ছাগলের খামারে ৩৮টি ছাগল আছে। আর দেড় বিঘা জমিতে ছাগলের খাবারের জন্য নেপিয়ার ঘাস চাষ করছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে আমিরুলের খামারে গিয়ে দেখা যায়, কালো, খয়েরি ও সাদা রঙের বড় তিনটি ছাগল। তাদের পরিচ্ছন্ন আলাদা ঘরে রাখা হয়েছে। দুপুর হলেই গোসল করানো হয়। নির্দিষ্ট সময়ে দেওয়া হয় খাবার। দেখে মনে হয়, যেন পরিবারের সদস্য।

আমিরুল ইসলাম জানান, ঈদুল আজহা সামনে রেখে তিন বছর ধরে বিশেষভাবে কয়েকটি বড় ছাগল প্রস্তুত করেছেন। এবার করেছেন তিনটি ছাগল। এর মধ্যে সাদা ছাগলটির ওজন ৭৬ কেজি, খয়েরিটি ৬৪ কেজি এবং কালোটির ওজন ৫৪ কেজি। তিনজন কর্মচারী সার্বক্ষণিক এগুলোর দেখভাল করেন। গোসল করানো থেকে শুরু করে খাওয়ানো—সবকিছুতেই বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। প্রতিদিন তিনবার বিশেষ খাবার (ভুসি, কুঁড়া, পালিশ, সয়াবিন খইল ও তাজা ঘাস) দেওয়া হয়। প্রতিদিন তিনটি ছাগলের খাবারের জন্য প্রায় ৩০০ টাকা খরচ হয়।

জীবন্ত অবস্থায় ওজন করে প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে ছাগলগুলো বিক্রি করতে চান আমিরুল ইসলাম। ইতিমধ্যে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু খয়েরি রঙের ছাগলটি কিনে নিয়েছেন। প্রতি কেজি ৭০০ টাকা করে দাম পড়েছে ৪৪ হাজার ৮০০ টাকা। তবে ছাগলটি তিনি এখনো নিয়ে যাননি।

প্রায় দুই মণ ওজনের ছাগল দেখতে আমিরুলের খামারে ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘ফেসবুকে ভিডিও দেখে এসেছি। সরাসরি দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি। এত বড় ছাগল আমাদের দিকে খুব একটা দেখা মেলে না।’ কলেজছাত্র শাওন হোসেন বলেন, ‘ছাগলগুলো শুধু বড়ই নয়, খুব সুন্দর। দেখলে মায়ায় জড়িয়ে যেতে হয়। দেখলেই বোঝা যায়, খুব যত্ন নেওয়া হয়।’

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের উপসহকারী কর্মকর্তা সালাউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, দেশে সাধারণত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করেন সবাই। তবে কেউ কেউ ক্রস জাতের ছাগল পালন করছেন। এই জাতের ছাগল অনেক বড় হয়। খরচ ও পরিশ্রম একটু বেশি হলেও এ ধরনের ছাগলের প্রচুর চাহিদা আছে।


আদ্‌-দ্বীনে ৬ নবজাতকের মৃত্যু: ৩ দিনের মধ্য তদন্ত প্রতিবেদন, ওয়ার্ড সিলগালা করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬

আদ্‌-দ্বীনে ৬ নবজাতকের মৃত্যু: ৩ দিনের মধ্য তদন্ত প্রতিবেদন, ওয়ার্ড সিলগালা করা হবে

ঢাকার আদ্‌-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে স্বাস্থ্য অধিদফতর। একই সঙ্গে হাসপাতালটির পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ড ২ সিলগালা করা হবে।

বুধবার (২৭ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (ডিজি) ডা, জাহিদ রায়হান এ তথ্য জানান।

তার মতে, পোস্ট অপারেটিভ থেকে এনআইসিইউতে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় ত্রুটি থাকতে পারে। আর হাসপাতাল কতৃপক্ষের গাফিলতি ছিল কি না বিস্তারিত জেনে জানাবেন বললেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে হাসপাতালটির নবজাতক ওয়ার্ডে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়। আজ বুধবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাসপাতালে গুরুতর আহত আরও নবজাতক থাকার কথা জানানো হয়।

উল্লেখ্য, এই ঘটনার কারণ ও অব্যবস্থাপনার তদন্তে উচ্চপর্যায়ের ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর ।


৪ ভাইয়ের নিয়ন্ত্রণে হুন্ডি সিন্ডিকেট? তদন্তে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য আলোচনায় এম এইচ মিঠু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬

৪ ভাইয়ের নিয়ন্ত্রণে হুন্ডি সিন্ডিকেট? তদন্তে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য আলোচনায় এম এইচ মিঠু

প্রতিবেদক: শাখাওয়াত হোসেন, মিরপুর।

দেশজুড়ে অবৈধ হুন্ডি ব্যবসা ও মানি লন্ডারিং চক্রের বিরুদ্ধে চলমান নজরদারির অংশ হিসেবে আলোচনায় এসেছে এম এইচ মিঠু ওরফে “মুখুষ ধরি মিঠু” নামের এক ব্যক্তির নাম। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে হুন্ডি ব্যবসার আড়ালে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।


সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে অবৈধ আর্থিক লেনদেন পরিচালনার অভিযোগ উঠে আসে। অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, আর্থিক লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য উঠে এসেছে এবং খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ হতে পারে।


অর্থপাচার ও হুন্ডি কার্যক্রম দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের হুমকি উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টরা বলেন, এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।


তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি এম এইচ মিঠুর পক্ষ থেকে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।