?> কুমিল্লা সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেবে বিএসএফ | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

কুমিল্লা সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেবে বিএসএফ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লা সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেবে বিএসএফ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশের পর আটক দুই পুলিশ সদস্যকে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিবির কুমিল্লা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রকিবুল হাসান।শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজার সার্বজনীন কেন্দ্রীয় কালীমন্দিরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

কর্নেল রকিবুল হাসান বলেন, দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের দুই সদস্য ভুলবশত ভারতের অভ্যন্তরে চলে গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে কথা হয়েছে। দুই দেশের অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে মাদকবিরোধী অভিযানে যায় ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের একটি দল। এ সময় পুলিশকে দেখে এক মাদক কারবারি পালানোর চেষ্টা করলে কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান তাকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে সীমান্তের ওপারে ভারতীয় নাগরিকেরা তাকে আটক করেন।

পরে দলের ইনচার্জ এএসআই ইমরান হোসেন তাকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে তাকেও আটক করা হয়। এরপর ঘটনাস্থলে থাকা বিএসএফ সদস্যদের ডেকে তাদের হাতে দুই পুলিশ সদস্যকে তুলে দেওয়া হয়।

এর আগে ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর একই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করায় র‍্যাব-১১-এর তিন সদস্য ও দুই সোর্সকে ভারতীয় নাগরিকেরা আটক করেছিলেন। পরে তাদের বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দুই দেশের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযান: সম্রাট বাহিনীর কবল থেকে ৪ জেলে উদ্ধার

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর, ২০২৬

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযান: সম্রাট বাহিনীর কবল থেকে ৪ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবনে কুখ্যাত বনদস্যু সম্রাট বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে খুলনার দাকোপ থানাধীন সুন্দরবনের শিপসা নদীর আরবানিয়া খালসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে বনদস্যুরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনের সক্রিয় বনদস্যু বাহিনী নির্মূল ও উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড জানতে পারে, কুখ্যাত সম্রাট বাহিনীর সদস্যরা খুলনার দাকোপ থানাধীন সুন্দরবনের শিপসা নদীর আরবানিয়া খালসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে গত ১১ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট নলিয়ান ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে বনদস্যুদের কবল থেকে জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়।

কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে বনদস্যুরা জিম্মি জেলেদের ফেলে বনের ভেতরে পালিয়ে যায়। ফলে অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া জেলেরা জানান, গত ১০ অক্টোবর সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গেলে সম্রাট বাহিনীর সদস্যরা তাঁদের ধরে নিয়ে যায়। পরে তাঁদের জিম্মি করে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে নির্যাতন করা হয়।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন—মইনুর (৫০), বাদশা গাজী (৩৯), সুজন হোসেন (৩৪) ও ইমামুল মল্লিক (২২)। তাঁরা সবাই খুলনা জেলার পাইকগাছা থানার বাসিন্দা। তাঁদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, সরকারের নির্দেশনা, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টায় সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে বনদস্যুমুক্ত করতে তারা আশাবাদী।

অভিযান-সংক্রান্ত ব্রিফিং প্রদান করেন লেফটেন্যান্ট সাকিব ইমরান, নেভিগেটিং অফিসার, বিসিজিএস স্বাধীন বাংলা।


প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নান্দনিক সাজে চট্টগ্রাম

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নান্দনিক সাজে চট্টগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর উপলক্ষ্যে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে নন্দনকানন বৌদ্ধ মন্দিরের সামনের সড়কে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জিত গোলচত্বর। পদ্মফুলের নকশা, বর্ণিল আলোকসজ্জা ও নান্দনিক স্থাপত্যে সাজানো এই গোলচত্বর নগরীর সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক হিসেবে নজর কেড়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নির্মিত গোলচত্বরটিতে পদ্মফুলের নান্দনিক নকশা বিশেষভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

আলোকসজ্জায় রাতে গোল চত্বরটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৌদ্ধ দর্শনের মৈত্রী, করুণা, অহিংসা ও শান্তির আদর্শের সঙ্গে পদ্মফুলের প্রতীকী সৌন্দর্য মিলিয়ে গোলচত্বরটির নকশা করা হয়েছে। ফলে স্থাপনাটি নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি, চট্টগ্রামের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের ঐতিহ্যকেও তুলে ধরছে।

চসিকের এই উদ্যোগের মাধ্যমে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে নান্দনিকভাবে সাজানোর পাশাপাশি, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগর গড়ে তোলার প্রচেষ্টা প্রতিফলিত হয়েছে। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে এ ধরনের উদ্যোগ চট্টগ্রামকে আরও আকর্ষণীয় ও বাসযোগ্য করে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ চট্টগ্রামকে আরও সুন্দর ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন নগরবাসী।

সাংঘিক বিহারের রূপকার অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ছিল বৌদ্ধ বিহারের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপন। একই দাবি ছিল সাধারণ বৌদ্ধ নর-নারীরও। অবশেষে, চসিকের উদ্যোগে সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হওয়ায় চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের পক্ষ থেকে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।


এছাড়াও চট্টগ্রামের বিভিন্ন গোল চত্বর গুলো নতুন রূপে সাজানো হয়েছে।


গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৮ ইউনিট

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৮ ইউনিট

গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট। এ ছাড়া আশপাশের আরও ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০ টার দিকে নগরীর টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকার বেক্সিমকো রোডে অবস্থিত ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল নামে ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। 

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মো. সাইদুল আলম চৌধুরী জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি আশপাশের আরও ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।