?> কুমিল্লা সীমান্ত থেকে দুই পুলিশ সদস্যকে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ | AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। AAA News । বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ, শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
শেয়ার বাজার

কুমিল্লা সীমান্ত থেকে দুই পুলিশ সদস্যকে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লা সীমান্ত থেকে দুই পুলিশ সদস্যকে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আশাবাড়ি সীমান্তে মাদক উদ্ধারে গিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের হাতে আটক হয়েছেন পুলিশের দুই সদস্য।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শশীদল ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটক পুলিশ সদস্যরা হলেন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইমরান হোসেন ও কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক উদ্ধারের জন্য সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালাতে যান ওই দুই সদস্য। এ সময় নতুন যোগ দেওয়া কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান পথ চিনতে না পেরে এক মাদক কারবারির বাড়ির দিকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে তিনি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলারসংলগ্ন নো ম্যানস ল্যান্ডে প্রবেশ করেন।

সেখানে স্থানীয় মাদক কারবারিরা তাকে আটক করেন। পরে রোহিতকে উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে এএসআই ইমরান হোসেনও আটক হন। এরপর স্থানীয় ব্যক্তিরা তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেন। বিএসএফ পরে দুজনকেই নিয়ে যায়।

ওসি মো. ফারুক হোসেন জানান, আটক দুই পুলিশ সদস্যকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বিয়েতে সাউন্ড বক্সে গান বাজানো নিয়ে সংঘর্ষ, কলেজছাত্র নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

বিয়েতে সাউন্ড বক্সে গান বাজানো নিয়ে সংঘর্ষ, কলেজছাত্র নিহত
নেত্রকোনায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে সাউন্ড বক্সে গান বাজানো ও ছবি তোলা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ফয়সাল আহমেদ (১৯) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও অন্তত তিনজন আহত হন।

গতকাল সোমবার রাতে সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের বাবনিকোনা সংসদ বাজার মসজিদের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফয়সাল আহমেদ ওই এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি নেত্রকোনার আবু আব্বাছ ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বাবনিকোনা সংসদ বাজার এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ইদ্রিস মিয়ার মেয়ের বিয়ে ছিল। এ উপলক্ষে দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে সাউন্ড বক্স বাজানো ও ছবি তোলা নিয়ে ফয়সাল আহমেদ ও তাঁর কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে একই গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে মাসুম মিয়ার কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মাসুম মিয়া তাঁর পরিবারের লোকজন নিয়ে ফয়সাল আহমেদসহ অন্যদের ওপর হামলা চালান।

এতে ফয়সাল, তাঁর চাচাতো ভাই রবিন মিয়া, চাচা সাদেকুল ইসলাম ও চাচাতো ভাই উজ্জ্বল মিয়ার ছেলে সৌরভ মিয়া আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফয়সাল ও সাদেকুলকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আড়াইটার দিকে ফয়সাল মারা যান।

নিহত ফয়সালের চাচা সাদেকুল ইসলাম বলেন, ‘মাসুম মিয়া, তার বাবা কামরুল ইসলাম, চাচাতো ভাই রাজন মিয়া, রিয়াজ মিয়া, মিলন মিয়াসহ কয়েকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় ফয়সাল নিহত হয়েছে, আমরা হাসপাতালে ভর্তি আছি। হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্যের জন্য মাসুম মিয়া ও অন্যদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফয়সালের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তাঁরা বাড়ি ছেড়ে পলাতক হয়েছেন।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিয়ের অনুষ্ঠানে সাউন্ড বক্স বাজানো ও ছবি তোলা নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় ফয়সাল আহমেদ নামের এক কলেজশিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া কয়েকজন আহত হন। নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক যুবককে পুলিশ আটক করেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আটকে অভিযান চলছে।’

সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট

সাভারের ছোট কালিয়াকৈর এলাকার কামালপুরে ১৭ একর বনভূমির জমিতে "এগ্রো ট্যুরিজম ও রিসোর্ট" নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে কতিপয় ব্যাক্তি। 
বাইরে থেকে তাদের প্রচারণা দেখে এটিকে আকর্ষণীয় ও পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগ মনে হলেও গভীরে রয়েছে মারাত্মক আইনি ও পরিবেশগত ঝুঁকি। 
সার্বিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই প্রজেক্টটি বাণিজ্যিক স্বার্থে পরিবেশ আইন ও সরকারি ভূমি নীতি লঙ্ঘন করে গড়ে তোলা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারীদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে।


​নিচে প্রজেক্টটির প্রধান প্রধান নেতিবাচক ও ঝুঁকিপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরা হলো:


​১. বন বিভাগের জমি লিজের আইনি বৈধতা ও বড় ধরনের উচ্ছেদ ঝুঁকি
​বন আইন লঙ্ঘন: বাংলাদেশের সংবিধান ও বিদ্যমান বন আইন অনুযায়ী, সরকারি বনভূমি বা সাব-বিটের অন্তর্ভুক্ত জমি বাণিজ্যিক রিসোর্ট, পর্যটন বা ব্যক্তিস্বার্থমূলক প্রজেক্টের জন্য ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
​চুক্তির শর্তে অসচ্ছতা: বন বিভাগের জমি সাধারণত সামাজিক বনায়ন বা নির্দিষ্ট পরিবেশগত উদ্দেশ্যে সাময়িক চুক্তিতে দেওয়া হয়। সেখানে সদস্য বা কোনো বেসরকারি স্বত্বাধিকারীর নামে বাণিজ্যিক রিসোর্ট বা পশুপালনের দোহাই দিয়ে জমি ব্যবহারের দাবি আইনি পর্যালোচনায় টিকবে না। সরকার যেকোনো মুহূর্তে এই লিজ বাতিল করে জমি পুনঃদখল করতে পারে, যার ফলে প্রজেক্টের পুরো বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে।


​২. কৃষি জমি অকৃষি খাতে রূপান্তর ও পরিবেশগত ক্ষতি। রিসোর্ট ও কটেজ নির্মাণের জন্য পাশেই ব্যক্তিগত কৃষি জমি কেনার যে পরিকল্পনা করা হয়েছে, তা দেশের "কৃষি জমি সুরক্ষা আইন"-এর চরম পরিপন্থী। উর্বর কৃষি জমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে স্থানীয় খাদ্য উৎপাদন ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করা হচ্ছে।
​ইকো-সিস্টেম বিপর্যয়: সাভারের বিরুলিয়া ও বন বিট সংলগ্ন এলাকাটি প্রাকৃতিক লেক, বনাঞ্চল ও কৃষিজমির জন্য পরিচিত। এখানে প্রতিদিন শত শত পর্যটকের সমাগম, বর্জ্য নিষ্কাশন ও শব্দদূষণ স্থানীয় জীববৈচিত্র্য, পশুপাখি এবং বনাঞ্চলকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলবে।


​৩. ​স্বচ্ছতার অভাব: মাত্র ২০টি শেয়ার বিক্রি করে ধাপে ধাপে বিনিয়োগ নেওয়ার কথা বলা হলেও প্রজেক্টের মোট বাজেট, লভ্যাংশ বণ্টন পদ্ধতি কিংবা জমি হস্তান্তরের কোনো স্পষ্ট ও আইনি ফ্রেমওয়ার্ক নেই। ​বিনিয়োগকারীদের জালিয়াতির আশঙ্কা: লিজ নেওয়া বনভূমির কোনো মালিকানা বিনিয়োগকারীদের দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে কোনো আইনি জটিলতায় প্রজেক্ট বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা তাদের অর্থ ফেরত পাবেন না। কেবল ক্রয়কৃত সামান্য কৃষিজমির ওপর নির্ভর করে এত বড় রিসোর্ট চালানো একটি চরম অদূরদর্শী ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসায়িক মডেল।


​৪. ​ভুল বার্তা ও ছদ্মবেশী পর্যটন: প্রতিবেদনে বলা হয়েছে পর্যটনের মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকের লাভ হবে। কিন্তু বাস্তবে বন ও কৃষিজমি দখল করে কৃত্রিম রিসোর্ট বানালে স্থানীয় কৃষকরা নিজেদের মূল জীবিকা ও জমি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
​কৃষির ক্ষতি: আধুনিক রিসোর্টের কোলাহল ও পর্যটকদের আনাগোনায় স্বাভাবিক চাষাবাদ ব্যাহত হবে এবং স্থানীয় গ্রামটির প্রাকৃতিক পরিবেশ চিরতরে নষ্ট হয়ে যাবে।

​উপসংহারে বলা যায় ​সাভার বন বিটের পাশে কামালপুরের এই এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্টটি একটি আইনি জটিলতায় ঘেরা ও পরিবেশবিরোধী উদ্যোগ। বনভূমির জমিতে রিসোর্ট পরিচালনা করা যেকোনো সময় সরকারি অভিযানের মুখে পড়তে পারে। পর্যাপ্ত আইনি অনুমোদন, পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (EIA) ছাড়পত্র এবং স্পষ্ট আর্থিক গ্যারান্টি ছাড়া এই প্রজেক্টে শেয়ার কেনা বা বিনিয়োগ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।


টাঙ্গাইলে মাদরাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতন, শিক্ষক আটক

Kayes@Aaa

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

টাঙ্গাইলে মাদরাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতন, শিক্ষক আটক

টাঙ্গাইলে ৯ বছরের এক মাদরাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছে শিশুটি। ইতোমধ্যে পুলিশ অভিযুক্ত মাদরাসাশিক্ষক হাফেজ হানিফ আলীকে আটক করেছে। বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, টাঙ্গাইলের ওই মাদরাসায় হাফেজ হওয়ার আশায় ৯ বছরের এক শিশু ভর্তি হয়। ছয় পারা কোরআন মুখস্থও করে সে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে পড়া শেষ করে নিজের কক্ষে শিশুটিকে ডেকে নিয়ে মাথার চুল টেনে দিতে বলেন হাফেজ হানিফ আলী। পরে মধ্যরাতে তাকে নির্যাতন করে নিজের কাছেই রেখে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কাউকে বললে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় শিশুটিকে। পরদিন শুক্রবার অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে ফিরে শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনার কথা জানায়। পরে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হলে তারা মাদরাসায় গিয়ে ঘটনার বিচার দাবি করেন।
ভুক্তভোগীর মা অভিযোগ করে বলেন, ছেলেকে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার জন্য মাদরাসায় পাঠিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমার নিষ্পাপ সন্তান এমন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। যে ব্যক্তি আমার ছেলের সঙ্গে এমন নোংরা কাজ করেছে, আমি তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। এমন শাস্তি চাই, যাতে আর কোনো মায়ের কোমল শিশুর সঙ্গে কেউ এমন কাজ করার সাহস না পায়।ঘটনার খবর সামাজিকভাবে ছড়িয়ে পড়লে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) মাদরাসা কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষক হানিফকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও ওই মাদরাসায় একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। তাদের অভিযোগ, সে সময় অভিযুক্ত শিক্ষককে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছিলেন বর্তমান অভিযুক্ত শিক্ষক হানিফ। তবে আগের ঘটনায় সতর্ক হলে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতো না বলে মন্তব্য করেন তারা।

ঘটনার পুনরাবৃত্তির অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে। তারা মাদরাসায় শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মাদরাসার সভাপতি কাওসার আহম্মেদ কায়েস বলেন, আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে অভিযোগটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।

ভুক্তভোগীর চাচা বলেন, আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। একটি শিশুর সঙ্গে এমন ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং দায়ী ব্যক্তির সর্বোচ্চ আইনগত শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোকসেদুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।